ঢাকা ০৫:০০ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৭ জানুয়ারী ২০২৬, ৪ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ :
Logo ইসলামী আন্দোলনের একক ভোটের সিদ্ধান্ত ঘিরে জোট রাজনীতিতে উত্তাপ, জামায়াত আমিরের ইঙ্গিতপূর্ণ বার্তা Logo শীর্ষস্থান পুনরুদ্ধার চট্টগ্রামের, বিদায় নিশ্চিত নোয়াখালীর Logo গাইবান্ধা-৩ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী আজিজার রহমান রংপুরে অচেতন অবস্থায় উদ্ধার Logo জামায়াতের জোটে না যাওয়ার সিদ্ধান্তে ইসলামী আন্দোলন: পেছনের প্রেক্ষাপট জানাল দল Logo আপিল শুনানির সপ্তম দিনে ৪৩ আবেদন নিষ্পত্তি, ১৮ প্রার্থীর পক্ষে রায় Logo জানুয়ারির প্রথমার্ধে রেমিট্যান্সে বড় উল্লম্ফন, প্রবৃদ্ধি প্রায় ৭০ শতাংশ Logo দক্ষিণ কোরিয়ার সাবেক প্রেসিডেন্টকে ৫ বছরের জেল Logo ২০২৫ সালে আয়ের শীর্ষে রোনালদো, মেসিকে পেছনে ফেলে আবারও এক নম্বর Logo নোয়াখালীতে নিখোঁজ বৃদ্ধের মরদেহ খাল থেকে উদ্ধার Logo জিগাতলায় আবাসিক ভবনে আগুন, ফায়ার সার্ভিসের তৎপরতায় নিয়ন্ত্রণে

এক ট্রলারেই এলো ১৯৫ মণ ইলিশ, উচ্ছ্বসিত জেলেরা

নিজস্ব সংবাদ : দেশ২৪লাইভ

ছবি সংগৃহীত

এক ট্রলারেই এলো ১৯৫ মণ ইলিশ, উচ্ছ্বসিত জেলেরা।

গত দুইদিনে বঙ্গোপসাগর থেকে ১৯৫ মণ ইলিশ নিয়ে পটুয়াখালীর কুয়াকাটার আলীপুর মৎস অবতরণ কেন্দ্রে এসেছে একটি ট্রলার। বৃহস্পতিবার (৯ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় এসব মাছ আলীপুরে মেসার্স ফাইভ স্টার ফিস নামের একটি মৎস্য আড়তে নিয়ে আসা হয়।

শুক্রবার (১০ জানুয়ারি) সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত মাছগুলো নিলামের মাধ্যমে বিক্রি হয় ৪০ লাখ ১৪ হাজার টাকায়।

 

এসব মাছ গত মঙ্গলবার (৭ জানুয়ারি) ও বুধবার (৮ জানুয়ারি) কুয়াকাটা থেকে পূর্ব-দক্ষিণ দিকে ৯০ কিলোমিটার গভীর সমুদ্রে ধরা পড়ে।
 
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, এফ.বি. বিসমিল্লাহ-১ নামের মাছ ধরার ট্রলারটি গত ৬ জানুয়ারি আলীপুর ঘাট থেকে ১৭জন জেলে নিয়ে সমুদ্রে ফিশিং করতে যায়। চার দিন সমুদ্রের বিভিন্ন এলাকায় জাল ফেলে কাঙ্খিত মাছগুলো ধরা পড়েছে।
 
 
মাছগুলো আলীপুর মৎস্য অবতরণ কেন্দ্রে নিয়ে এসে তিনটি সাইজে আলাদা করা হয়। ৬০০ গ্রাম থেকে ৮০০ গ্রাম ওজনের মাছ প্রতিমণ ৪০ হাজার টাকা, ৪০০ গ্রাম থেকে ৫০০ গ্রাম ওজনের প্রতিমণ মাছ ২৫ হাজার টাকা এবং ছোট সাইজের প্রতি মণ মাছ ১৫ হাজার টাকা দরে বিক্রি হয়েছে। অন্যান্য বিভিন্ন প্রজাতির মাছ ৫৪ হাজার টাকা বিক্রি হয়েছে।
 
