ঢাকা ১০:৪৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২২ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ :
Logo ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে মাঝারি মাত্রার ভূমিকম্প Logo প্রাথমিক শিক্ষকদের নিয়োগ ও বদলিতে জেলা পর্যায়ে নতুন উদ্যোগ Logo দেশ গড়ার যেকোনো পরিকল্পনায় প্রতিবন্ধীদের অংশগ্রহণ জরুরি: জায়মা রহমান Logo শবে বরাতে ঢাকায় আতশবাজি ও পটকা নিষিদ্ধ, জারি ডিএমপির কড়াকড়ি Logo কারাবন্দিদের জন্য প্রথমবার ডাকযোগে ভোটগ্রহণ শুরু, চলবে ৭ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত Logo ৫ ঘণ্টার ব্যবধানে আবার বাড়ল স্বর্ণের দাম, ২২ ক্যারেটের ভরি ছাড়াল ২ লাখ ৬২ হাজার টাকা Logo র‌্যাবের নাম বদল, নতুন নাম ‘স্পেশাল ইন্টারভেনশন ফোর্স’ Logo বুড়িগঙ্গার পানি খেয়ে মাদকবর্জিত রাখার অঙ্গীকার নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর, ঢাকা-৮ Logo শেরপুরে জামায়াত নেতা হত্যাকাণ্ড: স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক আটক Logo নির্বাচন ও গণভোট ঘিরে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা: মাঠে দেড় লাখের বেশি পুলিশ, ঝুঁকিপূর্ণ আসনে বাড়তি সতর্কতা

ইতালিতে পাঁচ লাখ কর্মী নেওয়ার উদ্যোগ: আবেদন জমা দেওয়ার শেষ সময় কবে?

নিজস্ব সংবাদ : দেশ২৪লাইভ

ছবি সংগৃহীত

লিবিয়া হয়ে ভূমধ্যসাগর পাড়ি দিয়ে ইতালিতে পৌঁছানো অভিবাসীদের তালিকায় বাংলাদেশিরাই এখন শীর্ষে। গত পাঁচ বছরে বৈধ–অবৈধ পথ মিলিয়ে প্রায় ৯০ হাজারের বেশি বাংলাদেশি দেশটিতে প্রবেশ করেছেন। বিপজ্জনক সমুদ্রযাত্রায় বহু মানুষের প্রাণহানির ঘটনা ঘটায় প্রবাসী বাংলাদেশিরা সবাইকে নিরাপদ ও বৈধ পথে ইতালিতে আসার আহ্বান জানাচ্ছেন।

ইতালির অভিবাসন দপ্তরের তথ্য বলছে, চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে নভেম্বর পর্যন্ত ভূমধ্যসাগর অতিক্রম করে দেশটিতে পৌঁছেছে ৬৩ হাজার ২৬০ জন অভিবাসনপ্রত্যাশী, যার মধ্যে বাংলাদেশির সংখ্যা প্রায় ১৯ হাজার ২৮৩—সর্বাধিক। ২০০০ সালের বৈধকরণ প্রক্রিয়ার পর থেকে বাংলাদেশি অভিবাসনের প্রবাহ বেড়েই চলেছে।

এরই মধ্যে ইতালি ২০২৬ থেকে ২০২৮ সালের মধ্যে প্রায় পাঁচ লাখ বিদেশি শ্রমিক নেওয়ার একটি কর্মসূচি চালু করেছে। নির্ধারিত কোটায় আবেদন করতে হলে ৭ ডিসেম্বরের মধ্যে ফরম পূরণ করা বাধ্যতামূলক। অভিবাসন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা সতর্ক করে বলছেন—ঝুঁকিপূর্ণ সমুদ্রপথ বা দালালের মাধ্যমে আসার চেষ্টা না করে আইনসম্মত উপায়ে আবেদন করাই সবচেয়ে নিরাপদ।

সমুদ্রপথের পাশাপাশি রোমানিয়া ও আলবেনিয়া হয়ে স্থলপথেও অনেক বাংলাদেশি ইতালিতে পৌঁছান। স্পন্সর ভিসায় ইতালি আসার চেষ্টায় দালালদের প্রতারণার কারণে বহু মানুষ অবৈধ অবস্থায় পড়ে গেছেন বলে জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। বর্তমানে দেশটিতে প্রায় দেড় লাখ বাংলাদেশি বৈধ কাগজপত্র ছাড়া বসবাস করছেন বলে ধারণা করা হয়।

