ঢাকা ০১:২২ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২২ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ :
Logo ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে মাঝারি মাত্রার ভূমিকম্প Logo প্রাথমিক শিক্ষকদের নিয়োগ ও বদলিতে জেলা পর্যায়ে নতুন উদ্যোগ Logo দেশ গড়ার যেকোনো পরিকল্পনায় প্রতিবন্ধীদের অংশগ্রহণ জরুরি: জায়মা রহমান Logo শবে বরাতে ঢাকায় আতশবাজি ও পটকা নিষিদ্ধ, জারি ডিএমপির কড়াকড়ি Logo কারাবন্দিদের জন্য প্রথমবার ডাকযোগে ভোটগ্রহণ শুরু, চলবে ৭ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত Logo ৫ ঘণ্টার ব্যবধানে আবার বাড়ল স্বর্ণের দাম, ২২ ক্যারেটের ভরি ছাড়াল ২ লাখ ৬২ হাজার টাকা Logo র‌্যাবের নাম বদল, নতুন নাম ‘স্পেশাল ইন্টারভেনশন ফোর্স’ Logo বুড়িগঙ্গার পানি খেয়ে মাদকবর্জিত রাখার অঙ্গীকার নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর, ঢাকা-৮ Logo শেরপুরে জামায়াত নেতা হত্যাকাণ্ড: স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক আটক Logo নির্বাচন ও গণভোট ঘিরে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা: মাঠে দেড় লাখের বেশি পুলিশ, ঝুঁকিপূর্ণ আসনে বাড়তি সতর্কতা

ড. ইউনূসের নামে প্রচারিত পদত্যাগপত্রটি ভুয়া: রিউমার স্ক্যানার

নিজস্ব সংবাদ : দেশ২৪লাইভ

ছবি সংগৃহীত

ড. ইউনূসের নামে প্রচারিত পদত্যাগপত্রটি ভুয়া: রিউমার স্ক্যানার।

অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস পদত্যাগ করেছেন- এমন দাবিতে একটি পদত্যাগপত্রের ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। তবে ছড়িয়ে পড়া চিঠিতে আসল নয় বলে জানিয়েছে ফ্যাক্ট চেকিং প্রতিষ্ঠান রিউমার স্ক্যানার।

এদিকে কিছু পোষ্টে দাবি করা হয়, যমুনা টেলিভিশনের একজন সাংবাদিকের কাছে ড. মুহাম্মদ ইউনূস পদত্যাগপত্র পাঠিয়েছেন। কিন্তু আসলে যমুনা টেলিভিশনের কোনো সংবাদকর্মীর কাছে এমন কোনো পদত্যাগপত্র আসেনি।

রিউমর স্ক্যানার জানায়, ড. মুহাম্মদ ইউনূসের পদত্যাগপত্র দাবিতে ভাইরাল চিঠিটি আসল নয়। চিঠিটি পর্যবেক্ষণ করে এর বেশকিছু অসঙ্গতি দেখা যায়। প্রথমে প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ের একাধিক প্যাড পর্যবেক্ষণ করা হয়। কার্যালয়ের প্যাডে বাংলা মাসের তারিখ ওপরে এবং ইংরেজি মাসের তারিখ নিচে থাকে। তবে আলোচিত পদত্যাগের চিঠিতে ইংরেজি ও বাংলা তারিখ পাশাপাশি রয়েছে। আবার ইংরেজি তারিখ শুরুতে রয়েছে। দ্বিতীয়ত, চিঠিটিতে ব্যবহৃত ফন্ট এবং প্রধান উপদেষ্টার প্যাডে ব্যবহৃত ফন্টের মধ্যে পার্থক্যও দেখা যায়।

প্রতিষ্ঠানটি আরও জানায়, গণমাধ্যম ও সংশ্লিষ্ট নির্ভরযোগ্য সূত্রে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের পদত্যাগের বিষয়ে কোনও তথ্য পাওয়া যায়নি।

