ঢাকা ১২:২৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৩ মার্চ ২০২৬, ২৯ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ :
Logo হাসপাতালে মির্জা আব্বাসকে দেখতে গেলেন ডা. শফিকুর রহমান Logo নতুন মন্ত্রিসভায় ২ মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীর দপ্তর বণ্টন, গেজেট প্রকাশ Logo স্বৈরাচারের সমর্থক কেউ নেই, এটাই বর্তমান সংসদের সৌন্দর্য: পার্থ  Logo ফ্যাসিবাদের অবসান, নতুন গণতান্ত্রিক বাংলাদেশের শুরু: সংসদে রাষ্ট্রপতি Logo সংসদে ওয়াকআউটের পর ফেসবুকে হাসনাতের ‘গেট আউট চুপ্পু’ মন্তব্য Logo ইরাকে তেল ট্যাংকারে হামলা, নিহত এক ভারতীয় নাবিক Logo পাকিস্তানের ব্যাটিং ধসের রহস্য জানালেন নাহিদ রানা Logo বাংলাদেশ ও ভারতসহ ১৬ দেশের বাণিজ্যনীতি খতিয়ে দেখছে যুক্তরাষ্ট্র Logo ত্রয়োদশ সংসদের প্রথম অধিবেশন আজ, ‘১৭ বছরের অপেক্ষার ফল’—বললেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী Logo রাশিয়া থেকে কম দামে তেল আমদানিতে যুক্তরাষ্ট্রের বিশেষ ছাড় চায় বাংলাদেশ

কীভাবে আ.লীগ রাজনীতিতে ফিরতে পারবে, জানালেন প্রেস সচিব

নিজস্ব সংবাদ : দেশ২৪লাইভ

ছবি সংগৃহীত

কীভাবে আ.লীগ রাজনীতিতে ফিরতে পারবে, জানালেন প্রেস সচিব।

অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম বলেছেন, মানবতাবিরোধী অপরাধের দায় স্বীকার এবং খুন, তাণ্ডব ও গুমের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের বিচার না করা পর্যন্ত আওয়ামী লীগ রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে ফিরতে পারবে না।

বুধবার (২২ জানুয়ারি) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেয়া পোস্টে এ বার্তা দেন তিনি।

 

দীর্ঘ এক ফেসবুক পোস্টে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব বলেন, ‘সাম্প্রতিক মাসগুলোতে যেসব বিদেশি কূটনীতিক ও কর্মকর্তাদের সঙ্গে সাক্ষাৎ হয়েছে তাদের মধ্যে খুব কম ব্যক্তিই রাজনৈতিক সমঝোতার আহ্বান জানিয়েছেন। তারাও বুঝতে পেরেছেন যে, অপরাধীরা যদি তাদের অপরাধের দায় না নেয় বা হত্যাকাণ্ড, তাণ্ডব ও গুমের কথা স্বীকার না করে, তাহলে কীভাবে সমঝোতা সম্ভব। বরং তারা আগে সংস্কার ও দেশের প্রতিষ্ঠানগুলোকে ঠিকঠাক করার বিষয়ে ব্যাপক সমর্থন জানিয়েছেন।’
 
শফিকুল আলম আরও বলেন, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ ও দলটির হত্যাযজ্ঞের মদদদাতা সাংবাদিক ও সমর্থকরা একটা ভ্রান্তির মধ্যে রয়েছেন যে, দেশে নির্বাচনী প্রস্তুতি শুরু হলেই তারা রাজনৈতিক প্রক্রিয়ায় ফিরতে পারবেন। দুঃখিত, মানবতাবিরোধী অপরাধের দায় স্বীকার এবং খুন ও গুমের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের নির্মূল না করা পর্যন্ত এমনটা ঘটবে না।
 
 
প্রেস সচিব বলেন, ‘২০০৯ থেকে ২০২৪ সালের মধ্যে সংঘটিত হত্যাকাণ্ড এবং মানবাধিকার লঙ্ঘনের সঙ্গে জড়িত আওয়ামী লীগের সদস্য এবং এর নির্দেশ বাস্তবায়নকারীদের বিচার হবে। তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক মানবাধিকার গোষ্ঠীগুলোর প্রতিবেদনগুলো স্পষ্টভাবে দেখিয়েছে যে, জুলাই ও আগস্টের গণআন্দোলনের সময় নিরস্ত্র শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভকারীদের কীভাবে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়েছিল।’
 
শফিকুল আলম বলেন, ‘আমি দেশের জনগণকে যাত্রাবাড়ী হত্যাকাণ্ড এবং রিদয়ের হত্যাকাণ্ডের ওপর তথ্যচিত্র দেখার জন্য অনুরোধ করব। আরও তথ্যচিত্র আসছে। দেশের প্রতিটি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা তাদের ক্যাম্পাসে সংঘটিত অপরাধ তুলে ধরার জন্য তথ্যচিত্র তৈরি করছে। এছাড়া নতুন বেশ কয়েকটি নাগরিক গোষ্ঠী শেখ হাসিনার শাসনামলে সংঘটিত প্রতিটি হত্যাকাণ্ডকে বুদ্ধিমত্তার সাথে নথিভুক্ত করছে।’
 
