ঢাকা ০৮:৫৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩০ নভেম্বর ২০২৫, ১৬ অগ্রহায়ণ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ :
Logo দুদকের তদন্তের মুখে ট্রান্সকম গ্রুপের সিইও সিমিন রহমান; শেখ হাসিনাকে ঘুষ দেওয়ার অভিযোগ Logo  তারেক রহমানের দেশে ফেরা প্রসঙ্গে সরকারের অবস্থান জানালেন পররাষ্ট্র উপদেষ্টা Logo  সিলেটে নিখোঁজ ছাতকের সৌরভ, খুঁজে পেতে সহযোগিতার আহ্বান Logo সচিবালয়ের মন্ত্রিপরিষদ ভবনে আগুন, অল্প সময়েই নিয়ন্ত্রণে ফায়ার সার্ভিস Logo ইতালিতে পাঁচ লাখ কর্মী নেওয়ার উদ্যোগ: আবেদন জমা দেওয়ার শেষ সময় কবে? Logo ঢাকায় রাশিয়ান রাষ্ট্রদূতের পক্ষ থেকে খালেদা জিয়ার দ্রুত আরোগ্য কামনা Logo খুলনা আদালত এলাকায় গুলিতে দুইজন নিহত: প্রত্যক্ষদর্শীদের বর্ণনায় যা উঠে এসেছে Logo ৬ লেন নির্মাণের দাবিতে সাতকানিয়ায় চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়ক অবরোধ Logo কুষ্টিয়ার ছয় হত্যা মামলায় ইনুর বিরুদ্ধে আজ ট্রাইব্যুনালে সূচনা বক্তব্য ও সাক্ষ্যগ্রহণ Logo আইরিশদের হারিয়ে সিরিজে সমতা ফেরাল বাংলাদেশ

গাজা পরিস্থিতি নিয়ে ম্যাকরন ও সালমানের ফোনালাপ

নিজস্ব সংবাদ :

 

গাজা সংকট এবং মধ্যপ্রাচ্যের স্থিতিশীলতা নিয়ে ফোনে কথা বলেছেন ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাকরন ও সৌদি আরবের ক্রাউন প্রিন্স মোহাম্মদ বিন সালমান। রোববার (১৯ অক্টোবর) অনুষ্ঠিত এই আলোচনা বিভিন্ন দ্বিপাক্ষিক ও আন্তর্জাতিক ইস্যুতে মতবিনিময়ের সুযোগ করে দেয় বলে জানিয়েছে তুরস্কভিত্তিক সংবাদ সংস্থা আনাদোলু এজেন্সি।

ফোনালাপে গাজা উপত্যকায় ইসরায়েলি অভিযানের প্রেক্ষিতে সৃষ্ট মানবিক বিপর্যয় তুলে ধরেন দুই নেতা। তারা জোর দিয়ে বলেন, ইসরায়েলি সেনা প্রত্যাহার এবং ফিলিস্তিনি জনগণের প্রতি মানবিক সহায়তা বাড়ানো জরুরি। একইসঙ্গে, দীর্ঘমেয়াদি শান্তি নিশ্চিত করতে দুই রাষ্ট্রভিত্তিক সমাধানের বাস্তব উদ্যোগ প্রয়োজন বলে মত দেন তারা।

মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি ফেরানোর পাশাপাশি, সৌদি আরব ও ফ্রান্সের মধ্যে বিভিন্ন খাতে সহযোগিতা জোরদার করার বিষয়েও আলোচনা হয়।

প্রসঙ্গত, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের পরিকল্পনার ভিত্তিতে ১০ অক্টোবর থেকে গাজায় যুদ্ধবিরতি কার্যকর হয়েছে। এই চুক্তি অনুসারে, ধাপে ধাপে ইসরায়েলি সেনা প্রত্যাহার, মানবিক সহায়তা প্রবেশ, বন্দী বিনিময় এবং হামাসের নিরস্ত্রীকরণের বিষয় অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

