ঢাকা ০১:৩৭ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ :
Logo মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের শুভেচ্ছা বার্তা ও উপহার পৌঁছাল তারেক রহমানের কার্যালয়ে Logo বিদায় মুহূর্তে প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য Logo মন্ত্রিপরিষদ সচিবের অতিরিক্ত দায়িত্ব পেলেন এম সিরাজ উদ্দিন মিয়া Logo নতুন সরকারের শপথ গ্রহণ সোমবার অনুষ্ঠিত হবে Logo রাজশাহী–৩ আসনে বিজয়ী বিএনপি প্রার্থীর সৌজন্য সাক্ষাৎ পরাজিত জামায়াত প্রার্থীর বাসায় Logo ৩০ আসনে ফল পাল্টানোর অভিযোগ, পুনর্গণনা ও শপথ স্থগিত চায় জামায়াত Logo শান্তিপূর্ণ নির্বাচন সম্পন্ন হওয়ায় বাংলাদেশকে অভিনন্দন জানাল ইতালিয়ান দূতাবাস Logo গণতন্ত্র রক্ষায় সরকার ও বিরোধী দলের দায়িত্বশীল ভূমিকার ওপর গুরুত্বারোপ করলেন তারেক রহমান Logo মন্ত্রিপরিষদ সদস্যদের শপথ ১৮ ফেব্রুয়ারির মধ্যে হবে মন্ত্রিপরিষদ সচিব জানান Logo নাহিদ ইসলামের নেতৃত্বে এনসিপি’র সাফল্যকে প্রধান উপদেষ্টা অসাধারণ অর্জন হিসেবে বর্ণনা করেছেন

দোহায় ইসরায়েলি হামলার পর আলোচনায় কাতারের প্রতিরক্ষা সক্ষমতা

নিজস্ব সংবাদ : দেশ২৪লাইভ

 

কাতারের রাজধানী দোহায় হামাস নেতাদের লক্ষ্য করে চালানো ইসরায়েলি বিমান হামলার পর দেশটির সামরিক সক্ষমতা নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে। ইসরায়েলের ১২টি যুদ্ধবিমান কাতারের আকাশসীমা লঙ্ঘন করে এই হামলায় অংশ নেয়। যদিও ইসরায়েলি ক্ষেপণাস্ত্র হামলার পর কাতারের পক্ষ থেকে কোনো প্রতিরোধমূলক পদক্ষেপ দেখা যায়নি, যা দেশটির প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার দুর্বলতাকেই সামনে এনেছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

তেলসম্পদে সমৃদ্ধ কাতার অর্থনৈতিকভাবে অত্যন্ত শক্তিশালী একটি দেশ। আরব অঞ্চলে তাদের রাজনৈতিক অবস্থানও যথেষ্ট গুরুত্বপূর্ণ। তবে মঙ্গলবার দোহায় কূটনৈতিক এলাকায় ইসরায়েলি হামলা দেশটির নিরাপত্তা প্রস্তুতির বাস্তব চিত্র তুলে ধরেছে।

গ্লোবাল পাওয়ার ইনডেক্স ২০২৫ অনুযায়ী, সামরিক শক্তির দিক থেকে কাতারের অবস্থান ১৪৫টি দেশের মধ্যে ৭২তম। তাদের সেনাবাহিনীর আধুনিক সরঞ্জাম ও প্রতিরক্ষা ক্ষমতা থাকলেও, সামরিক শক্তিতে অনেক এগিয়ে থাকা ইসরায়েলের (১৫তম স্থান) সঙ্গে এই ব্যবধান চোখে পড়ার মতো।

বর্তমানে কাতারের আকাশসীমা রক্ষায় ১২৫টি যুদ্ধবিমান রয়েছে, যার মধ্যে ৩১টি অত্যাধুনিক ফাইটার জেট (রাফায়েল ও টাইফুন) অন্তর্ভুক্ত। এছাড়া আছে ৪৬টি সামরিক হেলিকপ্টার ও ১২টি পরিবহন বিমান। দেশটি যুক্তরাজ্য, জার্মানি এবং ফ্রান্স থেকে আরও সামরিক বিমান কেনার পরিকল্পনাও করছে।

কাতারের সেনাবাহিনীতে বর্তমানে সক্রিয় সদস্য প্রায় ৬৮ হাজার, মোট সদস্য সংখ্যা ৮৭ হাজারের বেশি। সামরিক বহরে রয়েছে প্রায় ১০০টি ট্যাঙ্ক ও ৫,০০০-এরও বেশি সাঁজোয়া যান।

