ঢাকা ০৮:৫৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৩ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ :
Logo অপহরণের খবর পেয়ে প্রধানমন্ত্রীর তৎপরতা, এক ঘণ্টার মধ্যেই স্কুলছাত্র উদ্ধার Logo দেড় বছর পর ফের শুরু আগরতলা-ঢাকা-কলকাতা আন্তর্জাতিক বাস চলাচল Logo বাংলাদেশ পুলিশের নতুন আইজিপি হিসেবে দায়িত্ব পেলেন আলী হোসেন ফকির Logo চট্টগ্রামে গ্যাস বিস্ফোরণের ঘটনায় প্রাণ গেল দুজনের, দগ্ধ আরও সাত Logo  জনগণের শক্তিকেই মূল ভরসা করে বিএনপি, প্রতিহিংসার রাজনীতিতে বিশ্বাস নেই: মঈন খান Logo রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে নিয়োগ অনিয়ম তদন্তে হাইকোর্টের নির্দেশ Logo গরমের ঈদে আরামদায়ক পাঞ্জাবির চাহিদা, বাজারে রং-নকশায় নতুনত্ব Logo এনসিপি গঠন করল স্থানীয় সরকার নির্বাচন পরিচালনা কমিটি Logo ভিনিসিউসকে বর্ণবাদী মন্তব্যের অভিযোগে বেনফিকার আর্জেন্টাইন ফুটবলার নিষিদ্ধ Logo ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনের পর ১১২ নির্বাচন কর্মকর্তার বদলি

ডিমের দাম কমলেও চোখ রাঙাচ্ছে মুরগি

নিজস্ব সংবাদ : দেশ২৪লাইভ

ছবি সংগৃহীত

অবশেষে উত্তাল ডিমের বাজারে টান পড়েছে দামের লাগামে। এক সপ্তাহের ব্যবধানে ডজন প্রতি ডিমের দাম কমেছে ৩৫ থেকে ৪০ টাকা। তবে দাম কমলেও চাহিদার তুলনায় ডিমের সরবরাহ অনেকটাই কম। এদিকে এখনো চড়া দামে বিক্রি হচ্ছে মুরগি।

 

কয়েক দিনের ব্যবধানে বাজারে দাম কমে ডিম বিক্রি হচ্ছে সরকারের বেঁধে দেয়া রেটে। বর্তমানে প্রতিডজন ডিম বিক্রি হচ্ছে ১৪৪ টাকায়। সরকার ডিমের দাম বেঁধে দেয়ার পরেও গত কয়েক সপ্তাহে ডিমের দাম বেড়ে হয়েছিল ১৮০ টাকার বেশি।

 

রোববার (২০ অক্টোবর) রাজধানীর কারওয়ান বাজারসহ বেশ কয়েকটি বাজার ঘুরে দেখা যায়, ডিমের দাম কমলেও উন্নতি হয়নি সরবরাহ সংকটের।
 
বিক্রেতারা বলছেন, তেজগাঁও আড়তে গিয়ে চাহিদামাফিক ডিম পাচ্ছেন না তারা। প্রতিদিন ১০ হাজার ডিমের আশা করলেও মিলছে মাত্র ৫ হাজার।
 
খুচরা বিক্রেতারা জানান, পাইকারি বাজার থেকে ডিম প্রতি ৫০ পয়সা লাভ করার কথা থাকলেও দাম কমিয়ে বিক্রি করায় হারাতে হচ্ছে বড় অঙ্কের মুনাফা। পাশাপাশি কমেছে বিক্রিও।
 
 
এদিকে, বাজারে ডিমের দাম কিছুটা কমলেও মুরগির দামে আসেনি স্বস্তি। প্রতিকেজি ব্রয়লার বিক্রি হচ্ছে ২১০ টাকায় এবং সোনালি দাম বেড়ে হয়েছে ৩০০ থেকে ৩২০ টাকা। আর সাদা লেয়ার ২৬০ টাকা ও লাল লেয়ার বিক্রি হচ্ছে ২৮০ টাকায়। এছাড়া, জাতভেদে প্রতি পিস হাঁস বিক্রি হচ্ছে ৫৫০-৬০০ টাকায়।
 
বন্যার কারণে খামারিদের ক্ষতির অযুহাত দাঁড় করিয়ে ব্যবসায়ীদের দাবি, মুনাফা না হওয়ার স্বদিচ্ছা থাকা সত্ত্বেও সরকারের বেঁধে দেয়া দামে মুরগি বিক্রি করতে পারছেন না তারা।
 
