ঢাকা ০৯:০১ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৩ মার্চ ২০২৬, ২৯ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ :
Logo হাসপাতালে মির্জা আব্বাসকে দেখতে গেলেন ডা. শফিকুর রহমান Logo নতুন মন্ত্রিসভায় ২ মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীর দপ্তর বণ্টন, গেজেট প্রকাশ Logo স্বৈরাচারের সমর্থক কেউ নেই, এটাই বর্তমান সংসদের সৌন্দর্য: পার্থ  Logo ফ্যাসিবাদের অবসান, নতুন গণতান্ত্রিক বাংলাদেশের শুরু: সংসদে রাষ্ট্রপতি Logo সংসদে ওয়াকআউটের পর ফেসবুকে হাসনাতের ‘গেট আউট চুপ্পু’ মন্তব্য Logo ইরাকে তেল ট্যাংকারে হামলা, নিহত এক ভারতীয় নাবিক Logo পাকিস্তানের ব্যাটিং ধসের রহস্য জানালেন নাহিদ রানা Logo বাংলাদেশ ও ভারতসহ ১৬ দেশের বাণিজ্যনীতি খতিয়ে দেখছে যুক্তরাষ্ট্র Logo ত্রয়োদশ সংসদের প্রথম অধিবেশন আজ, ‘১৭ বছরের অপেক্ষার ফল’—বললেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী Logo রাশিয়া থেকে কম দামে তেল আমদানিতে যুক্তরাষ্ট্রের বিশেষ ছাড় চায় বাংলাদেশ

প্যাটারসন-বোশের তোপে পাকিস্তানের ইনিংসের ইতি ২১১ রানে

নিজস্ব সংবাদ : দেশ২৪লাইভ

ছবি সংগৃহীত

প্যাটারসন-বোশের তোপে পাকিস্তানের ইনিংসের ইতি ২১১ রানে।

একপ্রান্তে করবিন বোশ আর অন্যপ্রান্তে ড্যান প্যাটারসন। দক্ষিণ আফ্রিকার দুই পেসারের তোপে দুই সেশনের বেশি ব্যাট হাতে দাঁড়াতে পারেনি পাকিস্তান।

সেঞ্চুরিয়নে বৃহস্পতিবার (২৬ ডিসেম্বর) সিরিজের প্রথম টেস্টে টস হেরে ব্যাটিংয়ের আমন্ত্রণ পেয়েছিল পাকিস্তান। কিন্তু ব্যাটারদের ব্যর্থতায় তাদের প্রথম ইনিংস থেমেছে ২১১ রানে।

সফরকারীদের নাস্তানাবুদ করে একাই ৫ উইকেট নিয়েছেন প্যাটারসন। বোশ নিয়েছেন ৪ উইকেট। পাকিস্তানের পক্ষে সর্বোচ্চ ৫৪ রানের ইনিংস খেলেছেন কামরান ঘুলাম।

 

টস হেরে ব্যাট করতে নেমে শুরুটা ভালোই ছিল পাকিস্তানের। শান মাসুদ ও সাইম আইয়ুব প্রথম ১৪ ওভারে দলকে বিপদমুক্ত রেখে ৩৬ রান এনে দেন। কিন্তু মাসুদের বিদায়ের পরই ঘটে বিপর্যয়। ৫৮ বলে ১৭ রান করে বোশের বলে মাসুদের বিদায়ের পর ২০ রানের ব্যবধানে পরবর্তী তিন উইকেট হারায় তারা। ৩৫ বলে ১৪ রান করে আইয়ুব আর ১১ বলে ৪ রান করে প্যাটারসনের শিকার হন বাবর আজম। কিছুটা আক্রমণাত্মক খেলে প্রতিরোধ গড়ার চেষ্টা করলেও ব্যর্থ হন সাউদ শাকিল। ৬ বলে ৩ চারের মারে ১৪ রান করে তিনি বোশের বলে কট বিহাইন্ড হন।
 
 
বিপর্যয়ে পড়া দলের হাল ধরেন কামরান ঘুলাম। তাকে সঙ্গ দেন মোহাম্মদ রিজওয়ান। দুজনের জুটিতে আসে ৮১ রান। দলীয় ১৩৭ রানে ঘুলামকে সাজঘরে ফেরান প্যাটারসন। ৭১ বলে ৮ চার ও ১ ছক্কায় ৫৪ রান করেন তিনি। এরপর ক্রিজে স্থায়ী হননি রিজওয়ানও। ৫ রানের ব্যবধানে তিনিও বিদায় নেন। ৬২ বলে ২ চারের মারে ২৭ রান করে তিনি প্যাটারসনের বলে ক্যাচ তুলে দেন।
 
সপ্তম উইকেটে কিছুটা প্রতিরোধ গড়ে তোলেন সালমান আলী আঘা ও আমের জামাল। দুজনের ৪৭ রানের জুটি ভাঙেন বোশ। ২৭ বলে ৪ চার ও ১ ছক্কায় ২৮ রান করে বোল্ড হন জামাল। পরের ওভারে সাজঘরের পথ ধরেন  সালমানও। ৩৪ বলে ১৮ রান করেন তিনি। ক্রিজে নেমে ২ বল খেলেই সাজঘরে ফিরে যান নাসিম শাহ। তাকেও শিকার করেন বোশ।
 
