যে খাবারগুলো ডাক্তাররা হৃদরোগীদের এড়িয়ে চলতে বলেন
দেখতে খুবই স্বাস্থ্যকর হলেও কিছু খাবার নির্দিষ্ট ব্যক্তিদের জন্য হৃদ্স্বাস্থ্যের ঝুঁকি তৈরি করতে পারে। বিশেষ করে যাদের আগে থেকেই হৃদরোগ, কিডনি সমস্যা বা নির্দিষ্ট ওষুধ সেবনের অভ্যাস রয়েছে—তাদের ক্ষেত্রে এসব খাবার বিপরীত প্রভাব ফেলতে পারে। হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ দিমিত্রি ইয়ারানোভ এ বিষয়ে তার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিস্তারিত জানান।
তার মতে, কিছু খাবার শরীরের খনিজ, লবণ ও বিপাকীয় প্রক্রিয়ার ভারসাম্য নষ্ট করে হার্ট ও কিডনির ওপর বাড়তি চাপ সৃষ্টি করতে পারে। নিচে এমন চারটি খাবারের বিষয় উল্লেখ করা হলো—
১. কলা
কলা পটাসিয়ামে সমৃদ্ধ। কিন্তু যাদের কিডনি দুর্বল অথবা যারা পটাসিয়াম বাড়ায় এমন ওষুধ (যেমন স্পিরোনোল্যাকটোন, ARNI) সেবন করেন, তাদের শরীর অতিরিক্ত পটাসিয়াম বের করতে পারে না। ফলে রক্তে পটাসিয়াম জমে হৃদ্পিণ্ডের জন্য ঝুঁকি তৈরি হয়।
২. পালং শাক
পালং শাক পুষ্টিসমৃদ্ধ হলেও এতে পটাসিয়াম ও ভিটামিন কে বেশি থাকে। ইলেকট্রোলাইটের সমস্যা যাদের আছে, তাদের ক্ষেত্রে এটি ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে। তাছাড়া ওয়ারফারিন ব্যবহারকারীদের INR মাত্রা হঠাৎ ওঠানামা করতে পারে।
৩. জাম্বুরা (গ্রেপফ্রুট)
জাম্বুরার কিছু উপাদান (ফুরানোকুমারিন) শরীরে ওষুধ ভাঙার কাজ কমিয়ে দেয়। ফলে নির্দিষ্ট হৃদরোগের ওষুধ রক্তে বেশি জমে ক্ষতি করতে পারে, বিশেষ করে স্ট্যাটিন বা ক্যালসিয়াম–চ্যানেল ব্লকার গ্রহণকারীদের।
৪. সয়া সস
সয়া সসে সোডিয়াম মাত্রা খুব বেশি। হৃদরোগ, উচ্চ রক্তচাপ বা পানি জমার সমস্যা থাকলে সামান্য সয়া সসও রক্তচাপ বাড়াতে পারে এবং হার্টে চাপ সৃষ্টি করে।





