এ বিষয়ে যমুনা টেলিভিশনের প্রধান বার্তা সম্পাদক তৌহিদুল ইসলাম বলেন, যমুনা টেলিভিশনের সংবাদ চ্যানেলের স্ক্রিন, ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজ, ইউটিউব চ্যানেল এবং ওয়েবসাইটে প্রচার করা হয়। গুজব রটনাকারীরা মনগড়া কথা বলেছে। যমুনা টেলিভিশনের সাংবাদিকের কথা বলে মিথ্যাটাকে হয়তো সত্য প্রমাণের চেষ্টা করেছে। এক্ষেত্রে সবাই সচেতন হলে অপপ্রচারকারীরা হালে পানি পাবে না।

রিউমার স্ক্যানারের পুরো প্রতিবেদনটি দেখতে এখানে ক্লিক করুন

নিউজটি শেয়ার করুন

আপডেট সময় ১১:২৮:৫৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২৫
১৩০ বার পড়া হয়েছে

ড. ইউনূসের নামে প্রচারিত পদত্যাগপত্রটি ভুয়া: রিউমার স্ক্যানার

আপডেট সময় ১১:২৮:৫৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২৫

ড. ইউনূসের নামে প্রচারিত পদত্যাগপত্রটি ভুয়া: রিউমার স্ক্যানার।

অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস পদত্যাগ করেছেন- এমন দাবিতে একটি পদত্যাগপত্রের ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। তবে ছড়িয়ে পড়া চিঠিতে আসল নয় বলে জানিয়েছে ফ্যাক্ট চেকিং প্রতিষ্ঠান রিউমার স্ক্যানার।

এদিকে কিছু পোষ্টে দাবি করা হয়, যমুনা টেলিভিশনের একজন সাংবাদিকের কাছে ড. মুহাম্মদ ইউনূস পদত্যাগপত্র পাঠিয়েছেন। কিন্তু আসলে যমুনা টেলিভিশনের কোনো সংবাদকর্মীর কাছে এমন কোনো পদত্যাগপত্র আসেনি।

রিউমর স্ক্যানার জানায়, ড. মুহাম্মদ ইউনূসের পদত্যাগপত্র দাবিতে ভাইরাল চিঠিটি আসল নয়। চিঠিটি পর্যবেক্ষণ করে এর বেশকিছু অসঙ্গতি দেখা যায়। প্রথমে প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ের একাধিক প্যাড পর্যবেক্ষণ করা হয়। কার্যালয়ের প্যাডে বাংলা মাসের তারিখ ওপরে এবং ইংরেজি মাসের তারিখ নিচে থাকে। তবে আলোচিত পদত্যাগের চিঠিতে ইংরেজি ও বাংলা তারিখ পাশাপাশি রয়েছে। আবার ইংরেজি তারিখ শুরুতে রয়েছে। দ্বিতীয়ত, চিঠিটিতে ব্যবহৃত ফন্ট এবং প্রধান উপদেষ্টার প্যাডে ব্যবহৃত ফন্টের মধ্যে পার্থক্যও দেখা যায়।

প্রতিষ্ঠানটি আরও জানায়, গণমাধ্যম ও সংশ্লিষ্ট নির্ভরযোগ্য সূত্রে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের পদত্যাগের বিষয়ে কোনও তথ্য পাওয়া যায়নি।

এ বিষয়ে যমুনা টেলিভিশনের প্রধান বার্তা সম্পাদক তৌহিদুল ইসলাম বলেন, যমুনা টেলিভিশনের সংবাদ চ্যানেলের স্ক্রিন, ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজ, ইউটিউব চ্যানেল এবং ওয়েবসাইটে প্রচার করা হয়। গুজব রটনাকারীরা মনগড়া কথা বলেছে। যমুনা টেলিভিশনের সাংবাদিকের কথা বলে মিথ্যাটাকে হয়তো সত্য প্রমাণের চেষ্টা করেছে। এক্ষেত্রে সবাই সচেতন হলে অপপ্রচারকারীরা হালে পানি পাবে না।

রিউমার স্ক্যানারের পুরো প্রতিবেদনটি দেখতে এখানে ক্লিক করুন