ঢাকা ০২:১৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৯ এপ্রিল ২০২৬, ২৫ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ :
Logo মুন্সীগঞ্জে ডিবির অভিযানে মোটরসাইকেল চোরচক্রের ৩ সদস্য গ্রেফতার, উদ্ধার ৩টি বাইক Logo বিসিবির অ্যাডহক কমিটি নিয়ে সংসদে আলোচনা, ‘বাপের দোয়া-মায়ের দোয়া নয়’—স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী Logo নোয়াখালীতে ব্যাংকের অর্থ আত্মসাৎ: সাবেক কর্মকর্তার ১৫ বছরের কারাদণ্ড Logo মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের প্রভাবে বাড়তি চাহিদা মেটাতে ৩ লাখ টন ডিজেল আমদানির অনুমোদন Logo ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গে আরও ১০ শিশুর মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি বেড়েই চলেছে Logo কেরানীগঞ্জে উদ্ধার ‘পেনগান’, হত্যাচেষ্টা মামলার তদন্তে নতুন অগ্রগতি Logo সাবমেরিন কেবলের কাজের কারণে তিন দিন ইন্টারনেট ধীরগতির আশঙ্কা Logo ‘ধুরন্ধর’ ইস্যুতে সমালোচনার জবাব দিলেন দীপিকা Logo জুলাই গণঅভ্যুত্থান সংশ্লিষ্টদের দায়মুক্তি দিয়ে সংসদে নতুন আইন পাস Logo শিক্ষাখাতে বরাদ্দ বাড়ানোর উদ্যোগ, ৪৩ খাতে পরিকল্পনা বাস্তবায়ন: প্রধানমন্ত্রী

যুদ্ধের প্রভাবে ডিউকস বল সংকট, সীমিত সরবরাহে শুরু হচ্ছে ইংল্যান্ডের মৌসুম

নিজস্ব সংবাদ : দেশ২৪লাইভ

নতুন ঘরোয়া ক্রিকেট মৌসুম শুরুর আগেই অপ্রত্যাশিত সমস্যায় পড়েছে ইংল্যান্ড অ্যান্ড ওয়েলস ক্রিকেট বোর্ড (ইসিবি)। বহুল ব্যবহৃত ডিউকস বলের ঘাটতির কারণে স্বাভাবিক সরবরাহের মাত্র অর্ধেক নিয়ে শুরু করতে হচ্ছে এবারের প্রতিযোগিতা।

 

আগামী ৩ এপ্রিল ইংল্যান্ডের ঘরোয়া ক্রিকেট মৌসুম শুরু হওয়ার কথা, যেখানে কাউন্টি চ্যাম্পিয়নশিপসহ সব টুর্নামেন্টেই ডিউকস বল ব্যবহৃত হয়। তবে বর্তমান পরিস্থিতিতে প্রয়োজনীয় বলের প্রায় ৫০ শতাংশই হাতে রয়েছে সংশ্লিষ্টদের কাছে।

 

ডিউকস বল প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান ব্রিটিশ ক্রিকেট বলস লিমিটেডের মালিক দিলীপ জাজোদিয়া এই সংকটের জন্য মধ্যপ্রাচ্যের চলমান উত্তেজনা ও সংঘাতকে দায়ী করেছেন। যুক্তরাষ্ট্র, ইসরাইল ও ইরানকে ঘিরে তৈরি হওয়া পরিস্থিতির কারণে সরবরাহ ব্যবস্থায় বড় ধরনের ব্যাঘাত ঘটেছে বলে তিনি জানান।

 

তার মতে, উপমহাদেশে প্রস্তুতকৃত অনেক বল থাকলেও পরিবহন সমস্যার কারণে সেগুলো যুক্তরাজ্যে আনা সম্ভব হচ্ছে না। মধ্যপ্রাচ্য হয়ে পণ্য পরিবহনের রুটে বাধা সৃষ্টি হওয়ায় পুরো সরবরাহ চেইন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

 

এছাড়া পরিবহন খরচও বেড়ে গেছে উল্লেখযোগ্যভাবে। আগে যেখানে প্রতি কেজি পণ্য পরিবহনে প্রায় ৫ ডলার ব্যয় হতো, এখন তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৫ ডলারে। নিরাপত্তা ঝুঁকির কারণে অনেক এয়ারলাইন্স এই রুটে পণ্য পরিবহনে আগ্রহ দেখাচ্ছে না।

 

