ঢাকা ১১:১৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২২ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ :
Logo ৭ ফেব্রুয়ারি উত্তরাঞ্চলের তিন জেলায় বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নির্বাচনী সফর Logo নেপালকে উড়িয়ে দিয়ে সাফ অনূর্ধ্ব-১৯ নারী চ্যাম্পিয়নশিপে গ্রুপ পর্ব শেষ করল বাংলাদেশ Logo ভোটের সিল তৈরির ঘটনায় সংশ্লিষ্টতার কথা স্বীকার, জামায়াত নেতার নাম উঠে এলো আদালতে Logo পরিকল্পিত রাজনীতির কথা বললেন ডা. জুবাইদা রহমান Logo ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে জামায়াতের নির্বাচনী ইশতেহার প্রকাশ Logo আইপিএল থেকে মোস্তাফিজকে বাদ দেওয়ার সিদ্ধান্ত ভুল ছিল: বাসিত আলী Logo আলবাসেতেকে হারিয়ে কোপা দেল রের শেষ চারে বার্সেলোনা Logo মার্কিন বিচার বিভাগ ওয়েবসাইট থেকে জেফ্রি এপস্টেইন সংক্রান্ত হাজার নথি প্রত্যাহার Logo নির্বাচন ঘিরে সাত দিন বিশেষ দায়িত্বে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা Logo নরসিংদীর রায়পুরায় আধিপত্যের দ্বন্দ্বে দুই পক্ষের সংঘর্ষ, কিশোর নিহত

গাজা গণহত্যা ইস্যুতে ইসরাইলি নেতাদের বিচারের আশা জাতিসংঘ তদন্ত কমিশনের প্রধানের

নিজস্ব সংবাদ : দেশ২৪লাইভ

ছবি সংগৃহীত

গাজায় চলমান সহিংসতা নিয়ে জাতিসংঘের স্বাধীন আন্তর্জাতিক অনুসন্ধান কমিশনের প্রধান নাভি পিল্লাই বলেছেন, ফিলিস্তিনিদের বিরুদ্ধে সংঘটিত হত্যাযজ্ঞ রুয়ান্ডার গণহত্যার সঙ্গে তুলনীয়। তিনি আশা প্রকাশ করেছেন, এই অপরাধের দায়ে একদিন ইসরাইলি নেতাদের কারাগারে পাঠানো হবে।

পিল্লাইয়ের নেতৃত্বে গঠিত কমিশনটি গত মঙ্গলবার (১৬ সেপ্টেম্বর) গাজা পরিস্থিতি নিয়ে একটি বিস্তৃত প্রতিবেদন প্রকাশ করে। সেখানে উল্লেখ করা হয়, প্রায় ২৩ মাস ধরে ফিলিস্তিনিদের ওপর জাতিগত নিধন চালাচ্ছে ইসরাইল, এবং এর জন্য দেশটির শীর্ষ নেতৃত্বকে দায়ী করা হয়েছে।

দক্ষিণ আফ্রিকার সাবেক বিচারপতি ও জাতিসংঘের প্রাক্তন মানবাধিকার প্রধান পিল্লাই ১৯৯৪ সালের রুয়ান্ডা গণহত্যার বিচার ট্রাইব্যুনাল পরিচালনা করেছিলেন। বুধবার (১৭ সেপ্টেম্বর) এএফপিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, গাজায় সংঘটিত হত্যাকাণ্ডের জন্য ইসরাইলি নেতাদের বিচার হবে বলে তিনি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করেন। তবে তিনি স্বীকার করেন, ন্যায়বিচার পেতে সময় লাগতে পারে। নেলসন ম্যান্ডেলার একটি উক্তি উল্লেখ করে পিল্লাই বলেন, “কোনো কাজ শেষ না হওয়া পর্যন্ত সবসময় অসম্ভব মনে হয়।”

তিনি আরও জানান, “আমি মনে করি ভবিষ্যতে ইসরাইলি নেতাদের গ্রেপ্তার ও বিচার সম্ভব—এটি অযৌক্তিক কিছু নয়।”

