ঢাকা ১১:৪২ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৬ এপ্রিল ২০২৬, ২৩ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ :
Logo ইডেন কলেজ ছাত্রলীগ নেত্রী তামান্না জেসমিন রিভার জামিন, হাইকোর্টের রুল জারি Logo জাটকা সংরক্ষণে ৭–১৩ এপ্রিল বিশেষ সপ্তাহ, ১৫ এপ্রিল থেকে ৫৮ দিনের মাছ ধরা নিষেধাজ্ঞা Logo ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক জোরদারে আগ্রহ, প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে হাইকমিশনারের বৈঠক Logo হামের উপসর্গে একদিনে ১০ মৃত্যু, নতুন আক্রান্ত ৫৪ Logo জ্বালানিসংকটের প্রভাবে জাহাজ ভাড়া বেড়েছে প্রায় ২০ শতাংশ Logo কিশোরগঞ্জে তুলার গুদামে অগ্নিকাণ্ড, নিয়ন্ত্রণে ফায়ার সার্ভিস Logo সংবিধান নিয়ে খালেদা জিয়ার বক্তব্য ছিল রূপক—সংসদে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী Logo বাইব্যাক শর্তে নিকো পাজকে ফেরাতে চায় রিয়াল মাদ্রিদ Logo সিলেট ওসমানী বিমানবন্দরের সার্ভার রুমে আগুন, ইমিগ্রেশন সেবা বন্ধ Logo তদন্ত কমিটির ডাকে সাড়া না দেওয়ার ব্যাখ্যা দিলেন আসিফ মাহমুদ

রাঙামাটি জেলা পরিষদে শিক্ষক নিয়োগে কোটা বাতিলের দাবিতে অনির্দিষ্টকালের শাটডাউন ঘোষণা

নিজস্ব সংবাদ : দেশ২৪লাইভ

রাঙামাটিতে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগপ্রক্রিয়ায় বৈষম্যমূলক কোটা ব্যবস্থা বাতিলের দাবিতে আন্দোলনরত কোটাবিরোধী ঐক্যজোট, সাধারণ শিক্ষার্থী এবং সচেতন নাগরিকদের ব্যানারের নেতারা আগামী সোমবার থেকে রাঙামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদ অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষণা করেছেন। দাবি পূরণ না হলে পরিষদের চেয়ারম্যানসহ সব সদস্যকে পদত্যাগে বাধ্য করা হবে বলেও তারা সতর্ক করেন।

শনিবার (২২ নভেম্বর) রাতে শহরের বনরূপা এলাকায় আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে আন্দোলনকারীরা এই ঘোষণা দেন।

দীর্ঘদিন ধরে জেলা পরিষদের অধীনে পরিচালিত প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে নিয়োগের ক্ষেত্রে বিদ্যমান কোটা কাঠামো পরিবর্তনের দাবিতে শিক্ষার্থীরা আন্দোলন চালিয়ে আসছে। তাদের অভিযোগ, বর্তমান নীতির কারণে যোগ্য প্রার্থীরা বঞ্চিত হচ্ছেন এবং পরীক্ষা গ্রহণ ও মূল্যায়নেও স্বচ্ছতা নেই।

আন্দোলনকারীরা ৬ দফা দাবিতে কোটা সংস্কারের দাবি পুনর্ব্যক্ত করেন। এর মধ্যে রয়েছে—

জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সর্বশেষ প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী ৯৩% মেধা ও ৭% কোটা অনুসরণ করে নিয়োগ নিশ্চিত করা,

প্রশ্নফাঁস রোধে জনপ্রশাসন ও শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের তত্ত্বাবধানে কেন্দ্রীয়ভাবে প্রশ্নপত্র প্রণয়ন,

প্রশ্ন তৈরির পর জেলা প্রশাসকের দায়িত্বে সরকারি ট্রেজারিতে প্রশ্নপত্র সংরক্ষণ,

উত্তরপত্র মূল্যায়ন জেলা প্রশাসনের মাধ্যমে সম্পন্ন করা,

নিয়োগ পরীক্ষার আগে উপজেলা কোটা পৃথক প্রজ্ঞাপনে প্রকাশ করা,

নিয়োগের পর প্রার্থীদের রোল, নাম ও ঠিকানা প্রকাশ বাধ্যতামূলক করা।

এছাড়া বাঙালি ও তফসিলভুক্ত উপজাতীয় প্রার্থীদের ফলাফলের তালিকা আলাদাভাবে প্রকাশ এবং উচ্চ আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী ১৯৮৯ সালের জেলা পরিষদ আইনে উপজাতীয় অগ্রাধিকার নীতি ঠিকভাবে অনুসরণ করা হচ্ছে কি না— সে বিষয়ে পরিষ্কার ব্যাখ্যা দিতে হবে বলে আন্দোলনকারীরা দাবি জানান।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপডেট সময় ০৯:৫৭:০১ অপরাহ্ন, শনিবার, ২২ নভেম্বর ২০২৫
১০২ বার পড়া হয়েছে

রাঙামাটি জেলা পরিষদে শিক্ষক নিয়োগে কোটা বাতিলের দাবিতে অনির্দিষ্টকালের শাটডাউন ঘোষণা

আপডেট সময় ০৯:৫৭:০১ অপরাহ্ন, শনিবার, ২২ নভেম্বর ২০২৫

রাঙামাটিতে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগপ্রক্রিয়ায় বৈষম্যমূলক কোটা ব্যবস্থা বাতিলের দাবিতে আন্দোলনরত কোটাবিরোধী ঐক্যজোট, সাধারণ শিক্ষার্থী এবং সচেতন নাগরিকদের ব্যানারের নেতারা আগামী সোমবার থেকে রাঙামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদ অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষণা করেছেন। দাবি পূরণ না হলে পরিষদের চেয়ারম্যানসহ সব সদস্যকে পদত্যাগে বাধ্য করা হবে বলেও তারা সতর্ক করেন।

শনিবার (২২ নভেম্বর) রাতে শহরের বনরূপা এলাকায় আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে আন্দোলনকারীরা এই ঘোষণা দেন।

দীর্ঘদিন ধরে জেলা পরিষদের অধীনে পরিচালিত প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে নিয়োগের ক্ষেত্রে বিদ্যমান কোটা কাঠামো পরিবর্তনের দাবিতে শিক্ষার্থীরা আন্দোলন চালিয়ে আসছে। তাদের অভিযোগ, বর্তমান নীতির কারণে যোগ্য প্রার্থীরা বঞ্চিত হচ্ছেন এবং পরীক্ষা গ্রহণ ও মূল্যায়নেও স্বচ্ছতা নেই।

আন্দোলনকারীরা ৬ দফা দাবিতে কোটা সংস্কারের দাবি পুনর্ব্যক্ত করেন। এর মধ্যে রয়েছে—

জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সর্বশেষ প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী ৯৩% মেধা ও ৭% কোটা অনুসরণ করে নিয়োগ নিশ্চিত করা,

প্রশ্নফাঁস রোধে জনপ্রশাসন ও শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের তত্ত্বাবধানে কেন্দ্রীয়ভাবে প্রশ্নপত্র প্রণয়ন,

প্রশ্ন তৈরির পর জেলা প্রশাসকের দায়িত্বে সরকারি ট্রেজারিতে প্রশ্নপত্র সংরক্ষণ,

উত্তরপত্র মূল্যায়ন জেলা প্রশাসনের মাধ্যমে সম্পন্ন করা,

নিয়োগ পরীক্ষার আগে উপজেলা কোটা পৃথক প্রজ্ঞাপনে প্রকাশ করা,

নিয়োগের পর প্রার্থীদের রোল, নাম ও ঠিকানা প্রকাশ বাধ্যতামূলক করা।

এছাড়া বাঙালি ও তফসিলভুক্ত উপজাতীয় প্রার্থীদের ফলাফলের তালিকা আলাদাভাবে প্রকাশ এবং উচ্চ আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী ১৯৮৯ সালের জেলা পরিষদ আইনে উপজাতীয় অগ্রাধিকার নীতি ঠিকভাবে অনুসরণ করা হচ্ছে কি না— সে বিষয়ে পরিষ্কার ব্যাখ্যা দিতে হবে বলে আন্দোলনকারীরা দাবি জানান।