ঢাকা ০৯:৩১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২২ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ :
Logo ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে মাঝারি মাত্রার ভূমিকম্প Logo প্রাথমিক শিক্ষকদের নিয়োগ ও বদলিতে জেলা পর্যায়ে নতুন উদ্যোগ Logo দেশ গড়ার যেকোনো পরিকল্পনায় প্রতিবন্ধীদের অংশগ্রহণ জরুরি: জায়মা রহমান Logo শবে বরাতে ঢাকায় আতশবাজি ও পটকা নিষিদ্ধ, জারি ডিএমপির কড়াকড়ি Logo কারাবন্দিদের জন্য প্রথমবার ডাকযোগে ভোটগ্রহণ শুরু, চলবে ৭ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত Logo ৫ ঘণ্টার ব্যবধানে আবার বাড়ল স্বর্ণের দাম, ২২ ক্যারেটের ভরি ছাড়াল ২ লাখ ৬২ হাজার টাকা Logo র‌্যাবের নাম বদল, নতুন নাম ‘স্পেশাল ইন্টারভেনশন ফোর্স’ Logo বুড়িগঙ্গার পানি খেয়ে মাদকবর্জিত রাখার অঙ্গীকার নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর, ঢাকা-৮ Logo শেরপুরে জামায়াত নেতা হত্যাকাণ্ড: স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক আটক Logo নির্বাচন ও গণভোট ঘিরে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা: মাঠে দেড় লাখের বেশি পুলিশ, ঝুঁকিপূর্ণ আসনে বাড়তি সতর্কতা

দেশে ফিরে দাদুর সান্নিধ্যে থাকতে চান জাইমা রহমান

নিজস্ব সংবাদ : দেশ২৪লাইভ

ছবি সংগৃহীত

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের কন্যা জাইমা রহমান সম্প্রতি দলের চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াকে ঘিরে নিজের অনুভূতি ও স্মৃতির কথা তুলে ধরেছেন। মঙ্গলবার (২৩ ডিসেম্বর) নিজের ফেসবুক পোস্টে তিনি খালেদা জিয়াকে ‘দাদু’ সম্বোধন করে ছোটবেলার একটি ছবি শেয়ার করেন। সেখানে তিনি লেখেন, দেশে ফিরে তিনি দাদুর পাশে থাকতে চান এবং এ সময় বাবাকে সর্বাত্মক সহযোগিতা করতে আগ্রহী।

পোস্টে জাইমা উল্লেখ করেন, তার শৈশবের অন্যতম প্রিয় স্মৃতি হলো—খালেদা জিয়াকে একজন স্নেহশীল অভিভাবক হিসেবে পাওয়া। তিনি জানান, ১১ বছর বয়সে স্কুল ফুটবল টুর্নামেন্টে জয়ের পর পাওয়া মেডেলটি সরাসরি দাদুকে দেখাতে তাকে তার অফিসে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। গোলকিপার হিসেবে খেলার অভিজ্ঞতা উচ্ছ্বাসের সঙ্গে বলার সময় দাদু মনোযোগ দিয়ে শুনেছিলেন এবং গর্বের সঙ্গে সেই গল্প অন্যদের কাছেও বলতেন।

জাইমা লেখেন, তিনি সব সময় জানতেন দাদুর কাঁধে একটি দেশের দায়িত্ব রয়েছে। লাখো মানুষের কাছে তিনি প্রধানমন্ত্রী হলেও, পরিবারের কাছে তিনি ছিলেন একজন যত্নশীল ‘দাদু’। পরিবারের সদস্যদের জন্য সময় বের করা, তাদের গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তে সাহস জোগানো—এসব থেকেই তিনি নেতৃত্বের প্রথম পাঠ পেয়েছেন, যা নম্রতা, আন্তরিকতা ও মন দিয়ে শোনার মানসিকতা শেখায়।

