ঢাকা ১০:৪১ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩০ নভেম্বর ২০২৫, ১৬ অগ্রহায়ণ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ :
Logo সকালে কোয়েলের ডিম খেলে মিলবে যে অসাধারণ উপকার Logo শীতে পানি কেন বেশি জরুরি—চমকে যাওয়ার মতো কারণ! Logo ঠান্ডায় রোগপ্রতিরোধ দুর্বল? প্রতিদিন খান এগুলো Logo বিশ্বে সবচেয়ে দুর্লভ রক্ত কোনটি? জানুন ‘গোল্ডেন ব্লাড’-এর রহস্য Logo বিশ্বজুড়ে নিষিদ্ধ আকাশসীমা: কেন উড়তে পারে না বিমান Logo খালেদা জিয়ার সুস্থতা কামনায় সিলেটে অসহায়দের মাঝে ছাত্রদলের খাবার বিতরণ Logo দুদকের তদন্তের মুখে ট্রান্সকম গ্রুপের সিইও সিমিন রহমান; শেখ হাসিনাকে ঘুষ দেওয়ার অভিযোগ Logo  তারেক রহমানের দেশে ফেরা প্রসঙ্গে সরকারের অবস্থান জানালেন পররাষ্ট্র উপদেষ্টা Logo  সিলেটে নিখোঁজ ছাতকের সৌরভ, খুঁজে পেতে সহযোগিতার আহ্বান Logo সচিবালয়ের মন্ত্রিপরিষদ ভবনে আগুন, অল্প সময়েই নিয়ন্ত্রণে ফায়ার সার্ভিস

ড. ইউনূসের নামে প্রচারিত পদত্যাগপত্রটি ভুয়া: রিউমার স্ক্যানার

নিজস্ব সংবাদ :

ছবি সংগৃহীত

ড. ইউনূসের নামে প্রচারিত পদত্যাগপত্রটি ভুয়া: রিউমার স্ক্যানার।

অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস পদত্যাগ করেছেন- এমন দাবিতে একটি পদত্যাগপত্রের ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। তবে ছড়িয়ে পড়া চিঠিতে আসল নয় বলে জানিয়েছে ফ্যাক্ট চেকিং প্রতিষ্ঠান রিউমার স্ক্যানার।

এদিকে কিছু পোষ্টে দাবি করা হয়, যমুনা টেলিভিশনের একজন সাংবাদিকের কাছে ড. মুহাম্মদ ইউনূস পদত্যাগপত্র পাঠিয়েছেন। কিন্তু আসলে যমুনা টেলিভিশনের কোনো সংবাদকর্মীর কাছে এমন কোনো পদত্যাগপত্র আসেনি।

রিউমর স্ক্যানার জানায়, ড. মুহাম্মদ ইউনূসের পদত্যাগপত্র দাবিতে ভাইরাল চিঠিটি আসল নয়। চিঠিটি পর্যবেক্ষণ করে এর বেশকিছু অসঙ্গতি দেখা যায়। প্রথমে প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ের একাধিক প্যাড পর্যবেক্ষণ করা হয়। কার্যালয়ের প্যাডে বাংলা মাসের তারিখ ওপরে এবং ইংরেজি মাসের তারিখ নিচে থাকে। তবে আলোচিত পদত্যাগের চিঠিতে ইংরেজি ও বাংলা তারিখ পাশাপাশি রয়েছে। আবার ইংরেজি তারিখ শুরুতে রয়েছে। দ্বিতীয়ত, চিঠিটিতে ব্যবহৃত ফন্ট এবং প্রধান উপদেষ্টার প্যাডে ব্যবহৃত ফন্টের মধ্যে পার্থক্যও দেখা যায়।

প্রতিষ্ঠানটি আরও জানায়, গণমাধ্যম ও সংশ্লিষ্ট নির্ভরযোগ্য সূত্রে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের পদত্যাগের বিষয়ে কোনও তথ্য পাওয়া যায়নি।

