ঢাকা ০৬:০২ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩০ নভেম্বর ২০২৫, ১৬ অগ্রহায়ণ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ :
Logo দুদকের তদন্তের মুখে ট্রান্সকম গ্রুপের সিইও সিমিন রহমান; শেখ হাসিনাকে ঘুষ দেওয়ার অভিযোগ Logo  তারেক রহমানের দেশে ফেরা প্রসঙ্গে সরকারের অবস্থান জানালেন পররাষ্ট্র উপদেষ্টা Logo  সিলেটে নিখোঁজ ছাতকের সৌরভ, খুঁজে পেতে সহযোগিতার আহ্বান Logo সচিবালয়ের মন্ত্রিপরিষদ ভবনে আগুন, অল্প সময়েই নিয়ন্ত্রণে ফায়ার সার্ভিস Logo ইতালিতে পাঁচ লাখ কর্মী নেওয়ার উদ্যোগ: আবেদন জমা দেওয়ার শেষ সময় কবে? Logo ঢাকায় রাশিয়ান রাষ্ট্রদূতের পক্ষ থেকে খালেদা জিয়ার দ্রুত আরোগ্য কামনা Logo খুলনা আদালত এলাকায় গুলিতে দুইজন নিহত: প্রত্যক্ষদর্শীদের বর্ণনায় যা উঠে এসেছে Logo ৬ লেন নির্মাণের দাবিতে সাতকানিয়ায় চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়ক অবরোধ Logo কুষ্টিয়ার ছয় হত্যা মামলায় ইনুর বিরুদ্ধে আজ ট্রাইব্যুনালে সূচনা বক্তব্য ও সাক্ষ্যগ্রহণ Logo আইরিশদের হারিয়ে সিরিজে সমতা ফেরাল বাংলাদেশ

বিডিআর বিদ্রোহ মামলার জামিনে কাশিমপুর কারাগার ছাড়লেন সাবেক ৩৫ সদস্য

নিজস্ব সংবাদ :

বিডিআর বিদ্রোহের ঘটনায় বিস্ফোরক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে দায়ের হওয়া মামলায় জামিন পাওয়ার পর গাজীপুরের কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে সাবেক বিডিআরের ৩৫ সদস্য মুক্তি পেয়েছেন। সোমবার (২৪ নভেম্বর) সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে পর্যায়ক্রমে তাদের কারামুক্ত করা হয়। মুক্তি পাওয়ার সময় কারাগারের ফটকে তাদের স্বজনরা জড়ো হয়ে ছিলেন।

এর আগে গত বৃহস্পতিবার আদালত মোট ৫৩ আসামির জামিন মঞ্জুর করেন। এর মধ্যে কাশিমপুর হাই সিকিউরিটি কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে ১ জন, কেন্দ্রীয় কারাগারের পার্ট-১ থেকে ২ জন এবং পার্ট-২ থেকে ৩২ জন বন্দি মুক্তি পেয়েছেন।

কারা কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, সোমবার দুপুরে জামিনের নথিপত্র কারাগারে পৌঁছায়। প্রয়োজনীয় যাচাই-বাছাই সম্পন্ন করার পর সন্ধ্যায় তাদেরকে মুক্তি দেওয়া হয়।

কাশিমপুর হাই সিকিউরিটি কেন্দ্রীয় কারাগারের সিনিয়র জেল সুপার মোহাম্মদ আল মামুন বলেন, দুপুরে একজন সাবেক বিডিআর সদস্যের জামিনের কাগজপত্র পাওয়া যায় এবং যাচাই শেষে তাকে মুক্তি দেওয়া হয়। একইভাবে কেন্দ্রীয় কারাগার পার্ট-১ এর সিনিয়র জেল সুপার আবু নূর মো. রেজা জানান, ওই অংশ থেকে দুই সাবেক সদস্যকে মুক্তি দেওয়া হয়েছে। পার্ট-২ থেকে ৩২ জনকে মুক্তি পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেন সিনিয়র জেল সুপার মো. আল মামুন। তিনি জানান, দুপুরে সবাইয়ের কাগজ আসার পর তা যাচাই করে মুক্তি দেওয়া হয়।