প্রতিবেদন প্রকাশের পর পিল্লাই উল্লেখ করেন, ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু, সাবেক প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইয়োভ গ্যালান্ট এবং প্রেসিডেন্ট আইজ্যাক হারজগ গাজায় হত্যাকাণ্ডে উসকানি ও নির্দেশনা দিয়েছেন বলে প্রমাণ মিলেছে। কমিশনের ভাষ্যে, যেহেতু তারা রাষ্ট্রের দায়িত্বে ছিলেন, তাই এই জাতিগত নিধনের দায় ইসরাইলের ওপরই বর্তায়।

অন্যদিকে, ইসরাইল এই তদন্তের ফলাফলকে “মিথ্যা ও বিকৃত” বলে প্রত্যাখ্যান করেছে। প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে এক পোস্টে জানিয়েছে, হামাসের বিভ্রান্তিকর তথ্যের ওপর নির্ভর করে প্রতিবেদনটি তৈরি করা হয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপডেট সময় ০৩:৩১:৪৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৫
২০৪ বার পড়া হয়েছে

গাজা গণহত্যা ইস্যুতে ইসরাইলি নেতাদের বিচারের আশা জাতিসংঘ তদন্ত কমিশনের প্রধানের

আপডেট সময় ০৩:৩১:৪৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৫

গাজায় চলমান সহিংসতা নিয়ে জাতিসংঘের স্বাধীন আন্তর্জাতিক অনুসন্ধান কমিশনের প্রধান নাভি পিল্লাই বলেছেন, ফিলিস্তিনিদের বিরুদ্ধে সংঘটিত হত্যাযজ্ঞ রুয়ান্ডার গণহত্যার সঙ্গে তুলনীয়। তিনি আশা প্রকাশ করেছেন, এই অপরাধের দায়ে একদিন ইসরাইলি নেতাদের কারাগারে পাঠানো হবে।

পিল্লাইয়ের নেতৃত্বে গঠিত কমিশনটি গত মঙ্গলবার (১৬ সেপ্টেম্বর) গাজা পরিস্থিতি নিয়ে একটি বিস্তৃত প্রতিবেদন প্রকাশ করে। সেখানে উল্লেখ করা হয়, প্রায় ২৩ মাস ধরে ফিলিস্তিনিদের ওপর জাতিগত নিধন চালাচ্ছে ইসরাইল, এবং এর জন্য দেশটির শীর্ষ নেতৃত্বকে দায়ী করা হয়েছে।

দক্ষিণ আফ্রিকার সাবেক বিচারপতি ও জাতিসংঘের প্রাক্তন মানবাধিকার প্রধান পিল্লাই ১৯৯৪ সালের রুয়ান্ডা গণহত্যার বিচার ট্রাইব্যুনাল পরিচালনা করেছিলেন। বুধবার (১৭ সেপ্টেম্বর) এএফপিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, গাজায় সংঘটিত হত্যাকাণ্ডের জন্য ইসরাইলি নেতাদের বিচার হবে বলে তিনি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করেন। তবে তিনি স্বীকার করেন, ন্যায়বিচার পেতে সময় লাগতে পারে। নেলসন ম্যান্ডেলার একটি উক্তি উল্লেখ করে পিল্লাই বলেন, “কোনো কাজ শেষ না হওয়া পর্যন্ত সবসময় অসম্ভব মনে হয়।”

তিনি আরও জানান, “আমি মনে করি ভবিষ্যতে ইসরাইলি নেতাদের গ্রেপ্তার ও বিচার সম্ভব—এটি অযৌক্তিক কিছু নয়।”

প্রতিবেদন প্রকাশের পর পিল্লাই উল্লেখ করেন, ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু, সাবেক প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইয়োভ গ্যালান্ট এবং প্রেসিডেন্ট আইজ্যাক হারজগ গাজায় হত্যাকাণ্ডে উসকানি ও নির্দেশনা দিয়েছেন বলে প্রমাণ মিলেছে। কমিশনের ভাষ্যে, যেহেতু তারা রাষ্ট্রের দায়িত্বে ছিলেন, তাই এই জাতিগত নিধনের দায় ইসরাইলের ওপরই বর্তায়।

অন্যদিকে, ইসরাইল এই তদন্তের ফলাফলকে “মিথ্যা ও বিকৃত” বলে প্রত্যাখ্যান করেছে। প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে এক পোস্টে জানিয়েছে, হামাসের বিভ্রান্তিকর তথ্যের ওপর নির্ভর করে প্রতিবেদনটি তৈরি করা হয়েছে।