ঢাকা ০৪:৫২ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৪ ডিসেম্বর ২০২৫, ৩০ অগ্রহায়ণ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ :
Logo ব্রিসবেন বিমানবন্দরে ইংল্যান্ড দলের নিরাপত্তাকর্মীর আচরণ নিয়ে বিতর্ক Logo বিজয় দিবসে ৫৪ প্যারাট্রুপারের পতাকা জাম্প, বিশ্ব রেকর্ডে থাকছেন বিডা চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরী Logo ওসমান হাদিকে গুলির ঘটনায় ফয়সাল করিমের সব ব্যাংক হিসাব স্থগিত Logo গুলিবর্ষণে নতুন তথ্য: ওসমান হাদীর ওপর হামলায় ব্যবহৃত বাইকের চালক শনাক্তের দাবি দ্য ডিসেন্টের Logo আজ পালিত হচ্ছে শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস Logo পঞ্চগড়ে অবৈধ ইটভাটার বিরুদ্ধে অভিযান, দুইটি ভাটা উচ্ছেদ Logo সরকার আন্তরিক হলে ২৪ ঘণ্টায় হামলাকারী গ্রেপ্তার সম্ভব: রুমিন ফারহানা Logo নির্বাচন সামনে রেখে সিইসি ও কমিশনারদের জন্য বাড়তি নিরাপত্তা চাইল ইসি Logo নোয়াখালী এক্সপ্রেসে অধিনায়কত্ব নিয়ে ধোঁয়াশা, সৌম্য সরকার প্রথম পছন্দ হলেও বিকল্প ভাবনায় দল Logo জিওস্টার চুক্তি নিয়ে জল্পনার অবসান, অবস্থান পরিষ্কার করলো আইসিসি

ইলিশ কেনাবেচায় রেকর্ড, শেষ রাতে দাম ছুঁলো আকাশচুম্বী

নিজস্ব সংবাদ :

ছবি সংগৃহীত

ইলিশ ধরার ওপর ২২ দিনের নিষেধাজ্ঞা কার্যকর হওয়ার ঠিক আগের রাতে খুলনার রূপসা পাইকারি বাজারে দেখা গেছে ক্রেতা–বিক্রেতার ভিড়। শুক্রবার (৩ অক্টোবর) রাতে শেষ মুহূর্তে দাম কিছুটা কমে আসবে—এই আশায় অনেকেই বাজারে এলেও উল্টো দাম বেড়ে যায় কেজি প্রতি ৬০০ টাকা পর্যন্ত।

বৃহস্পতিবার এক কেজি ওজনের ইলিশ ২ হাজার ৪০০ টাকায় বিক্রি হলেও শুক্রবার রাতে সেই একই আকারের মাছের দাম বেড়ে দাঁড়ায় ২ হাজার ৮০০ থেকে ৩ হাজার টাকায়। ৭০০ থেকে ৮০০ গ্রামের ইলিশ ২ হাজার থেকে ২ হাজার ২০০ টাকায় বিক্রি হয়েছে, যা একদিন আগেও ছিলো ১ হাজার ৮০০ থেকে ১ হাজার ৯০০ টাকা। এ ছাড়া ৫০০ গ্রাম ওজনের ইলিশ কেজি প্রতি ১ হাজার ৫০০–১ হাজার ৬০০ টাকা এবং ছোট আকারের (প্রায় ২৫০ গ্রাম) জাটকা ইলিশ ৬৫০–৭০০ টাকা দরে বিক্রি হয়।

দাম হঠাৎ বেড়ে গেলেও বাজারে জমজমাট কেনাবেচা লক্ষ্য করা গেছে। ঢাকায় চাকরিরত তানভীর শেষ দিনে মাছ কিনতে এসেছিলেন ছুটিতে খুলনায়। তিনি বলেন, “প্রতিবারের মতো ভেবেছিলাম শেষ রাতে দাম কমে যাবে, কিন্তু এবার উল্টো দাম আকাশছোঁয়া। বাজারে তদারকি দরকার।”

অন্যদিকে, অনেক ক্রেতা বেশি দামে হলেও ইলিশ কিনে খুশি হয়েছেন। মিস্ত্রিপাড়ার শামীমুর রহমান জানান, অতিথি আপ্যায়নের জন্য তিনি এক কেজি ওজনের একটি এবং ৮০০ গ্রাম ওজনের দুটি ইলিশ কিনেছেন। বজলুর রহমান নামের আরেক ক্রেতা বলেন, “প্রতি বছরই শেষ দিনে বাজারে আসি। দাম বাড়লেও পরিবেশটা জমজমাট।”

