ঢাকা ০৪:২১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১২ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ :
Logo অপহরণের খবর পেয়ে প্রধানমন্ত্রীর তৎপরতা, এক ঘণ্টার মধ্যেই স্কুলছাত্র উদ্ধার Logo দেড় বছর পর ফের শুরু আগরতলা-ঢাকা-কলকাতা আন্তর্জাতিক বাস চলাচল Logo বাংলাদেশ পুলিশের নতুন আইজিপি হিসেবে দায়িত্ব পেলেন আলী হোসেন ফকির Logo চট্টগ্রামে গ্যাস বিস্ফোরণের ঘটনায় প্রাণ গেল দুজনের, দগ্ধ আরও সাত Logo  জনগণের শক্তিকেই মূল ভরসা করে বিএনপি, প্রতিহিংসার রাজনীতিতে বিশ্বাস নেই: মঈন খান Logo রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে নিয়োগ অনিয়ম তদন্তে হাইকোর্টের নির্দেশ Logo গরমের ঈদে আরামদায়ক পাঞ্জাবির চাহিদা, বাজারে রং-নকশায় নতুনত্ব Logo এনসিপি গঠন করল স্থানীয় সরকার নির্বাচন পরিচালনা কমিটি Logo ভিনিসিউসকে বর্ণবাদী মন্তব্যের অভিযোগে বেনফিকার আর্জেন্টাইন ফুটবলার নিষিদ্ধ Logo ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনের পর ১১২ নির্বাচন কর্মকর্তার বদলি

ভূমিকম্পে বাথরুম কি সত্যিই নিরাপদ? জানুন বিজ্ঞান কী বলছে

নিজস্ব সংবাদ : দেশ২৪লাইভ

সংগৃহিত

ভূমিকম্পের সময় বাথরুমে আশ্রয় নেওয়া নিরাপদ—এমন ধারণা সামাজিক মাধ্যমে বেশ আলোচনা হচ্ছে। তবে বিশেষজ্ঞদের মতে, বিষয়টি সম্পূর্ণ নিরাপদ বলা যায় না। যদিও কিছু ক্ষেত্রে বাথরুমের দেয়াল একটু বেশি মজবুত হয়, তবুও এটি কখনোই নিশ্চিত নিরাপদ আশ্রয়ের তালিকায় পড়ে না।

সম্প্রতি ভূমিকম্প অনুভূত হওয়ার পর অনেকে পরামর্শ দিয়েছেন, কম্পন শুরু হওয়া মাত্র বাথরুমে চলে যেতে। কিন্তু বিজ্ঞান ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই ধারণা বিভ্রান্তিকর এবং অনেক ক্ষেত্রে ঝুঁকি বাড়িয়ে দিতে পারে। নিরাপদ থাকার মূল উপায় হলো শারীরিকভাবে স্থির থাকা, সঠিক নিয়ম জানা এবং ভবনের নিরাপত্তা কাঠামো সম্পর্কে ধারণা রাখা।

বাথরুম কেন অনিরাপদ হতে পারে?

বিল্ডিংয়ের অনেক স্থানে বাথরুম পিলারের পাশে বা তুলনামূলক শক্ত অংশে থাকলেও, সব ভবনে একই কাঠামো থাকে না। অনেক বাথরুমেই থাকে ভঙ্গুর টাইলস, কাঁচের আয়না, শাওয়ার স্ক্রিন, গিজার বা ভেজা মেঝে—যেগুলো ভূমিকম্পের সময় সহজেই ভেঙে বিপদ ডেকে আনতে পারে। দরজা আটকে যাওয়ার ঝুঁকিও বেশি থাকে, যা উদ্ধার কার্যক্রমকে বাধাগ্রস্ত করতে পারে।

অন্যদিকে ভূমিকম্পের সময় হঠাৎ দৌড় দিয়ে বাথরুমের দিকে গেলে পড়ে গিয়ে আঘাত পাওয়ার ঘটনাও ঘটতে পারে।

