ঢাকা ১২:৫১ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৩ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ :
Logo বিডিআর হত্যাকাণ্ডে নতুন তদন্ত কমিশন নয়, সুপারিশ বাস্তবায়নের আশ্বাস স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর Logo অপহরণের খবর পেয়ে প্রধানমন্ত্রীর তৎপরতা, এক ঘণ্টার মধ্যেই স্কুলছাত্র উদ্ধার Logo দেড় বছর পর ফের শুরু আগরতলা-ঢাকা-কলকাতা আন্তর্জাতিক বাস চলাচল Logo বাংলাদেশ পুলিশের নতুন আইজিপি হিসেবে দায়িত্ব পেলেন আলী হোসেন ফকির Logo চট্টগ্রামে গ্যাস বিস্ফোরণের ঘটনায় প্রাণ গেল দুজনের, দগ্ধ আরও সাত Logo  জনগণের শক্তিকেই মূল ভরসা করে বিএনপি, প্রতিহিংসার রাজনীতিতে বিশ্বাস নেই: মঈন খান Logo রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে নিয়োগ অনিয়ম তদন্তে হাইকোর্টের নির্দেশ Logo গরমের ঈদে আরামদায়ক পাঞ্জাবির চাহিদা, বাজারে রং-নকশায় নতুনত্ব Logo এনসিপি গঠন করল স্থানীয় সরকার নির্বাচন পরিচালনা কমিটি Logo ভিনিসিউসকে বর্ণবাদী মন্তব্যের অভিযোগে বেনফিকার আর্জেন্টাইন ফুটবলার নিষিদ্ধ

দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার চার দেশে বন্যা–ভূমিধসে প্রাণহানির সংখ্যা পেরোল এক হাজার

নিজস্ব সংবাদ : দেশ২৪লাইভ

ছবি সংগৃহীত

দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার চার দেশে টানা বৃষ্টি, ভয়াবহ বন্যা এবং ভূমিধসে মৃত্যুর সংখ্যা এক হাজার ছাড়িয়েছে। সোমবার (১ ডিসেম্বর) সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, কয়েক দিন ধরে চলমান উদ্ধার অভিযানের মধ্যেই বহু মানুষ এখনো বাস্তুচ্যুত অবস্থায় রয়েছে।

আল জাজিরার তথ্যমতে, অস্বাভাবিক গ্রীষ্মমণ্ডলীয় ঝড়ের পর ইন্দোনেশিয়া, মালয়েশিয়া, থাইল্যান্ড ও শ্রীলঙ্কার বিস্তীর্ণ এলাকায় মারাত্মক ক্ষতি হয়েছে। এসব দেশে এখন পর্যন্ত মোট ১,০১৪ জনের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করা হয়েছে। প্রতিকূল আবহাওয়া ও বিচ্ছিন্ন যোগাযোগব্যবস্থার মধ্যেও ক্ষতিগ্রস্তদের কাছে ত্রাণ পৌঁছে দেওয়ার চেষ্টা অব্যাহত আছে।

ইন্দোনেশিয়ার প্রেসিডেন্ট প্রাবোও সুবিয়ান্তো উত্তর সুমাত্রার দুর্যোগপ্রবণ অঞ্চলগুলো পরিদর্শন করে বলেন, সরকারের প্রধান লক্ষ্য হলো দ্রুততম সময়ে বিচ্ছিন্ন গ্রামগুলোতে সহায়তা পৌঁছে দেওয়া। এ জন্য দেশটি হেলিকপ্টার ও বিমান মোতায়েন করেছে। দেশটিতে বন্যা ও ভূমিধসের কারণে অন্তত ৫০২ জন নিহত হয়েছেন এবং অনেকেই এখনো নিখোঁজ।

শ্রীলঙ্কায় ঘূর্ণিঝড় ‘ডিটওয়াহ’–এর প্রভাবে সৃষ্টি হওয়া বন্যা ও ভূমিধসে এখন পর্যন্ত ৩৩৪ জনের মৃত্যু নিশ্চিত হয়েছে। দেশটির দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা সংস্থা জানিয়েছে, নিখোঁজ অনেক মানুষের খোঁজ পাওয়া না যাওয়ায় হতাহতের সংখ্যা আরও বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে। পরিস্থিতি মোকাবিলায় শ্রীলঙ্কা আন্তর্জাতিক সহায়তা চেয়েছে এবং প্রেসিডেন্ট অনুরা কুমারা দিসানায়ে জরুরি অবস্থা জারি করেছেন।

