ঢাকা ০৪:১৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৪ মার্চ ২০২৬, ১৯ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ :
Logo স্বপ্নের মঞ্চে বাংলাদেশের মেয়েরা, চীনের বিপক্ষে লড়াইয়ে ইতিবাচক বার্তা Logo ইরানে যৌথ হামলায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৭৮৭: রেড ক্রিসেন্ট Logo আদালতে গণভোটের বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন তোলা হচ্ছে: নাহিদ ইসলামের মন্তব্য Logo ইরান পরিস্থিতি নিয়ে ভারতের অবস্থান পরিষ্কার করার আহ্বান রাহুল গান্ধির Logo জনমুখী খাতে নতুন সরকারের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সহযোগিতা চায় ভারত Logo ক্লিন অ্যান্ড গ্রিন ঢাকা’ পরিকল্পনায় প্রধানমন্ত্রীর সহায়তা চাইল দুই সিটি করপোরেশন Logo ইরানের গেরাশে ৪.৩ মাত্রার ভূমিকম্প আঘাত Logo সীতাকুণ্ড ইকোপার্কে ছুরিকাঘাতে জখম শিশুর মৃত্যু Logo দুদকের শীর্ষ তিন কর্মকর্তা একযোগে সরে দাঁড়ালেন Logo পথে পথে চাঁদার বোঝা, হাটের ৩৭ টাকার বেগুন ঢাকায় ১০০

দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার চার দেশে বন্যা–ভূমিধসে প্রাণহানির সংখ্যা পেরোল এক হাজার

নিজস্ব সংবাদ : দেশ২৪লাইভ

ছবি সংগৃহীত

দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার চার দেশে টানা বৃষ্টি, ভয়াবহ বন্যা এবং ভূমিধসে মৃত্যুর সংখ্যা এক হাজার ছাড়িয়েছে। সোমবার (১ ডিসেম্বর) সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, কয়েক দিন ধরে চলমান উদ্ধার অভিযানের মধ্যেই বহু মানুষ এখনো বাস্তুচ্যুত অবস্থায় রয়েছে।

আল জাজিরার তথ্যমতে, অস্বাভাবিক গ্রীষ্মমণ্ডলীয় ঝড়ের পর ইন্দোনেশিয়া, মালয়েশিয়া, থাইল্যান্ড ও শ্রীলঙ্কার বিস্তীর্ণ এলাকায় মারাত্মক ক্ষতি হয়েছে। এসব দেশে এখন পর্যন্ত মোট ১,০১৪ জনের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করা হয়েছে। প্রতিকূল আবহাওয়া ও বিচ্ছিন্ন যোগাযোগব্যবস্থার মধ্যেও ক্ষতিগ্রস্তদের কাছে ত্রাণ পৌঁছে দেওয়ার চেষ্টা অব্যাহত আছে।

ইন্দোনেশিয়ার প্রেসিডেন্ট প্রাবোও সুবিয়ান্তো উত্তর সুমাত্রার দুর্যোগপ্রবণ অঞ্চলগুলো পরিদর্শন করে বলেন, সরকারের প্রধান লক্ষ্য হলো দ্রুততম সময়ে বিচ্ছিন্ন গ্রামগুলোতে সহায়তা পৌঁছে দেওয়া। এ জন্য দেশটি হেলিকপ্টার ও বিমান মোতায়েন করেছে। দেশটিতে বন্যা ও ভূমিধসের কারণে অন্তত ৫০২ জন নিহত হয়েছেন এবং অনেকেই এখনো নিখোঁজ।

শ্রীলঙ্কায় ঘূর্ণিঝড় ‘ডিটওয়াহ’–এর প্রভাবে সৃষ্টি হওয়া বন্যা ও ভূমিধসে এখন পর্যন্ত ৩৩৪ জনের মৃত্যু নিশ্চিত হয়েছে। দেশটির দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা সংস্থা জানিয়েছে, নিখোঁজ অনেক মানুষের খোঁজ পাওয়া না যাওয়ায় হতাহতের সংখ্যা আরও বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে। পরিস্থিতি মোকাবিলায় শ্রীলঙ্কা আন্তর্জাতিক সহায়তা চেয়েছে এবং প্রেসিডেন্ট অনুরা কুমারা দিসানায়ে জরুরি অবস্থা জারি করেছেন।