তবে হঠাৎ দাম বেড়ে যাওয়া বা কমে যাওয়া নয়, বাজার স্থিতিশীল রাখার দাবি ক্রেতাদের। তারা বলেন, বাজার নিয়ন্ত্রণে শুধু দাম বেঁধে দিলেই হবে না, করতে হবে কঠোর তদারকি।
 
আপাতত ডিমের দাম কমলেও এ ধারা বজায় রাখা বড় চ্যালেঞ্জ বলে মনে করছেন ভোক্তারা। শুল্ক ছাড় ও বাজার অভিযানের দীর্ঘমেয়াদি সুফল চান তারা।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপডেট সময় ০৮:২২:৪৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২১ অক্টোবর ২০২৪
১৮৬ বার পড়া হয়েছে

ডিমের দাম কমলেও চোখ রাঙাচ্ছে মুরগি

আপডেট সময় ০৮:২২:৪৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২১ অক্টোবর ২০২৪

অবশেষে উত্তাল ডিমের বাজারে টান পড়েছে দামের লাগামে। এক সপ্তাহের ব্যবধানে ডজন প্রতি ডিমের দাম কমেছে ৩৫ থেকে ৪০ টাকা। তবে দাম কমলেও চাহিদার তুলনায় ডিমের সরবরাহ অনেকটাই কম। এদিকে এখনো চড়া দামে বিক্রি হচ্ছে মুরগি।

 

কয়েক দিনের ব্যবধানে বাজারে দাম কমে ডিম বিক্রি হচ্ছে সরকারের বেঁধে দেয়া রেটে। বর্তমানে প্রতিডজন ডিম বিক্রি হচ্ছে ১৪৪ টাকায়। সরকার ডিমের দাম বেঁধে দেয়ার পরেও গত কয়েক সপ্তাহে ডিমের দাম বেড়ে হয়েছিল ১৮০ টাকার বেশি।

 

রোববার (২০ অক্টোবর) রাজধানীর কারওয়ান বাজারসহ বেশ কয়েকটি বাজার ঘুরে দেখা যায়, ডিমের দাম কমলেও উন্নতি হয়নি সরবরাহ সংকটের।
 
বিক্রেতারা বলছেন, তেজগাঁও আড়তে গিয়ে চাহিদামাফিক ডিম পাচ্ছেন না তারা। প্রতিদিন ১০ হাজার ডিমের আশা করলেও মিলছে মাত্র ৫ হাজার।
 
খুচরা বিক্রেতারা জানান, পাইকারি বাজার থেকে ডিম প্রতি ৫০ পয়সা লাভ করার কথা থাকলেও দাম কমিয়ে বিক্রি করায় হারাতে হচ্ছে বড় অঙ্কের মুনাফা। পাশাপাশি কমেছে বিক্রিও।
 
 
এদিকে, বাজারে ডিমের দাম কিছুটা কমলেও মুরগির দামে আসেনি স্বস্তি। প্রতিকেজি ব্রয়লার বিক্রি হচ্ছে ২১০ টাকায় এবং সোনালি দাম বেড়ে হয়েছে ৩০০ থেকে ৩২০ টাকা। আর সাদা লেয়ার ২৬০ টাকা ও লাল লেয়ার বিক্রি হচ্ছে ২৮০ টাকায়। এছাড়া, জাতভেদে প্রতি পিস হাঁস বিক্রি হচ্ছে ৫৫০-৬০০ টাকায়।
 
বন্যার কারণে খামারিদের ক্ষতির অযুহাত দাঁড় করিয়ে ব্যবসায়ীদের দাবি, মুনাফা না হওয়ার স্বদিচ্ছা থাকা সত্ত্বেও সরকারের বেঁধে দেয়া দামে মুরগি বিক্রি করতে পারছেন না তারা।
 
তবে হঠাৎ দাম বেড়ে যাওয়া বা কমে যাওয়া নয়, বাজার স্থিতিশীল রাখার দাবি ক্রেতাদের। তারা বলেন, বাজার নিয়ন্ত্রণে শুধু দাম বেঁধে দিলেই হবে না, করতে হবে কঠোর তদারকি।
 
আপাতত ডিমের দাম কমলেও এ ধারা বজায় রাখা বড় চ্যালেঞ্জ বলে মনে করছেন ভোক্তারা। শুল্ক ছাড় ও বাজার অভিযানের দীর্ঘমেয়াদি সুফল চান তারা।