ঢাকা ১১:৪৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৩ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ :
Logo বিডিআর হত্যাকাণ্ডে নতুন তদন্ত কমিশন নয়, সুপারিশ বাস্তবায়নের আশ্বাস স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর Logo অপহরণের খবর পেয়ে প্রধানমন্ত্রীর তৎপরতা, এক ঘণ্টার মধ্যেই স্কুলছাত্র উদ্ধার Logo দেড় বছর পর ফের শুরু আগরতলা-ঢাকা-কলকাতা আন্তর্জাতিক বাস চলাচল Logo বাংলাদেশ পুলিশের নতুন আইজিপি হিসেবে দায়িত্ব পেলেন আলী হোসেন ফকির Logo চট্টগ্রামে গ্যাস বিস্ফোরণের ঘটনায় প্রাণ গেল দুজনের, দগ্ধ আরও সাত Logo  জনগণের শক্তিকেই মূল ভরসা করে বিএনপি, প্রতিহিংসার রাজনীতিতে বিশ্বাস নেই: মঈন খান Logo রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে নিয়োগ অনিয়ম তদন্তে হাইকোর্টের নির্দেশ Logo গরমের ঈদে আরামদায়ক পাঞ্জাবির চাহিদা, বাজারে রং-নকশায় নতুনত্ব Logo এনসিপি গঠন করল স্থানীয় সরকার নির্বাচন পরিচালনা কমিটি Logo ভিনিসিউসকে বর্ণবাদী মন্তব্যের অভিযোগে বেনফিকার আর্জেন্টাইন ফুটবলার নিষিদ্ধ

ড. ইউনূসের নামে প্রচারিত পদত্যাগপত্রটি ভুয়া: রিউমার স্ক্যানার

নিজস্ব সংবাদ : দেশ২৪লাইভ

ছবি সংগৃহীত

ড. ইউনূসের নামে প্রচারিত পদত্যাগপত্রটি ভুয়া: রিউমার স্ক্যানার।

অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস পদত্যাগ করেছেন- এমন দাবিতে একটি পদত্যাগপত্রের ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। তবে ছড়িয়ে পড়া চিঠিতে আসল নয় বলে জানিয়েছে ফ্যাক্ট চেকিং প্রতিষ্ঠান রিউমার স্ক্যানার।

এদিকে কিছু পোষ্টে দাবি করা হয়, যমুনা টেলিভিশনের একজন সাংবাদিকের কাছে ড. মুহাম্মদ ইউনূস পদত্যাগপত্র পাঠিয়েছেন। কিন্তু আসলে যমুনা টেলিভিশনের কোনো সংবাদকর্মীর কাছে এমন কোনো পদত্যাগপত্র আসেনি।

রিউমর স্ক্যানার জানায়, ড. মুহাম্মদ ইউনূসের পদত্যাগপত্র দাবিতে ভাইরাল চিঠিটি আসল নয়। চিঠিটি পর্যবেক্ষণ করে এর বেশকিছু অসঙ্গতি দেখা যায়। প্রথমে প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ের একাধিক প্যাড পর্যবেক্ষণ করা হয়। কার্যালয়ের প্যাডে বাংলা মাসের তারিখ ওপরে এবং ইংরেজি মাসের তারিখ নিচে থাকে। তবে আলোচিত পদত্যাগের চিঠিতে ইংরেজি ও বাংলা তারিখ পাশাপাশি রয়েছে। আবার ইংরেজি তারিখ শুরুতে রয়েছে। দ্বিতীয়ত, চিঠিটিতে ব্যবহৃত ফন্ট এবং প্রধান উপদেষ্টার প্যাডে ব্যবহৃত ফন্টের মধ্যে পার্থক্যও দেখা যায়।

প্রতিষ্ঠানটি আরও জানায়, গণমাধ্যম ও সংশ্লিষ্ট নির্ভরযোগ্য সূত্রে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের পদত্যাগের বিষয়ে কোনও তথ্য পাওয়া যায়নি।

