ঢাকা ০৬:৩৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩০ নভেম্বর ২০২৫, ১৬ অগ্রহায়ণ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ :
Logo দুদকের তদন্তের মুখে ট্রান্সকম গ্রুপের সিইও সিমিন রহমান; শেখ হাসিনাকে ঘুষ দেওয়ার অভিযোগ Logo  তারেক রহমানের দেশে ফেরা প্রসঙ্গে সরকারের অবস্থান জানালেন পররাষ্ট্র উপদেষ্টা Logo  সিলেটে নিখোঁজ ছাতকের সৌরভ, খুঁজে পেতে সহযোগিতার আহ্বান Logo সচিবালয়ের মন্ত্রিপরিষদ ভবনে আগুন, অল্প সময়েই নিয়ন্ত্রণে ফায়ার সার্ভিস Logo ইতালিতে পাঁচ লাখ কর্মী নেওয়ার উদ্যোগ: আবেদন জমা দেওয়ার শেষ সময় কবে? Logo ঢাকায় রাশিয়ান রাষ্ট্রদূতের পক্ষ থেকে খালেদা জিয়ার দ্রুত আরোগ্য কামনা Logo খুলনা আদালত এলাকায় গুলিতে দুইজন নিহত: প্রত্যক্ষদর্শীদের বর্ণনায় যা উঠে এসেছে Logo ৬ লেন নির্মাণের দাবিতে সাতকানিয়ায় চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়ক অবরোধ Logo কুষ্টিয়ার ছয় হত্যা মামলায় ইনুর বিরুদ্ধে আজ ট্রাইব্যুনালে সূচনা বক্তব্য ও সাক্ষ্যগ্রহণ Logo আইরিশদের হারিয়ে সিরিজে সমতা ফেরাল বাংলাদেশ

তালেবানের অভিযোগ—মধ্যরাতে পাকিস্তানের বিমান হামলায় ৯ শিশু ও এক নারী নিহত

নিজস্ব সংবাদ :

ছবি সংগৃহীত

আফগানিস্তানের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের খোস্ত প্রদেশে পাকিস্তানি সামরিক বাহিনী রাতের অন্ধকারে একটি বাড়িতে বোমা নিক্ষেপ করেছে বলে দাবি করেছে তালেবান সরকার। হামলায় নয় শিশু এবং একজন নারী প্রাণ হারিয়েছেন বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।

তালেবান প্রশাসনের মুখপাত্র জাবিউল্লাহ মুজাহিদ জানিয়েছেন, সোমবার (২৪ নভেম্বর) মধ্যরাতে খোস্তের গুরবুজ জেলা লক্ষ্য করে বিমান হামলা চালানো হয়। এক্স-এ দেওয়া বিবৃতিতে তিনি বলেন, পাকিস্তানি বাহিনী কাজী মীরের ছেলে ওয়ালিয়াত খানের বাড়িতে বোমা ফেলেছে, যার ফলে পুরো বাড়িটি ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে।

তালেবানের তথ্য অনুযায়ী, নিহত শিশুদের মধ্যে পাঁচজন ছেলে ও চারজন মেয়ে। পাশাপাশি উত্তর-পূর্ব কুনার ও পূর্ব পাকতিকা প্রদেশেও অনুরূপ হামলা হয়েছে, যেখানে অন্তত চারজন বেসামরিক নাগরিক আহত হয়েছেন বলে দাবি করা হয়।

এই ঘটনার কয়েক ঘণ্টা আগেই পাকিস্তানের পেশোয়ারে ফ্রন্টিয়ার কনস্টেবুলারি সদর দপ্তরে বন্দুকধারীদের সশস্ত্র হামলা ঘটে, যা নতুন করে নিরাপত্তা সংকট তৈরি করে দেশটিতে। গুরুত্বপূর্ণ সামরিক এলাকার কাছে হওয়া এ হামলায় দুইজন আত্মঘাতী বোমাবাহক জড়িত ছিল বলে পুলিশ ও নিরাপত্তা সূত্রের বরাতে রয়টার্স জানিয়েছে। প্রথম হামলাকারী প্রবেশমুখে বিস্ফোরণ ঘটায় এবং দ্বিতীয়জন কম্পাউন্ডে ঢুকে পড়ে। এতে অন্তত তিনজন নিহত হয় এবং পুরো এলাকা ঘিরে ফেলা হয় নিরাপত্তা বাহিনীর দ্বারা।

