ঢাকা ০২:৩৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২২ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ :
Logo মা-বোনের প্রতি অসম্মানকারীদের কাছ থেকে দেশের উন্নয়ন সম্ভব নয়: তারেক রহমান Logo ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে মাঝারি মাত্রার ভূমিকম্প Logo প্রাথমিক শিক্ষকদের নিয়োগ ও বদলিতে জেলা পর্যায়ে নতুন উদ্যোগ Logo দেশ গড়ার যেকোনো পরিকল্পনায় প্রতিবন্ধীদের অংশগ্রহণ জরুরি: জায়মা রহমান Logo শবে বরাতে ঢাকায় আতশবাজি ও পটকা নিষিদ্ধ, জারি ডিএমপির কড়াকড়ি Logo কারাবন্দিদের জন্য প্রথমবার ডাকযোগে ভোটগ্রহণ শুরু, চলবে ৭ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত Logo ৫ ঘণ্টার ব্যবধানে আবার বাড়ল স্বর্ণের দাম, ২২ ক্যারেটের ভরি ছাড়াল ২ লাখ ৬২ হাজার টাকা Logo র‌্যাবের নাম বদল, নতুন নাম ‘স্পেশাল ইন্টারভেনশন ফোর্স’ Logo বুড়িগঙ্গার পানি খেয়ে মাদকবর্জিত রাখার অঙ্গীকার নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর, ঢাকা-৮ Logo শেরপুরে জামায়াত নেতা হত্যাকাণ্ড: স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক আটক

ইউক্রেন ইস্যুতে ট্রাম্পের মন্তব্যে ঝাঁপিয়ে পড়লেন বিশ্লেষকরা—পুতিনের সুরই কি শোনা যাচ্ছে?

নিজস্ব সংবাদ : দেশ২৪লাইভ

 

 

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এক বিস্ময়কর মন্তব্যে বলেছেন, রাশিয়ার সঙ্গে যুদ্ধ বন্ধ করতে চাইলে ইউক্রেনকে ন্যাটোতে যোগদানের আকাঙ্ক্ষা ত্যাগ করতে হবে। একই সঙ্গে তিনি মনে করেন, ক্রাইমিয়া আর কখনো ইউক্রেনের অধীনে ফিরে আসবে না, কারণ এটি অনেক আগেই রাশিয়া দখল করে নিয়েছে। এ মন্তব্য ঘিরে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে—বিশেষজ্ঞ ও সাধারণ মানুষ প্রশ্ন তুলছেন, ট্রাম্প কি রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের ভাষাই ব্যবহার করছেন?

এই বক্তব্যটি তিনি সোমবার (১৮ আগস্ট) ট্রুথ সোশ্যাল-এ প্রকাশ করেন, ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কির সঙ্গে হোয়াইট হাউজে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকের কয়েক ঘণ্টা আগে।

ট্রাম্প তার পোস্টে উল্লেখ করেন, “জেলেনস্কি চাইলে যুদ্ধ খুব সহজেই শেষ করতে পারেন। ইউক্রেনের জন্য ন্যাটোতে প্রবেশের কোনো পথ খোলা নেই। আর ২০১২ সালে বিনা প্রতিরোধে রাশিয়ার দখলে যাওয়া ক্রাইমিয়াও আর ফেরত পাওয়া সম্ভব নয়।”

তার এমন মন্তব্য সামাজিক ও রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক আলোচনা সৃষ্টি করেছে। অনেকেই বলছেন, এসব বক্তব্য রাশিয়ার কণ্ঠস্বরের সঙ্গে হুবহু মিলে যায়, যা যুক্তরাষ্ট্রের ঐতিহ্যবাহী কূটনৈতিক অবস্থানের সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ নয়।

উল্লেখযোগ্যভাবে, ট্রাম্প এই মন্তব্য করেন পুতিনের সঙ্গে আলাস্কায় তার সাম্প্রতিক আলোচনার পর। ওই বৈঠকে যুদ্ধবিরতির পরিবর্তে তিনি স্থায়ী শান্তিচুক্তির ওপর জোর দেন।

এদিকে, ট্রাম্প আরেকটি পোস্টে উল্লেখ করেন, “আগামীকাল হোয়াইট হাউজে ঐতিহাসিক দিন হতে যাচ্ছে। ইউরোপের এতজন নেতা একসঙ্গে কখনও এখানে আসেননি। তাদের স্বাগত জানাতে পেরে আমি গর্বিত।”

