ঢাকা ০১:৩১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৭ এপ্রিল ২০২৬, ২৩ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ :
Logo সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল আবুল হাসানকে অব্যাহতি, ঘুষ নেওয়ার অভিযোগ Logo ইডেন কলেজ ছাত্রলীগ নেত্রী তামান্না জেসমিন রিভার জামিন, হাইকোর্টের রুল জারি Logo জাটকা সংরক্ষণে ৭–১৩ এপ্রিল বিশেষ সপ্তাহ, ১৫ এপ্রিল থেকে ৫৮ দিনের মাছ ধরা নিষেধাজ্ঞা Logo ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক জোরদারে আগ্রহ, প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে হাইকমিশনারের বৈঠক Logo হামের উপসর্গে একদিনে ১০ মৃত্যু, নতুন আক্রান্ত ৫৪ Logo জ্বালানিসংকটের প্রভাবে জাহাজ ভাড়া বেড়েছে প্রায় ২০ শতাংশ Logo কিশোরগঞ্জে তুলার গুদামে অগ্নিকাণ্ড, নিয়ন্ত্রণে ফায়ার সার্ভিস Logo সংবিধান নিয়ে খালেদা জিয়ার বক্তব্য ছিল রূপক—সংসদে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী Logo বাইব্যাক শর্তে নিকো পাজকে ফেরাতে চায় রিয়াল মাদ্রিদ Logo সিলেট ওসমানী বিমানবন্দরের সার্ভার রুমে আগুন, ইমিগ্রেশন সেবা বন্ধ

ইতালিতে পাঁচ লাখ কর্মী নেওয়ার উদ্যোগ: আবেদন জমা দেওয়ার শেষ সময় কবে?

নিজস্ব সংবাদ : দেশ২৪লাইভ

ছবি সংগৃহীত

লিবিয়া হয়ে ভূমধ্যসাগর পাড়ি দিয়ে ইতালিতে পৌঁছানো অভিবাসীদের তালিকায় বাংলাদেশিরাই এখন শীর্ষে। গত পাঁচ বছরে বৈধ–অবৈধ পথ মিলিয়ে প্রায় ৯০ হাজারের বেশি বাংলাদেশি দেশটিতে প্রবেশ করেছেন। বিপজ্জনক সমুদ্রযাত্রায় বহু মানুষের প্রাণহানির ঘটনা ঘটায় প্রবাসী বাংলাদেশিরা সবাইকে নিরাপদ ও বৈধ পথে ইতালিতে আসার আহ্বান জানাচ্ছেন।

ইতালির অভিবাসন দপ্তরের তথ্য বলছে, চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে নভেম্বর পর্যন্ত ভূমধ্যসাগর অতিক্রম করে দেশটিতে পৌঁছেছে ৬৩ হাজার ২৬০ জন অভিবাসনপ্রত্যাশী, যার মধ্যে বাংলাদেশির সংখ্যা প্রায় ১৯ হাজার ২৮৩—সর্বাধিক। ২০০০ সালের বৈধকরণ প্রক্রিয়ার পর থেকে বাংলাদেশি অভিবাসনের প্রবাহ বেড়েই চলেছে।

এরই মধ্যে ইতালি ২০২৬ থেকে ২০২৮ সালের মধ্যে প্রায় পাঁচ লাখ বিদেশি শ্রমিক নেওয়ার একটি কর্মসূচি চালু করেছে। নির্ধারিত কোটায় আবেদন করতে হলে ৭ ডিসেম্বরের মধ্যে ফরম পূরণ করা বাধ্যতামূলক। অভিবাসন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা সতর্ক করে বলছেন—ঝুঁকিপূর্ণ সমুদ্রপথ বা দালালের মাধ্যমে আসার চেষ্টা না করে আইনসম্মত উপায়ে আবেদন করাই সবচেয়ে নিরাপদ।

সমুদ্রপথের পাশাপাশি রোমানিয়া ও আলবেনিয়া হয়ে স্থলপথেও অনেক বাংলাদেশি ইতালিতে পৌঁছান। স্পন্সর ভিসায় ইতালি আসার চেষ্টায় দালালদের প্রতারণার কারণে বহু মানুষ অবৈধ অবস্থায় পড়ে গেছেন বলে জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। বর্তমানে দেশটিতে প্রায় দেড় লাখ বাংলাদেশি বৈধ কাগজপত্র ছাড়া বসবাস করছেন বলে ধারণা করা হয়।

