ঢাকা ০১:৫২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ ২০২৬, ৩ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ :
Logo ঈদে বাড়ি ফেরার পথে সড়ক দুর্ঘটনায় একই পরিবারের তিনজনের প্রাণহানি Logo জনকল্যাণে কাজ করে দৃষ্টান্ত গড়বে বিরোধীদল: জামায়াত আমির Logo আজ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ১০৬তম জন্মবার্ষিকী Logo ‘ওয়ান সিটিজেন ওয়ান কার্ড’ চালুর পরিকল্পনা সরকারের Logo ট্রাম্প চাইলে পারস্য উপসাগরে জাহাজ পাঠাতে পারেন : ইরানের কড়া বার্তা Logo আগামী বছর থেকে স্কুলে ভর্তিতে লটারি পদ্ধতি আর থাকবে না Logo বাংলাদেশ-ভারতের অর্থনীতি ও জ্বালানি খাতে সহযোগিতা বাড়ানোর বিষয়ে আলোচনা Logo হরমুজ প্রণালির নিরাপত্তা ইস্যুতে চীনের সহায়তা চাইছেন ট্রাম্প Logo  দেশজুড়ে খাল খনন ও পুনঃখনন কর্মসূচির উদ্বোধন আজ Logo সংবিধান সংস্কার পরিষদ নিয়ে সংসদেই সমাধান চান বিরোধীদলীয় নেতা

বিডিআর বিদ্রোহ মামলার জামিনে কাশিমপুর কারাগার ছাড়লেন সাবেক ৩৫ সদস্য

নিজস্ব সংবাদ : দেশ২৪লাইভ

বিডিআর বিদ্রোহের ঘটনায় বিস্ফোরক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে দায়ের হওয়া মামলায় জামিন পাওয়ার পর গাজীপুরের কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে সাবেক বিডিআরের ৩৫ সদস্য মুক্তি পেয়েছেন। সোমবার (২৪ নভেম্বর) সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে পর্যায়ক্রমে তাদের কারামুক্ত করা হয়। মুক্তি পাওয়ার সময় কারাগারের ফটকে তাদের স্বজনরা জড়ো হয়ে ছিলেন।

এর আগে গত বৃহস্পতিবার আদালত মোট ৫৩ আসামির জামিন মঞ্জুর করেন। এর মধ্যে কাশিমপুর হাই সিকিউরিটি কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে ১ জন, কেন্দ্রীয় কারাগারের পার্ট-১ থেকে ২ জন এবং পার্ট-২ থেকে ৩২ জন বন্দি মুক্তি পেয়েছেন।

কারা কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, সোমবার দুপুরে জামিনের নথিপত্র কারাগারে পৌঁছায়। প্রয়োজনীয় যাচাই-বাছাই সম্পন্ন করার পর সন্ধ্যায় তাদেরকে মুক্তি দেওয়া হয়।

কাশিমপুর হাই সিকিউরিটি কেন্দ্রীয় কারাগারের সিনিয়র জেল সুপার মোহাম্মদ আল মামুন বলেন, দুপুরে একজন সাবেক বিডিআর সদস্যের জামিনের কাগজপত্র পাওয়া যায় এবং যাচাই শেষে তাকে মুক্তি দেওয়া হয়। একইভাবে কেন্দ্রীয় কারাগার পার্ট-১ এর সিনিয়র জেল সুপার আবু নূর মো. রেজা জানান, ওই অংশ থেকে দুই সাবেক সদস্যকে মুক্তি দেওয়া হয়েছে। পার্ট-২ থেকে ৩২ জনকে মুক্তি পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেন সিনিয়র জেল সুপার মো. আল মামুন। তিনি জানান, দুপুরে সবাইয়ের কাগজ আসার পর তা যাচাই করে মুক্তি দেওয়া হয়।

