তামিমকে নিয়ে ওই মন্তব্য করা ঠিক হয়নি—ইফতেখার মিঠু
জাতীয় ক্রিকেট দলের সাবেক অধিনায়ক তামিম ইকবালকে ঘিরে বিসিবির এক পরিচালকের মন্তব্য নিয়ে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। বিসিবির পরিচালক ও অর্থ কমিটির চেয়ারম্যান এম নাজমুল ইসলাম সম্প্রতি নিজের ফেসবুক পোস্টে তামিমকে ‘ভারতীয় দালাল’ বলে আখ্যা দেন। বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) দেওয়া সেই পোস্ট সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে ব্যাপক সমালোচনার মুখে পড়েন তিনি। পরে গভীর রাতে পোস্টটি মুছে ফেলেন নাজমুল ইসলাম।
এই ঘটনায় বিসিবির আরেক পরিচালক ইফতেখার রহমান মিঠু প্রকাশ্যে ভিন্নমত জানিয়েছেন। তার মতে, তামিম ইকবালকে লক্ষ্য করে এমন ভাষা ব্যবহার করা একেবারেই অনুচিত। শনিবার (১০ জানুয়ারি) সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি বলেন, তামিম বাংলাদেশের ক্রিকেটের বড় সম্পদ, তাকে নিয়ে এ ধরনের মন্তব্য করা উচিত হয়নি। পাশাপাশি তিনি বলেন, ক্রিকেটারদেরও গণমাধ্যমে কথা বলার সময় আরও সহনশীল হওয়া প্রয়োজন।
প্রসঙ্গত, নিরাপত্তাজনিত কারণ দেখিয়ে ভারতে অনুষ্ঠিতব্য বিশ্বকাপে খেলতে না যাওয়ার বিষয়ে বিসিবির সিদ্ধান্তের পর সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে কিছু মন্তব্য করেছিলেন তামিম ইকবাল। সেই মন্তব্যের একটি ফটো কার্ড শেয়ার করেই নাজমুল ইসলাম ওই বিতর্কিত পোস্টটি দেন।
এদিকে বিপিএলের ঢাকা পর্ব শুরু হবে আগামী ১৫ জানুয়ারি। এ নিয়ে প্রস্তুতি প্রসঙ্গে ইফতেখার মিঠু জানান, নিরাপত্তা নিয়ে বিসিবির কোনো উদ্বেগ নেই। সরকারের সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় থেকে পূর্ণ সহযোগিতার আশ্বাস পাওয়া গেছে। পুলিশ ও র্যাবসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী প্রয়োজনীয় সহায়তা দেবে বলে নিশ্চিত করেছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।
উইকেট প্রসঙ্গে তিনি বলেন, সিলেটে অনুষ্ঠিত ম্যাচগুলোতে উইকেট খুব একটা খারাপ ছিল না এবং ভালো রানও দেখা গেছে। মিরপুরের উইকেট নিয়ে আলোচনা থাকলেও তিনি আশাবাদী। তার ভাষ্য অনুযায়ী, মিরপুরের মাঠ পর্যাপ্ত বিশ্রাম পেয়েছে এবং সেখানে একটি ভালো স্পোর্টিং উইকেট পাওয়া যাবে।
এবারের বিপিএলের উদ্বোধন ট্রফি ছাড়াই অনুষ্ঠিত হলেও ফাইনালের আগেই ট্রফি আসবে। ইফতেখার মিঠু জানান, প্রায় ২৫ লাখ টাকা মূল্যের হীরাখচিত ট্রফিটি দুবাই থেকে আনা হচ্ছে এবং সেটি ১৭ জানুয়ারি বাংলাদেশে পৌঁছাবে।
ভারতে অনুষ্ঠিতব্য বিশ্বকাপে বাংলাদেশ অংশ না নিলেও দেশটির এলিট আম্পায়ারদের যাওয়া নিয়ে সিদ্ধান্ত নেবে আইসিসি। এ বিষয়ে মিঠু বলেন, আইসিসি যেখানে দায়িত্ব দেবে, আম্পায়ারদের সেখানে যেতে হবে। বাংলাদেশি আম্পায়াররা যাবেন কি না, তা তাদের এবং আইসিসির সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভর করবে।




















