ঢাকা ১১:৩৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ ২০২৬, ৩ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ :
Logo উত্তরার শপিং কমপ্লেক্সে ভাঙচুর মামলায় ১১ জনের দুই দিনের রিমান্ড Logo রাত ১টার মধ্যে কয়েকটি অঞ্চলে ঝড়ের সম্ভাবনা, নদীবন্দরে সতর্কসংকেত Logo ঈদযাত্রায় নৌপথে অতিরিক্ত ভাড়ার অভিযোগ নেই: প্রতিমন্ত্রী রাজিব আহসান Logo শবে কদরের ছুটির দিনেও সচিবালয়ে মন্ত্রিসভার বৈঠক Logo জুলাই সনদ ও গণভোটের সাংবিধানিক ভিত্তি নিয়ে নতুন বিতর্ক, বাস্তবায়ন নিয়ে প্রশ্ন Logo ফিটনেস সমস্যায় ব্রাজিলের প্রাথমিক দলে নেইমার নেই Logo মোস্তাফিজের হাঁটুর চোট নিয়ে আপডেট Logo হামলার ঠিক আগে কক্ষ ছাড়ায় অল্পের জন্য রক্ষা পান মোজতবা খামেনি Logo ঈদে বাড়ি ফেরার পথে সড়ক দুর্ঘটনায় একই পরিবারের তিনজনের প্রাণহানি Logo জনকল্যাণে কাজ করে দৃষ্টান্ত গড়বে বিরোধীদল: জামায়াত আমির

পঞ্চগড়ে অবৈধ ইটভাটার বিরুদ্ধে অভিযান, দুইটি ভাটা উচ্ছেদ

নিজস্ব সংবাদ : দেশ২৪লাইভ

পঞ্চগড় জেলায় অবৈধ ইটভাটার কার্যক্রম বন্ধে কঠোর পদক্ষেপ নিয়েছে জেলা প্রশাসন। এই উদ্যোগের অংশ হিসেবে জেলার বিভিন্ন এলাকায় বেআইনিভাবে পরিচালিত ইটভাটার বিরুদ্ধে উচ্ছেদ অভিযান শুরু করা হয়েছে। এরই মধ্যে দুটি অবৈধ ইটভাটা সম্পূর্ণভাবে উচ্ছেদ করা হয়েছে।

শনিবার (১৩ ডিসেম্বর) দেবীগঞ্জ উপজেলার বানুরহাট এলাকায় অবস্থিত মেসার্স জে এ বি ব্রিকস এবং বোদা উপজেলার মন্নাপাড়া এলাকার মেসার্স বি বি ব্রিকস নামের দুটি ইটভাটায় অভিযান চালানো হয়। অভিযানের সময় ভাটাগুলোর চিমনি ভেঙে ফেলা হয়, বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হয় এবং জ্বালানো আগুন নিভিয়ে দেওয়া হয়। পাশাপাশি প্রস্তুতকৃত কাঁচা ইট ধ্বংস করা হয়।

জেলা প্রশাসন ও পরিবেশ অধিদফতর সূত্র জানায়, সহকারী কমিশনার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট তাহমিদুর রহমান এবং মোহাম্মদ আসিফ আলীর নেতৃত্বে এ অভিযান পরিচালিত হয়। অভিযানে পরিবেশ অধিদফতর পঞ্চগড়ের সহকারী পরিচালক মো. ইউসুফ আলীসহ ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স, আনসার ব্যাটালিয়ন এবং জেলা পুলিশ সার্বিক সহযোগিতা প্রদান করে।

এ বিষয়ে জেলা প্রশাসক কাজী সায়েমুজ্জামান তার ফেসবুক পোস্টে বলেন, অবৈধ ইটভাটায় বিনিয়োগ থেকে বিরত থাকতে ব্যবসায়ীদের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি। বৈধ লাইসেন্স ও প্রয়োজনীয় অনুমতি নিয়ে ইটভাটা পরিচালনা করতে হবে। কোনো ধরনের প্রলোভন বা হুমকিতে আমি বিচলিত হব না।

