মোংলা বন্দরকে পূর্ণ সক্ষমতায় চালুর উদ্যোগ, ছয় মাসে ব্যবস্থাপনায় পরিবর্তনের ইঙ্গিত
দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম সমুদ্রবন্দর মোংলার কার্যকারিতা সর্বোচ্চ পর্যায়ে উন্নীত করতে পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে সরকার। শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে বন্দর এলাকা পরিদর্শন শেষে সড়ক পরিবহন ও সেতু, রেলপথ এবং নৌপরিবহন মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম রবি এ তথ্য জানান।
মন্ত্রী বলেন, দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের বিস্তৃত অর্থনৈতিক সম্ভাবনাকে সামনে রেখে আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রমকে আরও বেশি করে মোংলা বন্দরকেন্দ্রিক করার চিন্তা করছে সরকার। আগের সরকারের সময়ে মোংলা বন্দর সংক্রান্ত যেসব চুক্তি হয়েছিল, সেগুলো বাতিল করা হবে কি না— এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি জানান, চুক্তিগুলো পর্যালোচনা করা হবে। দেশের স্বার্থ সংরক্ষিত হলে এবং তা সহায়ক হলে প্রয়োজন অনুযায়ী পুনর্বিবেচনার মাধ্যমে কার্যকর রাখা হবে।
তিনি আরও বলেন, জাতীয় অর্থনীতিতে মোংলা বন্দরের অবদান গুরুত্বপূর্ণ। সঠিক পরিকল্পনা ও কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করলে এটিকে একটি পূর্ণাঙ্গ ও সফল সমুদ্রবন্দরে রূপ দেওয়া সম্ভব। বর্তমানে রেল ও নৌ যোগাযোগ ব্যবস্থা সন্তোষজনক হলেও সেগুলোকে আরও আধুনিক ও গতিশীল করার প্রয়োজন রয়েছে।
স্বল্পমেয়াদি ও দীর্ঘমেয়াদি কর্মপরিকল্পনার মাধ্যমে মোংলা বন্দরকে দেশের অন্যতম প্রধান বন্দর হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্য রয়েছে বলেও জানান মন্ত্রী। তিনি উল্লেখ করেন, প্রয়োজনীয় অবকাঠামোগত সুবিধা নিশ্চিত করা গেলে বন্দরের সক্ষমতা ও কার্যকারিতা উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়ানো সম্ভব।
এ ছাড়া আগামী ছয় মাসের মধ্যে বন্দরের ব্যবস্থাপনায় উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন আনার কথাও জানান তিনি।























