ঢাকা ০২:২৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ ২০২৬, ৩ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ :
Logo হামলার ঠিক আগে কক্ষ ছাড়ায় অল্পের জন্য রক্ষা পান মোজতবা খামেনি Logo ঈদে বাড়ি ফেরার পথে সড়ক দুর্ঘটনায় একই পরিবারের তিনজনের প্রাণহানি Logo জনকল্যাণে কাজ করে দৃষ্টান্ত গড়বে বিরোধীদল: জামায়াত আমির Logo আজ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ১০৬তম জন্মবার্ষিকী Logo ‘ওয়ান সিটিজেন ওয়ান কার্ড’ চালুর পরিকল্পনা সরকারের Logo ট্রাম্প চাইলে পারস্য উপসাগরে জাহাজ পাঠাতে পারেন : ইরানের কড়া বার্তা Logo আগামী বছর থেকে স্কুলে ভর্তিতে লটারি পদ্ধতি আর থাকবে না Logo বাংলাদেশ-ভারতের অর্থনীতি ও জ্বালানি খাতে সহযোগিতা বাড়ানোর বিষয়ে আলোচনা Logo হরমুজ প্রণালির নিরাপত্তা ইস্যুতে চীনের সহায়তা চাইছেন ট্রাম্প Logo  দেশজুড়ে খাল খনন ও পুনঃখনন কর্মসূচির উদ্বোধন আজ

গত এক বছরে বন্ধ হয়ে গেছে ১৮৫টি গার্মেন্ট কারখানা

নিজস্ব সংবাদ : দেশ২৪লাইভ

 

গত এক বছরে দেশের তৈরি পোশাক খাতে সংকট ক্রমেই ঘনীভূত হচ্ছে। এ সময়ের মধ্যে বন্ধ হয়ে গেছে ১৮৫টি গার্মেন্টস কারখানা, যার ফলে হাজার হাজার শ্রমিক বেকার হয়ে পড়েছে। গ্যাস ও বিদ্যুৎ সরবরাহে ঘাটতির কারণে উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে, যার প্রভাব পড়েছে রফতানিতেও। গত দুই মাসে রফতানি কমেছে প্রায় ৫-৬ শতাংশ।

রবিবার (১২ অক্টোবর) নিজস্ব কার্যালয়ে আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে বায়িং হাউস অ্যাসোসিয়েশন জানায়, কারখানা বন্ধ হওয়া এবং উৎপাদন কমে যাওয়ার প্রেক্ষাপটে আন্তর্জাতিক ক্রেতাদের আগ্রহ কমছে বাংলাদেশের প্রতি।

ব্রিফিংয়ে আরও জানানো হয়, বিশ্বের বিভিন্ন দেশে পোশাক ও টেক্সটাইল বিষয়ক বাণিজ্য মেলা অনুষ্ঠিত হলেও, বাংলাদেশ থেকে এসব আয়োজনে যথাযথ অংশগ্রহণ নেই। উদ্যোক্তারা কিছুটা অংশগ্রহণ করলেও, সরাসরি উৎপাদনের সঙ্গে যুক্ত অনেক পক্ষ এসব প্ল্যাটফর্ম থেকে বঞ্চিত থাকছেন।

এ অবস্থায়, শিল্পের টেকসই ভবিষ্যতের জন্য বায়িং হাউস ও উৎপাদকদের মধ্যে সমন্বয় বাড়ানোর ওপর জোর দেন সংগঠনের নেতারা। তারা বলেন, বৈশ্বিক অর্থনৈতিক চাপে বাংলাদেশের পোশাক রফতানি খাত নতুন চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি। বিশেষ করে, যুক্তরাষ্ট্রে উচ্চ শুল্ক ও বাংলাদেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ থাকায়, ক্রেতারা এখনও বড় অর্ডারে আগ্রহ দেখাচ্ছেন না।

ক্রেতাদের মতে, বর্তমান পরিস্থিতিতে উৎপাদনে নিরবচ্ছিন্নতা এবং স্থিতিশীলতা ফেরানো ছাড়া নতুন ক্রয় আদেশ পাওয়া কঠিন। শিল্প খাতে সরকারের আরও সক্রিয় ভূমিকার প্রয়োজনীয়তার কথাও তারা উল্লেখ করেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপডেট সময় ১২:৫৪:৪৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ১২ অক্টোবর ২০২৫
২৪২ বার পড়া হয়েছে

গত এক বছরে বন্ধ হয়ে গেছে ১৮৫টি গার্মেন্ট কারখানা

আপডেট সময় ১২:৫৪:৪৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ১২ অক্টোবর ২০২৫

 

গত এক বছরে দেশের তৈরি পোশাক খাতে সংকট ক্রমেই ঘনীভূত হচ্ছে। এ সময়ের মধ্যে বন্ধ হয়ে গেছে ১৮৫টি গার্মেন্টস কারখানা, যার ফলে হাজার হাজার শ্রমিক বেকার হয়ে পড়েছে। গ্যাস ও বিদ্যুৎ সরবরাহে ঘাটতির কারণে উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে, যার প্রভাব পড়েছে রফতানিতেও। গত দুই মাসে রফতানি কমেছে প্রায় ৫-৬ শতাংশ।

রবিবার (১২ অক্টোবর) নিজস্ব কার্যালয়ে আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে বায়িং হাউস অ্যাসোসিয়েশন জানায়, কারখানা বন্ধ হওয়া এবং উৎপাদন কমে যাওয়ার প্রেক্ষাপটে আন্তর্জাতিক ক্রেতাদের আগ্রহ কমছে বাংলাদেশের প্রতি।

ব্রিফিংয়ে আরও জানানো হয়, বিশ্বের বিভিন্ন দেশে পোশাক ও টেক্সটাইল বিষয়ক বাণিজ্য মেলা অনুষ্ঠিত হলেও, বাংলাদেশ থেকে এসব আয়োজনে যথাযথ অংশগ্রহণ নেই। উদ্যোক্তারা কিছুটা অংশগ্রহণ করলেও, সরাসরি উৎপাদনের সঙ্গে যুক্ত অনেক পক্ষ এসব প্ল্যাটফর্ম থেকে বঞ্চিত থাকছেন।

এ অবস্থায়, শিল্পের টেকসই ভবিষ্যতের জন্য বায়িং হাউস ও উৎপাদকদের মধ্যে সমন্বয় বাড়ানোর ওপর জোর দেন সংগঠনের নেতারা। তারা বলেন, বৈশ্বিক অর্থনৈতিক চাপে বাংলাদেশের পোশাক রফতানি খাত নতুন চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি। বিশেষ করে, যুক্তরাষ্ট্রে উচ্চ শুল্ক ও বাংলাদেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ থাকায়, ক্রেতারা এখনও বড় অর্ডারে আগ্রহ দেখাচ্ছেন না।

ক্রেতাদের মতে, বর্তমান পরিস্থিতিতে উৎপাদনে নিরবচ্ছিন্নতা এবং স্থিতিশীলতা ফেরানো ছাড়া নতুন ক্রয় আদেশ পাওয়া কঠিন। শিল্প খাতে সরকারের আরও সক্রিয় ভূমিকার প্রয়োজনীয়তার কথাও তারা উল্লেখ করেন।