ঢাকা ০৩:৪৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৭ মে ২০২৬, ৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ :
Logo ফুটবল বিশ্বকাপকে সামনে রেখে শাকিরা ও বার্না বয়ের থিম সং ‘দাই দাই’ Logo পটুয়াখালীতে বন্ধ ঘর থেকে যুবকের মরদেহ উদ্ধার, রুমমেট পলাতক Logo বাংলাদেশি দুই শিক্ষার্থী হত্যার সন্দেহভাজন আবুঘরবেহ তিন বছর আগে মাকেও মারধর করেছিলেন Logo সংসদে নিজেকে ‘শিশু মুক্তিযোদ্ধা’ দাবি করলেন জামায়াত নেতা তাহের Logo সাকিবের পাশাপাশি মাশরাফি ও দুর্জয়কেও আলোচনায় আনতে বললেন তামিম Logo বিএনপির প্রতি আস্থা হারাচ্ছি: সংসদে নাহিদ ইসলামের মন্তব্য Logo নিপীড়নের আশঙ্কা জানালে ভিসা নয়—যুক্তরাষ্ট্রের নতুন নীতি Logo ভোজ্যতেলের দাম লিটারে ৪ টাকা বৃদ্ধি Logo ট্রাম্পকে ‘রাজার খোঁচা’ দিলেন ব্রিটিশ চার্লস, ফরাসি ভাষা নিয়ে ব্যঙ্গ Logo ডে-কেয়ারে হাত-পা বেঁধে রাখা ৫০ শিশু, নেশাদ্রব্য প্রয়োগের অভিযোগে তোলপাড়

ডে-কেয়ারে হাত-পা বেঁধে রাখা ৫০ শিশু, নেশাদ্রব্য প্রয়োগের অভিযোগে তোলপাড়

নিজস্ব সংবাদ : দেশ২৪লাইভ

ছবি সংগৃহীত

ইন্দোনেশিয়ার ইয়োগিয়াকার্তার একটি ডে-কেয়ার সেন্টারে শিশুদের ওপর ভয়াবহ নির্যাতনের অভিযোগে দেশজুড়ে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওতে দেখা যায়, প্রায় ৫০ জন শিশুকে হাত-পা বেঁধে একটি কক্ষের মেঝেতে ফেলে রাখা হয়েছে।

 

ভিডিওতে কিছু শিশুকে নিস্তেজ অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখা যায়, আবার কেউ কান্না করলেও কর্মীদের কোনো সাড়া দিতে দেখা যায়নি। অভিযোগ উঠেছে, শিশুদের অচেতন রাখতে তাদের মাদক জাতীয় পদার্থও খাওয়ানো হতো।

 

ঘটনার পরপরই পুলিশ বিষয়টি তদন্তের আওতায় আনে। প্রাথমিক অনুসন্ধানে জানা গেছে, ‘লিটল আরেশা’ নামের ওই প্রতিষ্ঠানে নিবন্ধিত ১০৩ জন শিশুর মধ্যে অন্তত ৫৩ জন এই নির্যাতনের শিকার হয়েছে, যাদের বেশিরভাগই দুই বছর বয়সী। অনেক শিশুকে ঘুমের মধ্যেও বেঁধে রাখার তথ্য পেয়েছেন তদন্তকারীরা।

 

ইয়োগিয়াকার্তার জালান পাকেলে এলাকায় অবস্থিত ডে-কেয়ার কেন্দ্রটি ইতোমধ্যে বন্ধ করে সিলগালা করা হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, প্রতিষ্ঠানের প্রধান, ব্যবস্থাপকসহ মোট ১৩ জনকে আটক করা হয়েছে এবং আরও প্রায় ৩০ জনকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে।

 

ইয়োগিয়াকার্তা মেট্রো পুলিশের প্রধান ইভা গুনা পান্ডিয়া এবং মুখপাত্র প্রধান কমিশনার ইহসান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

 

