ঢাকা ০৬:৫৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২২ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ :
Logo ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে মাঝারি মাত্রার ভূমিকম্প Logo প্রাথমিক শিক্ষকদের নিয়োগ ও বদলিতে জেলা পর্যায়ে নতুন উদ্যোগ Logo দেশ গড়ার যেকোনো পরিকল্পনায় প্রতিবন্ধীদের অংশগ্রহণ জরুরি: জায়মা রহমান Logo শবে বরাতে ঢাকায় আতশবাজি ও পটকা নিষিদ্ধ, জারি ডিএমপির কড়াকড়ি Logo কারাবন্দিদের জন্য প্রথমবার ডাকযোগে ভোটগ্রহণ শুরু, চলবে ৭ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত Logo ৫ ঘণ্টার ব্যবধানে আবার বাড়ল স্বর্ণের দাম, ২২ ক্যারেটের ভরি ছাড়াল ২ লাখ ৬২ হাজার টাকা Logo র‌্যাবের নাম বদল, নতুন নাম ‘স্পেশাল ইন্টারভেনশন ফোর্স’ Logo বুড়িগঙ্গার পানি খেয়ে মাদকবর্জিত রাখার অঙ্গীকার নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর, ঢাকা-৮ Logo শেরপুরে জামায়াত নেতা হত্যাকাণ্ড: স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক আটক Logo নির্বাচন ও গণভোট ঘিরে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা: মাঠে দেড় লাখের বেশি পুলিশ, ঝুঁকিপূর্ণ আসনে বাড়তি সতর্কতা

বিডিআর বিদ্রোহ মামলার জামিনে কাশিমপুর কারাগার ছাড়লেন সাবেক ৩৫ সদস্য

নিজস্ব সংবাদ : দেশ২৪লাইভ

বিডিআর বিদ্রোহের ঘটনায় বিস্ফোরক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে দায়ের হওয়া মামলায় জামিন পাওয়ার পর গাজীপুরের কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে সাবেক বিডিআরের ৩৫ সদস্য মুক্তি পেয়েছেন। সোমবার (২৪ নভেম্বর) সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে পর্যায়ক্রমে তাদের কারামুক্ত করা হয়। মুক্তি পাওয়ার সময় কারাগারের ফটকে তাদের স্বজনরা জড়ো হয়ে ছিলেন।

এর আগে গত বৃহস্পতিবার আদালত মোট ৫৩ আসামির জামিন মঞ্জুর করেন। এর মধ্যে কাশিমপুর হাই সিকিউরিটি কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে ১ জন, কেন্দ্রীয় কারাগারের পার্ট-১ থেকে ২ জন এবং পার্ট-২ থেকে ৩২ জন বন্দি মুক্তি পেয়েছেন।

কারা কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, সোমবার দুপুরে জামিনের নথিপত্র কারাগারে পৌঁছায়। প্রয়োজনীয় যাচাই-বাছাই সম্পন্ন করার পর সন্ধ্যায় তাদেরকে মুক্তি দেওয়া হয়।

কাশিমপুর হাই সিকিউরিটি কেন্দ্রীয় কারাগারের সিনিয়র জেল সুপার মোহাম্মদ আল মামুন বলেন, দুপুরে একজন সাবেক বিডিআর সদস্যের জামিনের কাগজপত্র পাওয়া যায় এবং যাচাই শেষে তাকে মুক্তি দেওয়া হয়। একইভাবে কেন্দ্রীয় কারাগার পার্ট-১ এর সিনিয়র জেল সুপার আবু নূর মো. রেজা জানান, ওই অংশ থেকে দুই সাবেক সদস্যকে মুক্তি দেওয়া হয়েছে। পার্ট-২ থেকে ৩২ জনকে মুক্তি পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেন সিনিয়র জেল সুপার মো. আল মামুন। তিনি জানান, দুপুরে সবাইয়ের কাগজ আসার পর তা যাচাই করে মুক্তি দেওয়া হয়।