তবে সমুদ্রপথে প্রতিরক্ষা ব্যবস্থায় কাতার তুলনামূলকভাবে পিছিয়ে। তাদের নৌবাহিনীর অস্ত্রভাণ্ডারে আছে ১০৫টি নজরদারি জাহাজ ও মাত্র ৪টি করভেট। এ ছাড়া ড্রোন, হেলফায়ার ক্ষেপণাস্ত্র এবং স্বল্প পাল্লার বিভিন্ন মিসাইল থাকলেও কাতারের কাছে নেই কোনো ব্যালিস্টিক বা পারমাণবিক অস্ত্র।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

আপডেট সময় ১২:৪৭:০৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৫
১০৬ বার পড়া হয়েছে

দোহায় ইসরায়েলি হামলার পর আলোচনায় কাতারের প্রতিরক্ষা সক্ষমতা

আপডেট সময় ১২:৪৭:০৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৫

 

কাতারের রাজধানী দোহায় হামাস নেতাদের লক্ষ্য করে চালানো ইসরায়েলি বিমান হামলার পর দেশটির সামরিক সক্ষমতা নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে। ইসরায়েলের ১২টি যুদ্ধবিমান কাতারের আকাশসীমা লঙ্ঘন করে এই হামলায় অংশ নেয়। যদিও ইসরায়েলি ক্ষেপণাস্ত্র হামলার পর কাতারের পক্ষ থেকে কোনো প্রতিরোধমূলক পদক্ষেপ দেখা যায়নি, যা দেশটির প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার দুর্বলতাকেই সামনে এনেছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

তেলসম্পদে সমৃদ্ধ কাতার অর্থনৈতিকভাবে অত্যন্ত শক্তিশালী একটি দেশ। আরব অঞ্চলে তাদের রাজনৈতিক অবস্থানও যথেষ্ট গুরুত্বপূর্ণ। তবে মঙ্গলবার দোহায় কূটনৈতিক এলাকায় ইসরায়েলি হামলা দেশটির নিরাপত্তা প্রস্তুতির বাস্তব চিত্র তুলে ধরেছে।

গ্লোবাল পাওয়ার ইনডেক্স ২০২৫ অনুযায়ী, সামরিক শক্তির দিক থেকে কাতারের অবস্থান ১৪৫টি দেশের মধ্যে ৭২তম। তাদের সেনাবাহিনীর আধুনিক সরঞ্জাম ও প্রতিরক্ষা ক্ষমতা থাকলেও, সামরিক শক্তিতে অনেক এগিয়ে থাকা ইসরায়েলের (১৫তম স্থান) সঙ্গে এই ব্যবধান চোখে পড়ার মতো।

বর্তমানে কাতারের আকাশসীমা রক্ষায় ১২৫টি যুদ্ধবিমান রয়েছে, যার মধ্যে ৩১টি অত্যাধুনিক ফাইটার জেট (রাফায়েল ও টাইফুন) অন্তর্ভুক্ত। এছাড়া আছে ৪৬টি সামরিক হেলিকপ্টার ও ১২টি পরিবহন বিমান। দেশটি যুক্তরাজ্য, জার্মানি এবং ফ্রান্স থেকে আরও সামরিক বিমান কেনার পরিকল্পনাও করছে।

কাতারের সেনাবাহিনীতে বর্তমানে সক্রিয় সদস্য প্রায় ৬৮ হাজার, মোট সদস্য সংখ্যা ৮৭ হাজারের বেশি। সামরিক বহরে রয়েছে প্রায় ১০০টি ট্যাঙ্ক ও ৫,০০০-এরও বেশি সাঁজোয়া যান।

তবে সমুদ্রপথে প্রতিরক্ষা ব্যবস্থায় কাতার তুলনামূলকভাবে পিছিয়ে। তাদের নৌবাহিনীর অস্ত্রভাণ্ডারে আছে ১০৫টি নজরদারি জাহাজ ও মাত্র ৪টি করভেট। এ ছাড়া ড্রোন, হেলফায়ার ক্ষেপণাস্ত্র এবং স্বল্প পাল্লার বিভিন্ন মিসাইল থাকলেও কাতারের কাছে নেই কোনো ব্যালিস্টিক বা পারমাণবিক অস্ত্র।