উল্লেখ্য, ২০০৯ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি ঢাকার পিলখানায় তৎকালীন বিডিআর সদর দফতরে ভয়াবহ বিদ্রোহের ঘটনা ঘটে। এতে মহাপরিচালক মেজর জেনারেল শাকিল আহমেদসহ ৫৭ সেনা কর্মকর্তা নিহত হন। মোট ৭৪ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
ঘটনার পরবর্তী দুই দিনে হত্যা ও বিস্ফোরক আইনে পৃথক দুটি মামলা দায়ের করা হয়। হত্যামামলাটি দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় মামলার একটি, যেখানে ৮৫০ জনকে আসামি করা হয়। ২০১৩ সালের ৫ নভেম্বর আদালতের রায়ে ১৫২ জনের মৃত্যুদণ্ড, ১৬০ জনের যাবজ্জীবন এবং ২৫৬ জনের বিভিন্ন মেয়াদের কারাদণ্ড হয়। খালাস পান ২৭৮ জন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপডেট সময় ১০:৩৩:৪০ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৪ নভেম্বর ২০২৫
১০৭ বার পড়া হয়েছে

বিডিআর বিদ্রোহ মামলার জামিনে কাশিমপুর কারাগার ছাড়লেন সাবেক ৩৫ সদস্য

আপডেট সময় ১০:৩৩:৪০ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৪ নভেম্বর ২০২৫

বিডিআর বিদ্রোহের ঘটনায় বিস্ফোরক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে দায়ের হওয়া মামলায় জামিন পাওয়ার পর গাজীপুরের কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে সাবেক বিডিআরের ৩৫ সদস্য মুক্তি পেয়েছেন। সোমবার (২৪ নভেম্বর) সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে পর্যায়ক্রমে তাদের কারামুক্ত করা হয়। মুক্তি পাওয়ার সময় কারাগারের ফটকে তাদের স্বজনরা জড়ো হয়ে ছিলেন।

এর আগে গত বৃহস্পতিবার আদালত মোট ৫৩ আসামির জামিন মঞ্জুর করেন। এর মধ্যে কাশিমপুর হাই সিকিউরিটি কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে ১ জন, কেন্দ্রীয় কারাগারের পার্ট-১ থেকে ২ জন এবং পার্ট-২ থেকে ৩২ জন বন্দি মুক্তি পেয়েছেন।

কারা কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, সোমবার দুপুরে জামিনের নথিপত্র কারাগারে পৌঁছায়। প্রয়োজনীয় যাচাই-বাছাই সম্পন্ন করার পর সন্ধ্যায় তাদেরকে মুক্তি দেওয়া হয়।

কাশিমপুর হাই সিকিউরিটি কেন্দ্রীয় কারাগারের সিনিয়র জেল সুপার মোহাম্মদ আল মামুন বলেন, দুপুরে একজন সাবেক বিডিআর সদস্যের জামিনের কাগজপত্র পাওয়া যায় এবং যাচাই শেষে তাকে মুক্তি দেওয়া হয়। একইভাবে কেন্দ্রীয় কারাগার পার্ট-১ এর সিনিয়র জেল সুপার আবু নূর মো. রেজা জানান, ওই অংশ থেকে দুই সাবেক সদস্যকে মুক্তি দেওয়া হয়েছে। পার্ট-২ থেকে ৩২ জনকে মুক্তি পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেন সিনিয়র জেল সুপার মো. আল মামুন। তিনি জানান, দুপুরে সবাইয়ের কাগজ আসার পর তা যাচাই করে মুক্তি দেওয়া হয়।

উল্লেখ্য, ২০০৯ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি ঢাকার পিলখানায় তৎকালীন বিডিআর সদর দফতরে ভয়াবহ বিদ্রোহের ঘটনা ঘটে। এতে মহাপরিচালক মেজর জেনারেল শাকিল আহমেদসহ ৫৭ সেনা কর্মকর্তা নিহত হন। মোট ৭৪ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
ঘটনার পরবর্তী দুই দিনে হত্যা ও বিস্ফোরক আইনে পৃথক দুটি মামলা দায়ের করা হয়। হত্যামামলাটি দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় মামলার একটি, যেখানে ৮৫০ জনকে আসামি করা হয়। ২০১৩ সালের ৫ নভেম্বর আদালতের রায়ে ১৫২ জনের মৃত্যুদণ্ড, ১৬০ জনের যাবজ্জীবন এবং ২৫৬ জনের বিভিন্ন মেয়াদের কারাদণ্ড হয়। খালাস পান ২৭৮ জন।