এ বিষয়ে যমুনা টেলিভিশনের প্রধান বার্তা সম্পাদক তৌহিদুল ইসলাম বলেন, যমুনা টেলিভিশনের সংবাদ চ্যানেলের স্ক্রিন, ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজ, ইউটিউব চ্যানেল এবং ওয়েবসাইটে প্রচার করা হয়। গুজব রটনাকারীরা মনগড়া কথা বলেছে। যমুনা টেলিভিশনের সাংবাদিকের কথা বলে মিথ্যাটাকে হয়তো সত্য প্রমাণের চেষ্টা করেছে। এক্ষেত্রে সবাই সচেতন হলে অপপ্রচারকারীরা হালে পানি পাবে না।

রিউমার স্ক্যানারের পুরো প্রতিবেদনটি দেখতে এখানে ক্লিক করুন

নিউজটি শেয়ার করুন

আপডেট সময় ১১:২৮:৫৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২৫
১৩৬ বার পড়া হয়েছে

ড. ইউনূসের নামে প্রচারিত পদত্যাগপত্রটি ভুয়া: রিউমার স্ক্যানার

আপডেট সময় ১১:২৮:৫৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২৫

ড. ইউনূসের নামে প্রচারিত পদত্যাগপত্রটি ভুয়া: রিউমার স্ক্যানার।

অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস পদত্যাগ করেছেন- এমন দাবিতে একটি পদত্যাগপত্রের ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। তবে ছড়িয়ে পড়া চিঠিতে আসল নয় বলে জানিয়েছে ফ্যাক্ট চেকিং প্রতিষ্ঠান রিউমার স্ক্যানার।

এদিকে কিছু পোষ্টে দাবি করা হয়, যমুনা টেলিভিশনের একজন সাংবাদিকের কাছে ড. মুহাম্মদ ইউনূস পদত্যাগপত্র পাঠিয়েছেন। কিন্তু আসলে যমুনা টেলিভিশনের কোনো সংবাদকর্মীর কাছে এমন কোনো পদত্যাগপত্র আসেনি।

রিউমর স্ক্যানার জানায়, ড. মুহাম্মদ ইউনূসের পদত্যাগপত্র দাবিতে ভাইরাল চিঠিটি আসল নয়। চিঠিটি পর্যবেক্ষণ করে এর বেশকিছু অসঙ্গতি দেখা যায়। প্রথমে প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ের একাধিক প্যাড পর্যবেক্ষণ করা হয়। কার্যালয়ের প্যাডে বাংলা মাসের তারিখ ওপরে এবং ইংরেজি মাসের তারিখ নিচে থাকে। তবে আলোচিত পদত্যাগের চিঠিতে ইংরেজি ও বাংলা তারিখ পাশাপাশি রয়েছে। আবার ইংরেজি তারিখ শুরুতে রয়েছে। দ্বিতীয়ত, চিঠিটিতে ব্যবহৃত ফন্ট এবং প্রধান উপদেষ্টার প্যাডে ব্যবহৃত ফন্টের মধ্যে পার্থক্যও দেখা যায়।

প্রতিষ্ঠানটি আরও জানায়, গণমাধ্যম ও সংশ্লিষ্ট নির্ভরযোগ্য সূত্রে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের পদত্যাগের বিষয়ে কোনও তথ্য পাওয়া যায়নি।

এ বিষয়ে যমুনা টেলিভিশনের প্রধান বার্তা সম্পাদক তৌহিদুল ইসলাম বলেন, যমুনা টেলিভিশনের সংবাদ চ্যানেলের স্ক্রিন, ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজ, ইউটিউব চ্যানেল এবং ওয়েবসাইটে প্রচার করা হয়। গুজব রটনাকারীরা মনগড়া কথা বলেছে। যমুনা টেলিভিশনের সাংবাদিকের কথা বলে মিথ্যাটাকে হয়তো সত্য প্রমাণের চেষ্টা করেছে। এক্ষেত্রে সবাই সচেতন হলে অপপ্রচারকারীরা হালে পানি পাবে না।

রিউমার স্ক্যানারের পুরো প্রতিবেদনটি দেখতে এখানে ক্লিক করুন