ঢাকা ১২:০৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ ২০২৬, ৩ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ :
Logo জনকল্যাণে কাজ করে দৃষ্টান্ত গড়বে বিরোধীদল: জামায়াত আমির Logo আজ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ১০৬তম জন্মবার্ষিকী Logo ‘ওয়ান সিটিজেন ওয়ান কার্ড’ চালুর পরিকল্পনা সরকারের Logo ট্রাম্প চাইলে পারস্য উপসাগরে জাহাজ পাঠাতে পারেন : ইরানের কড়া বার্তা Logo আগামী বছর থেকে স্কুলে ভর্তিতে লটারি পদ্ধতি আর থাকবে না Logo বাংলাদেশ-ভারতের অর্থনীতি ও জ্বালানি খাতে সহযোগিতা বাড়ানোর বিষয়ে আলোচনা Logo হরমুজ প্রণালির নিরাপত্তা ইস্যুতে চীনের সহায়তা চাইছেন ট্রাম্প Logo  দেশজুড়ে খাল খনন ও পুনঃখনন কর্মসূচির উদ্বোধন আজ Logo সংবিধান সংস্কার পরিষদ নিয়ে সংসদেই সমাধান চান বিরোধীদলীয় নেতা Logo আর্জেন্টিনা-স্পেন ফিনালিসিমা বাতিল, উয়েফা নিশ্চিত

শ্রম অধিকারের পথে নতুন অধ্যায় খুলল বাংলাদেশ

নিজস্ব সংবাদ : দেশ২৪লাইভ

সংগৃহিত

বাংলাদেশের শ্রমজীবী মানুষের অধিকার আদায়ের ইতিহাসে নতুন মাইলফলক স্থাপন হলো বুধবার (২২ অক্টোবর)। এদিন আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থার (আইএলও) তিনটি গুরুত্বপূর্ণ কনভেনশনে স্বাক্ষর করেছে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার। ঘটনাটিকে “শ্রম অধিকারের পথে স্মরণীয় অর্জন” হিসেবে উল্লেখ করেছেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস।

রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় আয়োজিত অনুষ্ঠানে শ্রম ও কর্মসংস্থান এবং নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ড. এম সাখাওয়াত হোসেন অনুসমর্থনপত্রে স্বাক্ষর করেন। এসময় উপস্থিত ছিলেন প্রধান উপদেষ্টার আন্তর্জাতিক বিষয়ক বিশেষ দূত লুৎফে সিদ্দিকী, প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ের সচিব মো. মাহমুদুল হোসাইন খান, শ্রম সচিব ড. মো. সানোয়ার জাহান ভূঁইয়া ও বাংলাদেশে আইএলও’র কান্ট্রি ডিরেক্টর ম্যাক্স টুনোনসহ অন্যান্য কর্মকর্তা।

স্বাক্ষরিত কনভেনশনগুলো হলো—
১️⃣ পেশাগত নিরাপত্তা ও স্বাস্থ্য কনভেনশন (নং-১৫৫, ১৯৮১)
২️⃣ কর্মক্ষেত্রে নিরাপত্তার মান উন্নয়ন কনভেনশন (নং-১৮৭, ২০০৬)
৩️⃣ কর্মক্ষেত্রে সহিংসতা ও হয়রানি প্রতিরোধ কনভেনশন (নং-১৯০, ২০১৯)

রানা প্লাজা দুর্ঘটনার প্রসঙ্গ টেনে ড. ইউনূস বলেন, “তৎকালীন সরকার অনেক প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল, কিন্তু বাস্তবায়ন হয়নি। এবার আমরা প্রতিশ্রুতিকে কাজে রূপ দেব।”

তিনি আরও বলেন, “আজ আমরা এক দীর্ঘ যাত্রার প্রথম ধাপ অতিক্রম করলাম। শুধু কাগজে সই করলেই চলবে না— এই কনভেনশনগুলোর প্রতিটি ধারা বাস্তবায়ন করতে হবে।”