এই চুক্তি ২০২৩ সালের ৮ অক্টোবর থেকে শুরু হওয়া সংঘাতের অবসান ঘটায়, যেখানে ইসরায়েলি হামলায় প্রাণ হারান অন্তত ৬৮ হাজার ফিলিস্তিনি এবং গাজার প্রায় ৯০ শতাংশ বেসামরিক অবকাঠামো ধ্বংস হয়ে যায়।

এছাড়া, ফিলিস্তিনকে রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতির সংখ্যা বাড়ছে। গত সেপ্টেম্বরে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮০তম অধিবেশনে আরও ১০টি দেশ ফিলিস্তিনকে স্বীকৃতি দেয়, যার ফলে এখন পর্যন্ত জাতিসংঘের ১৯৩ সদস্য রাষ্ট্রের মধ্যে ১৫৭টি দেশ ফিলিস্তিনকে স্বীকৃতি দিয়েছে বলে জানিয়েছে দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপডেট সময় ০১:২৬:০৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ অক্টোবর ২০২৫
৪৫ বার পড়া হয়েছে

গাজা পরিস্থিতি নিয়ে ম্যাকরন ও সালমানের ফোনালাপ

আপডেট সময় ০১:২৬:০৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ অক্টোবর ২০২৫

 

গাজা সংকট এবং মধ্যপ্রাচ্যের স্থিতিশীলতা নিয়ে ফোনে কথা বলেছেন ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাকরন ও সৌদি আরবের ক্রাউন প্রিন্স মোহাম্মদ বিন সালমান। রোববার (১৯ অক্টোবর) অনুষ্ঠিত এই আলোচনা বিভিন্ন দ্বিপাক্ষিক ও আন্তর্জাতিক ইস্যুতে মতবিনিময়ের সুযোগ করে দেয় বলে জানিয়েছে তুরস্কভিত্তিক সংবাদ সংস্থা আনাদোলু এজেন্সি।

ফোনালাপে গাজা উপত্যকায় ইসরায়েলি অভিযানের প্রেক্ষিতে সৃষ্ট মানবিক বিপর্যয় তুলে ধরেন দুই নেতা। তারা জোর দিয়ে বলেন, ইসরায়েলি সেনা প্রত্যাহার এবং ফিলিস্তিনি জনগণের প্রতি মানবিক সহায়তা বাড়ানো জরুরি। একইসঙ্গে, দীর্ঘমেয়াদি শান্তি নিশ্চিত করতে দুই রাষ্ট্রভিত্তিক সমাধানের বাস্তব উদ্যোগ প্রয়োজন বলে মত দেন তারা।

মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি ফেরানোর পাশাপাশি, সৌদি আরব ও ফ্রান্সের মধ্যে বিভিন্ন খাতে সহযোগিতা জোরদার করার বিষয়েও আলোচনা হয়।

প্রসঙ্গত, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের পরিকল্পনার ভিত্তিতে ১০ অক্টোবর থেকে গাজায় যুদ্ধবিরতি কার্যকর হয়েছে। এই চুক্তি অনুসারে, ধাপে ধাপে ইসরায়েলি সেনা প্রত্যাহার, মানবিক সহায়তা প্রবেশ, বন্দী বিনিময় এবং হামাসের নিরস্ত্রীকরণের বিষয় অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

এই চুক্তি ২০২৩ সালের ৮ অক্টোবর থেকে শুরু হওয়া সংঘাতের অবসান ঘটায়, যেখানে ইসরায়েলি হামলায় প্রাণ হারান অন্তত ৬৮ হাজার ফিলিস্তিনি এবং গাজার প্রায় ৯০ শতাংশ বেসামরিক অবকাঠামো ধ্বংস হয়ে যায়।

এছাড়া, ফিলিস্তিনকে রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতির সংখ্যা বাড়ছে। গত সেপ্টেম্বরে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮০তম অধিবেশনে আরও ১০টি দেশ ফিলিস্তিনকে স্বীকৃতি দেয়, যার ফলে এখন পর্যন্ত জাতিসংঘের ১৯৩ সদস্য রাষ্ট্রের মধ্যে ১৫৭টি দেশ ফিলিস্তিনকে স্বীকৃতি দিয়েছে বলে জানিয়েছে দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।