বিশ্লেষকরা ধারণা করছেন, মঙ্গলবার হোয়াইট হাউজে ইউক্রেন যুদ্ধ নিয়ে একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক অনুষ্ঠিত হতে পারে। যদিও দ্রুতসময়ে এতজন রাষ্ট্রপ্রধানের আমন্ত্রণ এবং আগমন অনেককেই বিস্মিত করেছে।

ট্রাম্প প্রশাসনের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, সোমবারের বৈঠকে কিছু ইতিবাচক অগ্রগতি হয়েছে এবং জেলেনস্কির সঙ্গে আলোচনায় তা গুরুত্ব সহকারে আলোচনা করা হবে।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

আপডেট সময় ০২:২৮:৩৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৮ অগাস্ট ২০২৫
১০৯ বার পড়া হয়েছে

ইউক্রেন ইস্যুতে ট্রাম্পের মন্তব্যে ঝাঁপিয়ে পড়লেন বিশ্লেষকরা—পুতিনের সুরই কি শোনা যাচ্ছে?

আপডেট সময় ০২:২৮:৩৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৮ অগাস্ট ২০২৫

 

 

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এক বিস্ময়কর মন্তব্যে বলেছেন, রাশিয়ার সঙ্গে যুদ্ধ বন্ধ করতে চাইলে ইউক্রেনকে ন্যাটোতে যোগদানের আকাঙ্ক্ষা ত্যাগ করতে হবে। একই সঙ্গে তিনি মনে করেন, ক্রাইমিয়া আর কখনো ইউক্রেনের অধীনে ফিরে আসবে না, কারণ এটি অনেক আগেই রাশিয়া দখল করে নিয়েছে। এ মন্তব্য ঘিরে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে—বিশেষজ্ঞ ও সাধারণ মানুষ প্রশ্ন তুলছেন, ট্রাম্প কি রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের ভাষাই ব্যবহার করছেন?

এই বক্তব্যটি তিনি সোমবার (১৮ আগস্ট) ট্রুথ সোশ্যাল-এ প্রকাশ করেন, ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কির সঙ্গে হোয়াইট হাউজে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকের কয়েক ঘণ্টা আগে।

ট্রাম্প তার পোস্টে উল্লেখ করেন, “জেলেনস্কি চাইলে যুদ্ধ খুব সহজেই শেষ করতে পারেন। ইউক্রেনের জন্য ন্যাটোতে প্রবেশের কোনো পথ খোলা নেই। আর ২০১২ সালে বিনা প্রতিরোধে রাশিয়ার দখলে যাওয়া ক্রাইমিয়াও আর ফেরত পাওয়া সম্ভব নয়।”

তার এমন মন্তব্য সামাজিক ও রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক আলোচনা সৃষ্টি করেছে। অনেকেই বলছেন, এসব বক্তব্য রাশিয়ার কণ্ঠস্বরের সঙ্গে হুবহু মিলে যায়, যা যুক্তরাষ্ট্রের ঐতিহ্যবাহী কূটনৈতিক অবস্থানের সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ নয়।

উল্লেখযোগ্যভাবে, ট্রাম্প এই মন্তব্য করেন পুতিনের সঙ্গে আলাস্কায় তার সাম্প্রতিক আলোচনার পর। ওই বৈঠকে যুদ্ধবিরতির পরিবর্তে তিনি স্থায়ী শান্তিচুক্তির ওপর জোর দেন।

এদিকে, ট্রাম্প আরেকটি পোস্টে উল্লেখ করেন, “আগামীকাল হোয়াইট হাউজে ঐতিহাসিক দিন হতে যাচ্ছে। ইউরোপের এতজন নেতা একসঙ্গে কখনও এখানে আসেননি। তাদের স্বাগত জানাতে পেরে আমি গর্বিত।”

বিশ্লেষকরা ধারণা করছেন, মঙ্গলবার হোয়াইট হাউজে ইউক্রেন যুদ্ধ নিয়ে একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক অনুষ্ঠিত হতে পারে। যদিও দ্রুতসময়ে এতজন রাষ্ট্রপ্রধানের আমন্ত্রণ এবং আগমন অনেককেই বিস্মিত করেছে।

ট্রাম্প প্রশাসনের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, সোমবারের বৈঠকে কিছু ইতিবাচক অগ্রগতি হয়েছে এবং জেলেনস্কির সঙ্গে আলোচনায় তা গুরুত্ব সহকারে আলোচনা করা হবে।