ঢাকা ০৯:৫২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৩ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ :
Logo অপহরণের খবর পেয়ে প্রধানমন্ত্রীর তৎপরতা, এক ঘণ্টার মধ্যেই স্কুলছাত্র উদ্ধার Logo দেড় বছর পর ফের শুরু আগরতলা-ঢাকা-কলকাতা আন্তর্জাতিক বাস চলাচল Logo বাংলাদেশ পুলিশের নতুন আইজিপি হিসেবে দায়িত্ব পেলেন আলী হোসেন ফকির Logo চট্টগ্রামে গ্যাস বিস্ফোরণের ঘটনায় প্রাণ গেল দুজনের, দগ্ধ আরও সাত Logo  জনগণের শক্তিকেই মূল ভরসা করে বিএনপি, প্রতিহিংসার রাজনীতিতে বিশ্বাস নেই: মঈন খান Logo রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে নিয়োগ অনিয়ম তদন্তে হাইকোর্টের নির্দেশ Logo গরমের ঈদে আরামদায়ক পাঞ্জাবির চাহিদা, বাজারে রং-নকশায় নতুনত্ব Logo এনসিপি গঠন করল স্থানীয় সরকার নির্বাচন পরিচালনা কমিটি Logo ভিনিসিউসকে বর্ণবাদী মন্তব্যের অভিযোগে বেনফিকার আর্জেন্টাইন ফুটবলার নিষিদ্ধ Logo ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনের পর ১১২ নির্বাচন কর্মকর্তার বদলি

নারী প্রেসিডেন্টের জন্য পুরোপুরি প্রস্তুত যুক্তরাষ্ট্র: কমলা হ্যারিস

নিজস্ব সংবাদ : দেশ২৪লাইভ

ছবি সংগৃহীত

নারী প্রেসিডেন্টের জন্য পুরোপুরি প্রস্তুত যুক্তরাষ্ট্র: কমলা হ্যারিস।

মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট ও আসন্ন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ডেমোক্রেটিক দলীয় প্রাথী কমলা হ্যারিস বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র একজন নারী প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত করার জন্য পুরোপুরি প্রস্তুত। মঙ্গলবার (২২ অক্টোবর) এনবিসিকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে এ কথা বলেন ভারতীয় বংশোদ্ভূত এই রাজনীতিক।

মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট ও আসন্ন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ডেমোক্রেটিক দলীয় প্রাথী কমলা হ্যারিস।

বিশ্বের সবচেয়ে পুরনো গণতান্ত্রিক দেশ যুক্তরাষ্ট্রের আড়াইশ’ বছরের ইতিহাসে কোনো নারী রাজনীতিক প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হননি। ২০১৬ সালে সম্ভাবনা জাগিয়েও শেষ পর্যন্ত ট্রাম্পের কাছে হেরে যান সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিলারি ক্লিন্টন।

 

কমলা হ্যারিসের মধ্যদিয়ে আরেকবার সেই সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। মার্কিন অনেক শীর্ষ নেতাই বলছেন, কমলাকে ভোট দেয়া উচিত। বিশেষ করে সাবেক প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা মার্কিন পুরুষ ভোটারদের কিছুটা কটাক্ষ করে তাদের দৃষ্টিভঙ্গি পাল্টাতে বলেছেন।
 
কমলার প্রচারেও এই বিষয়টি বিশেষভাবে নজরে আনা হচ্ছে। ফলে সবার মধ্যে একটাই কৌতূহল, কমলা কি যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে প্রথম নারী প্রেসিডেন্ট হতে যাচ্ছেন।
 
 
বহুল প্রতীক্ষিত মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের আর মাত্র দুই সপ্তাহেরও কম সময় বাকি। প্রধান দুই প্রার্থী ডেমোক্র্যাট কমলা হ্যারিস ও রিপাবলিকান ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রচারে ব্যস্ত সময় পার করছেন। বিশেষ করে ‘সুইং স্টেটস’ হিসেবে পরিচিত রাজ্যগুলোতে চষে বেড়াচ্ছেন তারা।
 
