ঢাকা ০৮:২০ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩০ নভেম্বর ২০২৫, ১৬ অগ্রহায়ণ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ :
Logo দুদকের তদন্তের মুখে ট্রান্সকম গ্রুপের সিইও সিমিন রহমান; শেখ হাসিনাকে ঘুষ দেওয়ার অভিযোগ Logo  তারেক রহমানের দেশে ফেরা প্রসঙ্গে সরকারের অবস্থান জানালেন পররাষ্ট্র উপদেষ্টা Logo  সিলেটে নিখোঁজ ছাতকের সৌরভ, খুঁজে পেতে সহযোগিতার আহ্বান Logo সচিবালয়ের মন্ত্রিপরিষদ ভবনে আগুন, অল্প সময়েই নিয়ন্ত্রণে ফায়ার সার্ভিস Logo ইতালিতে পাঁচ লাখ কর্মী নেওয়ার উদ্যোগ: আবেদন জমা দেওয়ার শেষ সময় কবে? Logo ঢাকায় রাশিয়ান রাষ্ট্রদূতের পক্ষ থেকে খালেদা জিয়ার দ্রুত আরোগ্য কামনা Logo খুলনা আদালত এলাকায় গুলিতে দুইজন নিহত: প্রত্যক্ষদর্শীদের বর্ণনায় যা উঠে এসেছে Logo ৬ লেন নির্মাণের দাবিতে সাতকানিয়ায় চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়ক অবরোধ Logo কুষ্টিয়ার ছয় হত্যা মামলায় ইনুর বিরুদ্ধে আজ ট্রাইব্যুনালে সূচনা বক্তব্য ও সাক্ষ্যগ্রহণ Logo আইরিশদের হারিয়ে সিরিজে সমতা ফেরাল বাংলাদেশ

গাজায় ফেরত পাওয়া মরদেহে নির্যাতনের ভয়াবহ চিহ্ন

নিজস্ব সংবাদ :

সংগৃহিত

ইসরায়েল আরও ৩০ ফিলিস্তিনি বন্দির মরদেহ গাজা উপত্যকায় ফেরত দিয়েছে, যেগুলোর প্রায় প্রতিটিতেই নির্যাতনের গভীর চিহ্ন পাওয়া গেছে। অনেক মরদেহ এতটাই বিকৃত যে চেনা সম্ভব হয়নি।

আন্তর্জাতিক রেডক্রস কমিটির (আইসিআরসি) মাধ্যমে শুক্রবার (৩১ অক্টোবর) এই মরদেহগুলো হস্তান্তর করা হয়। গাজার খান ইউনিসের নাসের হাসপাতালে মরদেহগুলো আনা হলে দেখা যায়— পচে গলে যাওয়া দেহের অংশ, রক্তমাখা ব্যাগ, এবং পরিচয়হীন মৃত ফিলিস্তিনিরা।

এর আগে ইসরায়েল ১৯৫ জন ফিলিস্তিনি বন্দির মরদেহ ফেরত দিয়েছিল, তবে তাদের পরিচয় প্রকাশ করা হয়নি।

যুদ্ধবিরতির পরও গাজায় বিচ্ছিন্ন হামলা অব্যাহত থাকায় ভয়ের মধ্যে দিন কাটাচ্ছে স্থানীয়রা। অনেকের মতে, “এখনও যুদ্ধ শেষ হয়নি, আমরা জানি না কোথায় নিরাপদ।”

নিউজটি শেয়ার করুন

আপডেট সময় ০৫:৪৯:৪৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ১ নভেম্বর ২০২৫
২৬ বার পড়া হয়েছে

গাজায় ফেরত পাওয়া মরদেহে নির্যাতনের ভয়াবহ চিহ্ন

আপডেট সময় ০৫:৪৯:৪৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ১ নভেম্বর ২০২৫

ইসরায়েল আরও ৩০ ফিলিস্তিনি বন্দির মরদেহ গাজা উপত্যকায় ফেরত দিয়েছে, যেগুলোর প্রায় প্রতিটিতেই নির্যাতনের গভীর চিহ্ন পাওয়া গেছে। অনেক মরদেহ এতটাই বিকৃত যে চেনা সম্ভব হয়নি।

আন্তর্জাতিক রেডক্রস কমিটির (আইসিআরসি) মাধ্যমে শুক্রবার (৩১ অক্টোবর) এই মরদেহগুলো হস্তান্তর করা হয়। গাজার খান ইউনিসের নাসের হাসপাতালে মরদেহগুলো আনা হলে দেখা যায়— পচে গলে যাওয়া দেহের অংশ, রক্তমাখা ব্যাগ, এবং পরিচয়হীন মৃত ফিলিস্তিনিরা।

এর আগে ইসরায়েল ১৯৫ জন ফিলিস্তিনি বন্দির মরদেহ ফেরত দিয়েছিল, তবে তাদের পরিচয় প্রকাশ করা হয়নি।

যুদ্ধবিরতির পরও গাজায় বিচ্ছিন্ন হামলা অব্যাহত থাকায় ভয়ের মধ্যে দিন কাটাচ্ছে স্থানীয়রা। অনেকের মতে, “এখনও যুদ্ধ শেষ হয়নি, আমরা জানি না কোথায় নিরাপদ।”