ঢাকা ০৮:১০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২২ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ :
Logo ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে মাঝারি মাত্রার ভূমিকম্প Logo প্রাথমিক শিক্ষকদের নিয়োগ ও বদলিতে জেলা পর্যায়ে নতুন উদ্যোগ Logo দেশ গড়ার যেকোনো পরিকল্পনায় প্রতিবন্ধীদের অংশগ্রহণ জরুরি: জায়মা রহমান Logo শবে বরাতে ঢাকায় আতশবাজি ও পটকা নিষিদ্ধ, জারি ডিএমপির কড়াকড়ি Logo কারাবন্দিদের জন্য প্রথমবার ডাকযোগে ভোটগ্রহণ শুরু, চলবে ৭ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত Logo ৫ ঘণ্টার ব্যবধানে আবার বাড়ল স্বর্ণের দাম, ২২ ক্যারেটের ভরি ছাড়াল ২ লাখ ৬২ হাজার টাকা Logo র‌্যাবের নাম বদল, নতুন নাম ‘স্পেশাল ইন্টারভেনশন ফোর্স’ Logo বুড়িগঙ্গার পানি খেয়ে মাদকবর্জিত রাখার অঙ্গীকার নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর, ঢাকা-৮ Logo শেরপুরে জামায়াত নেতা হত্যাকাণ্ড: স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক আটক Logo নির্বাচন ও গণভোট ঘিরে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা: মাঠে দেড় লাখের বেশি পুলিশ, ঝুঁকিপূর্ণ আসনে বাড়তি সতর্কতা

কমলা খেলে কমবে ক্যান্সারের ঝুঁকি—গবেষণার চমকপ্রদ ফলাফল

নিজস্ব সংবাদ : দেশ২৪লাইভ

সংগৃহিত

একটি সাম্প্রতিক চিকিৎসা-সমীক্ষায় দেখা গেছে, প্রতিদিন মাত্র একটি কমলা খেলে মুখ, গলা ও পেটের ক্যান্সারের ঝুঁকি উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস পেতে পারে। অস্ট্রেলিয়ায় সম্পন্ন এই গবেষণায় সাইট্রাস জাতীয় ফলের পুষ্টিমান শরীরের জন্য কতটা উপকারী তা নতুন করে তুলে ধরা হয়েছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, নিয়মিত সাইট্রাস ফল খাওয়ার অভ্যাস আমাদের খাদ্যতালিকায় ফল ও সবজির প্রয়োজনীয়তা আরও জোরালোভাবে প্রমাণ করে। গবেষণার তথ্য অনুযায়ী, দৈনন্দিন একটি কমলা শুধু ক্যান্সারের ঝুঁকি কমায় না—বরং ধমনীর রোগ, স্থূলতা এবং ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণেও সাহায্য করে। ৪৮টি আন্তর্জাতিক গবেষণা বিশ্লেষণ করে এই ফল পাওয়া গেছে। আরও বলা হয়েছে, প্রতিদিন কমলা খাওয়ার পাশাপাশি পাঁচ ধরনের ফল-সবজি গ্রহণ করলে হার্ট অ্যাটাকের সম্ভাবনা প্রায় ১৯% কমে যায়।

কেন কমলা এত কার্যকর?

গবেষণা প্রতিবেদনে উল্লেখ আছে, অন্য সাইট্রাস ফলের তুলনায় কমলায় অ্যান্টিঅক্সিডেন্টের পরিমাণ বেশি। এই অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট শরীরকে কোষ ক্ষয় থেকে রক্ষা করে এবং বিভিন্ন রোগ প্রতিরোধে সাহায্য করে।

কমলার পুষ্টিগুণ

কমলায় ভিটামিন সি, এ, বি এবং ই ছাড়াও থাকে ক্যালসিয়াম, পটাসিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম, ফসফরাস ও প্রাকৃতিক শর্করা। বিশেষ করে ভিটামিন সি রোগ প্রতিরোধে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, যা শরীর নিজে উৎপাদন করতে পারে না—তাই খাদ্য থেকে নিয়মিত গ্রহণ জরুরি।

কমলার ফাইবার হজমকে সহজ করে এবং অন্ত্রের কার্যক্রম সক্রিয় রাখে। গবেষণায় আরও পাওয়া গেছে, কমলার রস কোলেস্টেরল ভাঙতে সহায়তা করে, যা পিত্তথলিতে পাথর হওয়ার ঝুঁকি কমাতে পারে। এতে প্রায় ৮৫% পানি থাকে, যা শরীরকে পর্যাপ্ত হাইড্রেশন দেয়।

সকালে এক গ্লাস কমলার রস মানসিক চাপ হ্রাস করতে সহায়ক হতে পারে—যা আবার হজম সমস্যাও কমাতে ভূমিকা রাখে।

কমলার খোসায় অতিরিক্ত উপকারী যৌগ

গবেষণার আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ তথ্য হলো—কমলার খোসায় থাকা পলিমেথোক্সিলেটেড ফ্লাভোনস (PMFs) এমনভাবে কোলেস্টেরল কমাতে ভূমিকা রাখে, যা অনেক ওষুধের কার্যকারিতার সাথেও তুলনীয়, আবার পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার ঝুঁকিও নেই।