জাতীয়ভাবে পরিচালিত জরিপ বলছে, এবার সাত ‘সুইং স্টেটস‘-এ হ্যারিস ও ট্রাম্পের হাড্ডাহাড্ডি লড়াই হবে। এমন অবস্থায় মঙ্গলবার এনবিসি নিউজকে সাক্ষাৎকারে কমলা হ্যারিস বলেন, ‘আমার প্রচারণাতে আসুন। আপনি দেখতে পাবেন সেখানে পুরুষ ও নারী সমানভাবে রয়েছেন।’
 
তিনি আরও বলেন, ‘বিশ্বে আমার যে অভিজ্ঞতা হচ্ছে তা হলো এটা স্পষ্ট যে কারও লিঙ্গ নির্বিশেষে তারা জানতে চায় তাদের খরচ কমানোর পরিকল্পনা প্রেসিডেন্টের রয়েছে। আমাদের অবস্থানের পরিপ্রেক্ষিতে আমেরিকাকে সুরক্ষিত রাখার পরিকল্পনা ও প্রেসিডেন্টের রয়েছে।’
 
 
হ্যারিস আরও বলেন, আমি মনে করি, আসন্ন মার্কিন নির্বাচন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এটা কেবল পরিবর্তনের জন্য নয়, বরং একটা নতুন যুগের অধ্যায় যাতে পরিষ্কারভাবে বুঝা যায় যে, আমেরিকানরা বিভক্ত নয়।’
 
নির্বাচিত হলে হ্যারিস হবেন যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে প্রথম নারী প্রেসিডেন্ট এবং বারাক ওবামার পর দ্বিতীয় কৃষ্ণাঙ্গ প্রেসিডেন্ট। সাক্ষাৎকারে হ্যারিসকে জিজ্ঞেস করা হয়, কেন তিনি তার প্রার্থীতার ইতিহাস তৈরির সম্ভাবনা সম্পর্কে কথা বলছেন না।
 
তিনি এই প্রশ্নটি উড়িয়ে গিয়ে বলেন, ‘আচ্ছা, আমি স্পষ্টতই একজন নারী। বেশিরভাগ লোকই যে বিষয়টা নিয়ে সত্যিই আগ্রহী তা হল- আপনি কি কাজটি করতে পারেন এবং আপনার কি আসলেই সেগুলোতে ফোকাস আছে?’
 
 
তিনি বলেন, ‘আমার চ্যালেঞ্জ হল আমি যতটা সম্ভব ভোটারের সাথে কথা বলতে ও শুনতে এবং তাদের ভোট পেতে পারি তা নিশ্চিত করা। আমি কখনোই ধরে নেব না যে আমাদের দেশে কেউ তাদের লিঙ্গ বা তাদের বর্ণের ভিত্তিতে একজন নেতা নির্বাচন করবে, পরিবর্তে সেই নেতাকে পদার্থের ভিত্তিতে ভোট অর্জন করতে হবে এবং চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করতে ও জনগণকে অনুপ্রাণিত করতে তারা কি করবে।’

 

নিউজটি শেয়ার করুন

আপডেট সময় ০৪:৪৫:০৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৪
১৫৭ বার পড়া হয়েছে

নারী প্রেসিডেন্টের জন্য পুরোপুরি প্রস্তুত যুক্তরাষ্ট্র: কমলা হ্যারিস

আপডেট সময় ০৪:৪৫:০৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৪

নারী প্রেসিডেন্টের জন্য পুরোপুরি প্রস্তুত যুক্তরাষ্ট্র: কমলা হ্যারিস।

মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট ও আসন্ন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ডেমোক্রেটিক দলীয় প্রাথী কমলা হ্যারিস বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র একজন নারী প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত করার জন্য পুরোপুরি প্রস্তুত। মঙ্গলবার (২২ অক্টোবর) এনবিসিকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে এ কথা বলেন ভারতীয় বংশোদ্ভূত এই রাজনীতিক।

মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট ও আসন্ন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ডেমোক্রেটিক দলীয় প্রাথী কমলা হ্যারিস।

বিশ্বের সবচেয়ে পুরনো গণতান্ত্রিক দেশ যুক্তরাষ্ট্রের আড়াইশ’ বছরের ইতিহাসে কোনো নারী রাজনীতিক প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হননি। ২০১৬ সালে সম্ভাবনা জাগিয়েও শেষ পর্যন্ত ট্রাম্পের কাছে হেরে যান সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিলারি ক্লিন্টন।