তিনি আরও জানান, দেশের বাইরে কাটানো ১৭ বছর তার জীবনকে ভিন্নভাবে গড়ে তুললেও নিজের শিকড় ও মূল্যবোধ কখনো ভুলে যাননি। লন্ডনে কাটানো সময় তাকে বাস্তববাদী ও বৈশ্বিক দৃষ্টিভঙ্গি দিয়েছে, তবে তার হৃদয় সবসময় বাংলাদেশেই ছিল।

আইন পেশায় কাজের অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরে জাইমা বলেন, প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা শৃঙ্খলা শেখালেও মানুষের সঙ্গে কাজ করাই তাকে প্রকৃত দায়িত্ববোধ ও সহমর্মিতা শিখিয়েছে। প্রতিটি মামলা ও মানুষের গল্প তাকে ন্যায়বিচারের গুরুত্ব উপলব্ধি করিয়েছে এবং মানুষের কঠিন সময়ে পাশে থাকার শিক্ষা দিয়েছে।

পোস্টে তিনি উল্লেখ করেন, নিজের দাদাকে তিনি দেখেননি, তবে তার সততা ও দেশপ্রেমের আদর্শ পরিবারে বহমান। সাম্প্রতিক রাজনৈতিক অস্থিরতার সময় নেপথ্যে থেকে যতটুকু সম্ভব ভূমিকা রাখার চেষ্টা করেছেন বলেও জানান তিনি।

দেশে ফেরা প্রসঙ্গে জাইমা লেখেন, দীর্ঘ সময় পর দেশে আসা তার জন্য আবেগ ও অনুভূতির এক বিশেষ মুহূর্ত। ইনশাআল্লাহ দেশে ফিরে তিনি দাদুর পাশে থাকতে চান, বাবাকে সহায়তা করতে চান এবং একজন দায়িত্বশীল নাগরিক হিসেবে দেশের কল্যাণে কাজ করতে আগ্রহী। মানুষের সঙ্গে সরাসরি কথা বলে বাংলাদেশকে নতুন করে জানতে চান তিনি।

তিনি আরও বলেন, তার পরিবারকে ঘিরে মানুষের প্রত্যাশা ও কৌতূহল রয়েছে, যা পূরণের দায়ভারও তারা অনুভব করেন। নিজের গল্প তুলে ধরে তিনি বিশ্বাস করেন, প্রত্যেকের জীবনের গল্প একসঙ্গে ধারণ করেই সামনে এগোনো সম্ভব।

উল্লেখ্য, প্রায় ১৮ বছর পর নির্বাসিত জীবন শেষে আগামী ২৫ ডিসেম্বর তারেক রহমান তার কন্যা জাইমা রহমানকে সঙ্গে নিয়ে দেশে ফিরছেন। বাংলাদেশ বিমানের একটি নিয়মিত ফ্লাইটে ওইদিন বেলা ১১টা ৫৫ মিনিটে তাদের ঢাকায় পৌঁছানোর কথা রয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপডেট সময় ১২:৩৩:২০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৩ ডিসেম্বর ২০২৫
৩৮ বার পড়া হয়েছে

দেশে ফিরে দাদুর সান্নিধ্যে থাকতে চান জাইমা রহমান

আপডেট সময় ১২:৩৩:২০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৩ ডিসেম্বর ২০২৫

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের কন্যা জাইমা রহমান সম্প্রতি দলের চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াকে ঘিরে নিজের অনুভূতি ও স্মৃতির কথা তুলে ধরেছেন। মঙ্গলবার (২৩ ডিসেম্বর) নিজের ফেসবুক পোস্টে তিনি খালেদা জিয়াকে ‘দাদু’ সম্বোধন করে ছোটবেলার একটি ছবি শেয়ার করেন। সেখানে তিনি লেখেন, দেশে ফিরে তিনি দাদুর পাশে থাকতে চান এবং এ সময় বাবাকে সর্বাত্মক সহযোগিতা করতে আগ্রহী।

