ধর্ষণের ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার ভয়ে দুই বছর শারীরিক সম্পর্কে বাধ্য হন ছাত্রী

0

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

স্থানীয় এক প্রভাবশালীর বিরুদ্ধে দশম শ্রেণির এক মাদরাসাছাত্রীকে দুই বছর ধরে ধর্ষণ ও ছবি মোবাইল ফোনে ধারণ করে ব্ল্যাকমেইল করার অভিযোগ উঠেছে। ওই শিক্ষার্থীর বাবা বাদী হয়ে তিন জনের বিরুদ্ধে কোতোয়ালী থানায় মামলা করেছেন। তবে মামলার ১০ দিন পরও পুলিশ কাউকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি। যদিও পুলিশের দাবি, আসামিকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

ধর্ষণের শিকার মেয়েটির স্বজনরা জানান, এলাকার প্রভাবশালী আনোয়ার হোসেন বেশ কিছুদিন ধরে মেয়েটিকে বিভিন্ন প্রলোভন দেখিয়ে কুপ্রস্তাব দিয়ে আসছিলেন। বছর দুয়েক আগে মেয়েটিকে জোরপূর্বক গাড়িতে তুলে ধর্ষণ এবং ভিডিও চিত্র ধারণ করেন। পরবর্তীতে ভিডিও চিত্র ফাঁস করে দেওয়ার ভয় দেখিয়ে বিভিন্ন সময় আবারও ধর্ষণ করেন। সবশেষ ২৫ জানুয়ারি ওই ছাত্রীটিকে বাড়িতে ডেকে নিয়ে ধর্ষণ করেন অভিযুক্ত আনোয়ার। ৭ ফেব্রুয়ারি ছাত্রীটির বাবা বাদী হয়ে কোতোয়ালী থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে এবং ২০১২ সালের পর্ণোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা করেন।

মাদরাসার শিক্ষক বলেন, সে আমার ছাত্রীর সঙ্গে যে কাজটি করেছে তার আমি কঠিন শাস্তি চাই।

ভিকটিম জানান, বিভিন্ন বিষয়ে আমাকে ভয়ভীতি দেখিয়ে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে ও ভিডিও চিত্র ধারণ করে। প্রধান আসামি গ্রেফতার না হওয়ায় আতঙ্কের মধ্যে রয়েছে ছাত্রীর পরিবার।

ভিকটিমের পরিবার জানান, সে এখনও গ্রেপ্তার হয়নি। ভয়ের মধ্যে আমাদের দিন কাটছে। তার বিচার চাই।

ভিকটিমের ডাক্তারি পরীক্ষা শেষ করার পর আদালতে জবানবন্দি রেকর্ড করা হয়েছে। তাদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে বলে জানান কোতোয়ালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকতা (ওসি) মোজাফর হোসেন।

তিনি বলেন, মামলাটি তদন্তাধীন রয়েছে। মামলায় যারা আসামি রয়েছে, তাদেরকে গ্রেপ্তার করতে আমাদের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

Leave A Reply

Your email address will not be published.