পোস্টাল ব্যালট পাঠানো শুরু, সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের ফল একসঙ্গে প্রকাশ হবে
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটে অংশ নিতে দেশের ভেতরে পোস্টাল ব্যালটের জন্য যেসব ভোটার আগে থেকেই নিবন্ধন সম্পন্ন করেছেন, তাদের কাছে ব্যালট পাঠানো কার্যক্রম শুরু করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। সোমবার (২৬ জানুয়ারি) থেকে এই ব্যালট প্রেরণ কার্যক্রম আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়।
ভোটের দিন দায়িত্ব পালনকারী সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা আগামভাবে তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগের সুযোগ পাবেন পোস্টাল ব্যালটের মাধ্যমে। এ বিষয়ে সোমবার সকালে নির্বাচন ভবনে এক সংবাদ সম্মেলনে বিস্তারিত তুলে ধরেন ইসির সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ। কূটনীতিকদের সঙ্গে বৈঠক শেষে তিনি সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন।
সিনিয়র সচিব জানান, জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের ফলাফল একসঙ্গে ঘোষণা করা হবে। ফলে ফল প্রকাশে কিছুটা সময় লাগতে পারে।
আচরণবিধি লঙ্ঘনে ইসির দৃশ্যমান ভূমিকা নেই—এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, প্রার্থীরা যেভাবে প্রচার চালাচ্ছেন, সেটাই প্রমাণ করে মাঠ সমান রয়েছে। তবে কেউ আচরণবিধি ভঙ্গ করলে সরাসরি ইলেকটোরাল ইনকোয়ারি কমিটি অথবা সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে অভিযোগ জানানো উচিত। ইসিতে অভিযোগ করলে নিষ্পত্তিতে সময় বেশি লাগতে পারে বলেও তিনি উল্লেখ করেন। পাশাপাশি বিদেশে অবস্থানরত প্রবাসীরা আচরণবিধি ভঙ্গ করলে তার দায় সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির ওপরই বর্তাবে।
প্রধান নির্বাচন কমিশনারের আদালত অবমাননা সংক্রান্ত বিষয়ে আদালত থেকে কোনো নির্দেশনা এখনো ইসি পায়নি বলেও জানান আখতার আহমেদ।
এর আগে নির্বাচন কমিশন জানিয়েছিল, ভোটের দিন বিকেল সাড়ে ৪টার মধ্যে পোস্টাল ব্যালট সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে পৌঁছাতে হবে। নির্ধারিত সময়ের পর পাওয়া ব্যালট গণনায় অন্তর্ভুক্ত করা হবে না। অভ্যন্তরীণ পোস্টাল ব্যালটে প্রার্থীর প্রতীকের পাশাপাশি নামও উল্লেখ থাকবে।
ইসি সূত্র জানায়, দেশে ও বিদেশে মিলিয়ে মোট ১৫ লাখ ৩৩ হাজার প্রবাসী ভোটার পোস্টাল ব্যালটের জন্য নিবন্ধন করেছেন। এর মধ্যে প্রায় অর্ধেক ভোটার দেশের ভেতরে অবস্থান করছেন।
উল্লেখ্য, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট অনুষ্ঠিত হবে। ওই দিন সকাল সাড়ে ৭টা থেকে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত একটানা ভোটগ্রহণ চলবে।