সম্প্রতি ইতালি বাংলাদেশসহ ২২টি দেশকে ‘নিরাপদ দেশ’ হিসেবে চিহ্নিত করেছে। ইউরোপীয় ইউনিয়নও এই তালিকায় বাংলাদেশ ও মিশরকে অন্তর্ভুক্ত করার বিষয়ে আলোচনা করছে। নিরাপদ দেশ হিসেবে শ্রেণীকরণ হলে সংশ্লিষ্ট দেশের নাগরিকদের মানবিক বা রাজনৈতিক আশ্রয় পাওয়া আরও কঠিন হয়ে যেতে পারে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপডেট সময় ০৩:০৭:৫৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩০ নভেম্বর ২০২৫
৮৩ বার পড়া হয়েছে

ইতালিতে পাঁচ লাখ কর্মী নেওয়ার উদ্যোগ: আবেদন জমা দেওয়ার শেষ সময় কবে?

আপডেট সময় ০৩:০৭:৫৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩০ নভেম্বর ২০২৫

লিবিয়া হয়ে ভূমধ্যসাগর পাড়ি দিয়ে ইতালিতে পৌঁছানো অভিবাসীদের তালিকায় বাংলাদেশিরাই এখন শীর্ষে। গত পাঁচ বছরে বৈধ–অবৈধ পথ মিলিয়ে প্রায় ৯০ হাজারের বেশি বাংলাদেশি দেশটিতে প্রবেশ করেছেন। বিপজ্জনক সমুদ্রযাত্রায় বহু মানুষের প্রাণহানির ঘটনা ঘটায় প্রবাসী বাংলাদেশিরা সবাইকে নিরাপদ ও বৈধ পথে ইতালিতে আসার আহ্বান জানাচ্ছেন।

ইতালির অভিবাসন দপ্তরের তথ্য বলছে, চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে নভেম্বর পর্যন্ত ভূমধ্যসাগর অতিক্রম করে দেশটিতে পৌঁছেছে ৬৩ হাজার ২৬০ জন অভিবাসনপ্রত্যাশী, যার মধ্যে বাংলাদেশির সংখ্যা প্রায় ১৯ হাজার ২৮৩—সর্বাধিক। ২০০০ সালের বৈধকরণ প্রক্রিয়ার পর থেকে বাংলাদেশি অভিবাসনের প্রবাহ বেড়েই চলেছে।

এরই মধ্যে ইতালি ২০২৬ থেকে ২০২৮ সালের মধ্যে প্রায় পাঁচ লাখ বিদেশি শ্রমিক নেওয়ার একটি কর্মসূচি চালু করেছে। নির্ধারিত কোটায় আবেদন করতে হলে ৭ ডিসেম্বরের মধ্যে ফরম পূরণ করা বাধ্যতামূলক। অভিবাসন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা সতর্ক করে বলছেন—ঝুঁকিপূর্ণ সমুদ্রপথ বা দালালের মাধ্যমে আসার চেষ্টা না করে আইনসম্মত উপায়ে আবেদন করাই সবচেয়ে নিরাপদ।

সমুদ্রপথের পাশাপাশি রোমানিয়া ও আলবেনিয়া হয়ে স্থলপথেও অনেক বাংলাদেশি ইতালিতে পৌঁছান। স্পন্সর ভিসায় ইতালি আসার চেষ্টায় দালালদের প্রতারণার কারণে বহু মানুষ অবৈধ অবস্থায় পড়ে গেছেন বলে জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। বর্তমানে দেশটিতে প্রায় দেড় লাখ বাংলাদেশি বৈধ কাগজপত্র ছাড়া বসবাস করছেন বলে ধারণা করা হয়।

সম্প্রতি ইতালি বাংলাদেশসহ ২২টি দেশকে ‘নিরাপদ দেশ’ হিসেবে চিহ্নিত করেছে। ইউরোপীয় ইউনিয়নও এই তালিকায় বাংলাদেশ ও মিশরকে অন্তর্ভুক্ত করার বিষয়ে আলোচনা করছে। নিরাপদ দেশ হিসেবে শ্রেণীকরণ হলে সংশ্লিষ্ট দেশের নাগরিকদের মানবিক বা রাজনৈতিক আশ্রয় পাওয়া আরও কঠিন হয়ে যেতে পারে।