গার্দিওলার মতে সবচেয়ে কঠিন প্রতিপক্ষ লিভারপুল, রিয়াল নয়
ইউরোপিয়ান ফুটবলের মঞ্চে আবারও বিদায় নিতে হয়েছে ম্যানচেস্টার সিটিকে রিয়াল মাদ্রিদের কাছে। তবে সিটির কোচ পেপ গার্দিওলা নিজের কোচিং ক্যারিয়ারের সবচেয়ে চ্যালেঞ্জ হিসেবে রিয়ালকে নয়, বরং লিভারপুলকে উল্লেখ করেছেন।
চ্যাম্পিয়নস লিগের শেষ ষোলোতে দুই লেগ মিলিয়ে ৫-১ ব্যবধানে হেরে সিটি ছিটকে গেছে। ম্যানচেস্টারে অনুষ্ঠিত দ্বিতীয় লেগে রিয়াল ২-১ ব্যবধানে জিতেছে, যেখানে দুই গোল করেন ভিনিসিউস জুনিয়র। এর আগে প্রথম লেগে বার্নাব্যুতে ফেদেরিকো ভালভার্দের হ্যাটট্রিকে রিয়াল ৩-০ ব্যবধানে এগিয়ে ছিল।
ম্যাচের পর সংবাদ সম্মেলনে গার্দিওলা বলেন, “না, আমার সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ ছিল ক্লপের লিভারপুল। স্পেনে থেকে হয়তো বোঝা যায় না, কিন্তু ইংল্যান্ডে এই প্রতিদ্বন্দ্বিতা কতটা কঠিন তা অভিজ্ঞতায় বোঝা যায়।” তিনি আরও যোগ করেন, “প্রায় ১২-১৩ বছর আগে এই ক্লাব ইউরোপে নিয়মিত খেলত না। এখন আমরা বারবার রিয়ালের মতো শক্তিশালী দলের সঙ্গে খেলছি, জিতছি, হেরে যাচ্ছি; সব মিলিয়ে এটি আমাদের জন্য বড় শিক্ষার অভিজ্ঞতা।”
গার্দিওলা তার কোচিং ক্যারিয়ারে রিয়ালের বিপক্ষে ৩০ ম্যাচ খেলেছেন, যার মধ্যে জিতেছেন ১৪টি, ড্র ৬টি এবং হেরেছেন ১০টি। যদিও সাম্প্রতিক সময়ে চ্যাম্পিয়নস লিগে সিটির পথে বারবার বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে রিয়াল। ২০২২, ২০২৪, ২০২৫ ও ২০২৬ মৌসুমে ইংলিশ চ্যাম্পিয়নদের বিদায় দিয়েছে তারা। ২০২৩ সালে সেমিফাইনালে রিয়ালকে হারিয়ে ট্রেবল জয়ের পথে এগিয়েছিল সিটি।
ক্লপ ও গার্দিওলার লড়াই ছিল সমানুপাতিক। বুন্দেসলিগায় ৮ ম্যাচে গার্দিওলা জিতেছেন ৪টি, ক্লপ ৩টি এবং ১টি ড্র। প্রিমিয়ার লিগে ক্লপ এগিয়ে, ৮ জয়, ৬ হার ও ৮ ড্র।
লিভারপুলের গুরুত্বপূর্ণ খেলোয়াড় ট্রেন্ট আলেক্সান্ডার-আর্নল্ড, যিনি রিয়ালে যোগ দিয়েছেন, ম্যাচ শেষে বলেন, “এখানে জিততে পারাটা ভালো লাগছে। সিটি আমাদের কাছ থেকে অনেক প্রিমিয়ার লিগ শিরোপা নিয়েছে। কোয়ার্টার ফাইনালে রিয়াল বায়ার্ন মিউনিখ বা আতালান্তার সঙ্গে খেলবে। প্রথম লেগে বড় জয় পাওয়ায় বায়ার্নেরই এগিয়ে থাকার সম্ভাবনা বেশি। আর সিটির সামনে এখন রোববারের ইএফএল কাপ ফাইনালে আর্সেনালের বিপক্ষে ঘুরে দাঁড়ানোর সুযোগ রয়েছে।”


























