ঢাকা ১০:৫২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২২ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ :
Logo ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে মাঝারি মাত্রার ভূমিকম্প Logo প্রাথমিক শিক্ষকদের নিয়োগ ও বদলিতে জেলা পর্যায়ে নতুন উদ্যোগ Logo দেশ গড়ার যেকোনো পরিকল্পনায় প্রতিবন্ধীদের অংশগ্রহণ জরুরি: জায়মা রহমান Logo শবে বরাতে ঢাকায় আতশবাজি ও পটকা নিষিদ্ধ, জারি ডিএমপির কড়াকড়ি Logo কারাবন্দিদের জন্য প্রথমবার ডাকযোগে ভোটগ্রহণ শুরু, চলবে ৭ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত Logo ৫ ঘণ্টার ব্যবধানে আবার বাড়ল স্বর্ণের দাম, ২২ ক্যারেটের ভরি ছাড়াল ২ লাখ ৬২ হাজার টাকা Logo র‌্যাবের নাম বদল, নতুন নাম ‘স্পেশাল ইন্টারভেনশন ফোর্স’ Logo বুড়িগঙ্গার পানি খেয়ে মাদকবর্জিত রাখার অঙ্গীকার নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর, ঢাকা-৮ Logo শেরপুরে জামায়াত নেতা হত্যাকাণ্ড: স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক আটক Logo নির্বাচন ও গণভোট ঘিরে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা: মাঠে দেড় লাখের বেশি পুলিশ, ঝুঁকিপূর্ণ আসনে বাড়তি সতর্কতা

গাজার মসজিদগুলো এখন ধ্বংসস্তূপ, তবু থামেনি আজান

নিজস্ব সংবাদ : দেশ২৪লাইভ

সংগৃহিত

ইসরাইলের হামলায় গাজা উপত্যকার অধিকাংশ মসজিদ এখন ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। একসময় যেসব মিনার থেকে আজানের ধ্বনি ভেসে আসত, এখন সেগুলোর জায়গায় কেবল ধুলা আর ভাঙা পাথর।
দীর্ঘ দুই বছরের সংঘাতে প্রায় পুরো উপত্যকাই মিনারবিহীন হয়ে পড়েছে। শতাব্দী প্রাচীন স্থাপত্যগুলোও রক্ষা পায়নি; ইতিহাস যেন মুছে গেছে বোমার আঘাতে।

৬২ বছর বয়সি আবু খালেদ আল-নাজ্জার বলেন, “ছোটবেলা থেকে ইবনে ওসমান মসজিদে নামাজ পড়তাম। এখন সেই জায়গাটা শুধু ধ্বংসস্তূপ। কল্পনাও করিনি, একদিন মসজিদ ছাড়াই নামাজ পড়তে হবে।”

গাজার সরকারি মিডিয়া অফিস জানিয়েছে, এ পর্যন্ত ১,২৪৪টি মসজিদের মধ্যে ৮৩৫টি পুরোপুরি ধ্বংস হয়েছে, আর ১৮০টি আংশিক ক্ষতিগ্রস্ত। এর মধ্যে রয়েছে মামলুক ও অটোমান যুগের বহু প্রাচীন মসজিদ।

পুরোনো শহরের গ্রেট ওমারি মসজিদের ধ্বংসাবশেষে ২৭ বছর বয়সি মাহমুদ কান্দিল এখনো ঘুরে বেড়ান, ইতিহাসের টুকরো খুঁজে বেড়াতে।
৭৪ বছর বয়সি উম্মে ওয়ায়েল বলেন, “মসজিদ আর নেই, কিন্তু ঘরে বসেই কুরআন পড়ব। কারণ আল্লাহ সর্বত্র আছেন, আমাদের দোয়া তিনি শুনছেন।”

নিউজটি শেয়ার করুন

আপডেট সময় ১১:০৬:১২ অপরাহ্ন, শনিবার, ১১ অক্টোবর ২০২৫
৪৯ বার পড়া হয়েছে

গাজার মসজিদগুলো এখন ধ্বংসস্তূপ, তবু থামেনি আজান

আপডেট সময় ১১:০৬:১২ অপরাহ্ন, শনিবার, ১১ অক্টোবর ২০২৫

ইসরাইলের হামলায় গাজা উপত্যকার অধিকাংশ মসজিদ এখন ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। একসময় যেসব মিনার থেকে আজানের ধ্বনি ভেসে আসত, এখন সেগুলোর জায়গায় কেবল ধুলা আর ভাঙা পাথর।
দীর্ঘ দুই বছরের সংঘাতে প্রায় পুরো উপত্যকাই মিনারবিহীন হয়ে পড়েছে। শতাব্দী প্রাচীন স্থাপত্যগুলোও রক্ষা পায়নি; ইতিহাস যেন মুছে গেছে বোমার আঘাতে।

৬২ বছর বয়সি আবু খালেদ আল-নাজ্জার বলেন, “ছোটবেলা থেকে ইবনে ওসমান মসজিদে নামাজ পড়তাম। এখন সেই জায়গাটা শুধু ধ্বংসস্তূপ। কল্পনাও করিনি, একদিন মসজিদ ছাড়াই নামাজ পড়তে হবে।”

গাজার সরকারি মিডিয়া অফিস জানিয়েছে, এ পর্যন্ত ১,২৪৪টি মসজিদের মধ্যে ৮৩৫টি পুরোপুরি ধ্বংস হয়েছে, আর ১৮০টি আংশিক ক্ষতিগ্রস্ত। এর মধ্যে রয়েছে মামলুক ও অটোমান যুগের বহু প্রাচীন মসজিদ।

পুরোনো শহরের গ্রেট ওমারি মসজিদের ধ্বংসাবশেষে ২৭ বছর বয়সি মাহমুদ কান্দিল এখনো ঘুরে বেড়ান, ইতিহাসের টুকরো খুঁজে বেড়াতে।
৭৪ বছর বয়সি উম্মে ওয়ায়েল বলেন, “মসজিদ আর নেই, কিন্তু ঘরে বসেই কুরআন পড়ব। কারণ আল্লাহ সর্বত্র আছেন, আমাদের দোয়া তিনি শুনছেন।”