ঢাকা ১১:৫৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২৯ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ :
Logo ‘শুভেচ্ছা’ মোবাইল অ্যাপ ও কেন্দ্রীয় টিকিটিং সেবা ‘দ্রুত টিকেট’-এর উদ্বোধন Logo রমজানে ব্যাংকের নতুন সময়সূচি ঘোষণা বাংলাদেশ ব্যাংকের Logo ভোট দিতে সাহসী হওয়ার আহ্বান প্রধান উপদেষ্টার, নির্বাচনকে বললেন ঐতিহাসিক মাইলফলক Logo ভালুকায় নিহত দীপু দাসের পরিবারকে সহায়তা ও বাড়ি নির্মাণে সরকারের উদ্যোগ Logo নির্বাচন ও গণভোট সামনে রেখে আজ সন্ধ্যায় জাতির উদ্দেশে ভাষণ দেবেন প্রধান উপদেষ্টা Logo এপস্টেইন–সংক্রান্ত নথিতে উঠে এলো এক ফরাসি ফুটবল তারকার নাম Logo বার্সেলোনার সভাপতির পদ ছাড়লেন লাপোর্তা, মার্চে নতুন নির্বাচনে প্রার্থী হবেন Logo মার্কিন জাহাজকে ইরানের জলসীমা এড়িয়ে চলার নির্দেশ Logo ওসমান হাদির পরিবারের কাছে ফ্ল্যাটের দলিল ও চাবি হস্তান্তর করলেন প্রধান উপদেষ্টা Logo পঞ্চগড়ের আটোয়ারীতে বিএনপি ও জামায়াত কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষ

ডব্লিউইএফের প্রতিষ্ঠাতাকে বাংলাদেশের নির্বাচন প্রসঙ্গে যা বললেন প্রধান উপদেষ্টা

নিজস্ব সংবাদ : দেশ২৪লাইভ

ছবি সংগৃহীত

ডব্লিউইএফের প্রতিষ্ঠাতাকে বাংলাদেশের নির্বাচন প্রসঙ্গে যা বললেন প্রধান উপদেষ্টা।

কোনো বাধা বা হুমকি ছাড়াই অবাধ ও সুষ্ঠুভাবে নির্বাচনে নাগরিকদের ভোট দেয়ার প্রক্রিয়া তৈরি করার ওপর জোর দিয়েছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস।

বৃহস্পতিবার (২৩ জানুয়ারি) সুইজারল্যান্ডের দাভোসে বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরামের (ডব্লিউইএফ) প্রতিষ্ঠাতা ক্লাউস শোয়াবের সঙ্গে বৈঠকে এ কথা বলেন তিনি।

 

গত ১৬ বছরে বাংলাদেশের নতুন ভোটাররা ভোট দিতে পারেননি উল্লেখ করে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পটভূমি তুলে ধরেন অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
 
প্রধান উপদেষ্টা বলেন, গত বছর জুলাই মাসে বাংলাদেশের শিক্ষার্থীরা সরকারি চাকরিতে বৈষম্য নিরসনের দাবি নিয়ে রাজপথে নেমেছিলেন। আন্দোলনের সময় তারা ঢাকার দেয়ালগুলোতে গ্রাফিতি এঁকে তাদের আকাঙ্ক্ষা ও স্বপ্ন প্রকাশ করেন। গত ১৬ বছরে বাংলাদেশে যারা নতুন ভোটার হয়েছেন, তাদের ভোট দেয়ার সুযোগই হয়নি, যা অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক।

 

 
এ সময় অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সংস্কার এজেন্ডা তুলে ধরেন শান্তিতে নোবেল বিজয়ী এই অর্থনীতিবিদ। তিনি বলেন, দেশের মানুষ কোন ধরনের নির্বাচন চায়, সেটি না জেনে সরকার নির্বাচন আয়োজন করতে পারবে না।
 
ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেন, সরকার নির্বাচন আয়োজনের অপেক্ষায় রয়েছে। তবে এখন দেশের জনগণকে সিদ্ধান্ত নিতে হবে প্রক্রিয়াটি কেমন হবে। তারা কি ছোট পরিসরের সংস্কার কর্মসূচিতে যাবে, নাকি দীর্ঘমেয়াদি সংস্কার চাইবে।
 
‘যদি মানুষ দ্রুত সংস্কার চায়, তাহলে আমরা এ বছরের শেষ নাগাদ নির্বাচন করার লক্ষ্য নিয়েছি। আর যদি বলে, না আমাদের দীর্ঘমেয়াদি সংস্কার দরকার, তাহলে আমাদের আরও ছয় মাস সময় লাগবে’, যোগ করেন প্রধান উপদেষ্টা।
 
বর্তমান প্রজন্মকে মানব ইতিহাসের সবচেয়ে শক্তিশালী প্রজন্ম আখ্যায়িত করে তিনি বলেন, এই প্রজন্মের অমিত সম্ভাবনা রয়েছে। প্রযুক্তি বর্তমান প্রজন্মকে বদলে দেয়ার কারণে তারা এখন শুধু বাংলাদেশি আর তরুণ নয়, বরং সারা বিশ্বের তরুণ প্রজন্মের অংশ হয়ে গেছে। এই প্রজন্ম পুরনো বাংলাদেশে ফিরে যেতে চায় না, তাই একটি নতুন বাংলাদেশ গড়তে হবে।

