ঢাকা ০৯:২৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৭ ডিসেম্বর ২০২৫, ৩ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ :
Logo আইপিএলে ইতিহাস গড়লেন মোস্তাফিজ, রেকর্ড দামে দলে নিল কলকাতা Logo বিজয় দিবসে সন্ধ্যায় জাতির উদ্দেশে ভাষণ দেবেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস Logo বিজয় দিবসে সন্ধ্যায় জাতির উদ্দেশে ভাষণ দেবেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস Logo বিজয় দিবসে জাতীয় স্মৃতিসৌধে জনসমুদ্র, শ্রদ্ধায় স্মরণ বীর শহীদদের Logo ভরিতে সর্বোচ্চ ১,৪৭০ টাকা বাড়ল স্বর্ণের দাম, নতুন দর কার্যকর ১৬ ডিসেম্বর থেকে Logo হাদি হত্যাচেষ্টা মামলায় ফয়সালের স্ত্রীসহ তিনজনের ৫ দিনের জিজ্ঞাসাবাদ মঞ্জুর Logo টাঙ্গাইলে ভেজাল জিরা বিক্রি করায় এক ব্যবসায়ীকে ২ লাখ টাকা জরিমানা Logo বিদেশে শরিফ ওসমান হাদির চিকিৎসা ব্যয় বহন করবে সরকার: অর্থ উপদেষ্টা Logo ‘একদম শুইয়ে দেব’, কোয়াব ম্যাচ ঘিরে মজার চ্যালেঞ্জ শান্তর Logo হাদির ওপর হামলা: ফয়সালের স্ত্রী, বান্ধবী ও শ্যালকসহ তিনজন র‌্যাবের হেফাজতে

শারীরিক সৌন্দর্য ও মানসিক স্বাস্থ্যের উন্নতিতে সকালে যে ব্যায়াম করবেন

নিজস্ব সংবাদ :

ছবি সংগৃহীত

নিয়মিত একটি সহজ ব্যায়ামের অনুশীলনই বদলে দিতে পারে আপনার জীবন। এমনটাই মনে করছেন ইয়োগা বিশেষজ্ঞরা। তাই সুস্থ ও সুন্দর জীবনের জন্য ঘুম থেকে উঠেই সকালে নিয়মিত একটি সহজ ব্যায়াম অনুশীলন করতে পারেন।

 

জিমনেশিয়াম বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সকালে ঘুম থেকে উঠেই একটি সহজ ব্যায়ামকে নিয়মিত অনুশীলনের জন্য বেছে নিতে পারেন। এতে করে শুধু শারীরিক সৌন্দর্যই নিশ্চিত হবে না। পাশাপাশি নিশ্চিত হবে মানসিক স্বাস্থ্যেরও উন্নতি।

 

সকালে ঘুম থেকে উঠে সহজ যে ব্যায়মটিকে নিয়মিত অনুশীলনের জন্য বেছে নেবেন সেটি হলো বজ্রাসন। বিভিন্ন আসনের মধ্যে এ আসনটি সবচেয়ে সহজ আসন।
 
বজ্রাসন অনুশীলনরে নিয়ম: প্রথমে শুয়ে পড়ে ধীরে ধীরে আপনার দুটি পা ওপরে তুলুন। এবার হাত দুটো কনুইয়ের কাছ থেকে ভেঙে কোমরের দু’পাশে ধরুন এবং কনুইয়ের ওপরে জোর দিয়ে কোমর ও পা সোজা অবস্থায় ওপরে তুলে নিয়ে আসুন। ৯০ ডিগ্রি পজিশনে উঁচু করা পায়ের বুড়ো আঙুল মাথা বরাবর থাকবে। থুতনিটি বুকের সঙ্গে এভাবে দিনে তিনবার অনুশীলন করুন।
 
এ আসন অনুশীলন করার পর একবার করে শবাসন করার নিয়ম রয়েছে।
 
শবাসন: সবচেয়ে সহজ আসন মনে হলেও শবাসন করতে মানসিক স্থিরতার প্রয়োজন। চিত হয়ে শুয়ে পা দুটি লম্বা করে ছড়িয়ে দিন। দুটি হাত শরীরের দু’পাশে শরীরসংলগ্ন রাখুন। হাতের তালু দুটি শিথিল করে রাখুন। চোখ বন্ধ করুন। বেশ কিছুক্ষণ এভাবে মরার মতো পড়ে থাকার পর ধীরে ধীরে উঠে বসুন। এতে মন এবং মস্তিষ্ক দুটোই শান্ত থাকবে।
 