ডিউকস বল তৈরির প্রক্রিয়াটিও বেশ জটিল। ব্রিটিশ গরুর চামড়া প্রথমে ইংল্যান্ডে প্রক্রিয়াজাত করা হয়, পরে দক্ষিণ এশিয়ায় পাঠিয়ে দক্ষ কারিগরদের মাধ্যমে হাতে সেলাই করে বল তৈরি করা হয়। এরপর তা আবার যুক্তরাজ্যে ফিরিয়ে এনে চূড়ান্তভাবে প্রস্তুত করা হয়।

 

এই দীর্ঘ প্রক্রিয়ার যেকোনো ধাপে বাধা সৃষ্টি হলে সরবরাহে প্রভাব পড়ে। বর্তমান পরিস্থিতিতে সেই প্রভাবই স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। ফলে ইংল্যান্ডের আসন্ন ক্রিকেট মৌসুম পরিচালনায় কিছুটা অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপডেট সময় ০৯:২৭:২০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৯ মার্চ ২০২৬
২০ বার পড়া হয়েছে

যুদ্ধের প্রভাবে ডিউকস বল সংকট, সীমিত সরবরাহে শুরু হচ্ছে ইংল্যান্ডের মৌসুম

আপডেট সময় ০৯:২৭:২০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৯ মার্চ ২০২৬

নতুন ঘরোয়া ক্রিকেট মৌসুম শুরুর আগেই অপ্রত্যাশিত সমস্যায় পড়েছে ইংল্যান্ড অ্যান্ড ওয়েলস ক্রিকেট বোর্ড (ইসিবি)। বহুল ব্যবহৃত ডিউকস বলের ঘাটতির কারণে স্বাভাবিক সরবরাহের মাত্র অর্ধেক নিয়ে শুরু করতে হচ্ছে এবারের প্রতিযোগিতা।

 

আগামী ৩ এপ্রিল ইংল্যান্ডের ঘরোয়া ক্রিকেট মৌসুম শুরু হওয়ার কথা, যেখানে কাউন্টি চ্যাম্পিয়নশিপসহ সব টুর্নামেন্টেই ডিউকস বল ব্যবহৃত হয়। তবে বর্তমান পরিস্থিতিতে প্রয়োজনীয় বলের প্রায় ৫০ শতাংশই হাতে রয়েছে সংশ্লিষ্টদের কাছে।

 

ডিউকস বল প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান ব্রিটিশ ক্রিকেট বলস লিমিটেডের মালিক দিলীপ জাজোদিয়া এই সংকটের জন্য মধ্যপ্রাচ্যের চলমান উত্তেজনা ও সংঘাতকে দায়ী করেছেন। যুক্তরাষ্ট্র, ইসরাইল ও ইরানকে ঘিরে তৈরি হওয়া পরিস্থিতির কারণে সরবরাহ ব্যবস্থায় বড় ধরনের ব্যাঘাত ঘটেছে বলে তিনি জানান।

 

তার মতে, উপমহাদেশে প্রস্তুতকৃত অনেক বল থাকলেও পরিবহন সমস্যার কারণে সেগুলো যুক্তরাজ্যে আনা সম্ভব হচ্ছে না। মধ্যপ্রাচ্য হয়ে পণ্য পরিবহনের রুটে বাধা সৃষ্টি হওয়ায় পুরো সরবরাহ চেইন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

 

এছাড়া পরিবহন খরচও বেড়ে গেছে উল্লেখযোগ্যভাবে। আগে যেখানে প্রতি কেজি পণ্য পরিবহনে প্রায় ৫ ডলার ব্যয় হতো, এখন তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৫ ডলারে। নিরাপত্তা ঝুঁকির কারণে অনেক এয়ারলাইন্স এই রুটে পণ্য পরিবহনে আগ্রহ দেখাচ্ছে না।

 

ডিউকস বল তৈরির প্রক্রিয়াটিও বেশ জটিল। ব্রিটিশ গরুর চামড়া প্রথমে ইংল্যান্ডে প্রক্রিয়াজাত করা হয়, পরে দক্ষিণ এশিয়ায় পাঠিয়ে দক্ষ কারিগরদের মাধ্যমে হাতে সেলাই করে বল তৈরি করা হয়। এরপর তা আবার যুক্তরাজ্যে ফিরিয়ে এনে চূড়ান্তভাবে প্রস্তুত করা হয়।

 

এই দীর্ঘ প্রক্রিয়ার যেকোনো ধাপে বাধা সৃষ্টি হলে সরবরাহে প্রভাব পড়ে। বর্তমান পরিস্থিতিতে সেই প্রভাবই স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। ফলে ইংল্যান্ডের আসন্ন ক্রিকেট মৌসুম পরিচালনায় কিছুটা অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।