 

 
তিনি আরও বলেন, তরুণদের কাজের প্রতিটি অংশে ঐকমত্য গড়ে তোলার জন্য একটি ঐকমত্য কমিশন গঠন করা হচ্ছে। সব রাজনৈতিক দল এবং সুশীল সমাজের সংগঠনের ঐকমত্যের ভিত্তিতে ‘জুলাই সনদ’ প্রস্তুত করা হবে।
 
অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের বক্তব্যে মুগ্ধ হন ক্লাউস শোয়াব এবং আধাঘণ্টার আলাপচারিতায় সন্তুষ্টি প্রকাশ করেন ডব্লিউইএফের প্রতিষ্ঠাতা। 

নিউজটি শেয়ার করুন

আপডেট সময় ০৯:০৬:২৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৫
১৯৩ বার পড়া হয়েছে

ডব্লিউইএফের প্রতিষ্ঠাতাকে বাংলাদেশের নির্বাচন প্রসঙ্গে যা বললেন প্রধান উপদেষ্টা

আপডেট সময় ০৯:০৬:২৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৫

ডব্লিউইএফের প্রতিষ্ঠাতাকে বাংলাদেশের নির্বাচন প্রসঙ্গে যা বললেন প্রধান উপদেষ্টা।

কোনো বাধা বা হুমকি ছাড়াই অবাধ ও সুষ্ঠুভাবে নির্বাচনে নাগরিকদের ভোট দেয়ার প্রক্রিয়া তৈরি করার ওপর জোর দিয়েছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস।

বৃহস্পতিবার (২৩ জানুয়ারি) সুইজারল্যান্ডের দাভোসে বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরামের (ডব্লিউইএফ) প্রতিষ্ঠাতা ক্লাউস শোয়াবের সঙ্গে বৈঠকে এ কথা বলেন তিনি।

 

গত ১৬ বছরে বাংলাদেশের নতুন ভোটাররা ভোট দিতে পারেননি উল্লেখ করে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পটভূমি তুলে ধরেন অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
 
প্রধান উপদেষ্টা বলেন, গত বছর জুলাই মাসে বাংলাদেশের শিক্ষার্থীরা সরকারি চাকরিতে বৈষম্য নিরসনের দাবি নিয়ে রাজপথে নেমেছিলেন। আন্দোলনের সময় তারা ঢাকার দেয়ালগুলোতে গ্রাফিতি এঁকে তাদের আকাঙ্ক্ষা ও স্বপ্ন প্রকাশ করেন। গত ১৬ বছরে বাংলাদেশে যারা নতুন ভোটার হয়েছেন, তাদের ভোট দেয়ার সুযোগই হয়নি, যা অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক।

 

 
এ সময় অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সংস্কার এজেন্ডা তুলে ধরেন শান্তিতে নোবেল বিজয়ী এই অর্থনীতিবিদ। তিনি বলেন, দেশের মানুষ কোন ধরনের নির্বাচন চায়, সেটি না জেনে সরকার নির্বাচন আয়োজন করতে পারবে না।
 
ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেন, সরকার নির্বাচন আয়োজনের অপেক্ষায় রয়েছে। তবে এখন দেশের জনগণকে সিদ্ধান্ত নিতে হবে প্রক্রিয়াটি কেমন হবে। তারা কি ছোট পরিসরের সংস্কার কর্মসূচিতে যাবে, নাকি দীর্ঘমেয়াদি সংস্কার চাইবে।
 
‘যদি মানুষ দ্রুত সংস্কার চায়, তাহলে আমরা এ বছরের শেষ নাগাদ নির্বাচন করার লক্ষ্য নিয়েছি। আর যদি বলে, না আমাদের দীর্ঘমেয়াদি সংস্কার দরকার, তাহলে আমাদের আরও ছয় মাস সময় লাগবে’, যোগ করেন প্রধান উপদেষ্টা।
 
বর্তমান প্রজন্মকে মানব ইতিহাসের সবচেয়ে শক্তিশালী প্রজন্ম আখ্যায়িত করে তিনি বলেন, এই প্রজন্মের অমিত সম্ভাবনা রয়েছে। প্রযুক্তি বর্তমান প্রজন্মকে বদলে দেয়ার কারণে তারা এখন শুধু বাংলাদেশি আর তরুণ নয়, বরং সারা বিশ্বের তরুণ প্রজন্মের অংশ হয়ে গেছে। এই প্রজন্ম পুরনো বাংলাদেশে ফিরে যেতে চায় না, তাই একটি নতুন বাংলাদেশ গড়তে হবে।

 

 
তিনি আরও বলেন, তরুণদের কাজের প্রতিটি অংশে ঐকমত্য গড়ে তোলার জন্য একটি ঐকমত্য কমিশন গঠন করা হচ্ছে। সব রাজনৈতিক দল এবং সুশীল সমাজের সংগঠনের ঐকমত্যের ভিত্তিতে ‘জুলাই সনদ’ প্রস্তুত করা হবে।
 
অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের বক্তব্যে মুগ্ধ হন ক্লাউস শোয়াব এবং আধাঘণ্টার আলাপচারিতায় সন্তুষ্টি প্রকাশ করেন ডব্লিউইএফের প্রতিষ্ঠাতা।