ঢাকা ১০:৫০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২২ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ :
Logo ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে মাঝারি মাত্রার ভূমিকম্প Logo প্রাথমিক শিক্ষকদের নিয়োগ ও বদলিতে জেলা পর্যায়ে নতুন উদ্যোগ Logo দেশ গড়ার যেকোনো পরিকল্পনায় প্রতিবন্ধীদের অংশগ্রহণ জরুরি: জায়মা রহমান Logo শবে বরাতে ঢাকায় আতশবাজি ও পটকা নিষিদ্ধ, জারি ডিএমপির কড়াকড়ি Logo কারাবন্দিদের জন্য প্রথমবার ডাকযোগে ভোটগ্রহণ শুরু, চলবে ৭ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত Logo ৫ ঘণ্টার ব্যবধানে আবার বাড়ল স্বর্ণের দাম, ২২ ক্যারেটের ভরি ছাড়াল ২ লাখ ৬২ হাজার টাকা Logo র‌্যাবের নাম বদল, নতুন নাম ‘স্পেশাল ইন্টারভেনশন ফোর্স’ Logo বুড়িগঙ্গার পানি খেয়ে মাদকবর্জিত রাখার অঙ্গীকার নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর, ঢাকা-৮ Logo শেরপুরে জামায়াত নেতা হত্যাকাণ্ড: স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক আটক Logo নির্বাচন ও গণভোট ঘিরে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা: মাঠে দেড় লাখের বেশি পুলিশ, ঝুঁকিপূর্ণ আসনে বাড়তি সতর্কতা

গাজায় ফেরত পাওয়া মরদেহে নির্যাতনের ভয়াবহ চিহ্ন

নিজস্ব সংবাদ : দেশ২৪লাইভ

সংগৃহিত

ইসরায়েল আরও ৩০ ফিলিস্তিনি বন্দির মরদেহ গাজা উপত্যকায় ফেরত দিয়েছে, যেগুলোর প্রায় প্রতিটিতেই নির্যাতনের গভীর চিহ্ন পাওয়া গেছে। অনেক মরদেহ এতটাই বিকৃত যে চেনা সম্ভব হয়নি।

আন্তর্জাতিক রেডক্রস কমিটির (আইসিআরসি) মাধ্যমে শুক্রবার (৩১ অক্টোবর) এই মরদেহগুলো হস্তান্তর করা হয়। গাজার খান ইউনিসের নাসের হাসপাতালে মরদেহগুলো আনা হলে দেখা যায়— পচে গলে যাওয়া দেহের অংশ, রক্তমাখা ব্যাগ, এবং পরিচয়হীন মৃত ফিলিস্তিনিরা।

এর আগে ইসরায়েল ১৯৫ জন ফিলিস্তিনি বন্দির মরদেহ ফেরত দিয়েছিল, তবে তাদের পরিচয় প্রকাশ করা হয়নি।

যুদ্ধবিরতির পরও গাজায় বিচ্ছিন্ন হামলা অব্যাহত থাকায় ভয়ের মধ্যে দিন কাটাচ্ছে স্থানীয়রা। অনেকের মতে, “এখনও যুদ্ধ শেষ হয়নি, আমরা জানি না কোথায় নিরাপদ।”

নিউজটি শেয়ার করুন

আপডেট সময় ০৫:৪৯:৪৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ১ নভেম্বর ২০২৫
৬০ বার পড়া হয়েছে

গাজায় ফেরত পাওয়া মরদেহে নির্যাতনের ভয়াবহ চিহ্ন

আপডেট সময় ০৫:৪৯:৪৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ১ নভেম্বর ২০২৫

ইসরায়েল আরও ৩০ ফিলিস্তিনি বন্দির মরদেহ গাজা উপত্যকায় ফেরত দিয়েছে, যেগুলোর প্রায় প্রতিটিতেই নির্যাতনের গভীর চিহ্ন পাওয়া গেছে। অনেক মরদেহ এতটাই বিকৃত যে চেনা সম্ভব হয়নি।

আন্তর্জাতিক রেডক্রস কমিটির (আইসিআরসি) মাধ্যমে শুক্রবার (৩১ অক্টোবর) এই মরদেহগুলো হস্তান্তর করা হয়। গাজার খান ইউনিসের নাসের হাসপাতালে মরদেহগুলো আনা হলে দেখা যায়— পচে গলে যাওয়া দেহের অংশ, রক্তমাখা ব্যাগ, এবং পরিচয়হীন মৃত ফিলিস্তিনিরা।

এর আগে ইসরায়েল ১৯৫ জন ফিলিস্তিনি বন্দির মরদেহ ফেরত দিয়েছিল, তবে তাদের পরিচয় প্রকাশ করা হয়নি।

যুদ্ধবিরতির পরও গাজায় বিচ্ছিন্ন হামলা অব্যাহত থাকায় ভয়ের মধ্যে দিন কাটাচ্ছে স্থানীয়রা। অনেকের মতে, “এখনও যুদ্ধ শেষ হয়নি, আমরা জানি না কোথায় নিরাপদ।”