সব মিলিয়ে ট্রলারটির মাছ বিক্রি হয়েছে ৪০ লাখ ১৪ হাজার টাকা।
 
ট্রলারের মাঝি একলাস গাজী বলেন, ‘আলীপুর ঘাট থেকে ১৭ জন জেলে সমুদ্রে যাই। ফিশিং করতে করতে কক্সবাজার সংলগ্ন গভীর সমুদ্রে জাল ফেলে মাছগুলো পেয়েছি। বর্তমানে সমুদ্রে মাছ বেশি ধরা পড়েছে না‌। এরমধ্যেও এতো মাছ পেয়ে আল্লাহ আমাদের দিয়েছেন। আলহামদুলিল্লাহ।’
 
 
এফবি বিসমিল্লাহ-১ ট্রলারের মালিক খলিলুর রহমান খান বলেন, অনেক দিন ধরে সাগরে খুব কম মাছ ধরা পড়ছে। আমাদের লোকসান গুণতে হচ্ছিল। এই মাছ বিক্রি করে আগের লোকসান কিছুটা কাটিয়ে উঠতে পারবো।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপডেট সময় ১০:২৯:১৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১০ জানুয়ারী ২০২৫
১০৯ বার পড়া হয়েছে

এক ট্রলারেই এলো ১৯৫ মণ ইলিশ, উচ্ছ্বসিত জেলেরা

আপডেট সময় ১০:২৯:১৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১০ জানুয়ারী ২০২৫

এক ট্রলারেই এলো ১৯৫ মণ ইলিশ, উচ্ছ্বসিত জেলেরা।

গত দুইদিনে বঙ্গোপসাগর থেকে ১৯৫ মণ ইলিশ নিয়ে পটুয়াখালীর কুয়াকাটার আলীপুর মৎস অবতরণ কেন্দ্রে এসেছে একটি ট্রলার। বৃহস্পতিবার (৯ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় এসব মাছ আলীপুরে মেসার্স ফাইভ স্টার ফিস নামের একটি মৎস্য আড়তে নিয়ে আসা হয়।

শুক্রবার (১০ জানুয়ারি) সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত মাছগুলো নিলামের মাধ্যমে বিক্রি হয় ৪০ লাখ ১৪ হাজার টাকায়।

 

এসব মাছ গত মঙ্গলবার (৭ জানুয়ারি) ও বুধবার (৮ জানুয়ারি) কুয়াকাটা থেকে পূর্ব-দক্ষিণ দিকে ৯০ কিলোমিটার গভীর সমুদ্রে ধরা পড়ে।
 
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, এফ.বি. বিসমিল্লাহ-১ নামের মাছ ধরার ট্রলারটি গত ৬ জানুয়ারি আলীপুর ঘাট থেকে ১৭জন জেলে নিয়ে সমুদ্রে ফিশিং করতে যায়। চার দিন সমুদ্রের বিভিন্ন এলাকায় জাল ফেলে কাঙ্খিত মাছগুলো ধরা পড়েছে।
 
 
মাছগুলো আলীপুর মৎস্য অবতরণ কেন্দ্রে নিয়ে এসে তিনটি সাইজে আলাদা করা হয়। ৬০০ গ্রাম থেকে ৮০০ গ্রাম ওজনের মাছ প্রতিমণ ৪০ হাজার টাকা, ৪০০ গ্রাম থেকে ৫০০ গ্রাম ওজনের প্রতিমণ মাছ ২৫ হাজার টাকা এবং ছোট সাইজের প্রতি মণ মাছ ১৫ হাজার টাকা দরে বিক্রি হয়েছে। অন্যান্য বিভিন্ন প্রজাতির মাছ ৫৪ হাজার টাকা বিক্রি হয়েছে।
 
সব মিলিয়ে ট্রলারটির মাছ বিক্রি হয়েছে ৪০ লাখ ১৪ হাজার টাকা।
 
ট্রলারের মাঝি একলাস গাজী বলেন, ‘আলীপুর ঘাট থেকে ১৭ জন জেলে সমুদ্রে যাই। ফিশিং করতে করতে কক্সবাজার সংলগ্ন গভীর সমুদ্রে জাল ফেলে মাছগুলো পেয়েছি। বর্তমানে সমুদ্রে মাছ বেশি ধরা পড়েছে না‌। এরমধ্যেও এতো মাছ পেয়ে আল্লাহ আমাদের দিয়েছেন। আলহামদুলিল্লাহ।’
 
 
এফবি বিসমিল্লাহ-১ ট্রলারের মালিক খলিলুর রহমান খান বলেন, অনেক দিন ধরে সাগরে খুব কম মাছ ধরা পড়ছে। আমাদের লোকসান গুণতে হচ্ছিল। এই মাছ বিক্রি করে আগের লোকসান কিছুটা কাটিয়ে উঠতে পারবো।