ঢাকা ০৪:৪৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ ২০২৬, ৩ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ :
Logo মোস্তাফিজের হাঁটুর চোট নিয়ে আপডেট Logo হামলার ঠিক আগে কক্ষ ছাড়ায় অল্পের জন্য রক্ষা পান মোজতবা খামেনি Logo ঈদে বাড়ি ফেরার পথে সড়ক দুর্ঘটনায় একই পরিবারের তিনজনের প্রাণহানি Logo জনকল্যাণে কাজ করে দৃষ্টান্ত গড়বে বিরোধীদল: জামায়াত আমির Logo আজ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ১০৬তম জন্মবার্ষিকী Logo ‘ওয়ান সিটিজেন ওয়ান কার্ড’ চালুর পরিকল্পনা সরকারের Logo ট্রাম্প চাইলে পারস্য উপসাগরে জাহাজ পাঠাতে পারেন : ইরানের কড়া বার্তা Logo আগামী বছর থেকে স্কুলে ভর্তিতে লটারি পদ্ধতি আর থাকবে না Logo বাংলাদেশ-ভারতের অর্থনীতি ও জ্বালানি খাতে সহযোগিতা বাড়ানোর বিষয়ে আলোচনা Logo হরমুজ প্রণালির নিরাপত্তা ইস্যুতে চীনের সহায়তা চাইছেন ট্রাম্প

প্রবারণা পূর্ণিমা উপলক্ষে বৌদ্ধ নেতাদের সঙ্গে প্রধান উপদেষ্টার সৌজন্য সাক্ষাৎ

নিজস্ব সংবাদ : দেশ২৪লাইভ

 

প্রবারণা পূর্ণিমা উদযাপন উপলক্ষে দেশের বৌদ্ধ ধর্মীয় নেতৃবৃন্দের একটি প্রতিনিধিদল প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেছেন। রোববার (৫ অক্টোবর) এই সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয় রাজধানীর রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায়।

সাক্ষাৎকালে বৌদ্ধ নেতারা প্রবারণা পূর্ণিমার গুরুত্ব তুলে ধরে প্রধান উপদেষ্টাকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানান। একইসঙ্গে তাঁকে বিভিন্ন বিহার পরিদর্শনের জন্য আমন্ত্রণ জানান নেতৃবৃন্দ।

এ সময় বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের শেষকৃত্যানুষ্ঠানের জন্য রাজধানীর উত্তরায় নির্ধারিত জমি বরাদ্দ দেওয়ায় তাঁরা প্রধান উপদেষ্টার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তাদের ভাষ্য অনুযায়ী, অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের দৃষ্টি আকর্ষণের মাত্র ১০ দিনের মধ্যেই শ্মশানের জন্য জায়গা বরাদ্দ হওয়া একটি নজিরবিহীন উদ্যোগ। আগে ঢাকায় মৃত বৌদ্ধ নাগরিকদের শেষকৃত্যের জন্য দূর চট্টগ্রামে নিয়ে যেতে হতো, যা এখন থেকে আর করতে হবে না।

বৈঠকে আসন্ন কঠিন চীবর দান উপলক্ষে চলমান প্রস্তুতির বিষয়েও প্রধান উপদেষ্টাকে অবহিত করা হয়। পাশাপাশি ধর্ম মন্ত্রণালয় ও পার্বত্য চট্টগ্রাম মন্ত্রণালয়ের নিরবিচার সহায়তার জন্য ধন্যবাদ জানান বৌদ্ধ নেতারা।

বৌদ্ধ ধর্মীয় নেতারা সরকারের কাছে আরও কিছু দাবি-দাওয়া উপস্থাপন করেন, যার মধ্যে রয়েছে তীর্থযাত্রার জন্য সরকারি ব্যবস্থাপনা, এবং বৌদ্ধ পণ্ডিত ও দার্শনিক অতীশ দীপঙ্করের নামে একটি সরকারি জ্ঞানচর্চা কেন্দ্র প্রতিষ্ঠা।

সাক্ষাতে উপস্থিত ছিলেন ধর্মরাজিক বৌদ্ধ মহাবিহারের অধ্যক্ষ বুদ্ধপ্রিয় মহাথের, বাংলাদেশ বুদ্ধিস্ট ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক ভিক্ষু সুনন্দপ্রিয়, পার্বত্য ভিক্ষু সংঘের প্রতিনিধি ভিক্ষু কল্যাণ জ্যোতি, বৌদ্ধ ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টের ভাইস চেয়ারম্যান ভবেশ চাকমা, বাংলাদেশ বৌদ্ধ সমিতির ঢাকা অঞ্চলের সাধারণ সম্পাদক স্বপন বড়ুয়া চৌধুরী, এবং ট্রাস্টি সদস্যদের মধ্যে প্রফেসর ড. সুকোমল বড়ুয়া, মং হলা চিং, সুশীল চন্দ্র বড়ুয়া, অধ্যাপক ববি বড়ুয়া, রুবেল বড়ুয়া ও রাজীব কান্তি বড়ুয়া।