থাইল্যান্ডের তথ্য অনুযায়ী, দেশটির দক্ষিণাঞ্চলে চলমান বন্যায় মৃত্যু বেড়ে ১৭৬ জনে দাঁড়িয়েছে। ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য ত্রাণ বিতরণ চললেও সরকারের দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা নিয়ে সমালোচনা বাড়ছে বলে এএফপির প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

মালয়েশিয়ার পার্লিস রাজ্যে প্রবল বর্ষণে পৃথক দুটি মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে।

তথ্যসূত্র: আল জাজিরা, বিবিসি

নিউজটি শেয়ার করুন

আপডেট সময় ০২:৩১:৫৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ১ ডিসেম্বর ২০২৫
৫২ বার পড়া হয়েছে

দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার চার দেশে বন্যা–ভূমিধসে প্রাণহানির সংখ্যা পেরোল এক হাজার

আপডেট সময় ০২:৩১:৫৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ১ ডিসেম্বর ২০২৫

দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার চার দেশে টানা বৃষ্টি, ভয়াবহ বন্যা এবং ভূমিধসে মৃত্যুর সংখ্যা এক হাজার ছাড়িয়েছে। সোমবার (১ ডিসেম্বর) সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, কয়েক দিন ধরে চলমান উদ্ধার অভিযানের মধ্যেই বহু মানুষ এখনো বাস্তুচ্যুত অবস্থায় রয়েছে।

আল জাজিরার তথ্যমতে, অস্বাভাবিক গ্রীষ্মমণ্ডলীয় ঝড়ের পর ইন্দোনেশিয়া, মালয়েশিয়া, থাইল্যান্ড ও শ্রীলঙ্কার বিস্তীর্ণ এলাকায় মারাত্মক ক্ষতি হয়েছে। এসব দেশে এখন পর্যন্ত মোট ১,০১৪ জনের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করা হয়েছে। প্রতিকূল আবহাওয়া ও বিচ্ছিন্ন যোগাযোগব্যবস্থার মধ্যেও ক্ষতিগ্রস্তদের কাছে ত্রাণ পৌঁছে দেওয়ার চেষ্টা অব্যাহত আছে।

ইন্দোনেশিয়ার প্রেসিডেন্ট প্রাবোও সুবিয়ান্তো উত্তর সুমাত্রার দুর্যোগপ্রবণ অঞ্চলগুলো পরিদর্শন করে বলেন, সরকারের প্রধান লক্ষ্য হলো দ্রুততম সময়ে বিচ্ছিন্ন গ্রামগুলোতে সহায়তা পৌঁছে দেওয়া। এ জন্য দেশটি হেলিকপ্টার ও বিমান মোতায়েন করেছে। দেশটিতে বন্যা ও ভূমিধসের কারণে অন্তত ৫০২ জন নিহত হয়েছেন এবং অনেকেই এখনো নিখোঁজ।

শ্রীলঙ্কায় ঘূর্ণিঝড় ‘ডিটওয়াহ’–এর প্রভাবে সৃষ্টি হওয়া বন্যা ও ভূমিধসে এখন পর্যন্ত ৩৩৪ জনের মৃত্যু নিশ্চিত হয়েছে। দেশটির দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা সংস্থা জানিয়েছে, নিখোঁজ অনেক মানুষের খোঁজ পাওয়া না যাওয়ায় হতাহতের সংখ্যা আরও বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে। পরিস্থিতি মোকাবিলায় শ্রীলঙ্কা আন্তর্জাতিক সহায়তা চেয়েছে এবং প্রেসিডেন্ট অনুরা কুমারা দিসানায়ে জরুরি অবস্থা জারি করেছেন।

থাইল্যান্ডের তথ্য অনুযায়ী, দেশটির দক্ষিণাঞ্চলে চলমান বন্যায় মৃত্যু বেড়ে ১৭৬ জনে দাঁড়িয়েছে। ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য ত্রাণ বিতরণ চললেও সরকারের দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা নিয়ে সমালোচনা বাড়ছে বলে এএফপির প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

মালয়েশিয়ার পার্লিস রাজ্যে প্রবল বর্ষণে পৃথক দুটি মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে।

তথ্যসূত্র: আল জাজিরা, বিবিসি