ব্যবসায়ীরাও শেষ মুহূর্তে দারুণ বেচাকেনা করেছেন। আড়ৎদার মুসা হাওলাদার বলেন, “আজ চার মণ মতো ইলিশ বিক্রি করেছি। চাহিদা বেশি, সরবরাহ কম থাকায় দামে সমন্বয় করতেই হয়েছে।”

রূপসা আড়ৎদার সমিতির সাধারণ সম্পাদক ঝন্টু হাওলাদার জানান, এক রাতেই প্রায় ৩ কোটি টাকার ইলিশ বিক্রি হতে পারে বলে তারা আশা করছেন। মধ্যরাত পর্যন্ত এ কেনাবেচা চলবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপডেট সময় ১১:০১:৪৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩ অক্টোবর ২০২৫
৫৮ বার পড়া হয়েছে

ইলিশ কেনাবেচায় রেকর্ড, শেষ রাতে দাম ছুঁলো আকাশচুম্বী

আপডেট সময় ১১:০১:৪৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩ অক্টোবর ২০২৫

ইলিশ ধরার ওপর ২২ দিনের নিষেধাজ্ঞা কার্যকর হওয়ার ঠিক আগের রাতে খুলনার রূপসা পাইকারি বাজারে দেখা গেছে ক্রেতা–বিক্রেতার ভিড়। শুক্রবার (৩ অক্টোবর) রাতে শেষ মুহূর্তে দাম কিছুটা কমে আসবে—এই আশায় অনেকেই বাজারে এলেও উল্টো দাম বেড়ে যায় কেজি প্রতি ৬০০ টাকা পর্যন্ত।

বৃহস্পতিবার এক কেজি ওজনের ইলিশ ২ হাজার ৪০০ টাকায় বিক্রি হলেও শুক্রবার রাতে সেই একই আকারের মাছের দাম বেড়ে দাঁড়ায় ২ হাজার ৮০০ থেকে ৩ হাজার টাকায়। ৭০০ থেকে ৮০০ গ্রামের ইলিশ ২ হাজার থেকে ২ হাজার ২০০ টাকায় বিক্রি হয়েছে, যা একদিন আগেও ছিলো ১ হাজার ৮০০ থেকে ১ হাজার ৯০০ টাকা। এ ছাড়া ৫০০ গ্রাম ওজনের ইলিশ কেজি প্রতি ১ হাজার ৫০০–১ হাজার ৬০০ টাকা এবং ছোট আকারের (প্রায় ২৫০ গ্রাম) জাটকা ইলিশ ৬৫০–৭০০ টাকা দরে বিক্রি হয়।

দাম হঠাৎ বেড়ে গেলেও বাজারে জমজমাট কেনাবেচা লক্ষ্য করা গেছে। ঢাকায় চাকরিরত তানভীর শেষ দিনে মাছ কিনতে এসেছিলেন ছুটিতে খুলনায়। তিনি বলেন, “প্রতিবারের মতো ভেবেছিলাম শেষ রাতে দাম কমে যাবে, কিন্তু এবার উল্টো দাম আকাশছোঁয়া। বাজারে তদারকি দরকার।”

অন্যদিকে, অনেক ক্রেতা বেশি দামে হলেও ইলিশ কিনে খুশি হয়েছেন। মিস্ত্রিপাড়ার শামীমুর রহমান জানান, অতিথি আপ্যায়নের জন্য তিনি এক কেজি ওজনের একটি এবং ৮০০ গ্রাম ওজনের দুটি ইলিশ কিনেছেন। বজলুর রহমান নামের আরেক ক্রেতা বলেন, “প্রতি বছরই শেষ দিনে বাজারে আসি। দাম বাড়লেও পরিবেশটা জমজমাট।”

ব্যবসায়ীরাও শেষ মুহূর্তে দারুণ বেচাকেনা করেছেন। আড়ৎদার মুসা হাওলাদার বলেন, “আজ চার মণ মতো ইলিশ বিক্রি করেছি। চাহিদা বেশি, সরবরাহ কম থাকায় দামে সমন্বয় করতেই হয়েছে।”

রূপসা আড়ৎদার সমিতির সাধারণ সম্পাদক ঝন্টু হাওলাদার জানান, এক রাতেই প্রায় ৩ কোটি টাকার ইলিশ বিক্রি হতে পারে বলে তারা আশা করছেন। মধ্যরাত পর্যন্ত এ কেনাবেচা চলবে।