তিনি আরও জানান, দায়িত্ব গ্রহণের পরপরই জেলার সব অবৈধ ইটভাটার তালিকা প্রস্তুত করা হয়েছে। প্রাথমিকভাবে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের আশপাশে থাকা ইটভাটাগুলোকে উচ্ছেদ কার্যক্রমের আওতায় আনা হয়েছে। পর্যায়ক্রমে জেলার সব অবৈধ ইটভাটা বন্ধ করা হবে এবং আগামী মৌসুমের শুরুতেই কোনোভাবেই অবৈধ ইটভাটা চালু করতে দেওয়া হবে না।

স্থানীয়দের মতে, এই অভিযানের মাধ্যমে পরিবেশ সুরক্ষা ও জনস্বার্থ রক্ষায় জেলা প্রশাসনের কঠোর অবস্থান আরও স্পষ্টভাবে ফুটে উঠেছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপডেট সময় ১১:১৩:০০ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৩ ডিসেম্বর ২০২৫
৯৯ বার পড়া হয়েছে

পঞ্চগড়ে অবৈধ ইটভাটার বিরুদ্ধে অভিযান, দুইটি ভাটা উচ্ছেদ

আপডেট সময় ১১:১৩:০০ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৩ ডিসেম্বর ২০২৫

পঞ্চগড় জেলায় অবৈধ ইটভাটার কার্যক্রম বন্ধে কঠোর পদক্ষেপ নিয়েছে জেলা প্রশাসন। এই উদ্যোগের অংশ হিসেবে জেলার বিভিন্ন এলাকায় বেআইনিভাবে পরিচালিত ইটভাটার বিরুদ্ধে উচ্ছেদ অভিযান শুরু করা হয়েছে। এরই মধ্যে দুটি অবৈধ ইটভাটা সম্পূর্ণভাবে উচ্ছেদ করা হয়েছে।

শনিবার (১৩ ডিসেম্বর) দেবীগঞ্জ উপজেলার বানুরহাট এলাকায় অবস্থিত মেসার্স জে এ বি ব্রিকস এবং বোদা উপজেলার মন্নাপাড়া এলাকার মেসার্স বি বি ব্রিকস নামের দুটি ইটভাটায় অভিযান চালানো হয়। অভিযানের সময় ভাটাগুলোর চিমনি ভেঙে ফেলা হয়, বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হয় এবং জ্বালানো আগুন নিভিয়ে দেওয়া হয়। পাশাপাশি প্রস্তুতকৃত কাঁচা ইট ধ্বংস করা হয়।

জেলা প্রশাসন ও পরিবেশ অধিদফতর সূত্র জানায়, সহকারী কমিশনার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট তাহমিদুর রহমান এবং মোহাম্মদ আসিফ আলীর নেতৃত্বে এ অভিযান পরিচালিত হয়। অভিযানে পরিবেশ অধিদফতর পঞ্চগড়ের সহকারী পরিচালক মো. ইউসুফ আলীসহ ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স, আনসার ব্যাটালিয়ন এবং জেলা পুলিশ সার্বিক সহযোগিতা প্রদান করে।

এ বিষয়ে জেলা প্রশাসক কাজী সায়েমুজ্জামান তার ফেসবুক পোস্টে বলেন, অবৈধ ইটভাটায় বিনিয়োগ থেকে বিরত থাকতে ব্যবসায়ীদের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি। বৈধ লাইসেন্স ও প্রয়োজনীয় অনুমতি নিয়ে ইটভাটা পরিচালনা করতে হবে। কোনো ধরনের প্রলোভন বা হুমকিতে আমি বিচলিত হব না।

তিনি আরও জানান, দায়িত্ব গ্রহণের পরপরই জেলার সব অবৈধ ইটভাটার তালিকা প্রস্তুত করা হয়েছে। প্রাথমিকভাবে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের আশপাশে থাকা ইটভাটাগুলোকে উচ্ছেদ কার্যক্রমের আওতায় আনা হয়েছে। পর্যায়ক্রমে জেলার সব অবৈধ ইটভাটা বন্ধ করা হবে এবং আগামী মৌসুমের শুরুতেই কোনোভাবেই অবৈধ ইটভাটা চালু করতে দেওয়া হবে না।

স্থানীয়দের মতে, এই অভিযানের মাধ্যমে পরিবেশ সুরক্ষা ও জনস্বার্থ রক্ষায় জেলা প্রশাসনের কঠোর অবস্থান আরও স্পষ্টভাবে ফুটে উঠেছে।