এর আগে চলতি মাসে ইসলামাবাদে আরেক আত্মঘাতী হামলায় ১২ জন মারা যান, যার দায় স্বীকার করেছে পাকিস্তান তালেবান—যারা আদর্শিকভাবে আফগান তালেবানের ঘনিষ্ঠ।

গত কয়েক মাস ধরে সীমান্ত এলাকায় উত্তেজনা বাড়ছে দুই দেশের মধ্যে। সীমান্ত সংঘর্ষে হতাহতের পর আলোচনা শুরু হলেও পরে তা ভেঙে যায় এবং উভয়পক্ষই একে অপরকে দোষারোপ করে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপডেট সময় ০২:০০:১৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ নভেম্বর ২০২৫
১০ বার পড়া হয়েছে

তালেবানের অভিযোগ—মধ্যরাতে পাকিস্তানের বিমান হামলায় ৯ শিশু ও এক নারী নিহত

আপডেট সময় ০২:০০:১৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ নভেম্বর ২০২৫

আফগানিস্তানের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের খোস্ত প্রদেশে পাকিস্তানি সামরিক বাহিনী রাতের অন্ধকারে একটি বাড়িতে বোমা নিক্ষেপ করেছে বলে দাবি করেছে তালেবান সরকার। হামলায় নয় শিশু এবং একজন নারী প্রাণ হারিয়েছেন বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।

তালেবান প্রশাসনের মুখপাত্র জাবিউল্লাহ মুজাহিদ জানিয়েছেন, সোমবার (২৪ নভেম্বর) মধ্যরাতে খোস্তের গুরবুজ জেলা লক্ষ্য করে বিমান হামলা চালানো হয়। এক্স-এ দেওয়া বিবৃতিতে তিনি বলেন, পাকিস্তানি বাহিনী কাজী মীরের ছেলে ওয়ালিয়াত খানের বাড়িতে বোমা ফেলেছে, যার ফলে পুরো বাড়িটি ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে।

তালেবানের তথ্য অনুযায়ী, নিহত শিশুদের মধ্যে পাঁচজন ছেলে ও চারজন মেয়ে। পাশাপাশি উত্তর-পূর্ব কুনার ও পূর্ব পাকতিকা প্রদেশেও অনুরূপ হামলা হয়েছে, যেখানে অন্তত চারজন বেসামরিক নাগরিক আহত হয়েছেন বলে দাবি করা হয়।

এই ঘটনার কয়েক ঘণ্টা আগেই পাকিস্তানের পেশোয়ারে ফ্রন্টিয়ার কনস্টেবুলারি সদর দপ্তরে বন্দুকধারীদের সশস্ত্র হামলা ঘটে, যা নতুন করে নিরাপত্তা সংকট তৈরি করে দেশটিতে। গুরুত্বপূর্ণ সামরিক এলাকার কাছে হওয়া এ হামলায় দুইজন আত্মঘাতী বোমাবাহক জড়িত ছিল বলে পুলিশ ও নিরাপত্তা সূত্রের বরাতে রয়টার্স জানিয়েছে। প্রথম হামলাকারী প্রবেশমুখে বিস্ফোরণ ঘটায় এবং দ্বিতীয়জন কম্পাউন্ডে ঢুকে পড়ে। এতে অন্তত তিনজন নিহত হয় এবং পুরো এলাকা ঘিরে ফেলা হয় নিরাপত্তা বাহিনীর দ্বারা।

এর আগে চলতি মাসে ইসলামাবাদে আরেক আত্মঘাতী হামলায় ১২ জন মারা যান, যার দায় স্বীকার করেছে পাকিস্তান তালেবান—যারা আদর্শিকভাবে আফগান তালেবানের ঘনিষ্ঠ।

গত কয়েক মাস ধরে সীমান্ত এলাকায় উত্তেজনা বাড়ছে দুই দেশের মধ্যে। সীমান্ত সংঘর্ষে হতাহতের পর আলোচনা শুরু হলেও পরে তা ভেঙে যায় এবং উভয়পক্ষই একে অপরকে দোষারোপ করে।