ঢাকা ০২:৫১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৯ মার্চ ২০২৬, ৫ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ :
Logo চাঁদ না দেখায় সৌদি আরবে ঈদ শুক্রবার Logo গার্দিওলার মতে সবচেয়ে কঠিন প্রতিপক্ষ লিভারপুল, রিয়াল নয় Logo তেলের দাম অপরিবর্তিত, সংকট মোকাবিলায় সরকারের কার্যকারিতা প্রশংসিত: মির্জা ফখরুল Logo ঈদের দিন যমুনায় সর্বস্তরের মানুষের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময়ে থাকবেন প্রধানমন্ত্রী Logo শাওয়ালের চাঁদ দেখা নিয়ে বৃহস্পতিবার বৈঠক করবে জাতীয় কমিটি Logo সংসদের প্রথম অধিবেশনেই শব্দযন্ত্রে বিপত্তি, হেডফোন নিয়ে বিতর্ক Logo ঈদযাত্রায় লঞ্চে যাত্রীর চাপ, ঘাটে নেমে চরম ভোগান্তি Logo উত্তরার শপিং কমপ্লেক্সে ভাঙচুর মামলায় ১১ জনের দুই দিনের রিমান্ড Logo রাত ১টার মধ্যে কয়েকটি অঞ্চলে ঝড়ের সম্ভাবনা, নদীবন্দরে সতর্কসংকেত Logo ঈদযাত্রায় নৌপথে অতিরিক্ত ভাড়ার অভিযোগ নেই: প্রতিমন্ত্রী রাজিব আহসান

রিজার্ভের বর্তমান অবস্থা জানালেন গভর্নর

নিজস্ব সংবাদ : দেশ২৪লাইভ

ছবি সংগৃহীত

রিজার্ভের বর্তমান অবস্থা জানালেন গভর্নর।

বাংলাদেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ধীরে ধীরে বাড়ছে এবং স্থিতিশীল হচ্ছে বলে দাবি করেছেন কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্নর ড. আহসান এইচ মনসুর।

রোববার (২০ অক্টোবর) ইউএনবিকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে গভর্নর আহসান এইচ মনসুর বলেন, ‘আগের সরকারের আমলে রিজার্ভ প্রতি মাসে ১ দশমিক ৩ বিলিয়ন (১৩০ কোটি) ডলার করে কমে আসছিল, তবে এখন তা একটি ইতিবাচক প্রবণতায় ফিরছে।’

 

আহসান এইচ মনসুর আরও বলেন, ‘সার, বিদ্যুৎ ও আদানি-শেভরনের বকেয়া পাওনার জন্য এরই মধ্যে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ অর্থ পরিশোধ করা হয়েছে।’
 
শুধু গত দুই মাসেই কেন্দ্রীয় ব্যাংক জ্বালানি ও অন্যান্য অত্যাবশ্যকীয় সেবার বকেয়া ১ দশমিক ৮ বিলিয়ন (১৮০ কোটি) ডলার পরিশোধ করে অপরিশোধিত বিল ২ দশমিক ৫ বিলিয়ন (২৫০ কোটি) ডলার থেকে ৭০০ মিলিয়ন (৭০ কোটি) ডলারে নামিয়ে এনেছে।
 

গত ৮ অক্টোবর পর্যন্ত বিপিএম-৬ হিসাব অনুযায়ী, বাংলাদেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ দাঁড়িয়েছে ১৯ দশমিক ৮২ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে। আর মোট রিজার্ভ ২৪ দশমিক ৯৭ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে।
 
গভর্নর আহসান এইচ মনসুর বলেন, কেন্দ্রীয় ব্যাংকের প্রাথমিক লক্ষ্য, আগামী দুই মাসের মধ্যে বাকি ঋণ পরিশোধ করে নভেম্বর–ডিসেম্বরের মধ্যে ঋণমুক্ত হওয়া। তিনি বলেন, ‘এটি অর্জন করা সম্ভব হলে, বাজারে তারল্য পরিস্থিতির উন্নতি হবে বলে আশা করা হচ্ছে।’
 
এই বকেয়া পরিশোধ করলে অর্থনীতির ওপর চাপ কমবে বলে আশা করা হচ্ছে, যার ফলে অর্থনৈতিক ক্রিয়াকলাপ ত্বরান্বিত হবে। অর্থনীতিকে চাঙা করতে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠান থেকে অতিরিক্ত ১০ বিলিয়ন ডলার ঋণ নেয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।
 

