ঢাকা ০৭:০২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৩ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ :
Logo অপহরণের খবর পেয়ে প্রধানমন্ত্রীর তৎপরতা, এক ঘণ্টার মধ্যেই স্কুলছাত্র উদ্ধার Logo দেড় বছর পর ফের শুরু আগরতলা-ঢাকা-কলকাতা আন্তর্জাতিক বাস চলাচল Logo বাংলাদেশ পুলিশের নতুন আইজিপি হিসেবে দায়িত্ব পেলেন আলী হোসেন ফকির Logo চট্টগ্রামে গ্যাস বিস্ফোরণের ঘটনায় প্রাণ গেল দুজনের, দগ্ধ আরও সাত Logo  জনগণের শক্তিকেই মূল ভরসা করে বিএনপি, প্রতিহিংসার রাজনীতিতে বিশ্বাস নেই: মঈন খান Logo রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে নিয়োগ অনিয়ম তদন্তে হাইকোর্টের নির্দেশ Logo গরমের ঈদে আরামদায়ক পাঞ্জাবির চাহিদা, বাজারে রং-নকশায় নতুনত্ব Logo এনসিপি গঠন করল স্থানীয় সরকার নির্বাচন পরিচালনা কমিটি Logo ভিনিসিউসকে বর্ণবাদী মন্তব্যের অভিযোগে বেনফিকার আর্জেন্টাইন ফুটবলার নিষিদ্ধ Logo ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনের পর ১১২ নির্বাচন কর্মকর্তার বদলি

অজান্তেই মস্তিষ্ক দুর্বল করছে যে তিনটি অভ্যাস

নিজস্ব সংবাদ : দেশ২৪লাইভ

সংগৃহিত

আমাদের দৈনন্দিন কাজকর্ম, চিন্তা, আবেগ ও স্মৃতি—সবকিছুই নির্ভর করে মস্তিষ্কের উপর। তাই মস্তিষ্ককে সুস্থ রাখা অত্যন্ত জরুরি। আমরা অনেকেই স্বাস্থ্যকর খাবার খাওয়া, ব্যায়াম বা পর্যাপ্ত বিশ্রামের প্রতি যত্নশীল হলেও কিছু সাধারণ অভ্যাস অজান্তে মস্তিষ্কের ক্ষতি করে ফেলি।

সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের নিউরোলজিস্ট ডা. বিং এমন তিনটি অভ্যাসের কথা জানিয়েছেন, যেগুলো তিনি নিজে এড়িয়ে চলেন এবং অন্যদেরও না করার পরামর্শ দেন।

১. ঘুমের সময় হেডফোন বা ইয়ারবাড ব্যবহার:
ঘুমানোর সময় কানে হেডফোন লাগানো অভ্যাসে উচ্চ শব্দের কারণে কানের সূক্ষ্ম হেয়ার সেল ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। এতে শ্রবণশক্তি কমে যাওয়া বা ভবিষ্যতে ডিমেনশিয়ার ঝুঁকি বাড়ে। তাছাড়া, দীর্ঘক্ষণ ইয়ারবাড ব্যবহারে কানে আর্দ্রতা ও ব্যাকটেরিয়া জমে সংক্রমণের আশঙ্কা থাকে। উচ্চ শব্দে ঘুমালে মস্তিষ্কের টক্সিন পরিষ্কার প্রক্রিয়াও ব্যাহত হয়।

২. মাড়ির যত্ন না নেওয়া:
ডা. বিং জানান, প্রতিদিন রাতে তিনি ফ্লস ও ওয়াটার ফ্লস ব্যবহার করেন। কারণ, দাঁত ও মাড়ির সমস্যা যেমন দাঁতের ক্ষয় বা ইনফেকশন, তেমনি স্ট্রোক, ডিমেনশিয়া এবং কগনিটিভ হ্রাসের ঝুঁকিও বাড়ায়। গবেষণায় দেখা গেছে, মাড়ির রোগে আক্রান্তদের মধ্যে স্ট্রোকের আশঙ্কা প্রায় দ্বিগুণ।

৩. টয়লেটে দীর্ঘক্ষণ বসে থাকা:
দীর্ঘ সময় টয়লেটে বসে থাকা শরীরে রক্ত সঞ্চালনে সমস্যা তৈরি করতে পারে। এতে হঠাৎ রক্তচাপ কমে গিয়ে মস্তিষ্কে রক্তপ্রবাহে বিঘ্ন ঘটে, ফলে কেউ কেউ অজ্ঞান হয়ে পড়েন। ডা. বিং বলেন, তিনি নিয়মিত এমন ঘটনা লক্ষ্য করেন। তবে যাদের দীর্ঘমেয়াদি অন্ত্রের সমস্যা রয়েছে, তাদের ক্ষেত্রে বিষয়টি ভিন্ন হতে পারে।