 
১৮৯ রানে ৯ উইকেট হারানো দলকে ২১১ রানে পৌঁছে দেন খুররাম শাহজাদ ও মোহাম্মদ আব্বাস। তাদের ২২ রানের জুটি ভাঙেন মার্কো ইয়ানসেন। খুররাম ১৬ বলে ১১ রান করে আউট হলেও আব্বার ২৮ বলে ১০ রানে অপরাজিত থাকেন।
 
 
 
  

নিউজটি শেয়ার করুন

আপডেট সময় ০৯:৫১:২৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ ডিসেম্বর ২০২৪
১৯২ বার পড়া হয়েছে

প্যাটারসন-বোশের তোপে পাকিস্তানের ইনিংসের ইতি ২১১ রানে

আপডেট সময় ০৯:৫১:২৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ ডিসেম্বর ২০২৪

প্যাটারসন-বোশের তোপে পাকিস্তানের ইনিংসের ইতি ২১১ রানে।

একপ্রান্তে করবিন বোশ আর অন্যপ্রান্তে ড্যান প্যাটারসন। দক্ষিণ আফ্রিকার দুই পেসারের তোপে দুই সেশনের বেশি ব্যাট হাতে দাঁড়াতে পারেনি পাকিস্তান।

সেঞ্চুরিয়নে বৃহস্পতিবার (২৬ ডিসেম্বর) সিরিজের প্রথম টেস্টে টস হেরে ব্যাটিংয়ের আমন্ত্রণ পেয়েছিল পাকিস্তান। কিন্তু ব্যাটারদের ব্যর্থতায় তাদের প্রথম ইনিংস থেমেছে ২১১ রানে।

সফরকারীদের নাস্তানাবুদ করে একাই ৫ উইকেট নিয়েছেন প্যাটারসন। বোশ নিয়েছেন ৪ উইকেট। পাকিস্তানের পক্ষে সর্বোচ্চ ৫৪ রানের ইনিংস খেলেছেন কামরান ঘুলাম।

 

টস হেরে ব্যাট করতে নেমে শুরুটা ভালোই ছিল পাকিস্তানের। শান মাসুদ ও সাইম আইয়ুব প্রথম ১৪ ওভারে দলকে বিপদমুক্ত রেখে ৩৬ রান এনে দেন। কিন্তু মাসুদের বিদায়ের পরই ঘটে বিপর্যয়। ৫৮ বলে ১৭ রান করে বোশের বলে মাসুদের বিদায়ের পর ২০ রানের ব্যবধানে পরবর্তী তিন উইকেট হারায় তারা। ৩৫ বলে ১৪ রান করে আইয়ুব আর ১১ বলে ৪ রান করে প্যাটারসনের শিকার হন বাবর আজম। কিছুটা আক্রমণাত্মক খেলে প্রতিরোধ গড়ার চেষ্টা করলেও ব্যর্থ হন সাউদ শাকিল। ৬ বলে ৩ চারের মারে ১৪ রান করে তিনি বোশের বলে কট বিহাইন্ড হন।
 
 
বিপর্যয়ে পড়া দলের হাল ধরেন কামরান ঘুলাম। তাকে সঙ্গ দেন মোহাম্মদ রিজওয়ান। দুজনের জুটিতে আসে ৮১ রান। দলীয় ১৩৭ রানে ঘুলামকে সাজঘরে ফেরান প্যাটারসন। ৭১ বলে ৮ চার ও ১ ছক্কায় ৫৪ রান করেন তিনি। এরপর ক্রিজে স্থায়ী হননি রিজওয়ানও। ৫ রানের ব্যবধানে তিনিও বিদায় নেন। ৬২ বলে ২ চারের মারে ২৭ রান করে তিনি প্যাটারসনের বলে ক্যাচ তুলে দেন।
 
সপ্তম উইকেটে কিছুটা প্রতিরোধ গড়ে তোলেন সালমান আলী আঘা ও আমের জামাল। দুজনের ৪৭ রানের জুটি ভাঙেন বোশ। ২৭ বলে ৪ চার ও ১ ছক্কায় ২৮ রান করে বোল্ড হন জামাল। পরের ওভারে সাজঘরের পথ ধরেন  সালমানও। ৩৪ বলে ১৮ রান করেন তিনি। ক্রিজে নেমে ২ বল খেলেই সাজঘরে ফিরে যান নাসিম শাহ। তাকেও শিকার করেন বোশ।
 
 
১৮৯ রানে ৯ উইকেট হারানো দলকে ২১১ রানে পৌঁছে দেন খুররাম শাহজাদ ও মোহাম্মদ আব্বাস। তাদের ২২ রানের জুটি ভাঙেন মার্কো ইয়ানসেন। খুররাম ১৬ বলে ১১ রান করে আউট হলেও আব্বার ২৮ বলে ১০ রানে অপরাজিত থাকেন।