ঢাকা ০২:২২ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২২ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ :
Logo মা-বোনের প্রতি অসম্মানকারীদের কাছ থেকে দেশের উন্নয়ন সম্ভব নয়: তারেক রহমান Logo ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে মাঝারি মাত্রার ভূমিকম্প Logo প্রাথমিক শিক্ষকদের নিয়োগ ও বদলিতে জেলা পর্যায়ে নতুন উদ্যোগ Logo দেশ গড়ার যেকোনো পরিকল্পনায় প্রতিবন্ধীদের অংশগ্রহণ জরুরি: জায়মা রহমান Logo শবে বরাতে ঢাকায় আতশবাজি ও পটকা নিষিদ্ধ, জারি ডিএমপির কড়াকড়ি Logo কারাবন্দিদের জন্য প্রথমবার ডাকযোগে ভোটগ্রহণ শুরু, চলবে ৭ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত Logo ৫ ঘণ্টার ব্যবধানে আবার বাড়ল স্বর্ণের দাম, ২২ ক্যারেটের ভরি ছাড়াল ২ লাখ ৬২ হাজার টাকা Logo র‌্যাবের নাম বদল, নতুন নাম ‘স্পেশাল ইন্টারভেনশন ফোর্স’ Logo বুড়িগঙ্গার পানি খেয়ে মাদকবর্জিত রাখার অঙ্গীকার নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর, ঢাকা-৮ Logo শেরপুরে জামায়াত নেতা হত্যাকাণ্ড: স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক আটক

জাতীয় পরিচয়পত্রে ছবি না রাখার দাবি বগুড়ার পর্দানশীন নারীদের

নিজস্ব সংবাদ : দেশ২৪লাইভ

ছবি সংগৃহীত

জাতীয় পরিচয়পত্রে ছবি না রাখার দাবি বগুড়ার পর্দানশীন নারীদের।

জাতীয় পরিচয়পত্রে ছবি না রাখার দাবিতে বগুড়ায় মানববন্ধন ও বিক্ষোভ সমাবেশ করেছেন নারীরা।

বুধবার (২৯ জানুয়ারি) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে শহরের সাতমাথায় ‘বগুড়া জেলা পর্দানশীন নারী সমাজ’-এর ব্যানারে আয়োজিত কর্মসূচিতে শতাধিক নারী অংশ নেন। তারা জাতীয় পরিচয়পত্রে ছবির বদলে শুধু আঙুলের ছাপ দিয়ে নাগরিকের পরিচয় শনাক্তের দাবি জানান।

কর্মসূচিতে অংশ নেওয়া নারীদের পক্ষে মোছাম্মাত ওয়ালিদা খাতুন বলেন, বিগত ১৬ বছর পর্দানশীন নারীদের নাগরিকত্ববঞ্চিত করে রাখা হয়েছে। শুধু পরিপূর্ণ পর্দা করার কারণে তারা রাষ্ট্রে চরম বৈষম্যের শিকার হয়ে আসছেন। যোগ্য নাগরিক হওয়ার পরও ছবি তুলতে রাজি না হওয়ায় ১৬ বছর ধরে তাদের নাগরিকত্ব দেওয়া হয়নি। নাগরিকত্ব না থাকায় তারা রাষ্ট্রীয় নানা সুযোগ-সুবিধা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন।

ওয়ালিদা খাতুন আরও বলেন, জাতীয় পরিচয়পত্র তৈরিতে পুরুষের সামনে বাধ্যতামূলকভাবে মুখের পর্দা খুলে চেহারা দেখানো শুধু বিব্রতকর নয়, ইসলামবিরোধী কাজ। জাতীয় পরিচয়পত্রে ছবি তুলে পর্দানশীন নারীরা গুনাহগার হতে চান না। এ জন্য জাতীয় পরিচয়পত্র থেকে ছবি সরিয়ে শুধু ফিঙ্গারপ্রিন্ট (আঙুলের ছাপ) বাধ্যতামূলক করতে হবে। ভোটার তালিকা হালনাগাদ করার ক্ষেত্রে নারীদের কাছ থেকে তথ্য সংগ্রহ ও আঙুলের ছাপ নেওয়ার কাজে নারীদের নিয়োগ দিতে হবে। জাতীয় পরিচয়পত্রে ছবি রাখার সিদ্ধান্ত বাতিল করতে হবে। ফিঙ্গারপ্রিন্ট দিয়েই পরিচয় শনাক্ত নিশ্চিত করতে হবে।