উল্লেখ্য, ২০০৯ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি ঢাকার পিলখানায় তৎকালীন বিডিআর সদর দফতরে ভয়াবহ বিদ্রোহের ঘটনা ঘটে। এতে মহাপরিচালক মেজর জেনারেল শাকিল আহমেদসহ ৫৭ সেনা কর্মকর্তা নিহত হন। মোট ৭৪ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
ঘটনার পরবর্তী দুই দিনে হত্যা ও বিস্ফোরক আইনে পৃথক দুটি মামলা দায়ের করা হয়। হত্যামামলাটি দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় মামলার একটি, যেখানে ৮৫০ জনকে আসামি করা হয়। ২০১৩ সালের ৫ নভেম্বর আদালতের রায়ে ১৫২ জনের মৃত্যুদণ্ড, ১৬০ জনের যাবজ্জীবন এবং ২৫৬ জনের বিভিন্ন মেয়াদের কারাদণ্ড হয়। খালাস পান ২৭৮ জন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপডেট সময় ১০:৩৩:৪০ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৪ নভেম্বর ২০২৫
২০ বার পড়া হয়েছে

বিডিআর বিদ্রোহ মামলার জামিনে কাশিমপুর কারাগার ছাড়লেন সাবেক ৩৫ সদস্য

আপডেট সময় ১০:৩৩:৪০ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৪ নভেম্বর ২০২৫

বিডিআর বিদ্রোহের ঘটনায় বিস্ফোরক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে দায়ের হওয়া মামলায় জামিন পাওয়ার পর গাজীপুরের কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে সাবেক বিডিআরের ৩৫ সদস্য মুক্তি পেয়েছেন। সোমবার (২৪ নভেম্বর) সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে পর্যায়ক্রমে তাদের কারামুক্ত করা হয়। মুক্তি পাওয়ার সময় কারাগারের ফটকে তাদের স্বজনরা জড়ো হয়ে ছিলেন।

এর আগে গত বৃহস্পতিবার আদালত মোট ৫৩ আসামির জামিন মঞ্জুর করেন। এর মধ্যে কাশিমপুর হাই সিকিউরিটি কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে ১ জন, কেন্দ্রীয় কারাগারের পার্ট-১ থেকে ২ জন এবং পার্ট-২ থেকে ৩২ জন বন্দি মুক্তি পেয়েছেন।

কারা কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, সোমবার দুপুরে জামিনের নথিপত্র কারাগারে পৌঁছায়। প্রয়োজনীয় যাচাই-বাছাই সম্পন্ন করার পর সন্ধ্যায় তাদেরকে মুক্তি দেওয়া হয়।

কাশিমপুর হাই সিকিউরিটি কেন্দ্রীয় কারাগারের সিনিয়র জেল সুপার মোহাম্মদ আল মামুন বলেন, দুপুরে একজন সাবেক বিডিআর সদস্যের জামিনের কাগজপত্র পাওয়া যায় এবং যাচাই শেষে তাকে মুক্তি দেওয়া হয়। একইভাবে কেন্দ্রীয় কারাগার পার্ট-১ এর সিনিয়র জেল সুপার আবু নূর মো. রেজা জানান, ওই অংশ থেকে দুই সাবেক সদস্যকে মুক্তি দেওয়া হয়েছে। পার্ট-২ থেকে ৩২ জনকে মুক্তি পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেন সিনিয়র জেল সুপার মো. আল মামুন। তিনি জানান, দুপুরে সবাইয়ের কাগজ আসার পর তা যাচাই করে মুক্তি দেওয়া হয়।

উল্লেখ্য, ২০০৯ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি ঢাকার পিলখানায় তৎকালীন বিডিআর সদর দফতরে ভয়াবহ বিদ্রোহের ঘটনা ঘটে। এতে মহাপরিচালক মেজর জেনারেল শাকিল আহমেদসহ ৫৭ সেনা কর্মকর্তা নিহত হন। মোট ৭৪ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
ঘটনার পরবর্তী দুই দিনে হত্যা ও বিস্ফোরক আইনে পৃথক দুটি মামলা দায়ের করা হয়। হত্যামামলাটি দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় মামলার একটি, যেখানে ৮৫০ জনকে আসামি করা হয়। ২০১৩ সালের ৫ নভেম্বর আদালতের রায়ে ১৫২ জনের মৃত্যুদণ্ড, ১৬০ জনের যাবজ্জীবন এবং ২৫৬ জনের বিভিন্ন মেয়াদের কারাদণ্ড হয়। খালাস পান ২৭৮ জন।