ঢাকা ০৭:৫৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩০ নভেম্বর ২০২৫, ১৬ অগ্রহায়ণ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ :
Logo দুদকের তদন্তের মুখে ট্রান্সকম গ্রুপের সিইও সিমিন রহমান; শেখ হাসিনাকে ঘুষ দেওয়ার অভিযোগ Logo  তারেক রহমানের দেশে ফেরা প্রসঙ্গে সরকারের অবস্থান জানালেন পররাষ্ট্র উপদেষ্টা Logo  সিলেটে নিখোঁজ ছাতকের সৌরভ, খুঁজে পেতে সহযোগিতার আহ্বান Logo সচিবালয়ের মন্ত্রিপরিষদ ভবনে আগুন, অল্প সময়েই নিয়ন্ত্রণে ফায়ার সার্ভিস Logo ইতালিতে পাঁচ লাখ কর্মী নেওয়ার উদ্যোগ: আবেদন জমা দেওয়ার শেষ সময় কবে? Logo ঢাকায় রাশিয়ান রাষ্ট্রদূতের পক্ষ থেকে খালেদা জিয়ার দ্রুত আরোগ্য কামনা Logo খুলনা আদালত এলাকায় গুলিতে দুইজন নিহত: প্রত্যক্ষদর্শীদের বর্ণনায় যা উঠে এসেছে Logo ৬ লেন নির্মাণের দাবিতে সাতকানিয়ায় চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়ক অবরোধ Logo কুষ্টিয়ার ছয় হত্যা মামলায় ইনুর বিরুদ্ধে আজ ট্রাইব্যুনালে সূচনা বক্তব্য ও সাক্ষ্যগ্রহণ Logo আইরিশদের হারিয়ে সিরিজে সমতা ফেরাল বাংলাদেশ

ভ্যাট ও শুল্ক প্রত্যাহারের দাবি ফখরুলের

নিজস্ব সংবাদ :

ছবি সংগৃহীত

ভ্যাট ও শুল্ক প্রত্যাহারের দাবি ফখরুলের।

জনগণের ওপর ভ্যাট ও শুল্ক চাপিয়ে দেয়া অপরিণামদর্শী সিদ্ধান্ত উল্লেখ করে তা অবিলম্বে প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

শনিবার (১৮ জানুয়ারি) সকালে রাজধানীর গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে তিনি এই দাবি জানান।

 

ফখরুল বলেন, ‘চলমান অর্থনীতির সংকট চলাকালে ১০০টি পণ্যের ওপর ভ্যাট ও শুল্ক আরোপ করেছে সরকার। জনজীবনে যা নেতিবাচক প্রভাব পড়বে।’
 
বর্তমান রাজস্ব দিয়ে সরকার বাজেট মেটাতে পারছে না উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘আওয়ামী লীগ তাদের দুর্নীতি, লুটপাটের কারণে কার্যত অর্থনীতিকে ধ্বংস করে দিয়েছে। বর্তমান সরকার চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা না করে চলতি বছরের মাঝপথে ভ্যাট ও শুল্ক বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিলো, যা জনগণের ওপর চরম চাপ বাড়াবে।’
 
অন্তর্বর্তী সরকার বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের মত টাকা ছাপিয়ে অর্থনীতির জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকারক সিদ্ধান্ত নিয়েছে বলে অভিযোগ করেন মির্জা ফখরুল। 
 
 
তিনি বলেন, ‘এতে দেশের অর্থনীতিতে মূল্যস্ফীতি বাড়বে। বর্তমান উচ্চমূল্যের জ্বালানি খরচ আরও বাড়বে। সেইসঙ্গে বাড়বে দৈনন্দিন সমস্ত খরচও।  যা জনগণের নাভিশ্বাস উঠবে।’
 
মির্জা ফখরুল বলেন, ‘বর্তমান সরকারের সর্বপ্রথম নজর দেয়া উচিৎ খরচ কমানোর দিকে। উন্নয়ন বাজেট পুনর্বিবেচনা করে অপ্রয়োজনীয় ও আর্থিকভাবে অযৌক্তিক প্রকল্পগুলো বাদ দিলে ২০ শতাংশ খরচ কমানো সম্ভব। যেখানে ৬০ হাজার কোটি টাকা সাশ্রয় হতে পারে। বাজেটে ন্যূনতম ১ কোটি টাকা সাশ্রয় করা যাবে।’
 
