ঢাকা ০৭:১৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩০ নভেম্বর ২০২৫, ১৬ অগ্রহায়ণ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ :
Logo দুদকের তদন্তের মুখে ট্রান্সকম গ্রুপের সিইও সিমিন রহমান; শেখ হাসিনাকে ঘুষ দেওয়ার অভিযোগ Logo  তারেক রহমানের দেশে ফেরা প্রসঙ্গে সরকারের অবস্থান জানালেন পররাষ্ট্র উপদেষ্টা Logo  সিলেটে নিখোঁজ ছাতকের সৌরভ, খুঁজে পেতে সহযোগিতার আহ্বান Logo সচিবালয়ের মন্ত্রিপরিষদ ভবনে আগুন, অল্প সময়েই নিয়ন্ত্রণে ফায়ার সার্ভিস Logo ইতালিতে পাঁচ লাখ কর্মী নেওয়ার উদ্যোগ: আবেদন জমা দেওয়ার শেষ সময় কবে? Logo ঢাকায় রাশিয়ান রাষ্ট্রদূতের পক্ষ থেকে খালেদা জিয়ার দ্রুত আরোগ্য কামনা Logo খুলনা আদালত এলাকায় গুলিতে দুইজন নিহত: প্রত্যক্ষদর্শীদের বর্ণনায় যা উঠে এসেছে Logo ৬ লেন নির্মাণের দাবিতে সাতকানিয়ায় চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়ক অবরোধ Logo কুষ্টিয়ার ছয় হত্যা মামলায় ইনুর বিরুদ্ধে আজ ট্রাইব্যুনালে সূচনা বক্তব্য ও সাক্ষ্যগ্রহণ Logo আইরিশদের হারিয়ে সিরিজে সমতা ফেরাল বাংলাদেশ

শেখ হাসিনাসহ তিন আসামির বিরুদ্ধে আজ যুক্তিতর্কের দ্বিতীয় দিন

নিজস্ব সংবাদ :

 

জুলাই মাসে ঘটে যাওয়া গণঅভ্যুত্থানে মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে দায়ের করা মামলায় আজ দ্বিতীয় দিনের মতো যুক্তিতর্ক উপস্থাপন করা হবে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ তিন আসামির বিরুদ্ধে।

আজ সোমবার ট্রাইবুনাল-১–এ বিচারপতি গোলাম মর্তুজা মজুমদারের নেতৃত্বে এই শুনানি অনুষ্ঠিত হবে।

গতকাল মামলার প্রথম দিনের শুনানিতে প্রধান প্রসিকিউটর তাজুল ইসলাম তার যুক্তিতর্ক পেশ করেন। শুনানির অংশবিশেষ সরাসরি সম্প্রচারও করা হয়।

প্রসিকিউটরের বক্তব্যে উঠে আসে ১৯৭২ সালের আওয়ামী লীগ সরকারের শাসনামলের নানা দিক। তিনি বলেন, ওই সময় থেকেই দেশে ফ্যাসিবাদের ভিত্তি তৈরি হয়। বাকশাল গঠন করে রক্ষীবাহিনীর মাধ্যমে প্রায় ৩০ হাজার মানুষকে হত্যা করা হয়েছিল, যা পরবর্তীতে দীর্ঘ ১৭ বছর ধরে একই ধারায় চলতে থাকে।

চিফ প্রসিকিউটর আরও বলেন, ওই সময় বিচারবিভাগ ধ্বংস, পিলখানা হত্যাকাণ্ডের মাধ্যমে সামরিক বাহিনীর মনোবল ভাঙা, গুম ও ক্রসফায়ারের ঘটনা ঘনঘন ঘটেছে। এসব অভিযোগের ভিত্তিতে তিনি আসামিদের সর্বোচ্চ শাস্তির দাবি জানান।

