ঢাকা ০৭:১৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩০ নভেম্বর ২০২৫, ১৬ অগ্রহায়ণ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ :
Logo দুদকের তদন্তের মুখে ট্রান্সকম গ্রুপের সিইও সিমিন রহমান; শেখ হাসিনাকে ঘুষ দেওয়ার অভিযোগ Logo  তারেক রহমানের দেশে ফেরা প্রসঙ্গে সরকারের অবস্থান জানালেন পররাষ্ট্র উপদেষ্টা Logo  সিলেটে নিখোঁজ ছাতকের সৌরভ, খুঁজে পেতে সহযোগিতার আহ্বান Logo সচিবালয়ের মন্ত্রিপরিষদ ভবনে আগুন, অল্প সময়েই নিয়ন্ত্রণে ফায়ার সার্ভিস Logo ইতালিতে পাঁচ লাখ কর্মী নেওয়ার উদ্যোগ: আবেদন জমা দেওয়ার শেষ সময় কবে? Logo ঢাকায় রাশিয়ান রাষ্ট্রদূতের পক্ষ থেকে খালেদা জিয়ার দ্রুত আরোগ্য কামনা Logo খুলনা আদালত এলাকায় গুলিতে দুইজন নিহত: প্রত্যক্ষদর্শীদের বর্ণনায় যা উঠে এসেছে Logo ৬ লেন নির্মাণের দাবিতে সাতকানিয়ায় চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়ক অবরোধ Logo কুষ্টিয়ার ছয় হত্যা মামলায় ইনুর বিরুদ্ধে আজ ট্রাইব্যুনালে সূচনা বক্তব্য ও সাক্ষ্যগ্রহণ Logo আইরিশদের হারিয়ে সিরিজে সমতা ফেরাল বাংলাদেশ

‘ধর্মহীন শিক্ষা বিপথে নিতে পারে’—ধর্ম উপদেষ্টার সতর্কবার্তা

নিজস্ব সংবাদ :

সংগৃহিত

ধর্ম উপদেষ্টা ড. আ ফ. ম. খালিদ হোসেন বলেছেন, আধুনিক শিক্ষার পাশাপাশি দ্বীনি শিক্ষা অন্তর্ভুক্ত করা গেলে সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তন আনা সম্ভব। তার মতে, শিক্ষাব্যবস্থা থেকে ধর্ম বিচ্ছিন্ন হলে তরুণরা ভুল পথে চলে যাওয়ার ঝুঁকি বাড়ে।

শনিবার (২২ নভেম্বর) চট্টগ্রাম নগরীর ওয়েল পার্ক হোটেলে আসসুন্নাহ মডেল মাদরাসার বার্ষিক মাহফিল ও সনদ বিতরণ অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি জানান, ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে এবং একটি গ্রহণযোগ্য, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন আয়োজনের জন্য সরকার প্রস্তুতি নিচ্ছে। তিনি বলেন, নির্বাচনে যারা বিজয়ী হবেন তাদের কাছে দায়িত্ব হস্তান্তরের মাধ্যমে বর্তমান সরকার বিদায় নেবে।

তিনি আরও বলেন, দুর্নীতি, সুদ, ঘুষ ও চাঁদাবাজমুক্ত একটি দেশ গড়তে হলে আল্লাহভীরু, চরিত্রবান ও সৎ ব্যক্তিদের রাষ্ট্র পরিচালনায় এগিয়ে আসতে হবে। তরুণদেরও আদর্শ রাষ্ট্র গঠনে ভূমিকা রাখার আহ্বান জানান তিনি।

