ঢাকা ১২:৪৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ১১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২৯ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ :
Logo ‘শুভেচ্ছা’ মোবাইল অ্যাপ ও কেন্দ্রীয় টিকিটিং সেবা ‘দ্রুত টিকেট’-এর উদ্বোধন Logo রমজানে ব্যাংকের নতুন সময়সূচি ঘোষণা বাংলাদেশ ব্যাংকের Logo ভোট দিতে সাহসী হওয়ার আহ্বান প্রধান উপদেষ্টার, নির্বাচনকে বললেন ঐতিহাসিক মাইলফলক Logo ভালুকায় নিহত দীপু দাসের পরিবারকে সহায়তা ও বাড়ি নির্মাণে সরকারের উদ্যোগ Logo নির্বাচন ও গণভোট সামনে রেখে আজ সন্ধ্যায় জাতির উদ্দেশে ভাষণ দেবেন প্রধান উপদেষ্টা Logo এপস্টেইন–সংক্রান্ত নথিতে উঠে এলো এক ফরাসি ফুটবল তারকার নাম Logo বার্সেলোনার সভাপতির পদ ছাড়লেন লাপোর্তা, মার্চে নতুন নির্বাচনে প্রার্থী হবেন Logo মার্কিন জাহাজকে ইরানের জলসীমা এড়িয়ে চলার নির্দেশ Logo ওসমান হাদির পরিবারের কাছে ফ্ল্যাটের দলিল ও চাবি হস্তান্তর করলেন প্রধান উপদেষ্টা Logo পঞ্চগড়ের আটোয়ারীতে বিএনপি ও জামায়াত কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষ

আজ পালিত হচ্ছে শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস

নিজস্ব সংবাদ : দেশ২৪লাইভ

ছবি সংগৃহীত

১৪ ডিসেম্বর, শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস। ১৯৭১ সালের এই দিনে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী ও তাদের দেশীয় দোসররা পরিকল্পিতভাবে হত্যা করে বাংলাদেশের শ্রেষ্ঠ বুদ্ধিজীবীদের। শিক্ষক, গবেষক, চিকিৎসক, প্রকৌশলী, সাংবাদিক, কবি ও সাহিত্যিকসহ বহু গুণী মানুষকে নির্মমভাবে হত্যা কিংবা গুম করা হয়।

বিজয়ের মাত্র দুই দিন আগে পরাজয় নিশ্চিত জেনে জাতিকে মেধাশূন্য করার ষড়যন্ত্রের অংশ হিসেবেই এই হত্যাযজ্ঞ চালানো হয়। ১৬ ডিসেম্বর পাকিস্তানি বাহিনীর আত্মসমর্পণের পর মিরপুর ও রায়েরবাজার বধ্যভূমিতে অনেক বুদ্ধিজীবীর নিথর দেহ পাওয়া যায়। তবে বহু শহীদ বুদ্ধিজীবীর মরদেহ আজও খুঁজে পাওয়া যায়নি।

উদ্ধার হওয়া মরদেহগুলোতে ছিল ভয়াবহ নির্যাতনের চিহ্ন। গুলি, বেয়নেটের আঘাত, জবাইসহ নানা নিষ্ঠুর পদ্ধতিতে তাদের হত্যা করা হয়। অনেক ক্ষেত্রে স্বজনরাও প্রিয়জনের মরদেহ শনাক্ত করতে পারেননি।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ বুদ্ধিজীবীদের মধ্যে ছিলেন এ এন এম মুনীর চৌধুরী, ড. জ্যোতির্ময় গুহঠাকুরতা, ড. জিসি দেব, মোফাজ্জল হায়দার চৌধুরী, আনোয়ার পাশা, এস এম রাশীদুল হাসান, ড. শাহাদাত আলী, ড. এম এ খায়ের, এ আর খান খাদিম, ড. এন এম ফয়জুল মাহী, ফজলুর রহমান খান, এ এন এম মুনীরুজ্জামান, ড. সিরাজুল হক খান, মো. সাদেক, শরাফত আলী, গিয়াসউদ্দিন আহমেদ ও অনুদ্বৈপায়ন ভট্টাচার্য। রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ শিক্ষকদের মধ্যে ছিলেন অধ্যাপক মীর আবদুল কাইয়ুম, হবিবর রহমান, সুখরঞ্জন সমাদ্দার ও ড. আবুল কালাম আজাদ।

সাংবাদিক শহীদদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য ছিলেন সিরাজুদ্দীন হোসেন, শহীদুল্লাহ কায়সার, খোন্দকার আবু তালেব, নিজামুদ্দীন আহমদ, আ ন ম গোলাম মোস্তফা, শহীদ সাবের, শেখ আবদুল মান্নান (লাডু), সৈয়দ নজমুল হক, এম আখতার, আবুল বাসার, চিশতী হেলালুর রহমান, শিবসদন চক্রবর্তী ও সেলিনা পারভীন।