উল্লেখ্য, ২০০৯ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি ঢাকার পিলখানায় তৎকালীন বিডিআর সদর দফতরে ভয়াবহ বিদ্রোহের ঘটনা ঘটে। এতে মহাপরিচালক মেজর জেনারেল শাকিল আহমেদসহ ৫৭ সেনা কর্মকর্তা নিহত হন। মোট ৭৪ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
ঘটনার পরবর্তী দুই দিনে হত্যা ও বিস্ফোরক আইনে পৃথক দুটি মামলা দায়ের করা হয়। হত্যামামলাটি দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় মামলার একটি, যেখানে ৮৫০ জনকে আসামি করা হয়। ২০১৩ সালের ৫ নভেম্বর আদালতের রায়ে ১৫২ জনের মৃত্যুদণ্ড, ১৬০ জনের যাবজ্জীবন এবং ২৫৬ জনের বিভিন্ন মেয়াদের কারাদণ্ড হয়। খালাস পান ২৭৮ জন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপডেট সময় ১০:৩৩:৪০ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৪ নভেম্বর ২০২৫
৮০ বার পড়া হয়েছে

বিডিআর বিদ্রোহ মামলার জামিনে কাশিমপুর কারাগার ছাড়লেন সাবেক ৩৫ সদস্য

আপডেট সময় ১০:৩৩:৪০ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৪ নভেম্বর ২০২৫

বিডিআর বিদ্রোহের ঘটনায় বিস্ফোরক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে দায়ের হওয়া মামলায় জামিন পাওয়ার পর গাজীপুরের কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে সাবেক বিডিআরের ৩৫ সদস্য মুক্তি পেয়েছেন। সোমবার (২৪ নভেম্বর) সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে পর্যায়ক্রমে তাদের কারামুক্ত করা হয়। মুক্তি পাওয়ার সময় কারাগারের ফটকে তাদের স্বজনরা জড়ো হয়ে ছিলেন।

এর আগে গত বৃহস্পতিবার আদালত মোট ৫৩ আসামির জামিন মঞ্জুর করেন। এর মধ্যে কাশিমপুর হাই সিকিউরিটি কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে ১ জন, কেন্দ্রীয় কারাগারের পার্ট-১ থেকে ২ জন এবং পার্ট-২ থেকে ৩২ জন বন্দি মুক্তি পেয়েছেন।

কারা কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, সোমবার দুপুরে জামিনের নথিপত্র কারাগারে পৌঁছায়। প্রয়োজনীয় যাচাই-বাছাই সম্পন্ন করার পর সন্ধ্যায় তাদেরকে মুক্তি দেওয়া হয়।

কাশিমপুর হাই সিকিউরিটি কেন্দ্রীয় কারাগারের সিনিয়র জেল সুপার মোহাম্মদ আল মামুন বলেন, দুপুরে একজন সাবেক বিডিআর সদস্যের জামিনের কাগজপত্র পাওয়া যায় এবং যাচাই শেষে তাকে মুক্তি দেওয়া হয়। একইভাবে কেন্দ্রীয় কারাগার পার্ট-১ এর সিনিয়র জেল সুপার আবু নূর মো. রেজা জানান, ওই অংশ থেকে দুই সাবেক সদস্যকে মুক্তি দেওয়া হয়েছে। পার্ট-২ থেকে ৩২ জনকে মুক্তি পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেন সিনিয়র জেল সুপার মো. আল মামুন। তিনি জানান, দুপুরে সবাইয়ের কাগজ আসার পর তা যাচাই করে মুক্তি দেওয়া হয়।

উল্লেখ্য, ২০০৯ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি ঢাকার পিলখানায় তৎকালীন বিডিআর সদর দফতরে ভয়াবহ বিদ্রোহের ঘটনা ঘটে। এতে মহাপরিচালক মেজর জেনারেল শাকিল আহমেদসহ ৫৭ সেনা কর্মকর্তা নিহত হন। মোট ৭৪ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
ঘটনার পরবর্তী দুই দিনে হত্যা ও বিস্ফোরক আইনে পৃথক দুটি মামলা দায়ের করা হয়। হত্যামামলাটি দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় মামলার একটি, যেখানে ৮৫০ জনকে আসামি করা হয়। ২০১৩ সালের ৫ নভেম্বর আদালতের রায়ে ১৫২ জনের মৃত্যুদণ্ড, ১৬০ জনের যাবজ্জীবন এবং ২৫৬ জনের বিভিন্ন মেয়াদের কারাদণ্ড হয়। খালাস পান ২৭৮ জন।