বিএনপির মমহাসচিব মনে করেন, ‘ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ পালিয়ে যাওয়ার পর বর্তমান সরকারের আন্তর্জাতিক মহলে ভাবমূর্তির কারণে সব আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় বাংলাদেশের অর্থনীতিতে সাহায্যে এগিয়ে আসবে। তাই আইএমএফ থেকে ঋণ পেতে তাদের প্রদত্ত কঠিন শর্তগুলো শিথিল করার জন্য বলা যেতে পারে।’ 

নিউজটি শেয়ার করুন

আপডেট সময় ১০:১৫:২৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৮ জানুয়ারী ২০২৫
১০২ বার পড়া হয়েছে

ভ্যাট ও শুল্ক প্রত্যাহারের দাবি ফখরুলের

আপডেট সময় ১০:১৫:২৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৮ জানুয়ারী ২০২৫

ভ্যাট ও শুল্ক প্রত্যাহারের দাবি ফখরুলের।

জনগণের ওপর ভ্যাট ও শুল্ক চাপিয়ে দেয়া অপরিণামদর্শী সিদ্ধান্ত উল্লেখ করে তা অবিলম্বে প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

শনিবার (১৮ জানুয়ারি) সকালে রাজধানীর গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে তিনি এই দাবি জানান।

 

ফখরুল বলেন, ‘চলমান অর্থনীতির সংকট চলাকালে ১০০টি পণ্যের ওপর ভ্যাট ও শুল্ক আরোপ করেছে সরকার। জনজীবনে যা নেতিবাচক প্রভাব পড়বে।’
 
বর্তমান রাজস্ব দিয়ে সরকার বাজেট মেটাতে পারছে না উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘আওয়ামী লীগ তাদের দুর্নীতি, লুটপাটের কারণে কার্যত অর্থনীতিকে ধ্বংস করে দিয়েছে। বর্তমান সরকার চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা না করে চলতি বছরের মাঝপথে ভ্যাট ও শুল্ক বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিলো, যা জনগণের ওপর চরম চাপ বাড়াবে।’
 
অন্তর্বর্তী সরকার বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের মত টাকা ছাপিয়ে অর্থনীতির জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকারক সিদ্ধান্ত নিয়েছে বলে অভিযোগ করেন মির্জা ফখরুল। 
 
 
তিনি বলেন, ‘এতে দেশের অর্থনীতিতে মূল্যস্ফীতি বাড়বে। বর্তমান উচ্চমূল্যের জ্বালানি খরচ আরও বাড়বে। সেইসঙ্গে বাড়বে দৈনন্দিন সমস্ত খরচও।  যা জনগণের নাভিশ্বাস উঠবে।’
 
মির্জা ফখরুল বলেন, ‘বর্তমান সরকারের সর্বপ্রথম নজর দেয়া উচিৎ খরচ কমানোর দিকে। উন্নয়ন বাজেট পুনর্বিবেচনা করে অপ্রয়োজনীয় ও আর্থিকভাবে অযৌক্তিক প্রকল্পগুলো বাদ দিলে ২০ শতাংশ খরচ কমানো সম্ভব। যেখানে ৬০ হাজার কোটি টাকা সাশ্রয় হতে পারে। বাজেটে ন্যূনতম ১ কোটি টাকা সাশ্রয় করা যাবে।’
 
বিএনপির মমহাসচিব মনে করেন, ‘ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ পালিয়ে যাওয়ার পর বর্তমান সরকারের আন্তর্জাতিক মহলে ভাবমূর্তির কারণে সব আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় বাংলাদেশের অর্থনীতিতে সাহায্যে এগিয়ে আসবে। তাই আইএমএফ থেকে ঋণ পেতে তাদের প্রদত্ত কঠিন শর্তগুলো শিথিল করার জন্য বলা যেতে পারে।’