থাইল্যান্ডের তথ্য অনুযায়ী, দেশটির দক্ষিণাঞ্চলে চলমান বন্যায় মৃত্যু বেড়ে ১৭৬ জনে দাঁড়িয়েছে। ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য ত্রাণ বিতরণ চললেও সরকারের দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা নিয়ে সমালোচনা বাড়ছে বলে এএফপির প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

মালয়েশিয়ার পার্লিস রাজ্যে প্রবল বর্ষণে পৃথক দুটি মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে।

তথ্যসূত্র: আল জাজিরা, বিবিসি

নিউজটি শেয়ার করুন

আপডেট সময় ০২:৩১:৫৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ১ ডিসেম্বর ২০২৫
৪৮ বার পড়া হয়েছে

দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার চার দেশে বন্যা–ভূমিধসে প্রাণহানির সংখ্যা পেরোল এক হাজার

আপডেট সময় ০২:৩১:৫৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ১ ডিসেম্বর ২০২৫

দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার চার দেশে টানা বৃষ্টি, ভয়াবহ বন্যা এবং ভূমিধসে মৃত্যুর সংখ্যা এক হাজার ছাড়িয়েছে। সোমবার (১ ডিসেম্বর) সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, কয়েক দিন ধরে চলমান উদ্ধার অভিযানের মধ্যেই বহু মানুষ এখনো বাস্তুচ্যুত অবস্থায় রয়েছে।

আল জাজিরার তথ্যমতে, অস্বাভাবিক গ্রীষ্মমণ্ডলীয় ঝড়ের পর ইন্দোনেশিয়া, মালয়েশিয়া, থাইল্যান্ড ও শ্রীলঙ্কার বিস্তীর্ণ এলাকায় মারাত্মক ক্ষতি হয়েছে। এসব দেশে এখন পর্যন্ত মোট ১,০১৪ জনের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করা হয়েছে। প্রতিকূল আবহাওয়া ও বিচ্ছিন্ন যোগাযোগব্যবস্থার মধ্যেও ক্ষতিগ্রস্তদের কাছে ত্রাণ পৌঁছে দেওয়ার চেষ্টা অব্যাহত আছে।

ইন্দোনেশিয়ার প্রেসিডেন্ট প্রাবোও সুবিয়ান্তো উত্তর সুমাত্রার দুর্যোগপ্রবণ অঞ্চলগুলো পরিদর্শন করে বলেন, সরকারের প্রধান লক্ষ্য হলো দ্রুততম সময়ে বিচ্ছিন্ন গ্রামগুলোতে সহায়তা পৌঁছে দেওয়া। এ জন্য দেশটি হেলিকপ্টার ও বিমান মোতায়েন করেছে। দেশটিতে বন্যা ও ভূমিধসের কারণে অন্তত ৫০২ জন নিহত হয়েছেন এবং অনেকেই এখনো নিখোঁজ।

শ্রীলঙ্কায় ঘূর্ণিঝড় ‘ডিটওয়াহ’–এর প্রভাবে সৃষ্টি হওয়া বন্যা ও ভূমিধসে এখন পর্যন্ত ৩৩৪ জনের মৃত্যু নিশ্চিত হয়েছে। দেশটির দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা সংস্থা জানিয়েছে, নিখোঁজ অনেক মানুষের খোঁজ পাওয়া না যাওয়ায় হতাহতের সংখ্যা আরও বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে। পরিস্থিতি মোকাবিলায় শ্রীলঙ্কা আন্তর্জাতিক সহায়তা চেয়েছে এবং প্রেসিডেন্ট অনুরা কুমারা দিসানায়ে জরুরি অবস্থা জারি করেছেন।

থাইল্যান্ডের তথ্য অনুযায়ী, দেশটির দক্ষিণাঞ্চলে চলমান বন্যায় মৃত্যু বেড়ে ১৭৬ জনে দাঁড়িয়েছে। ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য ত্রাণ বিতরণ চললেও সরকারের দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা নিয়ে সমালোচনা বাড়ছে বলে এএফপির প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

মালয়েশিয়ার পার্লিস রাজ্যে প্রবল বর্ষণে পৃথক দুটি মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে।

তথ্যসূত্র: আল জাজিরা, বিবিসি