 
প্রতিদিন নির্দিষ্ট সময়ে এই আসনগুলো অনুশীলনের অভ্যাস গড়ে তুললে যেসব উপকার মিলবে সেগুলো হলো-
১। শরীরে কোনও নেতিবাচক চাপ পড়বে না।
২। রক্ত সঞ্চালনকে বাড়িয়ে তোলে যা ত্বকের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধি করে।
৩। নিয়মিত বজ্রাসনে চুলের স্বাস্থ্য উন্নত হয় এবং গোড়া শক্ত হয়। এর ফলে চুল সহজে ঝরে পড়ে না। বরং আগের তুলনায় হয় লম্বা, ঘন আরও মজবুত হয়।
৪। জয়েন্টের ব্যথা দূর হয়।
৫। কোমর, কাঁধ, হাঁটু ও গোড়ালি দৃঢ় হয়।
৬। পায়ের পাতার অসাড়তা রোধ করে।
৭। হজমশক্তি বাড়ায়।
৮। অনিদ্রার সমস্যা দূর হয়।
৯। মনের প্রশান্তি বাড়ায়।
১০। আথ্রাইটিস হওয়ার শঙ্কা কমে যায়।
১১। অক্সিজেনের সরবরাহ বাড়িয়ে তোলে যা শরীরকে সুস্থ ও সতেজ রাখে। 

নিউজটি শেয়ার করুন

আপডেট সময় ০৮:২০:৩৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২১ অক্টোবর ২০২৪
৩২৮ বার পড়া হয়েছে

শারীরিক সৌন্দর্য ও মানসিক স্বাস্থ্যের উন্নতিতে সকালে যে ব্যায়াম করবেন

আপডেট সময় ০৮:২০:৩৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২১ অক্টোবর ২০২৪

নিয়মিত একটি সহজ ব্যায়ামের অনুশীলনই বদলে দিতে পারে আপনার জীবন। এমনটাই মনে করছেন ইয়োগা বিশেষজ্ঞরা। তাই সুস্থ ও সুন্দর জীবনের জন্য ঘুম থেকে উঠেই সকালে নিয়মিত একটি সহজ ব্যায়াম অনুশীলন করতে পারেন।

 

জিমনেশিয়াম বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সকালে ঘুম থেকে উঠেই একটি সহজ ব্যায়ামকে নিয়মিত অনুশীলনের জন্য বেছে নিতে পারেন। এতে করে শুধু শারীরিক সৌন্দর্যই নিশ্চিত হবে না। পাশাপাশি নিশ্চিত হবে মানসিক স্বাস্থ্যেরও উন্নতি।

 

সকালে ঘুম থেকে উঠে সহজ যে ব্যায়মটিকে নিয়মিত অনুশীলনের জন্য বেছে নেবেন সেটি হলো বজ্রাসন। বিভিন্ন আসনের মধ্যে এ আসনটি সবচেয়ে সহজ আসন।
 
বজ্রাসন অনুশীলনরে নিয়ম: প্রথমে শুয়ে পড়ে ধীরে ধীরে আপনার দুটি পা ওপরে তুলুন। এবার হাত দুটো কনুইয়ের কাছ থেকে ভেঙে কোমরের দু’পাশে ধরুন এবং কনুইয়ের ওপরে জোর দিয়ে কোমর ও পা সোজা অবস্থায় ওপরে তুলে নিয়ে আসুন। ৯০ ডিগ্রি পজিশনে উঁচু করা পায়ের বুড়ো আঙুল মাথা বরাবর থাকবে। থুতনিটি বুকের সঙ্গে এভাবে দিনে তিনবার অনুশীলন করুন।
 
এ আসন অনুশীলন করার পর একবার করে শবাসন করার নিয়ম রয়েছে।
 
শবাসন: সবচেয়ে সহজ আসন মনে হলেও শবাসন করতে মানসিক স্থিরতার প্রয়োজন। চিত হয়ে শুয়ে পা দুটি লম্বা করে ছড়িয়ে দিন। দুটি হাত শরীরের দু’পাশে শরীরসংলগ্ন রাখুন। হাতের তালু দুটি শিথিল করে রাখুন। চোখ বন্ধ করুন। বেশ কিছুক্ষণ এভাবে মরার মতো পড়ে থাকার পর ধীরে ধীরে উঠে বসুন। এতে মন এবং মস্তিষ্ক দুটোই শান্ত থাকবে।
 
 
প্রতিদিন নির্দিষ্ট সময়ে এই আসনগুলো অনুশীলনের অভ্যাস গড়ে তুললে যেসব উপকার মিলবে সেগুলো হলো-
১। শরীরে কোনও নেতিবাচক চাপ পড়বে না।
২। রক্ত সঞ্চালনকে বাড়িয়ে তোলে যা ত্বকের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধি করে।
৩। নিয়মিত বজ্রাসনে চুলের স্বাস্থ্য উন্নত হয় এবং গোড়া শক্ত হয়। এর ফলে চুল সহজে ঝরে পড়ে না। বরং আগের তুলনায় হয় লম্বা, ঘন আরও মজবুত হয়।
৪। জয়েন্টের ব্যথা দূর হয়।
৫। কোমর, কাঁধ, হাঁটু ও গোড়ালি দৃঢ় হয়।
৬। পায়ের পাতার অসাড়তা রোধ করে।
৭। হজমশক্তি বাড়ায়।
৮। অনিদ্রার সমস্যা দূর হয়।
৯। মনের প্রশান্তি বাড়ায়।
১০। আথ্রাইটিস হওয়ার শঙ্কা কমে যায়।
১১। অক্সিজেনের সরবরাহ বাড়িয়ে তোলে যা শরীরকে সুস্থ ও সতেজ রাখে।