সম্প্রতি ইতালি বাংলাদেশসহ ২২টি দেশকে ‘নিরাপদ দেশ’ হিসেবে চিহ্নিত করেছে। ইউরোপীয় ইউনিয়নও এই তালিকায় বাংলাদেশ ও মিশরকে অন্তর্ভুক্ত করার বিষয়ে আলোচনা করছে। নিরাপদ দেশ হিসেবে শ্রেণীকরণ হলে সংশ্লিষ্ট দেশের নাগরিকদের মানবিক বা রাজনৈতিক আশ্রয় পাওয়া আরও কঠিন হয়ে যেতে পারে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপডেট সময় ০৩:০৭:৫৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩০ নভেম্বর ২০২৫
১২৭ বার পড়া হয়েছে

ইতালিতে পাঁচ লাখ কর্মী নেওয়ার উদ্যোগ: আবেদন জমা দেওয়ার শেষ সময় কবে?

আপডেট সময় ০৩:০৭:৫৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩০ নভেম্বর ২০২৫

লিবিয়া হয়ে ভূমধ্যসাগর পাড়ি দিয়ে ইতালিতে পৌঁছানো অভিবাসীদের তালিকায় বাংলাদেশিরাই এখন শীর্ষে। গত পাঁচ বছরে বৈধ–অবৈধ পথ মিলিয়ে প্রায় ৯০ হাজারের বেশি বাংলাদেশি দেশটিতে প্রবেশ করেছেন। বিপজ্জনক সমুদ্রযাত্রায় বহু মানুষের প্রাণহানির ঘটনা ঘটায় প্রবাসী বাংলাদেশিরা সবাইকে নিরাপদ ও বৈধ পথে ইতালিতে আসার আহ্বান জানাচ্ছেন।

ইতালির অভিবাসন দপ্তরের তথ্য বলছে, চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে নভেম্বর পর্যন্ত ভূমধ্যসাগর অতিক্রম করে দেশটিতে পৌঁছেছে ৬৩ হাজার ২৬০ জন অভিবাসনপ্রত্যাশী, যার মধ্যে বাংলাদেশির সংখ্যা প্রায় ১৯ হাজার ২৮৩—সর্বাধিক। ২০০০ সালের বৈধকরণ প্রক্রিয়ার পর থেকে বাংলাদেশি অভিবাসনের প্রবাহ বেড়েই চলেছে।

এরই মধ্যে ইতালি ২০২৬ থেকে ২০২৮ সালের মধ্যে প্রায় পাঁচ লাখ বিদেশি শ্রমিক নেওয়ার একটি কর্মসূচি চালু করেছে। নির্ধারিত কোটায় আবেদন করতে হলে ৭ ডিসেম্বরের মধ্যে ফরম পূরণ করা বাধ্যতামূলক। অভিবাসন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা সতর্ক করে বলছেন—ঝুঁকিপূর্ণ সমুদ্রপথ বা দালালের মাধ্যমে আসার চেষ্টা না করে আইনসম্মত উপায়ে আবেদন করাই সবচেয়ে নিরাপদ।

সমুদ্রপথের পাশাপাশি রোমানিয়া ও আলবেনিয়া হয়ে স্থলপথেও অনেক বাংলাদেশি ইতালিতে পৌঁছান। স্পন্সর ভিসায় ইতালি আসার চেষ্টায় দালালদের প্রতারণার কারণে বহু মানুষ অবৈধ অবস্থায় পড়ে গেছেন বলে জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। বর্তমানে দেশটিতে প্রায় দেড় লাখ বাংলাদেশি বৈধ কাগজপত্র ছাড়া বসবাস করছেন বলে ধারণা করা হয়।

সম্প্রতি ইতালি বাংলাদেশসহ ২২টি দেশকে ‘নিরাপদ দেশ’ হিসেবে চিহ্নিত করেছে। ইউরোপীয় ইউনিয়নও এই তালিকায় বাংলাদেশ ও মিশরকে অন্তর্ভুক্ত করার বিষয়ে আলোচনা করছে। নিরাপদ দেশ হিসেবে শ্রেণীকরণ হলে সংশ্লিষ্ট দেশের নাগরিকদের মানবিক বা রাজনৈতিক আশ্রয় পাওয়া আরও কঠিন হয়ে যেতে পারে।