শ্রম উপদেষ্টা এম সাখাওয়াত হোসেন বলেন, “প্রধান উপদেষ্টার নির্দেশনা ও সবার পরিশ্রমেই আজকের এই অর্জন সম্ভব হয়েছে। শ্রমিকদের অধিকার নিশ্চিত করতে সরকার আন্তরিকভাবে কাজ করছে।”

আইএলও প্রতিনিধি ম্যাক্স টুনোন বাংলাদেশ সরকারের এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, “বাংলাদেশ এখন দক্ষিণ এশিয়ার একমাত্র দেশ, যারা আইএলও’র সব ১০টি মৌলিক কনভেনশন অনুস্বাক্ষর করেছে।”

নিউজটি শেয়ার করুন

আপডেট সময় ০৯:১৯:৪৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ অক্টোবর ২০২৫
১৬১ বার পড়া হয়েছে

শ্রম অধিকারের পথে নতুন অধ্যায় খুলল বাংলাদেশ

আপডেট সময় ০৯:১৯:৪৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ অক্টোবর ২০২৫

বাংলাদেশের শ্রমজীবী মানুষের অধিকার আদায়ের ইতিহাসে নতুন মাইলফলক স্থাপন হলো বুধবার (২২ অক্টোবর)। এদিন আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থার (আইএলও) তিনটি গুরুত্বপূর্ণ কনভেনশনে স্বাক্ষর করেছে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার। ঘটনাটিকে “শ্রম অধিকারের পথে স্মরণীয় অর্জন” হিসেবে উল্লেখ করেছেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস।

রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় আয়োজিত অনুষ্ঠানে শ্রম ও কর্মসংস্থান এবং নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ড. এম সাখাওয়াত হোসেন অনুসমর্থনপত্রে স্বাক্ষর করেন। এসময় উপস্থিত ছিলেন প্রধান উপদেষ্টার আন্তর্জাতিক বিষয়ক বিশেষ দূত লুৎফে সিদ্দিকী, প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ের সচিব মো. মাহমুদুল হোসাইন খান, শ্রম সচিব ড. মো. সানোয়ার জাহান ভূঁইয়া ও বাংলাদেশে আইএলও’র কান্ট্রি ডিরেক্টর ম্যাক্স টুনোনসহ অন্যান্য কর্মকর্তা।

স্বাক্ষরিত কনভেনশনগুলো হলো—
১️⃣ পেশাগত নিরাপত্তা ও স্বাস্থ্য কনভেনশন (নং-১৫৫, ১৯৮১)
২️⃣ কর্মক্ষেত্রে নিরাপত্তার মান উন্নয়ন কনভেনশন (নং-১৮৭, ২০০৬)
৩️⃣ কর্মক্ষেত্রে সহিংসতা ও হয়রানি প্রতিরোধ কনভেনশন (নং-১৯০, ২০১৯)

রানা প্লাজা দুর্ঘটনার প্রসঙ্গ টেনে ড. ইউনূস বলেন, “তৎকালীন সরকার অনেক প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল, কিন্তু বাস্তবায়ন হয়নি। এবার আমরা প্রতিশ্রুতিকে কাজে রূপ দেব।”

তিনি আরও বলেন, “আজ আমরা এক দীর্ঘ যাত্রার প্রথম ধাপ অতিক্রম করলাম। শুধু কাগজে সই করলেই চলবে না— এই কনভেনশনগুলোর প্রতিটি ধারা বাস্তবায়ন করতে হবে।”

শ্রম উপদেষ্টা এম সাখাওয়াত হোসেন বলেন, “প্রধান উপদেষ্টার নির্দেশনা ও সবার পরিশ্রমেই আজকের এই অর্জন সম্ভব হয়েছে। শ্রমিকদের অধিকার নিশ্চিত করতে সরকার আন্তরিকভাবে কাজ করছে।”

আইএলও প্রতিনিধি ম্যাক্স টুনোন বাংলাদেশ সরকারের এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, “বাংলাদেশ এখন দক্ষিণ এশিয়ার একমাত্র দেশ, যারা আইএলও’র সব ১০টি মৌলিক কনভেনশন অনুস্বাক্ষর করেছে।”