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্নর অবশ্য দেশের ক্রমবর্ধমান বৈদেশিক ঋণ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন; যা এখন ১০৩ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে। এ কারণে ঋণ পরিশোধের চাপ ক্রমাগত বাড়ছে। 
 
তবে তা সত্ত্বেও ধৈর্য ধরার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, বর্তমান ঋণের চ্যালেঞ্জ সফলভাবে কাটিয়ে উঠতে কমপক্ষে এক বছর সময় লাগবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপডেট সময় ০৯:৪৭:২০ অপরাহ্ন, রবিবার, ২০ অক্টোবর ২০২৪
১৬০ বার পড়া হয়েছে

রিজার্ভের বর্তমান অবস্থা জানালেন গভর্নর

আপডেট সময় ০৯:৪৭:২০ অপরাহ্ন, রবিবার, ২০ অক্টোবর ২০২৪

রিজার্ভের বর্তমান অবস্থা জানালেন গভর্নর।

বাংলাদেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ধীরে ধীরে বাড়ছে এবং স্থিতিশীল হচ্ছে বলে দাবি করেছেন কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্নর ড. আহসান এইচ মনসুর।

রোববার (২০ অক্টোবর) ইউএনবিকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে গভর্নর আহসান এইচ মনসুর বলেন, ‘আগের সরকারের আমলে রিজার্ভ প্রতি মাসে ১ দশমিক ৩ বিলিয়ন (১৩০ কোটি) ডলার করে কমে আসছিল, তবে এখন তা একটি ইতিবাচক প্রবণতায় ফিরছে।’

 

আহসান এইচ মনসুর আরও বলেন, ‘সার, বিদ্যুৎ ও আদানি-শেভরনের বকেয়া পাওনার জন্য এরই মধ্যে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ অর্থ পরিশোধ করা হয়েছে।’
 
শুধু গত দুই মাসেই কেন্দ্রীয় ব্যাংক জ্বালানি ও অন্যান্য অত্যাবশ্যকীয় সেবার বকেয়া ১ দশমিক ৮ বিলিয়ন (১৮০ কোটি) ডলার পরিশোধ করে অপরিশোধিত বিল ২ দশমিক ৫ বিলিয়ন (২৫০ কোটি) ডলার থেকে ৭০০ মিলিয়ন (৭০ কোটি) ডলারে নামিয়ে এনেছে।
 

গত ৮ অক্টোবর পর্যন্ত বিপিএম-৬ হিসাব অনুযায়ী, বাংলাদেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ দাঁড়িয়েছে ১৯ দশমিক ৮২ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে। আর মোট রিজার্ভ ২৪ দশমিক ৯৭ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে।
 
গভর্নর আহসান এইচ মনসুর বলেন, কেন্দ্রীয় ব্যাংকের প্রাথমিক লক্ষ্য, আগামী দুই মাসের মধ্যে বাকি ঋণ পরিশোধ করে নভেম্বর–ডিসেম্বরের মধ্যে ঋণমুক্ত হওয়া। তিনি বলেন, ‘এটি অর্জন করা সম্ভব হলে, বাজারে তারল্য পরিস্থিতির উন্নতি হবে বলে আশা করা হচ্ছে।’
 
এই বকেয়া পরিশোধ করলে অর্থনীতির ওপর চাপ কমবে বলে আশা করা হচ্ছে, যার ফলে অর্থনৈতিক ক্রিয়াকলাপ ত্বরান্বিত হবে। অর্থনীতিকে চাঙা করতে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠান থেকে অতিরিক্ত ১০ বিলিয়ন ডলার ঋণ নেয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।
 

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্নর অবশ্য দেশের ক্রমবর্ধমান বৈদেশিক ঋণ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন; যা এখন ১০৩ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে। এ কারণে ঋণ পরিশোধের চাপ ক্রমাগত বাড়ছে। 
 
তবে তা সত্ত্বেও ধৈর্য ধরার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, বর্তমান ঋণের চ্যালেঞ্জ সফলভাবে কাটিয়ে উঠতে কমপক্ষে এক বছর সময় লাগবে।