শিক্ষায় ধর্মীয় মূল্যবোধ যুক্ত করার গুরুত্ব তুলে ধরে তিনি বলেন—বিশ্বের উন্নত দেশগুলোতেও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে উপাসনালয় থাকে। সাধারণ শিক্ষার সঙ্গে ধর্মীয় শিক্ষা সমন্বিত না হলে সমাজে অনৈতিক কর্মকাণ্ড বৃদ্ধি পেতে পারে। তার ভাষায়, শিক্ষা থেকে ধর্ম আলাদা করলে সমাজে অপরাধপ্রবণতা তৈরি হয়।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন আন্দরকিল্লা শাহী জামে মসজিদের পেশ ইমাম ও মাদরাসার প্রধান উপদেষ্টা আনোয়ারুল ইসলাম আযহারী। এ ছাড়া চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের অধ্যাপক ড. মু. মমতাজ উদ্দীন কাদেরী, অধ্যাপক ড. হুমায়ুন কবির খালভী, মুফতি আবুল কালাম আল আজাদ, সুহাইল সালেহ, শয়েখ নাসির উদ্দীন এবং মুফতি মাসউদুর রহমান বক্তব্য দেন।

শেষে ২০২৫ সালের হিফজ বিভাগের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের হাতে সনদপত্র তুলে দেন ধর্ম উপদেষ্টা।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপডেট সময় ০৬:০৬:৪৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ২২ নভেম্বর ২০২৫
২৩ বার পড়া হয়েছে

‘ধর্মহীন শিক্ষা বিপথে নিতে পারে’—ধর্ম উপদেষ্টার সতর্কবার্তা

আপডেট সময় ০৬:০৬:৪৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ২২ নভেম্বর ২০২৫

ধর্ম উপদেষ্টা ড. আ ফ. ম. খালিদ হোসেন বলেছেন, আধুনিক শিক্ষার পাশাপাশি দ্বীনি শিক্ষা অন্তর্ভুক্ত করা গেলে সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তন আনা সম্ভব। তার মতে, শিক্ষাব্যবস্থা থেকে ধর্ম বিচ্ছিন্ন হলে তরুণরা ভুল পথে চলে যাওয়ার ঝুঁকি বাড়ে।

শনিবার (২২ নভেম্বর) চট্টগ্রাম নগরীর ওয়েল পার্ক হোটেলে আসসুন্নাহ মডেল মাদরাসার বার্ষিক মাহফিল ও সনদ বিতরণ অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি জানান, ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে এবং একটি গ্রহণযোগ্য, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন আয়োজনের জন্য সরকার প্রস্তুতি নিচ্ছে। তিনি বলেন, নির্বাচনে যারা বিজয়ী হবেন তাদের কাছে দায়িত্ব হস্তান্তরের মাধ্যমে বর্তমান সরকার বিদায় নেবে।

তিনি আরও বলেন, দুর্নীতি, সুদ, ঘুষ ও চাঁদাবাজমুক্ত একটি দেশ গড়তে হলে আল্লাহভীরু, চরিত্রবান ও সৎ ব্যক্তিদের রাষ্ট্র পরিচালনায় এগিয়ে আসতে হবে। তরুণদেরও আদর্শ রাষ্ট্র গঠনে ভূমিকা রাখার আহ্বান জানান তিনি।

শিক্ষায় ধর্মীয় মূল্যবোধ যুক্ত করার গুরুত্ব তুলে ধরে তিনি বলেন—বিশ্বের উন্নত দেশগুলোতেও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে উপাসনালয় থাকে। সাধারণ শিক্ষার সঙ্গে ধর্মীয় শিক্ষা সমন্বিত না হলে সমাজে অনৈতিক কর্মকাণ্ড বৃদ্ধি পেতে পারে। তার ভাষায়, শিক্ষা থেকে ধর্ম আলাদা করলে সমাজে অপরাধপ্রবণতা তৈরি হয়।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন আন্দরকিল্লা শাহী জামে মসজিদের পেশ ইমাম ও মাদরাসার প্রধান উপদেষ্টা আনোয়ারুল ইসলাম আযহারী। এ ছাড়া চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের অধ্যাপক ড. মু. মমতাজ উদ্দীন কাদেরী, অধ্যাপক ড. হুমায়ুন কবির খালভী, মুফতি আবুল কালাম আল আজাদ, সুহাইল সালেহ, শয়েখ নাসির উদ্দীন এবং মুফতি মাসউদুর রহমান বক্তব্য দেন।

শেষে ২০২৫ সালের হিফজ বিভাগের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের হাতে সনদপত্র তুলে দেন ধর্ম উপদেষ্টা।