কমলা ও ক্যান্টালুপের খোসায় ট্যানজেরেটিন এবং নোবিলেটিন যৌগের উপস্থিতি সবচেয়ে বেশি। আর রসে এর পরিমাণ তুলনামূলক কম। এছাড়া খোসার পেক্টিন অন্ত্রে উপকারী ব্যাকটেরিয়ার বৃদ্ধি বাড়ায় এবং বিভিন্ন সংক্রমণের ঝুঁকি কমাতে সাহায্য করে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপডেট সময় ০৯:৩৫:২৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৫ নভেম্বর ২০২৫
৬৭ বার পড়া হয়েছে

কমলা খেলে কমবে ক্যান্সারের ঝুঁকি—গবেষণার চমকপ্রদ ফলাফল

আপডেট সময় ০৯:৩৫:২৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৫ নভেম্বর ২০২৫

একটি সাম্প্রতিক চিকিৎসা-সমীক্ষায় দেখা গেছে, প্রতিদিন মাত্র একটি কমলা খেলে মুখ, গলা ও পেটের ক্যান্সারের ঝুঁকি উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস পেতে পারে। অস্ট্রেলিয়ায় সম্পন্ন এই গবেষণায় সাইট্রাস জাতীয় ফলের পুষ্টিমান শরীরের জন্য কতটা উপকারী তা নতুন করে তুলে ধরা হয়েছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, নিয়মিত সাইট্রাস ফল খাওয়ার অভ্যাস আমাদের খাদ্যতালিকায় ফল ও সবজির প্রয়োজনীয়তা আরও জোরালোভাবে প্রমাণ করে। গবেষণার তথ্য অনুযায়ী, দৈনন্দিন একটি কমলা শুধু ক্যান্সারের ঝুঁকি কমায় না—বরং ধমনীর রোগ, স্থূলতা এবং ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণেও সাহায্য করে। ৪৮টি আন্তর্জাতিক গবেষণা বিশ্লেষণ করে এই ফল পাওয়া গেছে। আরও বলা হয়েছে, প্রতিদিন কমলা খাওয়ার পাশাপাশি পাঁচ ধরনের ফল-সবজি গ্রহণ করলে হার্ট অ্যাটাকের সম্ভাবনা প্রায় ১৯% কমে যায়।

কেন কমলা এত কার্যকর?

গবেষণা প্রতিবেদনে উল্লেখ আছে, অন্য সাইট্রাস ফলের তুলনায় কমলায় অ্যান্টিঅক্সিডেন্টের পরিমাণ বেশি। এই অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট শরীরকে কোষ ক্ষয় থেকে রক্ষা করে এবং বিভিন্ন রোগ প্রতিরোধে সাহায্য করে।

কমলার পুষ্টিগুণ

কমলায় ভিটামিন সি, এ, বি এবং ই ছাড়াও থাকে ক্যালসিয়াম, পটাসিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম, ফসফরাস ও প্রাকৃতিক শর্করা। বিশেষ করে ভিটামিন সি রোগ প্রতিরোধে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, যা শরীর নিজে উৎপাদন করতে পারে না—তাই খাদ্য থেকে নিয়মিত গ্রহণ জরুরি।

কমলার ফাইবার হজমকে সহজ করে এবং অন্ত্রের কার্যক্রম সক্রিয় রাখে। গবেষণায় আরও পাওয়া গেছে, কমলার রস কোলেস্টেরল ভাঙতে সহায়তা করে, যা পিত্তথলিতে পাথর হওয়ার ঝুঁকি কমাতে পারে। এতে প্রায় ৮৫% পানি থাকে, যা শরীরকে পর্যাপ্ত হাইড্রেশন দেয়।

সকালে এক গ্লাস কমলার রস মানসিক চাপ হ্রাস করতে সহায়ক হতে পারে—যা আবার হজম সমস্যাও কমাতে ভূমিকা রাখে।

কমলার খোসায় অতিরিক্ত উপকারী যৌগ

গবেষণার আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ তথ্য হলো—কমলার খোসায় থাকা পলিমেথোক্সিলেটেড ফ্লাভোনস (PMFs) এমনভাবে কোলেস্টেরল কমাতে ভূমিকা রাখে, যা অনেক ওষুধের কার্যকারিতার সাথেও তুলনীয়, আবার পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার ঝুঁকিও নেই।

কমলা ও ক্যান্টালুপের খোসায় ট্যানজেরেটিন এবং নোবিলেটিন যৌগের উপস্থিতি সবচেয়ে বেশি। আর রসে এর পরিমাণ তুলনামূলক কম। এছাড়া খোসার পেক্টিন অন্ত্রে উপকারী ব্যাকটেরিয়ার বৃদ্ধি বাড়ায় এবং বিভিন্ন সংক্রমণের ঝুঁকি কমাতে সাহায্য করে।