ঢাকা ০৪:১৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ ২০২৬, ৩ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ :
Logo হামলার ঠিক আগে কক্ষ ছাড়ায় অল্পের জন্য রক্ষা পান মোজতবা খামেনি Logo ঈদে বাড়ি ফেরার পথে সড়ক দুর্ঘটনায় একই পরিবারের তিনজনের প্রাণহানি Logo জনকল্যাণে কাজ করে দৃষ্টান্ত গড়বে বিরোধীদল: জামায়াত আমির Logo আজ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ১০৬তম জন্মবার্ষিকী Logo ‘ওয়ান সিটিজেন ওয়ান কার্ড’ চালুর পরিকল্পনা সরকারের Logo ট্রাম্প চাইলে পারস্য উপসাগরে জাহাজ পাঠাতে পারেন : ইরানের কড়া বার্তা Logo আগামী বছর থেকে স্কুলে ভর্তিতে লটারি পদ্ধতি আর থাকবে না Logo বাংলাদেশ-ভারতের অর্থনীতি ও জ্বালানি খাতে সহযোগিতা বাড়ানোর বিষয়ে আলোচনা Logo হরমুজ প্রণালির নিরাপত্তা ইস্যুতে চীনের সহায়তা চাইছেন ট্রাম্প Logo  দেশজুড়ে খাল খনন ও পুনঃখনন কর্মসূচির উদ্বোধন আজ

বাগেরহাটে টেলিস্কোপে চাঁদ-তারা দেখে শিক্ষার্থীদের উচ্ছ্বাস

নিজস্ব সংবাদ : দেশ২৪লাইভ

ছবি সংগৃহীত

বাগেরহাটে শিক্ষার্থীদের জন্য আয়োজন করা হয় এক ব্যতিক্রমী অভিজ্ঞতার—টেলিস্কোপে চাঁদ, তারা, গ্রহ ও মহাকাশ দেখা। বুধবার (৮ অক্টোবর) সন্ধ্যায় বাগেরহাট সদর উপজেলার উদ্দীপন বদর-সামছু বিদ্যানিকেতনে এ কর্মসূচির আয়োজন করে বাংলাদেশ বিজ্ঞান জনপ্রিয়করণ সমিতি (SPSB)।

আয়োজনে উপস্থিত ছিলেন সামছ উদ্দিন নাহার ট্রাস্টের চীফ ফেসিলিটেটর সুব্রত কুমার মুখার্জি, এসপিএসবি’র সিনিয়র প্রোগ্রাম অফিসার মো. রেজাউল ইসলাম, কোষাধ্যক্ষ নাসির খান সৈকত, আঞ্চলিক সমন্বয়ক মাহমুদ শোভন, মেন্টর ফারজানা আক্তার লিমা ও রুবাইয়েদসহ প্রায় অর্ধশতাধিক শিক্ষার্থী।

প্রথমবার টেলিস্কোপে মহাকাশ দেখতে পেয়ে উচ্ছ্বসিত নবম শ্রেণির ছাত্রী তামান্না আক্তার বলল, “চাঁদ দেখার সময় মনে হচ্ছিল আমি যেন পৃথিবীর বাইরে চলে গেছি! বইয়ে যা পড়েছি, আজ নিজ চোখে দেখা সত্যিই অবিশ্বাস্য।”
আরেক শিক্ষার্থী রাহাত হোসেন জানায়, “আগে ভাবতাম মহাকাশ আমাদের থেকে অনেক দূরে। কিন্তু আজ বুঝলাম, বিজ্ঞান শিখলে আমরাও একদিন সেখানে পৌঁছাতে পারব।”

জাতিসংঘ ঘোষিত বিশ্ব মহাকাশ সপ্তাহ ২০২৫ (৪–১০ অক্টোবর) উপলক্ষে “Living in Space” বা “মহাকাশে বসবাস” প্রতিপাদ্যে দিনব্যাপী এই কর্মশালার আয়োজন করা হয়। ‘তারায় তারায় খচিত’ শিরোনামে অনুষ্ঠিত এ আয়োজনে শিক্ষার্থীরা নিজের হাতে টেলিস্কোপ পরিচালনা করে আকাশ পর্যবেক্ষণের সুযোগ পায়, যা তাদের মধ্যে বিজ্ঞানের প্রতি নতুন কৌতূহল ও আগ্রহ জাগায়।

সুব্রত কুমার মুখার্জি বলেন, “গ্রামীণ শিক্ষার্থীদের জন্য এমন আয়োজন একেবারে নতুন। তারা শিখছে, প্রশ্ন করছে, আর বিজ্ঞানের আনন্দ নিজেরা অনুভব করছে—এটাই আমাদের সবচেয়ে বড় প্রাপ্তি। এমন আয়োজন আরও ছড়িয়ে পড়া উচিত দেশের গ্রামাঞ্চলে।”