পোস্টে জাইমা উল্লেখ করেন, তার শৈশবের অন্যতম প্রিয় স্মৃতি হলো—খালেদা জিয়াকে একজন স্নেহশীল অভিভাবক হিসেবে পাওয়া। তিনি জানান, ১১ বছর বয়সে স্কুল ফুটবল টুর্নামেন্টে জয়ের পর পাওয়া মেডেলটি সরাসরি দাদুকে দেখাতে তাকে তার অফিসে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। গোলকিপার হিসেবে খেলার অভিজ্ঞতা উচ্ছ্বাসের সঙ্গে বলার সময় দাদু মনোযোগ দিয়ে শুনেছিলেন এবং গর্বের সঙ্গে সেই গল্প অন্যদের কাছেও বলতেন।

জাইমা লেখেন, তিনি সব সময় জানতেন দাদুর কাঁধে একটি দেশের দায়িত্ব রয়েছে। লাখো মানুষের কাছে তিনি প্রধানমন্ত্রী হলেও, পরিবারের কাছে তিনি ছিলেন একজন যত্নশীল ‘দাদু’। পরিবারের সদস্যদের জন্য সময় বের করা, তাদের গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তে সাহস জোগানো—এসব থেকেই তিনি নেতৃত্বের প্রথম পাঠ পেয়েছেন, যা নম্রতা, আন্তরিকতা ও মন দিয়ে শোনার মানসিকতা শেখায়।

তিনি আরও জানান, দেশের বাইরে কাটানো ১৭ বছর তার জীবনকে ভিন্নভাবে গড়ে তুললেও নিজের শিকড় ও মূল্যবোধ কখনো ভুলে যাননি। লন্ডনে কাটানো সময় তাকে বাস্তববাদী ও বৈশ্বিক দৃষ্টিভঙ্গি দিয়েছে, তবে তার হৃদয় সবসময় বাংলাদেশেই ছিল।

আইন পেশায় কাজের অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরে জাইমা বলেন, প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা শৃঙ্খলা শেখালেও মানুষের সঙ্গে কাজ করাই তাকে প্রকৃত দায়িত্ববোধ ও সহমর্মিতা শিখিয়েছে। প্রতিটি মামলা ও মানুষের গল্প তাকে ন্যায়বিচারের গুরুত্ব উপলব্ধি করিয়েছে এবং মানুষের কঠিন সময়ে পাশে থাকার শিক্ষা দিয়েছে।

পোস্টে তিনি উল্লেখ করেন, নিজের দাদাকে তিনি দেখেননি, তবে তার সততা ও দেশপ্রেমের আদর্শ পরিবারে বহমান। সাম্প্রতিক রাজনৈতিক অস্থিরতার সময় নেপথ্যে থেকে যতটুকু সম্ভব ভূমিকা রাখার চেষ্টা করেছেন বলেও জানান তিনি।

দেশে ফেরা প্রসঙ্গে জাইমা লেখেন, দীর্ঘ সময় পর দেশে আসা তার জন্য আবেগ ও অনুভূতির এক বিশেষ মুহূর্ত। ইনশাআল্লাহ দেশে ফিরে তিনি দাদুর পাশে থাকতে চান, বাবাকে সহায়তা করতে চান এবং একজন দায়িত্বশীল নাগরিক হিসেবে দেশের কল্যাণে কাজ করতে আগ্রহী। মানুষের সঙ্গে সরাসরি কথা বলে বাংলাদেশকে নতুন করে জানতে চান তিনি।

তিনি আরও বলেন, তার পরিবারকে ঘিরে মানুষের প্রত্যাশা ও কৌতূহল রয়েছে, যা পূরণের দায়ভারও তারা অনুভব করেন। নিজের গল্প তুলে ধরে তিনি বিশ্বাস করেন, প্রত্যেকের জীবনের গল্প একসঙ্গে ধারণ করেই সামনে এগোনো সম্ভব।

উল্লেখ্য, প্রায় ১৮ বছর পর নির্বাসিত জীবন শেষে আগামী ২৫ ডিসেম্বর তারেক রহমান তার কন্যা জাইমা রহমানকে সঙ্গে নিয়ে দেশে ফিরছেন। বাংলাদেশ বিমানের একটি নিয়মিত ফ্লাইটে ওইদিন বেলা ১১টা ৫৫ মিনিটে তাদের ঢাকায় পৌঁছানোর কথা রয়েছে।