স্থানীয় কাউন্সিলর একো সুওয়ান্তো এই ঘটনাকে ‘অস্বাভাবিক অপরাধ’ হিসেবে উল্লেখ করে দোষীদের সর্বোচ্চ শাস্তির দাবি জানিয়েছেন। ইন্দোনেশিয়ার শিশু সুরক্ষা আইনে এ ধরনের অপরাধের জন্য কঠোর শাস্তির বিধান রয়েছে, যেখানে মৃত্যুদণ্ডও হতে পারে।

 

ভিডিওটি ‘সেরকান তানিলদিজি’ নামের একটি এক্স (সাবেক টুইটার) অ্যাকাউন্ট থেকে ছড়িয়ে পড়ার পর বিশ্বব্যাপী ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। এ ঘটনার পর দেশটিতে ডে-কেয়ার কেন্দ্রগুলোর নিরাপত্তা, তদারকি এবং শিশু সুরক্ষা ব্যবস্থা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপডেট সময় ০৩:৩৪:৪০ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬
২০ বার পড়া হয়েছে

ডে-কেয়ারে হাত-পা বেঁধে রাখা ৫০ শিশু, নেশাদ্রব্য প্রয়োগের অভিযোগে তোলপাড়

আপডেট সময় ০৩:৩৪:৪০ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬

ইন্দোনেশিয়ার ইয়োগিয়াকার্তার একটি ডে-কেয়ার সেন্টারে শিশুদের ওপর ভয়াবহ নির্যাতনের অভিযোগে দেশজুড়ে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওতে দেখা যায়, প্রায় ৫০ জন শিশুকে হাত-পা বেঁধে একটি কক্ষের মেঝেতে ফেলে রাখা হয়েছে।

 

ভিডিওতে কিছু শিশুকে নিস্তেজ অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখা যায়, আবার কেউ কান্না করলেও কর্মীদের কোনো সাড়া দিতে দেখা যায়নি। অভিযোগ উঠেছে, শিশুদের অচেতন রাখতে তাদের মাদক জাতীয় পদার্থও খাওয়ানো হতো।

 

ঘটনার পরপরই পুলিশ বিষয়টি তদন্তের আওতায় আনে। প্রাথমিক অনুসন্ধানে জানা গেছে, ‘লিটল আরেশা’ নামের ওই প্রতিষ্ঠানে নিবন্ধিত ১০৩ জন শিশুর মধ্যে অন্তত ৫৩ জন এই নির্যাতনের শিকার হয়েছে, যাদের বেশিরভাগই দুই বছর বয়সী। অনেক শিশুকে ঘুমের মধ্যেও বেঁধে রাখার তথ্য পেয়েছেন তদন্তকারীরা।

 

ইয়োগিয়াকার্তার জালান পাকেলে এলাকায় অবস্থিত ডে-কেয়ার কেন্দ্রটি ইতোমধ্যে বন্ধ করে সিলগালা করা হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, প্রতিষ্ঠানের প্রধান, ব্যবস্থাপকসহ মোট ১৩ জনকে আটক করা হয়েছে এবং আরও প্রায় ৩০ জনকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে।

 

ইয়োগিয়াকার্তা মেট্রো পুলিশের প্রধান ইভা গুনা পান্ডিয়া এবং মুখপাত্র প্রধান কমিশনার ইহসান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

 

স্থানীয় কাউন্সিলর একো সুওয়ান্তো এই ঘটনাকে ‘অস্বাভাবিক অপরাধ’ হিসেবে উল্লেখ করে দোষীদের সর্বোচ্চ শাস্তির দাবি জানিয়েছেন। ইন্দোনেশিয়ার শিশু সুরক্ষা আইনে এ ধরনের অপরাধের জন্য কঠোর শাস্তির বিধান রয়েছে, যেখানে মৃত্যুদণ্ডও হতে পারে।

 

ভিডিওটি ‘সেরকান তানিলদিজি’ নামের একটি এক্স (সাবেক টুইটার) অ্যাকাউন্ট থেকে ছড়িয়ে পড়ার পর বিশ্বব্যাপী ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। এ ঘটনার পর দেশটিতে ডে-কেয়ার কেন্দ্রগুলোর নিরাপত্তা, তদারকি এবং শিশু সুরক্ষা ব্যবস্থা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে।