ঢাকা ০৮:০৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৬ এপ্রিল ২০২৬, ২৩ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ :
Logo জাটকা সংরক্ষণে ৭–১৩ এপ্রিল বিশেষ সপ্তাহ, ১৫ এপ্রিল থেকে ৫৮ দিনের মাছ ধরা নিষেধাজ্ঞা Logo ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক জোরদারে আগ্রহ, প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে হাইকমিশনারের বৈঠক Logo হামের উপসর্গে একদিনে ১০ মৃত্যু, নতুন আক্রান্ত ৫৪ Logo জ্বালানিসংকটের প্রভাবে জাহাজ ভাড়া বেড়েছে প্রায় ২০ শতাংশ Logo কিশোরগঞ্জে তুলার গুদামে অগ্নিকাণ্ড, নিয়ন্ত্রণে ফায়ার সার্ভিস Logo সংবিধান নিয়ে খালেদা জিয়ার বক্তব্য ছিল রূপক—সংসদে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী Logo বাইব্যাক শর্তে নিকো পাজকে ফেরাতে চায় রিয়াল মাদ্রিদ Logo সিলেট ওসমানী বিমানবন্দরের সার্ভার রুমে আগুন, ইমিগ্রেশন সেবা বন্ধ Logo তদন্ত কমিটির ডাকে সাড়া না দেওয়ার ব্যাখ্যা দিলেন আসিফ মাহমুদ Logo ভারতীয় সীমান্তে বাংলাদেশি যুবকের গুলিবিদ্ধ মরদেহ পড়ে থাকার অভিযোগ

১ ডিসেম্বর শেখ হাসিনা, রেহানা ও টিউলিপকে ঘিরে দুর্নীতি মামলার রায় ঘোষণা

নিজস্ব সংবাদ : দেশ২৪লাইভ

ছবি সংগৃহীত

পূর্বাচল নতুন শহর প্রকল্পে প্লট বরাদ্দ সংক্রান্ত দুর্নীতির অভিযোগে দায়ের করা মামলার রায় আগামী ১ ডিসেম্বর ঘোষণা করা হবে। মামলাটিতে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, তার বোন শেখ রেহানা, যুক্তরাজ্যের এমপি টিউলিপ সিদ্দিকসহ মোট ১৭ জন অভিযুক্ত। দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) অভিযোগ করে যে, শেখ রেহানা অবৈধভাবে ১০ কাঠা জমি পেয়েছিলেন।

মঙ্গলবার (২৫ নভেম্বর) আদালতের বেঞ্চ সহকারী বেলাল হোসেন জানান, ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৪ এর বিচারক মো. রবিউল আলম রাষ্ট্রপক্ষ ও আসামিপক্ষের যুক্তিতর্ক শেষ করে এদিন রায় ঘোষণার তারিখ নির্ধারণ করেন।

দুদকের আইনজীবীদের দাবি, তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী হিসেবে ক্ষমতার অপব্যবহার করে শেখ হাসিনা সরকারি প্লট বরাদ্দে অনিয়ম করেছেন এবং জাল নথির মাধ্যমে এ বরাদ্দ নিশ্চিত করা হয়েছিল। তাদের মতে, মামলার প্রধান আসামিদের বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ সাজা—যাবজ্জীবন কারাদণ্ড—হতে পারে।

মামলার নথিতে উল্লেখ আছে, পূর্বাচলে প্লট বরাদ্দের সময় শেখ রেহানা তার পরিবারের জন্য জমি চেয়ে আবেদন করেন এবং পরে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা রাজউককে বরাদ্দ অনুমোদনের নির্দেশ দেন। অভিযোগ অনুযায়ী, রেহানা একটি মিথ্যা হলফনামা জমা দিয়ে জমির মালিকানা নেন। এসব অভিযোগের ভিত্তিতে দুদক মোট ১৭ জনের বিরুদ্ধে মামলা করে।

৩২ জন সাক্ষীর জবানবন্দি, কাগজপত্র, সরকারি নির্দেশনা ও বিভিন্ন নথিপত্র আদালতে উপস্থাপন করা হয়। যুক্তিতর্ক শেষে বিচারক আগামী ১ ডিসেম্বর চূড়ান্ত রায় ঘোষণার দিন ধার্য করেন।

সাক্ষীদের বক্তব্যে আরও দাবি করা হয়, টিউলিপ সিদ্দিক তার মায়ের জন্য প্লট বরাদ্দের বিষয়ে চাপ সৃষ্টি করেছিলেন। যদিও তিনি নিজে কোনো জমি নেননি, তবুও এই অভিযোগের কারণে তিনি মামলার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ আসামি হিসেবে বিবেচিত হচ্ছেন। দুদকের পক্ষের ব্যাখ্যা অনুযায়ী, তার বিরুদ্ধেও কঠোর সাজা হতে পারে।

এ মামলায় গ্রেপ্তার থাকা একমাত্র আসামি—রাজউকের সাবেক কর্মকর্তা খুরশিদ আলমের আইনজীবী জানান, তিনি কেবল ঊর্ধ্বতনের নির্দেশ অনুসরণ করেছিলেন এবং এজন্য তাকে দায়ী করা উচিত নয়।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপডেট সময় ০৩:০৯:৪৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ নভেম্বর ২০২৫
৫৯ বার পড়া হয়েছে

১ ডিসেম্বর শেখ হাসিনা, রেহানা ও টিউলিপকে ঘিরে দুর্নীতি মামলার রায় ঘোষণা

আপডেট সময় ০৩:০৯:৪৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ নভেম্বর ২০২৫

পূর্বাচল নতুন শহর প্রকল্পে প্লট বরাদ্দ সংক্রান্ত দুর্নীতির অভিযোগে দায়ের করা মামলার রায় আগামী ১ ডিসেম্বর ঘোষণা করা হবে। মামলাটিতে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, তার বোন শেখ রেহানা, যুক্তরাজ্যের এমপি টিউলিপ সিদ্দিকসহ মোট ১৭ জন অভিযুক্ত। দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) অভিযোগ করে যে, শেখ রেহানা অবৈধভাবে ১০ কাঠা জমি পেয়েছিলেন।

মঙ্গলবার (২৫ নভেম্বর) আদালতের বেঞ্চ সহকারী বেলাল হোসেন জানান, ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৪ এর বিচারক মো. রবিউল আলম রাষ্ট্রপক্ষ ও আসামিপক্ষের যুক্তিতর্ক শেষ করে এদিন রায় ঘোষণার তারিখ নির্ধারণ করেন।

দুদকের আইনজীবীদের দাবি, তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী হিসেবে ক্ষমতার অপব্যবহার করে শেখ হাসিনা সরকারি প্লট বরাদ্দে অনিয়ম করেছেন এবং জাল নথির মাধ্যমে এ বরাদ্দ নিশ্চিত করা হয়েছিল। তাদের মতে, মামলার প্রধান আসামিদের বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ সাজা—যাবজ্জীবন কারাদণ্ড—হতে পারে।

মামলার নথিতে উল্লেখ আছে, পূর্বাচলে প্লট বরাদ্দের সময় শেখ রেহানা তার পরিবারের জন্য জমি চেয়ে আবেদন করেন এবং পরে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা রাজউককে বরাদ্দ অনুমোদনের নির্দেশ দেন। অভিযোগ অনুযায়ী, রেহানা একটি মিথ্যা হলফনামা জমা দিয়ে জমির মালিকানা নেন। এসব অভিযোগের ভিত্তিতে দুদক মোট ১৭ জনের বিরুদ্ধে মামলা করে।

৩২ জন সাক্ষীর জবানবন্দি, কাগজপত্র, সরকারি নির্দেশনা ও বিভিন্ন নথিপত্র আদালতে উপস্থাপন করা হয়। যুক্তিতর্ক শেষে বিচারক আগামী ১ ডিসেম্বর চূড়ান্ত রায় ঘোষণার দিন ধার্য করেন।

সাক্ষীদের বক্তব্যে আরও দাবি করা হয়, টিউলিপ সিদ্দিক তার মায়ের জন্য প্লট বরাদ্দের বিষয়ে চাপ সৃষ্টি করেছিলেন। যদিও তিনি নিজে কোনো জমি নেননি, তবুও এই অভিযোগের কারণে তিনি মামলার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ আসামি হিসেবে বিবেচিত হচ্ছেন। দুদকের পক্ষের ব্যাখ্যা অনুযায়ী, তার বিরুদ্ধেও কঠোর সাজা হতে পারে।

এ মামলায় গ্রেপ্তার থাকা একমাত্র আসামি—রাজউকের সাবেক কর্মকর্তা খুরশিদ আলমের আইনজীবী জানান, তিনি কেবল ঊর্ধ্বতনের নির্দেশ অনুসরণ করেছিলেন এবং এজন্য তাকে দায়ী করা উচিত নয়।