 
বছর বছর আওয়ামী লীগের সমর্থকরা ১৯৭৪ সালের দুর্ভিক্ষ, রক্ষীবাহিনীর হত্যাকাণ্ড এবং শেখ মুজিবের একদলীয় শাসনের স্মৃতি মুছে ফেলতে চেষ্টা চালিয়ে গেছে বলেও স্ট্যাটাসে অভিযোগ করেন শফিকুল আলম। এ বিষয়ে তিনি আরও জানান, বর্তমান প্রজন্ম এবার জেগে উঠেছে এবং তারা স্বৈরশাসনের প্রতিটি মানবাধিকার লঙ্ঘনের বিষয়ে সজাগ রয়েছে। তাদের প্রচেষ্টা প্রতিদিন পুরনো স্মৃতিকে সতেজ করছে। 

নিউজটি শেয়ার করুন

আপডেট সময় ১১:০০:০৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ জানুয়ারী ২০২৫
১৫৫ বার পড়া হয়েছে

কীভাবে আ.লীগ রাজনীতিতে ফিরতে পারবে, জানালেন প্রেস সচিব

আপডেট সময় ১১:০০:০৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ জানুয়ারী ২০২৫

কীভাবে আ.লীগ রাজনীতিতে ফিরতে পারবে, জানালেন প্রেস সচিব।

অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম বলেছেন, মানবতাবিরোধী অপরাধের দায় স্বীকার এবং খুন, তাণ্ডব ও গুমের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের বিচার না করা পর্যন্ত আওয়ামী লীগ রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে ফিরতে পারবে না।

বুধবার (২২ জানুয়ারি) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেয়া পোস্টে এ বার্তা দেন তিনি।

 

দীর্ঘ এক ফেসবুক পোস্টে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব বলেন, ‘সাম্প্রতিক মাসগুলোতে যেসব বিদেশি কূটনীতিক ও কর্মকর্তাদের সঙ্গে সাক্ষাৎ হয়েছে তাদের মধ্যে খুব কম ব্যক্তিই রাজনৈতিক সমঝোতার আহ্বান জানিয়েছেন। তারাও বুঝতে পেরেছেন যে, অপরাধীরা যদি তাদের অপরাধের দায় না নেয় বা হত্যাকাণ্ড, তাণ্ডব ও গুমের কথা স্বীকার না করে, তাহলে কীভাবে সমঝোতা সম্ভব। বরং তারা আগে সংস্কার ও দেশের প্রতিষ্ঠানগুলোকে ঠিকঠাক করার বিষয়ে ব্যাপক সমর্থন জানিয়েছেন।’
 
শফিকুল আলম আরও বলেন, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ ও দলটির হত্যাযজ্ঞের মদদদাতা সাংবাদিক ও সমর্থকরা একটা ভ্রান্তির মধ্যে রয়েছেন যে, দেশে নির্বাচনী প্রস্তুতি শুরু হলেই তারা রাজনৈতিক প্রক্রিয়ায় ফিরতে পারবেন। দুঃখিত, মানবতাবিরোধী অপরাধের দায় স্বীকার এবং খুন ও গুমের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের নির্মূল না করা পর্যন্ত এমনটা ঘটবে না।
 
 
প্রেস সচিব বলেন, ‘২০০৯ থেকে ২০২৪ সালের মধ্যে সংঘটিত হত্যাকাণ্ড এবং মানবাধিকার লঙ্ঘনের সঙ্গে জড়িত আওয়ামী লীগের সদস্য এবং এর নির্দেশ বাস্তবায়নকারীদের বিচার হবে। তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক মানবাধিকার গোষ্ঠীগুলোর প্রতিবেদনগুলো স্পষ্টভাবে দেখিয়েছে যে, জুলাই ও আগস্টের গণআন্দোলনের সময় নিরস্ত্র শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভকারীদের কীভাবে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়েছিল।’
 
শফিকুল আলম বলেন, ‘আমি দেশের জনগণকে যাত্রাবাড়ী হত্যাকাণ্ড এবং রিদয়ের হত্যাকাণ্ডের ওপর তথ্যচিত্র দেখার জন্য অনুরোধ করব। আরও তথ্যচিত্র আসছে। দেশের প্রতিটি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা তাদের ক্যাম্পাসে সংঘটিত অপরাধ তুলে ধরার জন্য তথ্যচিত্র তৈরি করছে। এছাড়া নতুন বেশ কয়েকটি নাগরিক গোষ্ঠী শেখ হাসিনার শাসনামলে সংঘটিত প্রতিটি হত্যাকাণ্ডকে বুদ্ধিমত্তার সাথে নথিভুক্ত করছে।’
 
 
বছর বছর আওয়ামী লীগের সমর্থকরা ১৯৭৪ সালের দুর্ভিক্ষ, রক্ষীবাহিনীর হত্যাকাণ্ড এবং শেখ মুজিবের একদলীয় শাসনের স্মৃতি মুছে ফেলতে চেষ্টা চালিয়ে গেছে বলেও স্ট্যাটাসে অভিযোগ করেন শফিকুল আলম। এ বিষয়ে তিনি আরও জানান, বর্তমান প্রজন্ম এবার জেগে উঠেছে এবং তারা স্বৈরশাসনের প্রতিটি মানবাধিকার লঙ্ঘনের বিষয়ে সজাগ রয়েছে। তাদের প্রচেষ্টা প্রতিদিন পুরনো স্মৃতিকে সতেজ করছে।