পাসপোর্ট সূচকে বাংলাদেশ এক ধাপ এগোল
বিশ্বের পাসপোর্ট শক্তিমত্তার সূচকে বাংলাদেশের অবস্থানে সামান্য উন্নতি দেখা গেছে। হেনলি পাসপোর্ট ইনডেক্সের সর্বশেষ তালিকা অনুযায়ী, বর্তমানে বাংলাদেশের অবস্থান ৯৫ নম্বরে। আগের বছর ২০২৫ সালে দেশটির অবস্থান ছিল ১০০ নম্বরে। ফলে ২০২৬ সালে লাল-সবুজ পাসপোর্টের সক্ষমতায় হালকা অগ্রগতি হয়েছে।
আন্তর্জাতিক এয়ার ট্রান্সপোর্ট অ্যাসোসিয়েশন (আইএটিএ)-এর তথ্যের ভিত্তিতে প্রতি বছর এই সূচক প্রকাশ করে হেনলি পাসপোর্ট ইনডেক্স। তালিকা অনুযায়ী, বাংলাদেশের পাসপোর্টধারীরা এখন ৩৭টি দেশে ভিসা ছাড়াই ভ্রমণের সুযোগ পান।
সূচকে ভারত নাইজার ও আলজেরিয়ার সঙ্গে যৌথভাবে ৮০তম অবস্থানে রয়েছে। বাংলাদেশের তিন ধাপ পেছনে, অর্থাৎ ৯৮ নম্বরে আছে পাকিস্তান। নেপাল বাংলাদেশের এক ধাপ নিচে থেকে অবস্থান করছে ৯৬ নম্বরে। পাকিস্তানের পরের অবস্থান ইরাক ও সিরিয়ার, আর তালিকার একেবারে শেষে ১০১ নম্বরে রয়েছে আফগানিস্তান।
প্রতিবেদনে আরও জানানো হয়, শীর্ষ তিনটি পাসপোর্টই এশিয়ার দেশের। তালিকার শীর্ষে রয়েছে সিঙ্গাপুর, যার নাগরিকরা ১৯২টি দেশে ভিসামুক্ত ভ্রমণ করতে পারেন। দ্বিতীয় স্থানে যৌথভাবে আছে জাপান ও দক্ষিণ কোরিয়া—এই দুই দেশের নাগরিকদের জন্য ১৮৮টি দেশে ভিসা ছাড়াই প্রবেশাধিকার রয়েছে।
তৃতীয় স্থানে যৌথভাবে রয়েছে ইউরোপের পাঁচটি দেশ—ডেনমার্ক, লুক্সেমবার্গ, স্পেন, সুইডেন ও সুইজারল্যান্ড। এসব দেশের নাগরিকরা ১৮৬টি দেশ ও অঞ্চলে ভিসামুক্ত প্রবেশাধিকার পান। চতুর্থ স্থানে রয়েছে অস্ট্রিয়া, বেলজিয়াম, ফিনল্যান্ড, ফ্রান্স, জার্মানি, গ্রিস, আয়ারল্যান্ড, ইতালি, নেদারল্যান্ডস ও নরওয়ে। পঞ্চম স্থানে আরও চারটি দেশের সঙ্গে অবস্থান করছে সংযুক্ত আরব আমিরাত।
হেনলি পাসপোর্ট ইনডেক্সের ওয়েবসাইটের তথ্য অনুযায়ী, তাদের ডাটাবেজে বর্তমানে বিশ্বের ১৯৯টি দেশের পাসপোর্ট এবং ২২৭টি ভিন্ন ভ্রমণ গন্তব্য অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। প্রতি মাসে হালনাগাদ হওয়া এই সূচকটি পাসপোর্ট মূল্যায়নে সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য ও শক্তিশালী সূচকগুলোর একটি হিসেবে বিবেচিত।



