বিশ্বব্যাপী স্বীকৃত নিরাপদ পদক্ষেপ

ভূমিকম্পের সময় আন্তর্জাতিকভাবে যে নির্দেশনা অনুসরণ করা হয়—

  • জানালা, কাঁচ ও ভারি আসবাব থেকে দূরে থাকা

  • শক্ত কোনো ডেস্ক, টেবিল বা বিছানার নিচে আশ্রয় নেওয়া

  • লিফট ব্যবহার না করা

  • দরজার সামনে দাঁড়ানো এড়িয়ে চলা

  • কম্পন বন্ধ হলে নিরাপদভাবে নিচে নেমে আশ্রয় নেওয়া

বিশেষজ্ঞরা স্পষ্ট করে জানিয়েছেন— বাথরুম কখনোই নির্ভরযোগ্য আশ্রয় নয়। বরং সঠিক করণীয় জানা এবং প্রশিক্ষণ থাকলে ক্ষতির ঝুঁকি অনেক কমে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপডেট সময় ০৬:৪৬:১৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ নভেম্বর ২০২৫
১৫৩ বার পড়া হয়েছে

ভূমিকম্পে বাথরুম কি সত্যিই নিরাপদ? জানুন বিজ্ঞান কী বলছে

আপডেট সময় ০৬:৪৬:১৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ নভেম্বর ২০২৫

ভূমিকম্পের সময় বাথরুমে আশ্রয় নেওয়া নিরাপদ—এমন ধারণা সামাজিক মাধ্যমে বেশ আলোচনা হচ্ছে। তবে বিশেষজ্ঞদের মতে, বিষয়টি সম্পূর্ণ নিরাপদ বলা যায় না। যদিও কিছু ক্ষেত্রে বাথরুমের দেয়াল একটু বেশি মজবুত হয়, তবুও এটি কখনোই নিশ্চিত নিরাপদ আশ্রয়ের তালিকায় পড়ে না।

সম্প্রতি ভূমিকম্প অনুভূত হওয়ার পর অনেকে পরামর্শ দিয়েছেন, কম্পন শুরু হওয়া মাত্র বাথরুমে চলে যেতে। কিন্তু বিজ্ঞান ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই ধারণা বিভ্রান্তিকর এবং অনেক ক্ষেত্রে ঝুঁকি বাড়িয়ে দিতে পারে। নিরাপদ থাকার মূল উপায় হলো শারীরিকভাবে স্থির থাকা, সঠিক নিয়ম জানা এবং ভবনের নিরাপত্তা কাঠামো সম্পর্কে ধারণা রাখা।

বাথরুম কেন অনিরাপদ হতে পারে?

বিল্ডিংয়ের অনেক স্থানে বাথরুম পিলারের পাশে বা তুলনামূলক শক্ত অংশে থাকলেও, সব ভবনে একই কাঠামো থাকে না। অনেক বাথরুমেই থাকে ভঙ্গুর টাইলস, কাঁচের আয়না, শাওয়ার স্ক্রিন, গিজার বা ভেজা মেঝে—যেগুলো ভূমিকম্পের সময় সহজেই ভেঙে বিপদ ডেকে আনতে পারে। দরজা আটকে যাওয়ার ঝুঁকিও বেশি থাকে, যা উদ্ধার কার্যক্রমকে বাধাগ্রস্ত করতে পারে।

অন্যদিকে ভূমিকম্পের সময় হঠাৎ দৌড় দিয়ে বাথরুমের দিকে গেলে পড়ে গিয়ে আঘাত পাওয়ার ঘটনাও ঘটতে পারে।

বিশ্বব্যাপী স্বীকৃত নিরাপদ পদক্ষেপ

ভূমিকম্পের সময় আন্তর্জাতিকভাবে যে নির্দেশনা অনুসরণ করা হয়—

  • জানালা, কাঁচ ও ভারি আসবাব থেকে দূরে থাকা

  • শক্ত কোনো ডেস্ক, টেবিল বা বিছানার নিচে আশ্রয় নেওয়া

  • লিফট ব্যবহার না করা

  • দরজার সামনে দাঁড়ানো এড়িয়ে চলা

  • কম্পন বন্ধ হলে নিরাপদভাবে নিচে নেমে আশ্রয় নেওয়া

বিশেষজ্ঞরা স্পষ্ট করে জানিয়েছেন— বাথরুম কখনোই নির্ভরযোগ্য আশ্রয় নয়। বরং সঠিক করণীয় জানা এবং প্রশিক্ষণ থাকলে ক্ষতির ঝুঁকি অনেক কমে।