কর্মসূচিতে অংশ নেওয়া নারীরা শিক্ষাঙ্গনে ভর্তি, ফরম পূরণসহ সব ক্ষেত্রে নারীদের ছবি তোলার বাধ্যবাধকতা বাতিল করার দাবি জানান। পরে তারা জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা ও জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা বরাবর স্মারকলিপি দেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপডেট সময় ১১:০৫:২৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ জানুয়ারী ২০২৫
১৫৪ বার পড়া হয়েছে

জাতীয় পরিচয়পত্রে ছবি না রাখার দাবি বগুড়ার পর্দানশীন নারীদের

আপডেট সময় ১১:০৫:২৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ জানুয়ারী ২০২৫

জাতীয় পরিচয়পত্রে ছবি না রাখার দাবি বগুড়ার পর্দানশীন নারীদের।

জাতীয় পরিচয়পত্রে ছবি না রাখার দাবিতে বগুড়ায় মানববন্ধন ও বিক্ষোভ সমাবেশ করেছেন নারীরা।

বুধবার (২৯ জানুয়ারি) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে শহরের সাতমাথায় ‘বগুড়া জেলা পর্দানশীন নারী সমাজ’-এর ব্যানারে আয়োজিত কর্মসূচিতে শতাধিক নারী অংশ নেন। তারা জাতীয় পরিচয়পত্রে ছবির বদলে শুধু আঙুলের ছাপ দিয়ে নাগরিকের পরিচয় শনাক্তের দাবি জানান।

কর্মসূচিতে অংশ নেওয়া নারীদের পক্ষে মোছাম্মাত ওয়ালিদা খাতুন বলেন, বিগত ১৬ বছর পর্দানশীন নারীদের নাগরিকত্ববঞ্চিত করে রাখা হয়েছে। শুধু পরিপূর্ণ পর্দা করার কারণে তারা রাষ্ট্রে চরম বৈষম্যের শিকার হয়ে আসছেন। যোগ্য নাগরিক হওয়ার পরও ছবি তুলতে রাজি না হওয়ায় ১৬ বছর ধরে তাদের নাগরিকত্ব দেওয়া হয়নি। নাগরিকত্ব না থাকায় তারা রাষ্ট্রীয় নানা সুযোগ-সুবিধা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন।

ওয়ালিদা খাতুন আরও বলেন, জাতীয় পরিচয়পত্র তৈরিতে পুরুষের সামনে বাধ্যতামূলকভাবে মুখের পর্দা খুলে চেহারা দেখানো শুধু বিব্রতকর নয়, ইসলামবিরোধী কাজ। জাতীয় পরিচয়পত্রে ছবি তুলে পর্দানশীন নারীরা গুনাহগার হতে চান না। এ জন্য জাতীয় পরিচয়পত্র থেকে ছবি সরিয়ে শুধু ফিঙ্গারপ্রিন্ট (আঙুলের ছাপ) বাধ্যতামূলক করতে হবে। ভোটার তালিকা হালনাগাদ করার ক্ষেত্রে নারীদের কাছ থেকে তথ্য সংগ্রহ ও আঙুলের ছাপ নেওয়ার কাজে নারীদের নিয়োগ দিতে হবে। জাতীয় পরিচয়পত্রে ছবি রাখার সিদ্ধান্ত বাতিল করতে হবে। ফিঙ্গারপ্রিন্ট দিয়েই পরিচয় শনাক্ত নিশ্চিত করতে হবে।

কর্মসূচিতে অংশ নেওয়া নারীরা শিক্ষাঙ্গনে ভর্তি, ফরম পূরণসহ সব ক্ষেত্রে নারীদের ছবি তোলার বাধ্যবাধকতা বাতিল করার দাবি জানান। পরে তারা জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা ও জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা বরাবর স্মারকলিপি দেন।