ঢাকা ০৯:০৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৭ ডিসেম্বর ২০২৫, ৩ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ :
Logo আইপিএলে ইতিহাস গড়লেন মোস্তাফিজ, রেকর্ড দামে দলে নিল কলকাতা Logo বিজয় দিবসে সন্ধ্যায় জাতির উদ্দেশে ভাষণ দেবেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস Logo বিজয় দিবসে সন্ধ্যায় জাতির উদ্দেশে ভাষণ দেবেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস Logo বিজয় দিবসে জাতীয় স্মৃতিসৌধে জনসমুদ্র, শ্রদ্ধায় স্মরণ বীর শহীদদের Logo ভরিতে সর্বোচ্চ ১,৪৭০ টাকা বাড়ল স্বর্ণের দাম, নতুন দর কার্যকর ১৬ ডিসেম্বর থেকে Logo হাদি হত্যাচেষ্টা মামলায় ফয়সালের স্ত্রীসহ তিনজনের ৫ দিনের জিজ্ঞাসাবাদ মঞ্জুর Logo টাঙ্গাইলে ভেজাল জিরা বিক্রি করায় এক ব্যবসায়ীকে ২ লাখ টাকা জরিমানা Logo বিদেশে শরিফ ওসমান হাদির চিকিৎসা ব্যয় বহন করবে সরকার: অর্থ উপদেষ্টা Logo ‘একদম শুইয়ে দেব’, কোয়াব ম্যাচ ঘিরে মজার চ্যালেঞ্জ শান্তর Logo হাদির ওপর হামলা: ফয়সালের স্ত্রী, বান্ধবী ও শ্যালকসহ তিনজন র‌্যাবের হেফাজতে

ভূমিকম্পে বাথরুম কি সত্যিই নিরাপদ? জানুন বিজ্ঞান কী বলছে

নিজস্ব সংবাদ :

সংগৃহিত

ভূমিকম্পের সময় বাথরুমে আশ্রয় নেওয়া নিরাপদ—এমন ধারণা সামাজিক মাধ্যমে বেশ আলোচনা হচ্ছে। তবে বিশেষজ্ঞদের মতে, বিষয়টি সম্পূর্ণ নিরাপদ বলা যায় না। যদিও কিছু ক্ষেত্রে বাথরুমের দেয়াল একটু বেশি মজবুত হয়, তবুও এটি কখনোই নিশ্চিত নিরাপদ আশ্রয়ের তালিকায় পড়ে না।

সম্প্রতি ভূমিকম্প অনুভূত হওয়ার পর অনেকে পরামর্শ দিয়েছেন, কম্পন শুরু হওয়া মাত্র বাথরুমে চলে যেতে। কিন্তু বিজ্ঞান ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই ধারণা বিভ্রান্তিকর এবং অনেক ক্ষেত্রে ঝুঁকি বাড়িয়ে দিতে পারে। নিরাপদ থাকার মূল উপায় হলো শারীরিকভাবে স্থির থাকা, সঠিক নিয়ম জানা এবং ভবনের নিরাপত্তা কাঠামো সম্পর্কে ধারণা রাখা।

বাথরুম কেন অনিরাপদ হতে পারে?

বিল্ডিংয়ের অনেক স্থানে বাথরুম পিলারের পাশে বা তুলনামূলক শক্ত অংশে থাকলেও, সব ভবনে একই কাঠামো থাকে না। অনেক বাথরুমেই থাকে ভঙ্গুর টাইলস, কাঁচের আয়না, শাওয়ার স্ক্রিন, গিজার বা ভেজা মেঝে—যেগুলো ভূমিকম্পের সময় সহজেই ভেঙে বিপদ ডেকে আনতে পারে। দরজা আটকে যাওয়ার ঝুঁকিও বেশি থাকে, যা উদ্ধার কার্যক্রমকে বাধাগ্রস্ত করতে পারে।

অন্যদিকে ভূমিকম্পের সময় হঠাৎ দৌড় দিয়ে বাথরুমের দিকে গেলে পড়ে গিয়ে আঘাত পাওয়ার ঘটনাও ঘটতে পারে।

বিশ্বব্যাপী স্বীকৃত নিরাপদ পদক্ষেপ

ভূমিকম্পের সময় আন্তর্জাতিকভাবে যে নির্দেশনা অনুসরণ করা হয়—

  • জানালা, কাঁচ ও ভারি আসবাব থেকে দূরে থাকা

  • শক্ত কোনো ডেস্ক, টেবিল বা বিছানার নিচে আশ্রয় নেওয়া

  • লিফট ব্যবহার না করা

  • দরজার সামনে দাঁড়ানো এড়িয়ে চলা

  • কম্পন বন্ধ হলে নিরাপদভাবে নিচে নেমে আশ্রয় নেওয়া

বিশেষজ্ঞরা স্পষ্ট করে জানিয়েছেন— বাথরুম কখনোই নির্ভরযোগ্য আশ্রয় নয়। বরং সঠিক করণীয় জানা এবং প্রশিক্ষণ থাকলে ক্ষতির ঝুঁকি অনেক কমে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপডেট সময় ০৬:৪৬:১৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ নভেম্বর ২০২৫
৪৯ বার পড়া হয়েছে

ভূমিকম্পে বাথরুম কি সত্যিই নিরাপদ? জানুন বিজ্ঞান কী বলছে

আপডেট সময় ০৬:৪৬:১৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ নভেম্বর ২০২৫

ভূমিকম্পের সময় বাথরুমে আশ্রয় নেওয়া নিরাপদ—এমন ধারণা সামাজিক মাধ্যমে বেশ আলোচনা হচ্ছে। তবে বিশেষজ্ঞদের মতে, বিষয়টি সম্পূর্ণ নিরাপদ বলা যায় না। যদিও কিছু ক্ষেত্রে বাথরুমের দেয়াল একটু বেশি মজবুত হয়, তবুও এটি কখনোই নিশ্চিত নিরাপদ আশ্রয়ের তালিকায় পড়ে না।

সম্প্রতি ভূমিকম্প অনুভূত হওয়ার পর অনেকে পরামর্শ দিয়েছেন, কম্পন শুরু হওয়া মাত্র বাথরুমে চলে যেতে। কিন্তু বিজ্ঞান ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই ধারণা বিভ্রান্তিকর এবং অনেক ক্ষেত্রে ঝুঁকি বাড়িয়ে দিতে পারে। নিরাপদ থাকার মূল উপায় হলো শারীরিকভাবে স্থির থাকা, সঠিক নিয়ম জানা এবং ভবনের নিরাপত্তা কাঠামো সম্পর্কে ধারণা রাখা।

বাথরুম কেন অনিরাপদ হতে পারে?

বিল্ডিংয়ের অনেক স্থানে বাথরুম পিলারের পাশে বা তুলনামূলক শক্ত অংশে থাকলেও, সব ভবনে একই কাঠামো থাকে না। অনেক বাথরুমেই থাকে ভঙ্গুর টাইলস, কাঁচের আয়না, শাওয়ার স্ক্রিন, গিজার বা ভেজা মেঝে—যেগুলো ভূমিকম্পের সময় সহজেই ভেঙে বিপদ ডেকে আনতে পারে। দরজা আটকে যাওয়ার ঝুঁকিও বেশি থাকে, যা উদ্ধার কার্যক্রমকে বাধাগ্রস্ত করতে পারে।

অন্যদিকে ভূমিকম্পের সময় হঠাৎ দৌড় দিয়ে বাথরুমের দিকে গেলে পড়ে গিয়ে আঘাত পাওয়ার ঘটনাও ঘটতে পারে।

বিশ্বব্যাপী স্বীকৃত নিরাপদ পদক্ষেপ

ভূমিকম্পের সময় আন্তর্জাতিকভাবে যে নির্দেশনা অনুসরণ করা হয়—

  • জানালা, কাঁচ ও ভারি আসবাব থেকে দূরে থাকা

  • শক্ত কোনো ডেস্ক, টেবিল বা বিছানার নিচে আশ্রয় নেওয়া

  • লিফট ব্যবহার না করা

  • দরজার সামনে দাঁড়ানো এড়িয়ে চলা

  • কম্পন বন্ধ হলে নিরাপদভাবে নিচে নেমে আশ্রয় নেওয়া

বিশেষজ্ঞরা স্পষ্ট করে জানিয়েছেন— বাথরুম কখনোই নির্ভরযোগ্য আশ্রয় নয়। বরং সঠিক করণীয় জানা এবং প্রশিক্ষণ থাকলে ক্ষতির ঝুঁকি অনেক কমে।