অল্প কিছু দৈনন্দিন অভ্যাসও দীর্ঘমেয়াদে মস্তিষ্কের ওপর গভীর প্রভাব ফেলে। তাই সুস্থ মস্তিষ্কের জন্য সচেতন জীবনযাপন এবং ক্ষতিকর অভ্যাসগুলো থেকে বিরত থাকা জরুরি।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপডেট সময় ০৬:২৪:৩২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ নভেম্বর ২০২৫
৮৬ বার পড়া হয়েছে

অজান্তেই মস্তিষ্ক দুর্বল করছে যে তিনটি অভ্যাস

আপডেট সময় ০৬:২৪:৩২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ নভেম্বর ২০২৫

আমাদের দৈনন্দিন কাজকর্ম, চিন্তা, আবেগ ও স্মৃতি—সবকিছুই নির্ভর করে মস্তিষ্কের উপর। তাই মস্তিষ্ককে সুস্থ রাখা অত্যন্ত জরুরি। আমরা অনেকেই স্বাস্থ্যকর খাবার খাওয়া, ব্যায়াম বা পর্যাপ্ত বিশ্রামের প্রতি যত্নশীল হলেও কিছু সাধারণ অভ্যাস অজান্তে মস্তিষ্কের ক্ষতি করে ফেলি।

সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের নিউরোলজিস্ট ডা. বিং এমন তিনটি অভ্যাসের কথা জানিয়েছেন, যেগুলো তিনি নিজে এড়িয়ে চলেন এবং অন্যদেরও না করার পরামর্শ দেন।

১. ঘুমের সময় হেডফোন বা ইয়ারবাড ব্যবহার:
ঘুমানোর সময় কানে হেডফোন লাগানো অভ্যাসে উচ্চ শব্দের কারণে কানের সূক্ষ্ম হেয়ার সেল ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। এতে শ্রবণশক্তি কমে যাওয়া বা ভবিষ্যতে ডিমেনশিয়ার ঝুঁকি বাড়ে। তাছাড়া, দীর্ঘক্ষণ ইয়ারবাড ব্যবহারে কানে আর্দ্রতা ও ব্যাকটেরিয়া জমে সংক্রমণের আশঙ্কা থাকে। উচ্চ শব্দে ঘুমালে মস্তিষ্কের টক্সিন পরিষ্কার প্রক্রিয়াও ব্যাহত হয়।

২. মাড়ির যত্ন না নেওয়া:
ডা. বিং জানান, প্রতিদিন রাতে তিনি ফ্লস ও ওয়াটার ফ্লস ব্যবহার করেন। কারণ, দাঁত ও মাড়ির সমস্যা যেমন দাঁতের ক্ষয় বা ইনফেকশন, তেমনি স্ট্রোক, ডিমেনশিয়া এবং কগনিটিভ হ্রাসের ঝুঁকিও বাড়ায়। গবেষণায় দেখা গেছে, মাড়ির রোগে আক্রান্তদের মধ্যে স্ট্রোকের আশঙ্কা প্রায় দ্বিগুণ।

৩. টয়লেটে দীর্ঘক্ষণ বসে থাকা:
দীর্ঘ সময় টয়লেটে বসে থাকা শরীরে রক্ত সঞ্চালনে সমস্যা তৈরি করতে পারে। এতে হঠাৎ রক্তচাপ কমে গিয়ে মস্তিষ্কে রক্তপ্রবাহে বিঘ্ন ঘটে, ফলে কেউ কেউ অজ্ঞান হয়ে পড়েন। ডা. বিং বলেন, তিনি নিয়মিত এমন ঘটনা লক্ষ্য করেন। তবে যাদের দীর্ঘমেয়াদি অন্ত্রের সমস্যা রয়েছে, তাদের ক্ষেত্রে বিষয়টি ভিন্ন হতে পারে।

অল্প কিছু দৈনন্দিন অভ্যাসও দীর্ঘমেয়াদে মস্তিষ্কের ওপর গভীর প্রভাব ফেলে। তাই সুস্থ মস্তিষ্কের জন্য সচেতন জীবনযাপন এবং ক্ষতিকর অভ্যাসগুলো থেকে বিরত থাকা জরুরি।