ঢাকা ০৯:৩৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২২ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ :
Logo ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে মাঝারি মাত্রার ভূমিকম্প Logo প্রাথমিক শিক্ষকদের নিয়োগ ও বদলিতে জেলা পর্যায়ে নতুন উদ্যোগ Logo দেশ গড়ার যেকোনো পরিকল্পনায় প্রতিবন্ধীদের অংশগ্রহণ জরুরি: জায়মা রহমান Logo শবে বরাতে ঢাকায় আতশবাজি ও পটকা নিষিদ্ধ, জারি ডিএমপির কড়াকড়ি Logo কারাবন্দিদের জন্য প্রথমবার ডাকযোগে ভোটগ্রহণ শুরু, চলবে ৭ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত Logo ৫ ঘণ্টার ব্যবধানে আবার বাড়ল স্বর্ণের দাম, ২২ ক্যারেটের ভরি ছাড়াল ২ লাখ ৬২ হাজার টাকা Logo র‌্যাবের নাম বদল, নতুন নাম ‘স্পেশাল ইন্টারভেনশন ফোর্স’ Logo বুড়িগঙ্গার পানি খেয়ে মাদকবর্জিত রাখার অঙ্গীকার নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর, ঢাকা-৮ Logo শেরপুরে জামায়াত নেতা হত্যাকাণ্ড: স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক আটক Logo নির্বাচন ও গণভোট ঘিরে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা: মাঠে দেড় লাখের বেশি পুলিশ, ঝুঁকিপূর্ণ আসনে বাড়তি সতর্কতা

পাকিস্তানের সমুদ্রে কৃত্রিম দ্বীপ—তেল-গ্যাস অনুসন্ধানে নতুন অধ্যায়

নিজস্ব সংবাদ : দেশ২৪লাইভ

সংগৃহিত

পাকিস্তান এবার সমুদ্রের ভেতরে কৃত্রিম দ্বীপ নির্মাণ করে তেল ও গ্যাস অনুসন্ধানের প্রস্তুতি শুরু করেছে। রাষ্ট্রীয় জ্বালানি কোম্পানি পাকিস্তান পেট্রোলিয়াম লিমিটেড (পিপিএল)-এর বরাতে মার্কিন সংবাদমাধ্যম ব্লুমবার্গ এ তথ্য প্রকাশ করেছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, সিন্ধু উপকূলের সুজাওয়াল জেলার প্রায় ৩০ কিলোমিটার দূরে, সমুদ্রের মধ্যভাগে এই কৃত্রিম দ্বীপ তৈরি করা হবে। ইসলামাবাদে অনুষ্ঠিত একটি তেল-গ্যাস সম্মেলনে পিপিএলের জেনারেল ম্যানেজার (এক্সপ্লোরেশন ও কোর বিজনেস ডেভেলপমেন্ট) আরশাদ পালেকার গণমাধ্যমকে জানান—এই প্ল্যাটফর্মটি সমুদ্রের ঢেউয়ের উচ্চতা মোকাবিলা করার মতো করে নকশা করা হয়েছে, যাতে দিন-রাত নির্বিঘ্নে অনুসন্ধান চলতে পারে।

সাম্প্রতিক সময়ে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প পাকিস্তানের সম্ভাব্য ‘বড় তেলসম্পদে’ আগ্রহ প্রকাশ করায় অফশোর ড্রিলিং কার্যক্রম নতুন গতি পায়। এর পরপরই পিপিএল, মারি এনার্জিস লিমিটেড এবং প্রাইম ইন্টারন্যাশনাল অয়েল অ্যান্ড গ্যাসকে নতুন অনুসন্ধান লাইসেন্স প্রদান করা হয়।