 

কমলা হ্যারিসের মধ্যদিয়ে আরেকবার সেই সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। মার্কিন অনেক শীর্ষ নেতাই বলছেন, কমলাকে ভোট দেয়া উচিত। বিশেষ করে সাবেক প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা মার্কিন পুরুষ ভোটারদের কিছুটা কটাক্ষ করে তাদের দৃষ্টিভঙ্গি পাল্টাতে বলেছেন।
 
কমলার প্রচারেও এই বিষয়টি বিশেষভাবে নজরে আনা হচ্ছে। ফলে সবার মধ্যে একটাই কৌতূহল, কমলা কি যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে প্রথম নারী প্রেসিডেন্ট হতে যাচ্ছেন।
 
 
বহুল প্রতীক্ষিত মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের আর মাত্র দুই সপ্তাহেরও কম সময় বাকি। প্রধান দুই প্রার্থী ডেমোক্র্যাট কমলা হ্যারিস ও রিপাবলিকান ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রচারে ব্যস্ত সময় পার করছেন। বিশেষ করে ‘সুইং স্টেটস’ হিসেবে পরিচিত রাজ্যগুলোতে চষে বেড়াচ্ছেন তারা।
 
জাতীয়ভাবে পরিচালিত জরিপ বলছে, এবার সাত ‘সুইং স্টেটস‘-এ হ্যারিস ও ট্রাম্পের হাড্ডাহাড্ডি লড়াই হবে। এমন অবস্থায় মঙ্গলবার এনবিসি নিউজকে সাক্ষাৎকারে কমলা হ্যারিস বলেন, ‘আমার প্রচারণাতে আসুন। আপনি দেখতে পাবেন সেখানে পুরুষ ও নারী সমানভাবে রয়েছেন।’
 
তিনি আরও বলেন, ‘বিশ্বে আমার যে অভিজ্ঞতা হচ্ছে তা হলো এটা স্পষ্ট যে কারও লিঙ্গ নির্বিশেষে তারা জানতে চায় তাদের খরচ কমানোর পরিকল্পনা প্রেসিডেন্টের রয়েছে। আমাদের অবস্থানের পরিপ্রেক্ষিতে আমেরিকাকে সুরক্ষিত রাখার পরিকল্পনা ও প্রেসিডেন্টের রয়েছে।’
 
 
হ্যারিস আরও বলেন, আমি মনে করি, আসন্ন মার্কিন নির্বাচন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এটা কেবল পরিবর্তনের জন্য নয়, বরং একটা নতুন যুগের অধ্যায় যাতে পরিষ্কারভাবে বুঝা যায় যে, আমেরিকানরা বিভক্ত নয়।’
 
নির্বাচিত হলে হ্যারিস হবেন যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে প্রথম নারী প্রেসিডেন্ট এবং বারাক ওবামার পর দ্বিতীয় কৃষ্ণাঙ্গ প্রেসিডেন্ট। সাক্ষাৎকারে হ্যারিসকে জিজ্ঞেস করা হয়, কেন তিনি তার প্রার্থীতার ইতিহাস তৈরির সম্ভাবনা সম্পর্কে কথা বলছেন না।
 
তিনি এই প্রশ্নটি উড়িয়ে গিয়ে বলেন, ‘আচ্ছা, আমি স্পষ্টতই একজন নারী। বেশিরভাগ লোকই যে বিষয়টা নিয়ে সত্যিই আগ্রহী তা হল- আপনি কি কাজটি করতে পারেন এবং আপনার কি আসলেই সেগুলোতে ফোকাস আছে?’
 
 
তিনি বলেন, ‘আমার চ্যালেঞ্জ হল আমি যতটা সম্ভব ভোটারের সাথে কথা বলতে ও শুনতে এবং তাদের ভোট পেতে পারি তা নিশ্চিত করা। আমি কখনোই ধরে নেব না যে আমাদের দেশে কেউ তাদের লিঙ্গ বা তাদের বর্ণের ভিত্তিতে একজন নেতা নির্বাচন করবে, পরিবর্তে সেই নেতাকে পদার্থের ভিত্তিতে ভোট অর্জন করতে হবে এবং চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করতে ও জনগণকে অনুপ্রাণিত করতে তারা কি করবে।’