বাংলাদেশ বিজ্ঞান জনপ্রিয়করণ সমিতির কোষাধ্যক্ষ নাসির খান সৈকত বলেন, “আমাদের লক্ষ্য হলো দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলের শিশুরাও যেন বিজ্ঞানের আলোয় বেড়ে ওঠে। পাঠ্যবইয়ের বাইরে এসে আকাশ দেখার মাধ্যমে তারা বুঝতে পারছে, বিজ্ঞান কতটা বাস্তব ও সুন্দর।”
তিনি আরও যোগ করেন, “মহাকাশ, রোবটিক্স ও জ্যোতির্বিজ্ঞান নিয়ে শিশুদের আগ্রহই একদিন তাদের দেশের প্রযুক্তি ও গবেষণার নেতৃত্বে নিয়ে যাবে। আমরা শুধু তাদের কৌতূহলের আগুনটা জ্বালিয়ে দিতে চাই।”

নিউজটি শেয়ার করুন

আপডেট সময় ০২:৫৩:৩২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ অক্টোবর ২০২৫
১৭০ বার পড়া হয়েছে

বাগেরহাটে টেলিস্কোপে চাঁদ-তারা দেখে শিক্ষার্থীদের উচ্ছ্বাস

আপডেট সময় ০২:৫৩:৩২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ অক্টোবর ২০২৫

বাগেরহাটে শিক্ষার্থীদের জন্য আয়োজন করা হয় এক ব্যতিক্রমী অভিজ্ঞতার—টেলিস্কোপে চাঁদ, তারা, গ্রহ ও মহাকাশ দেখা। বুধবার (৮ অক্টোবর) সন্ধ্যায় বাগেরহাট সদর উপজেলার উদ্দীপন বদর-সামছু বিদ্যানিকেতনে এ কর্মসূচির আয়োজন করে বাংলাদেশ বিজ্ঞান জনপ্রিয়করণ সমিতি (SPSB)।

আয়োজনে উপস্থিত ছিলেন সামছ উদ্দিন নাহার ট্রাস্টের চীফ ফেসিলিটেটর সুব্রত কুমার মুখার্জি, এসপিএসবি’র সিনিয়র প্রোগ্রাম অফিসার মো. রেজাউল ইসলাম, কোষাধ্যক্ষ নাসির খান সৈকত, আঞ্চলিক সমন্বয়ক মাহমুদ শোভন, মেন্টর ফারজানা আক্তার লিমা ও রুবাইয়েদসহ প্রায় অর্ধশতাধিক শিক্ষার্থী।

প্রথমবার টেলিস্কোপে মহাকাশ দেখতে পেয়ে উচ্ছ্বসিত নবম শ্রেণির ছাত্রী তামান্না আক্তার বলল, “চাঁদ দেখার সময় মনে হচ্ছিল আমি যেন পৃথিবীর বাইরে চলে গেছি! বইয়ে যা পড়েছি, আজ নিজ চোখে দেখা সত্যিই অবিশ্বাস্য।”
আরেক শিক্ষার্থী রাহাত হোসেন জানায়, “আগে ভাবতাম মহাকাশ আমাদের থেকে অনেক দূরে। কিন্তু আজ বুঝলাম, বিজ্ঞান শিখলে আমরাও একদিন সেখানে পৌঁছাতে পারব।”

জাতিসংঘ ঘোষিত বিশ্ব মহাকাশ সপ্তাহ ২০২৫ (৪–১০ অক্টোবর) উপলক্ষে “Living in Space” বা “মহাকাশে বসবাস” প্রতিপাদ্যে দিনব্যাপী এই কর্মশালার আয়োজন করা হয়। ‘তারায় তারায় খচিত’ শিরোনামে অনুষ্ঠিত এ আয়োজনে শিক্ষার্থীরা নিজের হাতে টেলিস্কোপ পরিচালনা করে আকাশ পর্যবেক্ষণের সুযোগ পায়, যা তাদের মধ্যে বিজ্ঞানের প্রতি নতুন কৌতূহল ও আগ্রহ জাগায়।

সুব্রত কুমার মুখার্জি বলেন, “গ্রামীণ শিক্ষার্থীদের জন্য এমন আয়োজন একেবারে নতুন। তারা শিখছে, প্রশ্ন করছে, আর বিজ্ঞানের আনন্দ নিজেরা অনুভব করছে—এটাই আমাদের সবচেয়ে বড় প্রাপ্তি। এমন আয়োজন আরও ছড়িয়ে পড়া উচিত দেশের গ্রামাঞ্চলে।”

বাংলাদেশ বিজ্ঞান জনপ্রিয়করণ সমিতির কোষাধ্যক্ষ নাসির খান সৈকত বলেন, “আমাদের লক্ষ্য হলো দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলের শিশুরাও যেন বিজ্ঞানের আলোয় বেড়ে ওঠে। পাঠ্যবইয়ের বাইরে এসে আকাশ দেখার মাধ্যমে তারা বুঝতে পারছে, বিজ্ঞান কতটা বাস্তব ও সুন্দর।”
তিনি আরও যোগ করেন, “মহাকাশ, রোবটিক্স ও জ্যোতির্বিজ্ঞান নিয়ে শিশুদের আগ্রহই একদিন তাদের দেশের প্রযুক্তি ও গবেষণার নেতৃত্বে নিয়ে যাবে। আমরা শুধু তাদের কৌতূহলের আগুনটা জ্বালিয়ে দিতে চাই।”