গুম সংক্রান্ত মামলায় সেনা সদস্যদের গ্রেপ্তারের বিষয়ে তাজুল ইসলাম জানান, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল থেকে সময়মতো গ্রেপ্তারি পরোয়ানা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠানো হয়েছে। শুনানির সময় ট্রাইবুনাল মন্তব্য করে যে, বিচারকদের স্বেচ্ছাচারিতার বিরুদ্ধে আইনি বিধান থাকা প্রয়োজন।

এদিকে, ট্রাইবুনাল-২–এ আজ রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী আবু সাঈদ হত্যাকাণ্ড মামলার ১০ম দিনের সাক্ষ্যগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। গত বুধবার মামলার ৫৪তম ও শেষ সাক্ষী, তদন্ত কর্মকর্তা মো. আলমগীরের জেরা শেষ হয়।

এই মামলার বাকি দুই আসামি হলেন—সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল এবং পুলিশের সাবেক আইজিপি চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুন, যিনি মামলায় রাজসাক্ষী হিসেবে রয়েছেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপডেট সময় ১২:৫০:৫৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৫
৭১ বার পড়া হয়েছে

শেখ হাসিনাসহ তিন আসামির বিরুদ্ধে আজ যুক্তিতর্কের দ্বিতীয় দিন

আপডেট সময় ১২:৫০:৫৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৫

 

জুলাই মাসে ঘটে যাওয়া গণঅভ্যুত্থানে মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে দায়ের করা মামলায় আজ দ্বিতীয় দিনের মতো যুক্তিতর্ক উপস্থাপন করা হবে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ তিন আসামির বিরুদ্ধে।

আজ সোমবার ট্রাইবুনাল-১–এ বিচারপতি গোলাম মর্তুজা মজুমদারের নেতৃত্বে এই শুনানি অনুষ্ঠিত হবে।

গতকাল মামলার প্রথম দিনের শুনানিতে প্রধান প্রসিকিউটর তাজুল ইসলাম তার যুক্তিতর্ক পেশ করেন। শুনানির অংশবিশেষ সরাসরি সম্প্রচারও করা হয়।

প্রসিকিউটরের বক্তব্যে উঠে আসে ১৯৭২ সালের আওয়ামী লীগ সরকারের শাসনামলের নানা দিক। তিনি বলেন, ওই সময় থেকেই দেশে ফ্যাসিবাদের ভিত্তি তৈরি হয়। বাকশাল গঠন করে রক্ষীবাহিনীর মাধ্যমে প্রায় ৩০ হাজার মানুষকে হত্যা করা হয়েছিল, যা পরবর্তীতে দীর্ঘ ১৭ বছর ধরে একই ধারায় চলতে থাকে।

চিফ প্রসিকিউটর আরও বলেন, ওই সময় বিচারবিভাগ ধ্বংস, পিলখানা হত্যাকাণ্ডের মাধ্যমে সামরিক বাহিনীর মনোবল ভাঙা, গুম ও ক্রসফায়ারের ঘটনা ঘনঘন ঘটেছে। এসব অভিযোগের ভিত্তিতে তিনি আসামিদের সর্বোচ্চ শাস্তির দাবি জানান।

গুম সংক্রান্ত মামলায় সেনা সদস্যদের গ্রেপ্তারের বিষয়ে তাজুল ইসলাম জানান, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল থেকে সময়মতো গ্রেপ্তারি পরোয়ানা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠানো হয়েছে। শুনানির সময় ট্রাইবুনাল মন্তব্য করে যে, বিচারকদের স্বেচ্ছাচারিতার বিরুদ্ধে আইনি বিধান থাকা প্রয়োজন।

এদিকে, ট্রাইবুনাল-২–এ আজ রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী আবু সাঈদ হত্যাকাণ্ড মামলার ১০ম দিনের সাক্ষ্যগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। গত বুধবার মামলার ৫৪তম ও শেষ সাক্ষী, তদন্ত কর্মকর্তা মো. আলমগীরের জেরা শেষ হয়।

এই মামলার বাকি দুই আসামি হলেন—সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল এবং পুলিশের সাবেক আইজিপি চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুন, যিনি মামলায় রাজসাক্ষী হিসেবে রয়েছেন।