এ বিষয়ে যমুনা টেলিভিশনের প্রধান বার্তা সম্পাদক তৌহিদুল ইসলাম বলেন, যমুনা টেলিভিশনের সংবাদ চ্যানেলের স্ক্রিন, ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজ, ইউটিউব চ্যানেল এবং ওয়েবসাইটে প্রচার করা হয়। গুজব রটনাকারীরা মনগড়া কথা বলেছে। যমুনা টেলিভিশনের সাংবাদিকের কথা বলে মিথ্যাটাকে হয়তো সত্য প্রমাণের চেষ্টা করেছে। এক্ষেত্রে সবাই সচেতন হলে অপপ্রচারকারীরা হালে পানি পাবে না।

রিউমার স্ক্যানারের পুরো প্রতিবেদনটি দেখতে এখানে ক্লিক করুন

নিউজটি শেয়ার করুন

আপডেট সময় ১১:২৮:৫৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২৫
১০২ বার পড়া হয়েছে

ড. ইউনূসের নামে প্রচারিত পদত্যাগপত্রটি ভুয়া: রিউমার স্ক্যানার

আপডেট সময় ১১:২৮:৫৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২৫

ড. ইউনূসের নামে প্রচারিত পদত্যাগপত্রটি ভুয়া: রিউমার স্ক্যানার।

অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস পদত্যাগ করেছেন- এমন দাবিতে একটি পদত্যাগপত্রের ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। তবে ছড়িয়ে পড়া চিঠিতে আসল নয় বলে জানিয়েছে ফ্যাক্ট চেকিং প্রতিষ্ঠান রিউমার স্ক্যানার।

এদিকে কিছু পোষ্টে দাবি করা হয়, যমুনা টেলিভিশনের একজন সাংবাদিকের কাছে ড. মুহাম্মদ ইউনূস পদত্যাগপত্র পাঠিয়েছেন। কিন্তু আসলে যমুনা টেলিভিশনের কোনো সংবাদকর্মীর কাছে এমন কোনো পদত্যাগপত্র আসেনি।

রিউমর স্ক্যানার জানায়, ড. মুহাম্মদ ইউনূসের পদত্যাগপত্র দাবিতে ভাইরাল চিঠিটি আসল নয়। চিঠিটি পর্যবেক্ষণ করে এর বেশকিছু অসঙ্গতি দেখা যায়। প্রথমে প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ের একাধিক প্যাড পর্যবেক্ষণ করা হয়। কার্যালয়ের প্যাডে বাংলা মাসের তারিখ ওপরে এবং ইংরেজি মাসের তারিখ নিচে থাকে। তবে আলোচিত পদত্যাগের চিঠিতে ইংরেজি ও বাংলা তারিখ পাশাপাশি রয়েছে। আবার ইংরেজি তারিখ শুরুতে রয়েছে। দ্বিতীয়ত, চিঠিটিতে ব্যবহৃত ফন্ট এবং প্রধান উপদেষ্টার প্যাডে ব্যবহৃত ফন্টের মধ্যে পার্থক্যও দেখা যায়।

প্রতিষ্ঠানটি আরও জানায়, গণমাধ্যম ও সংশ্লিষ্ট নির্ভরযোগ্য সূত্রে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের পদত্যাগের বিষয়ে কোনও তথ্য পাওয়া যায়নি।

এ বিষয়ে যমুনা টেলিভিশনের প্রধান বার্তা সম্পাদক তৌহিদুল ইসলাম বলেন, যমুনা টেলিভিশনের সংবাদ চ্যানেলের স্ক্রিন, ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজ, ইউটিউব চ্যানেল এবং ওয়েবসাইটে প্রচার করা হয়। গুজব রটনাকারীরা মনগড়া কথা বলেছে। যমুনা টেলিভিশনের সাংবাদিকের কথা বলে মিথ্যাটাকে হয়তো সত্য প্রমাণের চেষ্টা করেছে। এক্ষেত্রে সবাই সচেতন হলে অপপ্রচারকারীরা হালে পানি পাবে না।

রিউমার স্ক্যানারের পুরো প্রতিবেদনটি দেখতে এখানে ক্লিক করুন