এছাড়াও বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন ধর্ম বিষয়ক উপদেষ্টা ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন এবং পার্বত্য চট্টগ্রাম মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা সুপ্রদীপ চাকমা।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

আপডেট সময় ০৬:৪১:২৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ৫ অক্টোবর ২০২৫
১৩৭ বার পড়া হয়েছে

প্রবারণা পূর্ণিমা উপলক্ষে বৌদ্ধ নেতাদের সঙ্গে প্রধান উপদেষ্টার সৌজন্য সাক্ষাৎ

আপডেট সময় ০৬:৪১:২৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ৫ অক্টোবর ২০২৫

 

প্রবারণা পূর্ণিমা উদযাপন উপলক্ষে দেশের বৌদ্ধ ধর্মীয় নেতৃবৃন্দের একটি প্রতিনিধিদল প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেছেন। রোববার (৫ অক্টোবর) এই সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয় রাজধানীর রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায়।

সাক্ষাৎকালে বৌদ্ধ নেতারা প্রবারণা পূর্ণিমার গুরুত্ব তুলে ধরে প্রধান উপদেষ্টাকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানান। একইসঙ্গে তাঁকে বিভিন্ন বিহার পরিদর্শনের জন্য আমন্ত্রণ জানান নেতৃবৃন্দ।

এ সময় বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের শেষকৃত্যানুষ্ঠানের জন্য রাজধানীর উত্তরায় নির্ধারিত জমি বরাদ্দ দেওয়ায় তাঁরা প্রধান উপদেষ্টার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তাদের ভাষ্য অনুযায়ী, অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের দৃষ্টি আকর্ষণের মাত্র ১০ দিনের মধ্যেই শ্মশানের জন্য জায়গা বরাদ্দ হওয়া একটি নজিরবিহীন উদ্যোগ। আগে ঢাকায় মৃত বৌদ্ধ নাগরিকদের শেষকৃত্যের জন্য দূর চট্টগ্রামে নিয়ে যেতে হতো, যা এখন থেকে আর করতে হবে না।

বৈঠকে আসন্ন কঠিন চীবর দান উপলক্ষে চলমান প্রস্তুতির বিষয়েও প্রধান উপদেষ্টাকে অবহিত করা হয়। পাশাপাশি ধর্ম মন্ত্রণালয় ও পার্বত্য চট্টগ্রাম মন্ত্রণালয়ের নিরবিচার সহায়তার জন্য ধন্যবাদ জানান বৌদ্ধ নেতারা।

বৌদ্ধ ধর্মীয় নেতারা সরকারের কাছে আরও কিছু দাবি-দাওয়া উপস্থাপন করেন, যার মধ্যে রয়েছে তীর্থযাত্রার জন্য সরকারি ব্যবস্থাপনা, এবং বৌদ্ধ পণ্ডিত ও দার্শনিক অতীশ দীপঙ্করের নামে একটি সরকারি জ্ঞানচর্চা কেন্দ্র প্রতিষ্ঠা।

সাক্ষাতে উপস্থিত ছিলেন ধর্মরাজিক বৌদ্ধ মহাবিহারের অধ্যক্ষ বুদ্ধপ্রিয় মহাথের, বাংলাদেশ বুদ্ধিস্ট ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক ভিক্ষু সুনন্দপ্রিয়, পার্বত্য ভিক্ষু সংঘের প্রতিনিধি ভিক্ষু কল্যাণ জ্যোতি, বৌদ্ধ ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টের ভাইস চেয়ারম্যান ভবেশ চাকমা, বাংলাদেশ বৌদ্ধ সমিতির ঢাকা অঞ্চলের সাধারণ সম্পাদক স্বপন বড়ুয়া চৌধুরী, এবং ট্রাস্টি সদস্যদের মধ্যে প্রফেসর ড. সুকোমল বড়ুয়া, মং হলা চিং, সুশীল চন্দ্র বড়ুয়া, অধ্যাপক ববি বড়ুয়া, রুবেল বড়ুয়া ও রাজীব কান্তি বড়ুয়া।

এছাড়াও বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন ধর্ম বিষয়ক উপদেষ্টা ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন এবং পার্বত্য চট্টগ্রাম মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা সুপ্রদীপ চাকমা।