ট্রাম্পের দাবি: মাঝে মাঝে স্বৈরশাসকের প্রয়োজন হয়
সুইজারল্যান্ডের দাভোসে অনুষ্ঠিত বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরামে ভাষণ দেওয়ার পর আলাপকালে নিজেকে ‘স্বৈরশাসক’-এর সঙ্গে তুলনা করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প। তিনি বলেন, “আমরা একটি ভালো ভাষণ দিয়েছি এবং দারুণ প্রতিক্রিয়া পেয়েছি। সত্যিই বিশ্বাসই করতে পারছি না, এই ভাষণের জন্য এত ভালো রিভিউ পেয়েছি।”
ট্রাম্প আরও বলেন, “সাধারণত সমালোচকরা বলেন আমি একজন ভয়ংকর স্বৈরশাসক-টাইপের মানুষ। হ্যাঁ, আমি স্বৈরশাসক, কিন্তু কখনো কখনো স্বৈরশাসকের প্রয়োজন হয়।” এই ভাষণের মাধ্যমে তিনি আবারও গ্রিনল্যান্ডের দখলের দাবি তুলেছেন এবং কানাডা ও ইউরোপকে সতর্ক করেছেন।
ট্রাম্পের নিজেকে স্বৈরশাসকের সঙ্গে তুলনা করার ঘটনা নতুন নয়। ২০২৫ সালের আগস্টে ওয়াশিংটন ডিসিতে ন্যাশনাল গার্ড সমর্থিত অভিযানকালে পতাকা পোড়ানোদের বিরুদ্ধে মামলা করার আদেশে তিনি ইঙ্গিত দিয়েছিলেন যে, কখনও কখনও আমেরিকানরা একজন স্বৈরশাসককে পছন্দ করতে পারে। তিনি সাংবাদিকদের বলেন, “তারা বলে, আমাকে তাদের দরকার নেই। স্বাধীনতা, স্বাধীনতা। কিন্তু অনেক মানুষ বলছে, হয়তো আমরা একজন স্বৈরশাসককেই পছন্দ করি।”
যদিও পরে ট্রাম্প যোগ করেন, “আমি স্বৈরশাসক পছন্দ করি না। আমি স্বৈরশাসক নই। আমি একজন মানুষ, যার সাধারণ বুদ্ধি খুব ভালো এবং আমি বুদ্ধিমান ব্যক্তি।” ২০২৪ সালের নির্বাচনের আগে ফক্স নিউজে এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেছেন, দায়িত্ব নেওয়ার প্রথম দিনই স্বৈরশাসক হবেন। এছাড়াও, ট্রাম্প বিভিন্ন সময়ে পুতিন, শি জিনপিং, কিম জং উনের মতো নেতাদের শক্তি, বুদ্ধিমত্তা এবং নিয়ন্ত্রণ ক্ষমতার প্রশংসা করেছেন।
সূত্র: এনডিটিভি

























