ঢাকা ১১:৪০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ ২০২৬, ৩ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ :
Logo আজ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ১০৬তম জন্মবার্ষিকী Logo ‘ওয়ান সিটিজেন ওয়ান কার্ড’ চালুর পরিকল্পনা সরকারের Logo ট্রাম্প চাইলে পারস্য উপসাগরে জাহাজ পাঠাতে পারেন : ইরানের কড়া বার্তা Logo আগামী বছর থেকে স্কুলে ভর্তিতে লটারি পদ্ধতি আর থাকবে না Logo বাংলাদেশ-ভারতের অর্থনীতি ও জ্বালানি খাতে সহযোগিতা বাড়ানোর বিষয়ে আলোচনা Logo হরমুজ প্রণালির নিরাপত্তা ইস্যুতে চীনের সহায়তা চাইছেন ট্রাম্প Logo  দেশজুড়ে খাল খনন ও পুনঃখনন কর্মসূচির উদ্বোধন আজ Logo সংবিধান সংস্কার পরিষদ নিয়ে সংসদেই সমাধান চান বিরোধীদলীয় নেতা Logo আর্জেন্টিনা-স্পেন ফিনালিসিমা বাতিল, উয়েফা নিশ্চিত Logo  নেতানিয়াহুর মৃত্যু বা আহত হওয়া নিয়ে জল্পনা বাড়ছে, নেপথ্যে কয়েকটি কারণ

আইনজীবীদের কাছে ক্ষমা চেয়ে যা বললেন ব্যারিস্টার সুমন

নিজস্ব সংবাদ : দেশ২৪লাইভ

ছবি সংগৃহীত

আইনজীবীদের কাছে ক্ষমা চেয়ে যা বললেন ব্যারিস্টার সুমন।

আইনজীবীদের কাছে দুঃখ প্রকাশ করে ক্ষমা চেয়েছেন ব্যারিস্টার সৈয়দ সায়েদুল হক সুমন। মঙ্গলবার (২২ অক্টোবর) আদালতে রিমান্ড শুনানি শেষে এ কথা বলেন তিনি।

এদিন যুবদল নেতা হৃদয় মিয়াকে হত্যাচেষ্টা মামলায় সাবেক সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার সায়েদুল হক সুমনের ৫ দিনের রিমান্ড দিয়েছেন আদালত। আসামিপক্ষ জামিন আবেদন করলেও তা নাকচ করেন আদালত।

 

বেলা ১১টা ২০ মিনিটে ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে আনা হয় সুমনকে। এসময় তাকে হাজতখানায় রাখা হয়। এরপর বেলা ১১টা ৫৫ মিনিটে পুলিশের কড়া প্রহরায় তাকে আদালতে তোলা হয়।
 
রিমান্ড শুনানি শেষে আইনজীবীদের কাছে দুঃখ প্রকাশ করে ক্ষমা চান ব্যারিস্টার সৈয়দ সায়েদুল হক সুমন।
 
শুনানি শেষে ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতের প্রসিকিউটর ওমর ফারুক ফারুকীকে উদ্দেশ্য করে ব্যারিস্টার সুমন কথা বলতে চাইলে তিনি কথা বলতে রাজি হননি।
 
এসময় ব্যারিস্টার সুমন বলেন, ‘আপনার সঙ্গে আলাদা করে কিছু বলব না স্যার। আপনার মাধ্যমে সব আইনজীবীর কাছে দুঃখ প্রকাশ করছি। আমি খুব সরি স্যার।’
 
ছাত্র-জনতার আন্দোলনের সময় গেল ১৯ জুলাই রাজধানীর মিরপুরে গুলিবিদ্ধ হন যুবদল নেতা হৃদয় মিয়া। পরে ব্যারিস্টার সায়েদুল হক সুমনকে ৩ নম্বর আসামি করে মিরপুর মডেল থানায় হত্যাচেষ্টা মামলা করেন তিনি। মঙ্গলবার ঢাকার সিএমএম আদালতে তোলা হয় এই আইনজীবী ও সাবেক আইন প্রণেতাকে। এসময় নিজেই সাংবাদিকদের দেখান তার হাতের হাতকড়া।
 
মামলার শুনানিতে ব্যারিস্টার সুমনের বিরুদ্ধে ভোট ডাকাতি ও দুর্নীতির অভিযোগ তোলেন রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবীরা। এছাড়া স্বতন্ত্র এমপি হওয়া সত্ত্বেও জুলাই আন্দোলনসহ বিভিন্ন ইস্যুতে আওয়ামী লীগের পক্ষে তার বক্তব্যের নিন্দা জানান তারা। পরে মামলায় জড়িতদের বিষয়ে বিস্তারিত তথ্যের জন্য ১০ দিনের রিমান্ড আবেদন করেন তদন্তকারী কর্মকর্তা।
 
 
এদিকে আসামির আইনজীবীরা কোনো যুক্তিতর্ক ছাড়াই সুমনের জামিন আবেদন করেন। শুনানি শেষে ৫ দিনের রিমান্ড আদেশ দেন চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত।
 
শুনানির সময় বিচারকের কাছে নিজের পক্ষে কথা বলার আবেদন করেন ব্যারিস্টার সুমন। আদালত তাকে অনুমতি দিলেও পরে কিছু বলেননি তিনি।
 
সোমবার মধ্যরাতে রাজধানীর মিরপুরে বোনের বাসা থেকে গ্রেফতার করা হয় হবিগঞ্জ-৪ আসনের সাবেক এই সংসদ সদস্যকে।
 

নিউজটি শেয়ার করুন

আপডেট সময় ০২:৪০:৪০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ অক্টোবর ২০২৪
১৫৯ বার পড়া হয়েছে

আইনজীবীদের কাছে ক্ষমা চেয়ে যা বললেন ব্যারিস্টার সুমন

আপডেট সময় ০২:৪০:৪০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ অক্টোবর ২০২৪

আইনজীবীদের কাছে ক্ষমা চেয়ে যা বললেন ব্যারিস্টার সুমন।

আইনজীবীদের কাছে দুঃখ প্রকাশ করে ক্ষমা চেয়েছেন ব্যারিস্টার সৈয়দ সায়েদুল হক সুমন। মঙ্গলবার (২২ অক্টোবর) আদালতে রিমান্ড শুনানি শেষে এ কথা বলেন তিনি।

এদিন যুবদল নেতা হৃদয় মিয়াকে হত্যাচেষ্টা মামলায় সাবেক সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার সায়েদুল হক সুমনের ৫ দিনের রিমান্ড দিয়েছেন আদালত। আসামিপক্ষ জামিন আবেদন করলেও তা নাকচ করেন আদালত।

 

বেলা ১১টা ২০ মিনিটে ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে আনা হয় সুমনকে। এসময় তাকে হাজতখানায় রাখা হয়। এরপর বেলা ১১টা ৫৫ মিনিটে পুলিশের কড়া প্রহরায় তাকে আদালতে তোলা হয়।
 
রিমান্ড শুনানি শেষে আইনজীবীদের কাছে দুঃখ প্রকাশ করে ক্ষমা চান ব্যারিস্টার সৈয়দ সায়েদুল হক সুমন।
 
শুনানি শেষে ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতের প্রসিকিউটর ওমর ফারুক ফারুকীকে উদ্দেশ্য করে ব্যারিস্টার সুমন কথা বলতে চাইলে তিনি কথা বলতে রাজি হননি।
 
এসময় ব্যারিস্টার সুমন বলেন, ‘আপনার সঙ্গে আলাদা করে কিছু বলব না স্যার। আপনার মাধ্যমে সব আইনজীবীর কাছে দুঃখ প্রকাশ করছি। আমি খুব সরি স্যার।’
 
ছাত্র-জনতার আন্দোলনের সময় গেল ১৯ জুলাই রাজধানীর মিরপুরে গুলিবিদ্ধ হন যুবদল নেতা হৃদয় মিয়া। পরে ব্যারিস্টার সায়েদুল হক সুমনকে ৩ নম্বর আসামি করে মিরপুর মডেল থানায় হত্যাচেষ্টা মামলা করেন তিনি। মঙ্গলবার ঢাকার সিএমএম আদালতে তোলা হয় এই আইনজীবী ও সাবেক আইন প্রণেতাকে। এসময় নিজেই সাংবাদিকদের দেখান তার হাতের হাতকড়া।
 
মামলার শুনানিতে ব্যারিস্টার সুমনের বিরুদ্ধে ভোট ডাকাতি ও দুর্নীতির অভিযোগ তোলেন রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবীরা। এছাড়া স্বতন্ত্র এমপি হওয়া সত্ত্বেও জুলাই আন্দোলনসহ বিভিন্ন ইস্যুতে আওয়ামী লীগের পক্ষে তার বক্তব্যের নিন্দা জানান তারা। পরে মামলায় জড়িতদের বিষয়ে বিস্তারিত তথ্যের জন্য ১০ দিনের রিমান্ড আবেদন করেন তদন্তকারী কর্মকর্তা।
 
 
এদিকে আসামির আইনজীবীরা কোনো যুক্তিতর্ক ছাড়াই সুমনের জামিন আবেদন করেন। শুনানি শেষে ৫ দিনের রিমান্ড আদেশ দেন চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত।
 
শুনানির সময় বিচারকের কাছে নিজের পক্ষে কথা বলার আবেদন করেন ব্যারিস্টার সুমন। আদালত তাকে অনুমতি দিলেও পরে কিছু বলেননি তিনি।
 
সোমবার মধ্যরাতে রাজধানীর মিরপুরে বোনের বাসা থেকে গ্রেফতার করা হয় হবিগঞ্জ-৪ আসনের সাবেক এই সংসদ সদস্যকে।