আর্শাদ পালেকার আরও জানান, পাকিস্তানের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো এমন প্রকল্প নেওয়া হচ্ছে। আবুধাবির একটি সফল অফশোর প্রকল্পের আদলে এই কৃত্রিম দ্বীপ নির্মাণ করা হচ্ছে। ইতিমধ্যে ড্রিলিং প্ল্যাটফর্ম তৈরি করা হয়েছে এবং আগামী বছরের ফেব্রুয়ারির মধ্যে পুরো দ্বীপের কাজ শেষ হবে। এরপর ২৫টি কূপ খননের পরিকল্পনা রয়েছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, এই উদ্যোগ সফল হলে পাকিস্তানে জাহাজের পরিবেশবান্ধব জ্বালানি সরবরাহ বৃদ্ধি পাবে। পাশাপাশি বৃহৎ সমুদ্রগামী জাহাজগুলো পূর্ব থেকে পশ্চিমমুখী দীর্ঘ রুট পাড়ি দিতে পারবে কোনো বিরতি ছাড়াই। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়—পাকিস্তানের তেল-গ্যাস চাহিদার একটি বড় অংশ পূরণ হতে পারে এই প্রকল্পের মাধ্যমে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপডেট সময় ০৮:২১:৫০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২০ নভেম্বর ২০২৫
৫৫ বার পড়া হয়েছে

পাকিস্তানের সমুদ্রে কৃত্রিম দ্বীপ—তেল-গ্যাস অনুসন্ধানে নতুন অধ্যায়

আপডেট সময় ০৮:২১:৫০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২০ নভেম্বর ২০২৫

পাকিস্তান এবার সমুদ্রের ভেতরে কৃত্রিম দ্বীপ নির্মাণ করে তেল ও গ্যাস অনুসন্ধানের প্রস্তুতি শুরু করেছে। রাষ্ট্রীয় জ্বালানি কোম্পানি পাকিস্তান পেট্রোলিয়াম লিমিটেড (পিপিএল)-এর বরাতে মার্কিন সংবাদমাধ্যম ব্লুমবার্গ এ তথ্য প্রকাশ করেছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, সিন্ধু উপকূলের সুজাওয়াল জেলার প্রায় ৩০ কিলোমিটার দূরে, সমুদ্রের মধ্যভাগে এই কৃত্রিম দ্বীপ তৈরি করা হবে। ইসলামাবাদে অনুষ্ঠিত একটি তেল-গ্যাস সম্মেলনে পিপিএলের জেনারেল ম্যানেজার (এক্সপ্লোরেশন ও কোর বিজনেস ডেভেলপমেন্ট) আরশাদ পালেকার গণমাধ্যমকে জানান—এই প্ল্যাটফর্মটি সমুদ্রের ঢেউয়ের উচ্চতা মোকাবিলা করার মতো করে নকশা করা হয়েছে, যাতে দিন-রাত নির্বিঘ্নে অনুসন্ধান চলতে পারে।

সাম্প্রতিক সময়ে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প পাকিস্তানের সম্ভাব্য ‘বড় তেলসম্পদে’ আগ্রহ প্রকাশ করায় অফশোর ড্রিলিং কার্যক্রম নতুন গতি পায়। এর পরপরই পিপিএল, মারি এনার্জিস লিমিটেড এবং প্রাইম ইন্টারন্যাশনাল অয়েল অ্যান্ড গ্যাসকে নতুন অনুসন্ধান লাইসেন্স প্রদান করা হয়।

আর্শাদ পালেকার আরও জানান, পাকিস্তানের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো এমন প্রকল্প নেওয়া হচ্ছে। আবুধাবির একটি সফল অফশোর প্রকল্পের আদলে এই কৃত্রিম দ্বীপ নির্মাণ করা হচ্ছে। ইতিমধ্যে ড্রিলিং প্ল্যাটফর্ম তৈরি করা হয়েছে এবং আগামী বছরের ফেব্রুয়ারির মধ্যে পুরো দ্বীপের কাজ শেষ হবে। এরপর ২৫টি কূপ খননের পরিকল্পনা রয়েছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, এই উদ্যোগ সফল হলে পাকিস্তানে জাহাজের পরিবেশবান্ধব জ্বালানি সরবরাহ বৃদ্ধি পাবে। পাশাপাশি বৃহৎ সমুদ্রগামী জাহাজগুলো পূর্ব থেকে পশ্চিমমুখী দীর্ঘ রুট পাড়ি দিতে পারবে কোনো বিরতি ছাড়াই। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়—পাকিস্তানের তেল-গ্যাস চাহিদার একটি বড় অংশ পূরণ হতে পারে এই প্রকল্পের মাধ্যমে।