এছাড়া সঙ্গীতজ্ঞ আলতাফ মাহমুদ, সাহিত্যিক পূর্ণেন্দু দস্তিদার, মেহেরুন্নেসা, দানবীর রণদাপ্রসাদ সাহাসহ আরও অসংখ্য গুণী মানুষ এই হত্যাকাণ্ডের শিকার হন।

দিবসটি উপলক্ষে আজ রোববার সারাদিন শহীদ বুদ্ধিজীবীদের স্মরণে বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করা হবে। সকাল সাড়ে ৮টা থেকে সর্বসাধারণের জন্য উন্মুক্ত থাকবে বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধ।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপডেট সময় ০১:৫৩:২৩ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৪ ডিসেম্বর ২০২৫
৬৬ বার পড়া হয়েছে

আজ পালিত হচ্ছে শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস

আপডেট সময় ০১:৫৩:২৩ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৪ ডিসেম্বর ২০২৫

১৪ ডিসেম্বর, শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস। ১৯৭১ সালের এই দিনে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী ও তাদের দেশীয় দোসররা পরিকল্পিতভাবে হত্যা করে বাংলাদেশের শ্রেষ্ঠ বুদ্ধিজীবীদের। শিক্ষক, গবেষক, চিকিৎসক, প্রকৌশলী, সাংবাদিক, কবি ও সাহিত্যিকসহ বহু গুণী মানুষকে নির্মমভাবে হত্যা কিংবা গুম করা হয়।

বিজয়ের মাত্র দুই দিন আগে পরাজয় নিশ্চিত জেনে জাতিকে মেধাশূন্য করার ষড়যন্ত্রের অংশ হিসেবেই এই হত্যাযজ্ঞ চালানো হয়। ১৬ ডিসেম্বর পাকিস্তানি বাহিনীর আত্মসমর্পণের পর মিরপুর ও রায়েরবাজার বধ্যভূমিতে অনেক বুদ্ধিজীবীর নিথর দেহ পাওয়া যায়। তবে বহু শহীদ বুদ্ধিজীবীর মরদেহ আজও খুঁজে পাওয়া যায়নি।

উদ্ধার হওয়া মরদেহগুলোতে ছিল ভয়াবহ নির্যাতনের চিহ্ন। গুলি, বেয়নেটের আঘাত, জবাইসহ নানা নিষ্ঠুর পদ্ধতিতে তাদের হত্যা করা হয়। অনেক ক্ষেত্রে স্বজনরাও প্রিয়জনের মরদেহ শনাক্ত করতে পারেননি।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ বুদ্ধিজীবীদের মধ্যে ছিলেন এ এন এম মুনীর চৌধুরী, ড. জ্যোতির্ময় গুহঠাকুরতা, ড. জিসি দেব, মোফাজ্জল হায়দার চৌধুরী, আনোয়ার পাশা, এস এম রাশীদুল হাসান, ড. শাহাদাত আলী, ড. এম এ খায়ের, এ আর খান খাদিম, ড. এন এম ফয়জুল মাহী, ফজলুর রহমান খান, এ এন এম মুনীরুজ্জামান, ড. সিরাজুল হক খান, মো. সাদেক, শরাফত আলী, গিয়াসউদ্দিন আহমেদ ও অনুদ্বৈপায়ন ভট্টাচার্য। রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ শিক্ষকদের মধ্যে ছিলেন অধ্যাপক মীর আবদুল কাইয়ুম, হবিবর রহমান, সুখরঞ্জন সমাদ্দার ও ড. আবুল কালাম আজাদ।

সাংবাদিক শহীদদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য ছিলেন সিরাজুদ্দীন হোসেন, শহীদুল্লাহ কায়সার, খোন্দকার আবু তালেব, নিজামুদ্দীন আহমদ, আ ন ম গোলাম মোস্তফা, শহীদ সাবের, শেখ আবদুল মান্নান (লাডু), সৈয়দ নজমুল হক, এম আখতার, আবুল বাসার, চিশতী হেলালুর রহমান, শিবসদন চক্রবর্তী ও সেলিনা পারভীন।

এছাড়া সঙ্গীতজ্ঞ আলতাফ মাহমুদ, সাহিত্যিক পূর্ণেন্দু দস্তিদার, মেহেরুন্নেসা, দানবীর রণদাপ্রসাদ সাহাসহ আরও অসংখ্য গুণী মানুষ এই হত্যাকাণ্ডের শিকার হন।

দিবসটি উপলক্ষে আজ রোববার সারাদিন শহীদ বুদ্ধিজীবীদের স্মরণে বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করা হবে। সকাল সাড়ে ৮টা থেকে সর্বসাধারণের জন্য উন্মুক্ত থাকবে বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধ।